Hamzah Tech Land
মানুষের হাতে স্মার্টফোন রয়েছে কিন্তু মানুষ আজও স্মার্ট হতে পারে নি
একটা মিশর + ওমরাহ যাত্রীর ঘটনা লিখছি :
একজন মধ্য বয়ষ্ক আলেম এসেছিল কয়েক মাস আগে আমার কাছে, যে রুম্মান হামযাহ ভাই আমাকে মিশর + ওমরাহ ভিসা করে দিন আমি শুধুমাত্র আল্লাহর ঘর আর মিশরের প্রাচীন সভ্যতা দেখতে চাই.. আমি গরীব মানুষ তবে মনের মধ্যে সখ মিশরটা দেখার.. একটু আপনি আমাকে পাঠানোর ব্যবস্থা করে দিন
আমি তাকে বলি সব কিছু করতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মিনিমাম লাগবে..
সে আমাকে বলে যে ১ লাখ ৩০ এর মধ্যে যেভাবেই হোক করে দেন.. আল্লাহর ঘরটা দেখার সুযোগ করে দিন..
আমিও ভাবলাম ওকে গরীব মানুষ করে দেই.. এবং বলেছি আমার এখানে এক টাকাও লাভ হবে না.. একদম টানে টানে কাজ হবে... ১ লাখ ৩০ হাজারে..
তারপর সে বলল তার সাথে তার বড় ভাই যাবে, তো দুজনের জন্য ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিবে । বললাম আচ্ছা ঠিক আছে ।
দুদিন পরে আমাকে বলছে মানুষ তো সব্বাই এক হয় না, আপনি আমাকে একটা ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার চ্যাক লিখে দিন। আমার সেফটির জন্য । আমার যদিও দিতে ইচ্ছে হচ্ছিলো না কিন্তু সরলতার জন্য না করিনি, দিয়ে দিয়েছি চ্যাক লিখে৷
তারপর আমি তার টিকিট করি.. মদিনা টু ঢাকার ফ্লাইট করি বিমান বাংলাদেশে... এবং মিশরে ৭ দিন মক্কা + মদিনায় ১৪ দিন এমন করে মোট ২২ দিনের একটা সফর করি..
তাকে টিকিট দেওয়ার ২ দিন পরে সে আমাকে বলতেছে মক্কা মদিনা মন ভরে দেখব.. আমাকে মাত্র ১৪ দিন দিলেন আরো এক সপ্তাহ বাড়িয়ে দিন... এখন বলুনতো আমি কিভাবে এটা বাড়াবো.??
তারপর এয়ারলাইন্স এর সাথে যোগাযোগ করার পরে তারা জানাইলো ৭ দিন যদি আরো বাড়াই তাহলে ৯২০০৳ লাগবে.. আমি তাকে জানাইলে সে আমাকে বলে আপনি করে দিবেন... আমি কেন টাকা দিব ?? এটা আপনার দায়িত্ব!!
আমি অনেক বুঝানোর পরেও আমাকে মাত্র ৩৫০০৳ দিতে সম্মত হয়েছে.. ( কিন্তু আজো সেই টাকা দেয় নি)
অনুন্যপায় হয়ে করে দিলাম ডেট চেঞ্জ...
ডেট চেঞ্জ করার পরে রাতের বেলা আমাকে আবার কল দিয়েছে যে ব্যাগেজ মাত্র ৩০ কেজি কেন ?? আমার তো মালামাল থাকবে, দু দেশ যাবো কিনা কাটা করব!! ৫০ কেজি না হলে হবে না...
আমি পরে বললাম আপনি আমাকে যে টাকা দিয়েছেন তা তো সব শেষ আরো আমার থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে..
উত্তরে আমাকে বলল : কোন কিছুই মন মত হলো না...
পরবর্তীতে তার সকল কিছু ওকে বাট মিশরে যাওয়ার ২/৩ দিন আগেও তার মিশরের এপ্রুভাল এবং ওকে টু বোর্ড আসে নি...
অনেক চেষ্টার পরেও আসে নি..
আমি তাকে বললাম আপনার তো মিশরের ভিসা আসে নি.. যেহেতু ওমরাহ এর ভিসা এসেছে তো ওমরাহ টা করে আসুন... আল্লাহ যেহেতু কবুল এটার জন্য করেছে...
এবং আপনার মিশরের ভিসার যেই টাকাটা আমার কাছে আছে আমি তা আপনাকে ফেরত দিয়ে দিব.. এবং আরো ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে দিব...
