Ekramul Hoq RUBEL
মানব জীবনে ইসলামের প্রয়োগ। Work agrani bank
ধর্মের দুইটি রুপ রয়েছে। এক ঐশীতন্ত্র দুই মোল্লাতন্ত্র। ঐশীতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো ঐশী ইচ্ছা, অর্থাৎ ধর্মের এই ধরণে মানুষ চালিত হয় স্রষ্টার ইচ্ছার কাছে নিজের ইচ্ছা আত্মসমর্পণ করার মধ্য দিয়ে।
অন্যদিকে, মোল্লাতন্ত্রের মুল লক্ষ্য হলো কতিপয় মোল্লা পুরোহিত পাদ্রীর ইচ্ছা। এখানে মোল্লারা যে কোন ধর্মের অনুসারীদের ইচ্ছা, স্বপ্ন, কল্পনা, আশা, ভয়, হতাশা, যৌনতা এমন কি মানবীয় প্রায় সকল অনুভূতি গুলোকে একটা নির্দিষ্ট ছকে এঁকে দেয়। এই ছকটা আঁকে মূলত তাদের স্বার্থ রক্ষার তাগিদে। স্বার্থের উপর নির্ভর করে ধর্মের কিতাব গুলোকে তারা নিজেদের মতো ব্যাখ্যা করে। আর এই ব্যাখ্যাকে পাক কিতাব বলে সাধারণ ধর্মাবলম্বীদের উপর চাপিয়ে দেয়। সেটা কি হিন্দু,কি মুসলিম,কি খৃষ্টান কি বৌদ্ধ সব ধর্মের বেলায় একই নীতি অনুসরন করা হয়।
স্বৈরতন্ত্রের সাথে মোল্লাতন্ত্রের মুল জায়গা থেকে সাদৃশ্য আছে বিধায় তারা নিজেদের মধ্যে ধর্ম এবং রাজনীতির মৈত্রী স্থাপন করে মানুষের ইহকাল এবং পরকাল নিয়ন্ত্রণ করে।
রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বৈরতন্ত্র বাই নেচার মোল্লাতন্ত্রের সাথে আঁতাত করে থাকে। একই সাথে মোল্লাতন্ত্র তার ব্যবসা এবং কর্তৃত্ব টিকিয়ে রাখার স্বার্থে বাই নেচার রাষ্ট্র ক্ষমতায় সবসময় স্বৈরতন্ত্রের সহযোগী হয়ে থাকে। মোয়াবিয়া শাশন আমল তার অনন্য দৃষ্টান্ত।
16/04/2024
কিছু আরবী শব্দের বাংলা অনুবাদ নিয়ে
সঠিক বাংলা অনুবাদ - Ekramul Hoq ১] সালাত ( প্রচলিত অনুবাদ নামাজ) (প্রকৃত বাংলা রবের আদেশের অনুশীলন) ২] সিয়াম ( প্রচলিত অনুবাদ রোজা) ( প্রকৃত বাংলা অনুব....
-------------------;--;প্যারালাল
কুমারী কুন্ত মন্ত্র সাধন করলে সূর্য দেবতা তার সামনে উপস্থিত হতে বাধ্য হন এবং দেবতার অদৃশ্য আশির্বাদে কুমারী কুন্ত গর্ভবতি হয়ে পঞ্চপান্ডবের জন্ম দেন।
কুমারী মারিয়াম আ: আল্লাহর কুদরতে গর্ভপতি হন এবং ঈসা আ: এর জন্ম দেন।
বেদ মানুষকে চার ভাগে ভাগ করেছে ব্রাহ্মন, ক্ষত্রীয়, বৈশ্য, শুদ্র। অথচ সেই বেদ পড়ার অধিকার নাই শুদ্রের।
শাস্ত্র মতে শূদ্র অস্পৃশ্য জাতি। সেই অস্পৃশ্য জাতীকে একমাত্র ব্রাহ্মন মন্ত্র পড়ে স্বর্গে পাঠাতে পারে ।
ব্রাহ্মন্যবাদ আর মোল্লাতন্ত্র মুদ্রার এপিট ওপিট। তারা যেন স্রষ্টার পক্ষ হতে মানুষকে স্বর্গে পাঠানোর নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলার।
সনাতনের মনুসিংহতা এক শ্রেনীর মানুষকে সম্মানের চরম শিখরে পৌঁছে দেয়, আরেক শ্রেনীর মানুষকে নামিয়ে দেয় অপমানের অতল অন্ধকারে।
বেদে মানুষকে চার শ্রেনীতে ভাগ করে।
ব্রাহ্মন -- ভগবানের মুখ হতে সৃষ্টি
ক্ষত্রিয় - বাহু যুগল হতে সৃষ্টি
বৈশ্য -- উরু হতে সৃষ্টি
শূদ্র --ব্রহ্মার পদ যুগল হতে সৃষ্টি, শূদ্রের গলায় এ জন্য কালো সুতো পড়িয়ে দেওয়া হয় যাতে সমাজ সহজে চিনতে পারে এরা নীচু জাতি।
অনুরুপ বিবি হাওয়া আদমের বাম পাঁজর হতে সৃষ্টি। তাই স্বামীর পায়ের নীচে তার স্বর্গ।
কখনও কখনও মানুষ সত্য শুনতে চায় না কারণ তারা তাদের বিভ্রান্তিগুলি ধ্বংস করতে চায় না।"
মানুষ নিজেই নিজের স্বর্গ বা নরকের সৃষ্টিকর্তা, আর তার নিজের ভুল ছাড়া অন্য কোন শয়তান নেই"।
বেদ মানুষকে চার ভাগে ভাগ করেছে ব্রাহ্মন, ক্ষত্রীয়, বৈশ্য, শুদ্র। অথচ সেই বেদ পড়ার অধিকার নাই শুদ্রের।
