Multinational Products
Hi there
this is a multinational products shop.here all kinds of electronic products are sold. are available here.you can safely purchase the product.
13/03/2025
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ফিতরার একটি হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে। যার সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা ও সর্বনিম্ন পরিমাণ ১১০ টাকা। চলুন জেনে নিই আমরা কোন পরিমাণ দিয়ে ফিতরা আদায় করব।
২০২৫ সালের ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক ঘোষিত ফিতরার পরিমাণ
পনির দিয়ে ফিতরা: ২৮০৫ টাকা
খেজুর দিয়ে ফিতরা: ২৩১০ টাকা
কিসমিস দিয়ে ফিতরা: ১৯৮০ টাকা
যব দিয়ে ফিতরা: ৫৩০ টাকা
গম বা আটা দিয়ে ফিতরা: ১১৫ টাকা
উপরের ফিতরার পরিমাণ কিন্তু নির্দিষ্ট নয়!
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বাজারমূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী ওই পণ্যগুলোর যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবে। পণ্যসমূহের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। তাই স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে। অর্থাৎ উপরের টাকার পরিমাণই চূড়ান্ত ও ফিক্সড নয়। বরং স্থানীয় বাজার মূল্যে কোয়ালিটি অনুযায়ী পণ্যের মূল্য দিয়েও ফিতরা আদায় করা যাবে।
সব অঞ্চলে সব পণ্যের দাম একরকম থাকে না। আবার একই অঞ্চলে একই পণ্য বিভিন্ন মানেরও পাওয়া যায়। উপরোক্ত যে কোনো একটি পণ্যের (তা যে মানেরই হোক) স্থানীয় বাজার মূল্য হিসাব করে ফিতরা আদায় করলেও চলবে। তবে এতটুকু মনে রাখতে হবে, আটা বা গম দিয়ে হিসাব করলে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম আর অন্যগুলো দিয়ে হিসাব করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের মূল্য হিসাব করতে হবে। এটা একজনের ফিতরা।
প্যাকেটজাত আটার বাজারমূল্য ৬৮ টাকা কেজি হিসেবে ধরলে জনপ্রতি ফিতরা দাড়ায় ১১২.২ টাকা, যা রাউন্ডফিগারে ১১৫ টাকা বলা যায়। যদি কোনো এলাকায় ৬০ টাকায় খোলা আটা পাওয়া যায়, তবে সেখানকার কেউ চাইলে এ মূল্য হিসেবে ৯৯ বা ১০০ টাকা ফিতরা আদায় করতে পারবেন।
খেজুর দিয়ে ফিতরার হিসাব কেমন হবে?
মূল্যের তারতম্য বেশি হয় খেজুরের ক্ষেত্রে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে খেজুরের মূল্য প্রতি কেজি ৭০০ টাকা ধরে ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩১০ টাকা। অথচ বাজারে এর চেয়ে আরও অনেক বেশি মূল্যের খেজুর যেমন রয়েছে, আছে অনেক কম মূল্যের খেজুরও। অনেকেই এমন আছেন, যারা সর্বনিম্ন পরিমাণে ফিতরা আদায় করতে চান না, আবার ৭৫০ টাকা কেজির খেজুরের হিসাবেও ফিতরা আদায় করার সামর্থ্য রাখেন না। তারা চাইলে আরও কম মূল্যের খেজুর দিয়েও ফিতরা আদায় করতে পারেন। কেউ যদি ২০০ টাকা কেজি মূল্যের খেজুর দিয়ে ফিতরা আদায় করতে চান, তবে তিনি ৬৬০ টাকা আদায় করতে পারেন। আবার যাদের সামর্থ্য বেশি আছে, তারা চাইলে ১০০০ বা ১২০০ টাকা মূল্যের খেজুর দিয়েও ফিতরা হিসাব করতে পারেন। সেক্ষেত্রে জনপ্রতি ফিতরা হবে ৩৩০০ টাকা বা ৩৯৬০ টাকা। এভাবে হিসাব করে খুব সহজেই আমরা খেজুরের মূল্য দিয়ে ফিতরা আদায় করতে পারি।
একইভাবে কিসমিস-যব-পনির দিয়ে আদায় করতে চাইলেও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত হারেই ফিতরা দিতে হবে- এটা জরুরি নয়। বরং আমরা যে পণ্য দিয়ে ফিতরা আদায় করতে চাই, সেটার যে কোনো একটি মানের বাজারমূল্য অনুসারে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের মূল্য আদায় করলেই তা ঐ পণ্য দিয়ে ফিতরা আদায় হয়েছে বলে গণ্য হবে।
সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ ফিতরা হিসাব করি
তাই আসুন, আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ পরিমাণ ফিতরা আদায় করি। রমজান মাসে তো আমরা এমনিতেই কিছু দান করি। এ দান নফল, কিন্তু ফিতরা ওয়াজিব। আর নফল দান সাদাকার চেয়ে ওয়াজিব দানের সওয়াব অনেক অনেক গুণ বেশি। তাই বেশি মূল্যমানের পণ্য দিয়ে ফিতরা আদায়ের চেষ্টা করি। আল্লাহ আমাদেরকে তাওফিক দান করুন। আমীন।
21/02/2025
‘চাচা, হেনা কোথায়?’ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত সংলাপ। এ নিয়ে অনেক হাস্যরসও হয়েছে। অবশেষ হেনাকে খুঁজে পেলেন বাপ্পারাজ। দুজনের দেখা হলো টাঙ্গাইলে।
আজ অভিনেতা নাঈম তাঁর নিজ বাড়ি টাঙ্গাইলের সাহেব বাড়িতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। সোখানে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বাপ্পারাজসহ অনেকেই। এসময় নাঈমের সঙ্গে থাকা শাবনাজকে দেখে আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন বাপ্পারাজ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Kowry
Manikganj
1830