কিন্তু সে বলল আমি ওমরাহ করব না.. আমার ওমরাহ করার ইচ্ছা নেই... আমাকে মিশরের ভিসা দিয়ে পাঠাইতে পারলে পাঠান নতুবা আমার ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ফেরত দিন..
আমি আমার পাসপোর্টকে ভাড়ি করার জন্য মিশরের ভিসা করতে চাইছি... ওমরাহ করার জন্য না !!
এদিক দিয়ে আমি তার সকল টাকাই খরচ করে ফেলেছি ওমরাহ ভিসা.. ঢাকা টু কায়রো.. কায়রো টু জেদ্দা.. মদিনা টু ঢাকার ফ্লাইট করা শেষ.. আমি এত টাকা ফেরত দেবই বা কী করে.???
তদুপরি সে আমাকে দিয়েছেই একদম কম টাকা.. তার আর কোন টাকাই অবশিষ্ট নেই..
এবং কায়রো টু জেদ্দার টিকিট ছিল নন চেঞ্জেবল এবং নন রিফান্ডেবল তার মানে সেখানে পুরো টিকিটই বাদ..
এবং ঢাকা টু কায়রোর টিকিট টি কেন্সেল করার পরে মাত্র অর্ধেক টাকা ফেরত দিয়েছে... ( গাল্ফ এয়ার)
গত ৩ দিন আগে তার এপ্রুভাল এসেছে.. এখন নতুন করে টিকিট করতে হবে.. ঢাকা টু কায়রো,,,, কায়রো টু জেদ্দা.. আমার কাছে তার টিকিটের জন্য আছে মাত্র ৫৬ হাজার টাকা..
আর তার টিকিট করতে লাগবে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মানে ৭৪ হাজার টাকা বেশি আরো দরকার...
আমি তাকে বললাম... যে আপনার টিকিট করতে আরো এত টাকা লাগবে...
সে উত্তরে বলতেছে আপনাকে আমি কাজ দিয়েছি.. এপ্রুভাল আসে নি আপনার দোষ আপনি আমাকে যেভাবেই হোক মিশর পাঠাবেন নতুবা আমার একাউন্টে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ফেরত দিবেন..
তাকে অনেক বুঝালাম.. বাট সে এক টাকাও দিবে না.. এবং পুর্ণ টাকা ফেরত চায়..
অথচ এপ্রুভাল না আসার উপর কী আমার কোন হাত আছে মিশরের ইমিগ্রেশন থেকে তাকে এপ্রুভাল দেয় নি ????
আজকে ৩ দিন ধরে বুঝানোর পরেও সে এক টাকাও দিবে না.. এবং আমাকে হুমকী দিচ্ছে... এবং পুর্ন টাকা ফেরত সে চাচ্ছে.. আর এত টাকা আমি কোথেকেই বা দিব।।
যাই হোক শেষ মেষ আমি অন্য মানুষের থেকে টাকা নিয়ে তাদের টিকিট করে দিচ্ছি...
আল্লাহ তার পথকে সহজ করে দিক...
14/10/2024
☘️ স্পন্সর প্রয়োজন ☘️
মিশরের আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের হাজারো মাদ্রাসার ছাত্রদের স্বপ্ন।
কিন্তু অনেক ছাত্র আর্থিক অসচ্ছলতার দরুন অত্যন্ত মেধাবী হওয়া সত্তেও সেখানে পড়তে পারে না..
তাই আমরা মেধাবী দরিদ্র ছাত্রদেরকে ফ্রীতে আল আযহারে পাঠানো এবং তাদের পড়াশোনার খরচ বাবদ সকল কিছুর দায়িত্ব নেওয়ার পথ অন্বেষণ করছি !
তাই আমাদেরকে আল্লাহ তায়ালা যে রিযিক দান করেছেন, আমরা ইচ্ছে করলে এই ছাত্রদের পড়াশোনার দায়িত্ব খুব সহজেই নিতে পারি..
আগ্রহী স্পন্সররা যোগাযোগ করলে অনেক যুবকের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে ইনশা আল্লাহ,
এবং দুনিয়ার জমীনে আরো কিছু বিশ্বমানের কুরআনের খাদেম তৈরি হবে।
স্পন্সররা চাইলে ছাত্রদের সকল কিছু তদন্ত করে আল্লাহকে খুশি করার জন্য এগিয়ে আসতে পারেন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Muhammadpur