শাস্ত্র মতে শূদ্র অস্পৃশ্য জাতি। সেই অস্পৃশ্য জাতীকে একমাত্র ব্রাহ্মন মন্ত্র পড়ে স্বর্গে পাঠাতে পারে ।
ব্রাহ্মন্যবাদ আর মোল্লাতন্ত্র মুদ্রার এপিট ওপিট। তারা যেন স্রষ্টার পক্ষ হতে মানুষকে স্বর্গে পাঠানোর নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলার।
কালের বিবর্তনে মহাকাব্য রুপান্তর হয়ে গেল মহাভারতে। বুখারীও আজ অনুরুপ ঠাই করে নিয়েছে অস্তি মজ্জায়।
মুল গ্রন্থে যাই থাকুক _____
৫ ওয়াক্ত সালাত:
১/ ফজর- (১৭:৭৮), (১১:১১৪), (০৭:২০৫), (৩০:১৭) ও (৩৮:১৮)
২/ যোহর - (১৭:৭৮) ও (৩০:১৮)
৩/ আছর- (১১:১১৪),(১৭:৭৮),(০২:২৩৮), (৩০:১৭) ও (৩৮:১৮)
৪/ মাগরিব- (১৭:৭৮), (১১:১১৪) ও (০৭:২০৫)
৫/ ইশা- (১৭:৭৮), (১১:১১৪) ও (৩০:১৮)
পবিত্র কুরআনে উল্লিখিত সালাতের অসংখ্য আয়াতের মধ্যে এইগুলি সামান্য কয়েকটি আয়াত মাত্র।যে আয়াত গুলিতে সালাত কায়েমের সুনির্দিষ্ট সময় নির্ধারন করে বর্ননা করা হয়েছে।
পবিত্র কুরআনে সালাতের সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে বর্ননা করে নির্ধারিত সময়ে সালাত কায়েমে ব্রতি হতে বলা হলেও অনেকে সালাতের আনুষ্ঠানিকতাকে বিশ্বাস করেন না।
তারা কোন কিছুর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম করা ছাড়াই কোনকিছু কিভাবে কায়েম/প্রতিষ্ঠিত করার কথা প্রচার করেন এটা বোধগম নয়।
প্রকৃত পক্ষে সালাত কুরআনে উল্লিখিত সালাত,সিয়াম, হজ্জ,যাকাত-ইসলামের অসংখ্য ইবাদতের মধ্যে একটা ইবাদত।
আল্লাহ ইনসান/মানুষ জাতীকে তাঁর ইবাদত করা ব্যতিত আর কিছুর জন্যই সৃষ্টি করেন নাই,এটাও কুরআনের ঘোষনা।কিন্তু কুরআনে উল্লিখিত এইসব আনুষ্ঠানিক ইবাদতকে অস্বীকার করে এগুলিকে অবমুল্যায়িত করে চলেছেন বিভিন্ন বিবৃতি বক্তব্যের মাধ্যমে।
অনেক ইসলামিক গবেষকগন সালাত,সিয়াম,হজ্জ, যাকাতকে অবজ্ঞা করে শুধুমাত্র আমিলুস সালিহান/নেক আমল/সৎকর্ম সম্পাদনের কথা বলে থাকেন কিন্তু সেই সৎকর্ম গুলি কি কি জিজ্ঞাসা করলে, তা সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করতে সমর্থ হয়।
যে সৎকর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে জান্নাতের কথা কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে,সেই সৎকর্ম গুলি কি কি তাদের কাছে তার সুষ্পষ্ট জবাব নেই।জবাবে যে দু'একটি আয়াত তুলে ধরেন সেই আয়াতের মধ্যেও সালাত ও যাকাতের উল্লেখ থাকে।
প্রকৃতপক্ষে তারা জানেই না যে,প্রত্যেক ইবাদতই নেক আমল/সৎকর্মের অন্তর্ভুক্ত।তথা সালাত,সিয়াম,হজ্জ, যাকাত,দান-খয়রাত সবকিছু মিলেই সৎকর্ম/নেক আমল।
সালাতে যদি কোন আনুষ্ঠানিকতা না থাকে তাহলে উপরে কুরআনের আয়াতে উল্লিখিত আয়াত গুলিতে কোন কোন সৎকর্ম/নেক আমল কিভাবে করতে হবে লসব সুনির্দিষ্ট সময় গুলিতে তারা সেটা কেনো বর্ননা করেন না!
তাদের কাছে কি প্রশ্ন করতে পারি যে,তাদের মনোনিত নেক আমল/সৎকর্ম/আমলে সালেহ গুলি কি শুধুমাত্র ঐ সুনির্দিষ্ট সময়/ওয়াক্ত গুলিতেই করতে হবে?এই উল্লিখিত সুনির্দিষ্ট সময়ের বাহিরে কি কোন নেক আমল/সৎকর্ম করার সুযোগ নেই।
সালাত,সিয়াম,হজ্জ,যাকাত,দান-খয়রাত যদি নেক আমল না হয়,তাহলে কুরআনে উল্লিখিত ঐ সুনির্দিষ্ট সময়ে কি কি নেক আমল/সৎকর্ম করতে হবে তা একটু বলবেন কি?
নেক আমল করার প্রস্তুতির জন্য আল্লাহর ইবাদত করার মাধ্যমে মন-মানষিকতা তৈরীর জন্য আল্লাহর ইবাদতের কোন প্রয়োজন নেই কি?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Jamalpur
2000