mpn24.com

mpn24.com

Share

Mirsarai Probashe News.

Photos 20/11/2014

জেএমবি, হুজি ও শিবিরের ৩২ বোমা বিশেষজ্ঞের হদিস খুঁজে পাচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থা!
আফগানিস্তানের যুদ্ধের পর যেসব বাংলাদেশী জঙ্গী সদস্য উন্নতমানের বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে আসে এরা তাদের অন্যতম। এ ৩২ জনের বাইরে ২ জনের ফাঁসি হয়েছে, বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর সময় মৃত্যু ঘটেছে ১ জনের। আরেকজন পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে।
চট্টগ্রামে জেএমবি ও শিবিরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জঙ্গী ও বোমা বিশেষজ্ঞদের বিচরণ থাকায় পুলিশ এদের হন্যে হয়ে খুঁজলেও অদ্যাবধি কোন হদিস মেলেনি। সিএমপির একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, এ তিনটি সংগঠনের আস্তানা থেকে উদ্ধারকৃত গ্রেনেড ও বিস্ফোরিত বোমার আলামত মিলিয়ে দেখা গেছে, এগুলো একই আদলে একই প্রক্রিয়ায় তৈরি। গ্রেনেড তৈরির পদ্ধতি ও ব্যবহৃত উপকরণ থেকে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিশেষজ্ঞ ছাড়া এ ধরেনর বোমা অন্যদের পক্ষে তৈরি করা সম্ভব নয়। এ বিষয়টি গত মঙ্গলবার ঢাকায় সফররত ভারতীয় গোয়েন্দাদের কাছে জানানো হয়েছে সিএমপির পক্ষ থেকে।
সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামের লালখান বাজার মাদ্রাসা ও বাকলিয়ায় বড় ধরনের বোমা বিস্ফোরণের বড় দুটি ঘটনা ঘটে। লালখান বাজার মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে যে ৩ জনের মৃত্যু হয় তন্মধ্যে বোমা বিশেষজ্ঞ শিবির ক্যাডার নুরুন নবীও ছিল। তাকে জীবিত রাখা গেলে প্রয়োজনীয় বহু তথ্য পাওয়া যেতে বলে পুলিশের ধারণা। এছাড়া শায়খ আবদুর রহমান ও বাংলা ভাইয়ের সঙ্গে ফাঁসির দ-ে ঝুলেছে বোমা বিশেষজ্ঞ আতাউর রহমান সানিসহ ২ জন। অপর বোমা বিশেষজ্ঞ মিজান ওরফে বোমারু মিজান ময়মনসিংহের ত্রিশালে পুলিশ হেফাজত থেকে পালানোর পর তার কোন খোঁজ মেলেনি। ধারণা করা হচ্ছে, সে সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। অপরদিকে, বাকলিয়ায় বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত অবস্থায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় শিবির ক্যাডার নছরুল। নগরীর হালিশহর থেকে যে গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছিল তাও ইতোপূর্বে উদ্ধারকৃত গ্রেনেডের সঙ্গে মিল রয়েছে। এর আগে ২০০৮ সালে টেরিবাজার এলাকা থেকে যে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেডসহ জেএমবি সদস্য মাসুম গ্রেফতার হয় সে গ্রেনেডও একই ধরনের।
সিএমপির শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা বোমা বিশেষজ্ঞদের গ্রেফতারে নানামুখী তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছেন। কিন্তু এরা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে বলে তাদের ধারণা। তাদের মতে, জঙ্গীদের মধ্যে পাকিস্তানে প্রশিক্ষিত কিছু সদস্যও রয়েছে। এদের গোপন যোগাযোগ চলে বিভিন্নভাবে। কারও কারও মোবাইল নম্বর পুলিশের হাতে থাকলেও এরা প্রতিনিয়ত নম্বর পাল্টিয়ে যোগাযোগে নিয়ত থাকায় ট্যাকিং করা যাচ্ছে না।
এদিকে ভারতের বর্ধমানে বিস্ফোরণের ঘটনায় ঢাকায় ভারতীয় জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএর সঙ্গে বাংলাদেশের পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও র‌্যাবের সঙ্গে বৈঠকের পর জঙ্গী তালিকা বিনিময় হলেও বোমা বিশেষজ্ঞদের তালিকা নিয়ে কোন কথা উঠেনি। অথচ, এ বোমা বিশেষজ্ঞরাই নিয়মিতভাবে বোমা ও গ্রেনেড তৈরি করে জঙ্গীদের দিয়ে একের পর এক বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটাচ্ছে।

