MBS SAMIR

MBS SAMIR

Share

রক্তে আমার অনাদি অস্থি,গদ্য,কবিতার জন?

08/11/2018

স্মৃতিশক্তি অটুট রাখতে খেতে হবে যে খাবারগুলো !
|
সমীক্ষা বলছে আয়ু বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা গত
কয়েক দশকে মারাত্মক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রায় ৪৭
মিনিয়ান মানুষ অ্যালঝাইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো স্মৃতিশক্তি লোপ
পাওয়ার মতো রোগে ভুগছে। অ্যালঝাইমার হল এমন রোগ যাতে ব্রেন টিস্যুগুলি ধীরে
ধীরে শুকিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে সময় যত এগোতে থাকে, তত স্মৃতিশক্তি
লোপ পেতে শুরু করে। এক সময় গিয়ে তো নিজের পরিচয়টুকুও মনে রাখতে
পারেন না রোগী। আর সবশেষে নিজেকে ভুলে গিয়ে জীবনের শেষ চ্যাপ্টারটা কখন
যে শেষ হয়ে যায়, তা রোগী জেনে উঠতেও পারেন না।
আপনিও কি চান নিজের সবথেকে বড় সম্পদ, স্মৃতিশক্তিকে হারিয়ে ফেলে ভয়ঙ্কর
এক শেষ জীবন পেতে? উত্তর যদি না হয়, তাহলে এখন থেকেই প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা নিন। তাহলে অন্তত স্মৃতি চোরের খপ্পরে পরতে হবে না!
এখন প্রশ্ন হল, কিভাবে মেমরিকে মেরামত করতে পারবেন, যাতে ফাঁক গোলে কোনও
মধুর স্মৃতি পালিয়ে যেতে না পারে? এক্ষেত্রে কতগুলি খাবার দারুন উপকারে
আসে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কিছু খাবার আছে যেগুলি কম বয়স
থেকেই নিয়মিত খেতে শুরু করলে ব্রেন পাওয়ার এতটা বৃদ্ধি পায় যে স্মৃতিশক্তি
লোপ পাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে আসে। যে যে খাবারগুলি এক্ষেত্রে বিশেষ
ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল…
বাদাম
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি
অ্যাসিড। এই দুটি উপাদান স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে
ব্রেন পাওয়ার বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এক্ষেত্রে ৫-১০ টা বাদাম এক গ্লাস পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখার পর সকালে
উঠে বাদামটা বেটে নিন। তারপর এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে সেই বাদামের
পেস্টটা ফুটিয়ে নিয়ে খেয়ে ফেলুন। এই পানীয়টি টানা ৩০-৪০ দিন যদি খেতে
পারেন তাহলে পরিবর্তনটা নিজেই বুঝতে পারবেন।
কালোঞ্জি
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান এবং নিউরন প্রটেকটিং প্রপার্টিজে
ভরপুর এই প্রাকৃতিক উপাদানটি মস্তিষ্কের খেয়াল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে
থাকে। প্রসঙ্গত, জার্নাল অব এথনোফার্মাকোলজিতে প্রকাশিত একটি
গবেষণা পত্র অনুসারে প্রতিদিন ৫০০ এম জি করে কালঞ্জি খেলে স্মৃতিশক্তির দারুন
উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে ব্রেনের কগনেটিভ ফাংশান দ্রুত গতিতে হতে শুরু করে।
প্রসঙ্গত, প্রতিদিন, দিনে দুবার হাফ চামচ কালঞ্জির সঙ্গে অল্প করে মধু মিশিয়ে খেলে
এক্ষেত্রে দারুন উপকার পাওয়া যায়।
আমলকি
২০০৭ সালে জার্নাল অব ফিজিওলজি অ্যান্ড বিহেভিয়ারে প্রকাশিত এক রিপোর্ট
অনুসারে আমলাতে উপস্থিত ভিটামিন সি অ্যালঝাইমার রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ
ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি
ঘটিয়ে নানাবিধ রোগকে দূরে রাখতেও সাহায্য করে থাকে। এক কথায় ব্রেনের
পাশাপাশি যদি শরীরের খেয়াল রাখতে চান, তাহলে আমলকি খেতে ভুলবেন না যেন!
ব্রাহ্মি শাক
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এই শাকটির যে কোনও বিকল্প নেই, তা একটু বড় হতেই জেনে
গিয়েছিলাম। আসলে যখনই দাদুকে পড়ার উত্তর ঠিক মতো দিতে পারতাম না
তখনই দাদু হাঁক ছেড়ে মাকে বলতেন আমাকে ব্রাহ্মি শাখ খাওয়ানোর জন্য।
আসলে এই শাকটির অন্দের থাকা নিউরোপ্রটেকটিভ এজেন্ট মেমরি পাওয়ার
বাড়ানোর পাশাপাশি ডিপ্রেশন এবং অ্যাংজাইটি কমাতেও দারুন কাজে আসে।
তাই তো যারা কাজের চাপে বা অন্য কোনও কারণে বেজায় মানসিক চাপের
মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তারা এই শাকটি খাওয়া শুরু করতে পারেন। দেখবেন
উপকার মিলবে।
মাছ
হে বাঙালি আধুনিকতার চক্করে মাছ খাওয়া ভুলে যেও না যেন! যদি এমনটা
কর, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ! কারণ মাছের শরীরে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি
অ্যাসিড স্মৃতিশক্তির খেয়াল রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই তো মাছ খাওয়া
ছাড়লে চলবে না বন্ধুরা। জানবেন, যতদিন রুই-কাতলারা আমাদের সঙ্গে
আছে, ততদিন অ্যালঝাইমার আমাদের ছুঁতেও পারবে না।
দারুচিনি এবং মধু
এক চামচ মধুর সঙ্গে এক চিমটে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন।
দেখবেন ব্রেন পাওয়ার তো বাড়বেই, সেই সঙ্গে অনিন্দ্রাও দূর হবে। প্রসঙ্গত,
আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা তো এও বলে থাকেন যে দারুচিনির গন্ধও যদি নিয়মিত
নিতে পারেন, তাহলেও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

#ফিইচার_ডাঃসামির

চামড়া রফতানি করা হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী 29/08/2018

কাঁচা চামড়া রফতানির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। কারণ কাঁচা চামড়া রফতানি করা হলে দেশের চামড়াশিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে -------------------------------------তোফায়েল (https://bit.ly/2wsl2xE)

ঠাকুর ঘরে কে রে ?
আমি কলা খাই না।
চামড়া আমরা ভারত পাঠাবো না !!!