Photos 03/10/2014

চট্টগ্রামের ৬০ গ্রামে ঈদ শনিবার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের প্রায় ৬০টি গ্রামে শনিবার ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। চন্দনাইশ উপজেলার জাহাঁগিরিয়া শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ ও মির্জারখিল দরবার শরীফের অনুসারীরা ঈদুল আজহার নামাজ শেষে পশু কোরবানি করবেন।

চন্দনাইশে জাহাঁগিরিয়া শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ ঈদগাহ ময়দানে মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ আলী (মা.) এবং সাতকানিয়ায় মির্জারখিল দরবার শরীফের পীর হযরত মাওলানা মোহাম্মদ আরেফুল হাইয়ের বড় ছেলে মুফতি মাওলানা মকছুদুর রহমান ঈদের নামাজে ঈমামতি করবেন।

মির্জারখিল দরবার শরীফের পীর মুফতি মাওলানা মকছুদুর রহমান বলেন, ‘বিগত আড়াইশ’ বছরের অধিক সময় ধরে সৌদি আরবে হজ পালনের পরের দিন এ দরবারের অনুসারীরা ঈদুল আজহা উদযাপন করে আসছেন। সে হিসেবে দরবারের ভক্তরা অন্যান্য বছর বাংলাদেশে একদিন আগে ঈদ করত। কিন্তু এবার দুইদিন আগে ঈদ করছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্তরা ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এরইমধ্যে সাতকানিয়া মির্জারখিল দরবারে আসা শুরু করেছেন।’

সাতকানিয়া মির্জারখিল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বজলুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘মির্জারখিল গ্রামের মানুষ আগামীকাল ঈদের নামাজ আদায় করে পশু কোরবানি করবে। দীর্ঘ প্রায় আড়াইশ’ বছর ধরে মির্জারখিল দরবারের মুরিদরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে রোজা পালন, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন।’

এ ছাড়াও মমতাজিয়া দরবার শরীফ ও মির্জারখিল দরবার শরীফ অনুসারীরা একই সময়ে সকাল ৯টায় চট্টগ্রামের পশ্চিম এলাহাবাদ, উত্তর কাঞ্চন নগর, জুনিগোনা, আব্বাস পাড়া, মাঝের পাড়া, স্টেশন, দীঘিরপাড়, কুন্দুপাড়া, কেশুয়া, মোহাম্মদপুর, হরালা, সাতবাড়িয়া, উত্তর হাশিমপুর, সৈয়দাবাদ, খুনিয়ার পাড়া, বাঁশখালীর জলদী, গুনাগড়ি, কালিপুর, গণ্ডামারার মিরিঞ্জিতলা, ছনুয়া, সাধনপুর, আনোয়ারার তৈলারদ্বীপ, বাথুয়া, বারখাইন, বোয়ালখালীর চরণদ্বীপ, খরণদ্বীপ, লোহাগড়ার বড়হাতিয়া, আমিরাবাদ, চুনতি, পুটিবিলা, উত্তর সুখছড়ি, আধুনগর, সাতকানিয়ার মির্জাখিল, বাংলাবাজার, মাইশামুড়া, খোয়াছপাড়া, বাজালিয়া, কাঞ্চনা, গাঠিয়াডাঙ্গা, পুরানগর, মালেয়াবাদ গ্রামসহ সীতাকুণ্ড, সন্ধীপ, মিরসরাই, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, উখিয়া, বান্দরবান ও আলীকদমে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত আদায় করবেন।

এ ছাড়াও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, কুতুবপুর, ফেনীসহ নারায়ণগঞ্জে একটি, বরিশাল সিটি করপোরেশনে তিনটি, বাবুগঞ্জে চারটি, হিজলায় দুইটি, মেহেন্দিগঞ্জে দুইটি, বন্দরথানা সাহেবের হাটে দুইটি, বাকেরগঞ্জে একটি, ঝালকাঠিতে একটি, বাউফলে ১০টি, গলাচিপায় একটি, রাঙ্গাবালিতে ৯টি, কলাপাড়ায় ১১টি ও বরগুনায় একটি গ্রামে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

Want your business to be the top-listed Media Company in Mirsarai?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Mirsarai
4320