চামড়ার ট্যানারিগুলো হাজারিবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে স্থানান্তরের পর মন্ত্রী তোফায়েল গিয়েছিলো ট্যানারিমালিকদের সাথে দেখা করতে। সরকারের অসহযোগীতার কারণে হেমায়েতপুরের ট্যানারিগুলো চামড়া প্রসেসিং এর জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠেনি। এ নিয়ে ট্যানারি মালিকরা মন্ত্রীর কাছে তাদের দুঃখ বর্ণনা করছিলো। তাদের দুরবস্থার সমাধান দেয়া তো দূরের কথা, উল্টা বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল তখন বলেছিলো: “চামড়ার ব্যবসা করতে না পারেন, চানাচুরের ব্যবসা করেন। আপনারা চামড়া না নিবেন, আমরা সব চামড়া ভারত পাঠিয়ে দেবো।”

আসলে সরকার এই আচরণ বহু দিন ধরেই করছে। তারা মিডিয়ার সামনে বলছে একটা, কিন্তু করছে আরেকটা। সরকার চামড়া নিয়ে ফুল সেট-আপ এমনভাবে করেছে যেন বাংলাদেশের চামড়া ভারত চলে যায়, ভারতের চামড়া শিল্প দাড়িয়ে যায় এবং বাংলাদেশের চামড়া শিল্প ধ্বংস হয়ে যায়। মুখে বলছে- চামড়া শিল্পের উন্নতি করা হবে, কিন্তু বাস্তবে চামড়া শিল্পকে আরো মাটির সাথে মিটিয়ে দিচ্ছে। যেমন- চামড়া শিল্পকে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের (বিসিক) অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। অথচ চামড়া শিল্প হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য পোষাক শিল্পের পর বড় সবচেয়ে বড় শিল্প। যদিও বিসিকের (ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প) মোটেও ক্ষমতা নাই, চামড়ার মত একটি বড় শিল্পকে নেতৃত্ব দেয়ার। কিন্তু এর কোন পরিবর্তন নাই।

মন্ত্রী তোফায়েল নিজ মুখে স্বীকার করছে, এ বছর চামড়ার দাম কমানো সঠিক ছিলো। (https://bit.ly/2MYhgWX)
উল্লেখ্য চামড়ার পণ্যের মূল্য আকাশ ছোয়া হলেও সরকার বছর বছর চামড়ার দাম কমিয়ে যাচ্ছে। যেমন: প্রতিবর্গফুটের দাম
২০১৩ সালে ৮৫ -৯০ টাকা।
১০১৪ সালে ৭৫-৮০ টাকা
২০১৫ সালে ৫০ টাকা,
২০১৬ ৫০-৫৫ টাকা
২০১৭ সালে ৫০-৫৫ টাকা এবং
২০১৮ ৪৫-৫০ টাকা। (https://bit.ly/2MsMxB6)

বাংলাদেশের চামড়ার মূল্যগুলো সাধারণ যায় মাদ্রাসা বা ইসলামী শিক্ষালয়গুলোতে। যদি চামড়ার দাম কমিয়ে দেয়া যায়, তবে অটোমেটিক মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে অর্থের অভাবে বসিয়ে দেয়া সম্ভব। চামড়ার মূল্য কমানোর একটি অন্যতম কারণ এটি ।
এছাড়া আরেকটি কারণ হলো, এবারের চামড়াগুলো ভারতে পাচার করা। উল্লেখ্য, চামড়ার ট্যানারিগুলো হেমায়েতপুরে স্থানাস্তর করা হলেও সরকারের অবহেলার কারণে সেগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়নি। ফলে ট্যানারিমালিকরা চামড়া কিনতে পারছে না। এতে চামড়াগুলো ভারতে পাচার হওয়া সহজ হয়ে যায়। (https://bit.ly/2MAGATx)
সরকার পুরো বিষয়টি মধ্যস্থতা করেছে, কারণ তার ব্রোকারি মানি আছে। সরকারী ঘোষণা মাধ্যমে যদি চামড়ার দাম কমিয়ে দেয়া যায়, তবে পুরো লাভটা আওয়ামী সরকারের পকেটে আছে। তোফায়েল নিজেই বলছে- চামড়া পাচার হলে বাংলাদেশের ট্যানারি শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে, কিন্তু সে ও তার দল বাস্তবেই চায়, বাংলাদেশের চামড়া ও ট্যানারি শিল্প ধ্বংস হয়ে যাক। এবং ভারতের ট্যানারি শিল্প দাড়িয়ে যাক। বেড়া নিজেই যদি গাছ খেয়ে ফেলে, তবে সেই বেড়া দিয়ে গরু-ছাগল ঠেকাবেন কিভাবে ?

চামড়া রফতানি করা হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী কাঁচা চামড়া রফতানির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, কাঁচা চা.....

Want your business to be the top-listed Business in Hathazari?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Kolabagn, Bus Stand, Hathazari, Chittagong
Hathazari
4330