Hello Pigeon

Hello Pigeon

Share

I will sell best Pigeon, That is rear in Bangladesh

07/11/2018

♥ সাল্মোনেল্লোসিস প্রতিরোধ ও প্রতিকারক
লেবু, চিনি ও বিট লবন মিশ্রণ ♥

শ্লেষ্মাযুক্ত আঠালো পায়খানা,ফেনা ও দূর্গন্ধযুক্ত ডাইরিয়া,দেহ ক্রমাগত শুকিয়ে যাওয়া,ভারসাম্য হীনতা ও পক্ষাঘাত সালমেনোসিস রোগের লক্ষন।

তীব্র আকারের আক্রান্তর ক্ষেত্রে :

ঝীমায়শাষকষ্ট হয় ।সাদা আঠাল / চুনা পায়খানা করে ।গারো সবুজ পায়খানা করে ।অনেক সময় পায়খানা পিছনের পালকে লেগে থাকে ।পা খোরায় ,পাখা ঝুলে পরে ।বমি করে ।খাবার খায়ণাহ , পাণি বেশী খায় ।
এটি খুবই ব্যাপক রোগ, সাধারণত এটি যা গ্রাম-ঋণাত্মক(Gram Negative) ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা ঘটিত হয় । এই রোগ বাচ্চা কবুতরের জন্য বরং মরণশীল এবং বড়দের জন্য ও এটি খুব দ্রুত চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে. এই রোগকে বলা হয় সব রোগের জন্মদাতা, তাই এই রোগ হলে তাড়াতাড়ি নির্মূলের ব্যাবস্থা করা উচিৎ।
কবুতরকে পরিস্কার খাবার ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকলে এই রোগ থেকে ৭০% দূরে থাকা যায়।

গম,চিনা,বাজরা সরিষা ইত্যাদি বাজার থেকে কিনে এনে দু এক দিন কড়া রোদে শুকিয়ে নিলেই চলবে।

অথবা,
চুলার আগুনে হালকা গরম করে কবুতরকে পরিবেশন করবেন।

♥কবুতরের জন্য নিষিদ্ধ খাবার♥

♥√চিনা
♥√রেজা
♥√ভুট্টা ভাঙ্গা বা পপকর্ন
হলুদ পপকর্ন দানাদার বা আসতো এ সালমোনিল্লা৷, রোগ বহন করে।

♥কবুতরের জন্য নিষিদ্ধ পানি♥

♥√ কাঁচা পানি , অর্থাৎ ট্যাবের পানি
♥√ ওয়াসার পানি
♥√ গভীর নলকূপের পানি

কবুতরকে পরিবেশন করা যাবে না। এতে করে কবুতরের টাল রোগ বা ঘার অবশ হওয়া রোগ হবে।

কবুতর কে অবশ্যই প্রতিদিন ফুটানো পানি নরমাল করে কবুতরকে পরিবেশন করতে হবে।

♥ লেবু ♥

লেবু একটি রসালো ফল। খোসা ছাড়া প্রতি ১০০ গ্রাম লেবুতে রয়েছে -

♥√এনার্জি ২৯ ক্যালরি
♥√কার্বোহাইড্রেট ২.৫ গ্রাম
♥√ফ্যাট ০.৩ গ্রাম
♥√প্রোটিন ১.১ গ্রাম
♥√থিয়ামিন ০.০৪ মিলিগ্রাম
♥√রিবোফ্লেভিন ০.০২ মিলিগ্রাম
♥√নিয়াসিন ০.১ মিলিগ্রাম
♥√প্যানটোথেনিক অ্যাসিড ০.১৯ মিলিগ্রাম
♥√ভিটামিন বি৬ ০.০৮ মিলিগ্রাম
♥√ফলেট ১১ আইইউ
♥√কলিন ৫.১ মিলিগ্রাম
♥√ভিটামিন সি ৫৩ মিলিগ্রাম
♥√ক্যালসিয়াম ২৬ মিলিগ্রাম
♥√আয়রন ০.৬ মিলিগ্রাম
♥√ম্যাগনেসিয়াম ৮ মিলিগ্রাম
♥√ম্যাংগানিজ ০.০৩ মিলিগ্রাম
♥√পটাশিয়াম ১৩৮ মিলিগ্রাম
♥√জিংক ০.০৬ মিলিগ্রাম
♥√ফসফরাস ১৬ মিলিগ্রাম

লেবু নানান গুণে ভরপুর একটি ফল। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এছাড়া লেবুতে রয়েছে প্রচুর মিনারেল। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল মৌসুমি বিভিন্ন সংক্রামক রোগ যেমন

♥√ঠাণ্ডা
♥√সর্দি
♥√কাশি
♥√ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগের বিরূদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
♥√লেবুতে রয়েছে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।

♥চিনি♥

♥√আখ থেকে উৎপাদিত দেশি চিনিতে ক্যালসিয়ামের মাত্রা ১৬০ দশমিক ৩২
♥√পটাশিয়াম দেশি চিনিতে ১৪২ দশমিক ৯ ভাগ
♥√ফসফরাস দেশি চিনিতে ২ দশমিক ৫ থেকে ১০ দশমিক ৭৯ ভাগ
♥√আয়রন দেশি চিনিতে শূন্য দশমিক ৪২ থেকে ৬ ভাগ।
♥√ ম্যাগনেশিয়াম দেশি চিনিতে শূন্য দশমিক ১৫ থেকে ৩ দশমিক ৮৬ ভাগ
♥√সোডিয়াম দেশি চিনিতে শূন্য দশমিক ৬ ভাগ
♥√চিনি দ্রুত শক্তি দেয় যখন শরীরে চিনির ঘাটতি হয়, তখন শক্তি কমে যায়। আর চিনি খেলে শরীর তাৎক্ষণিক শক্তি পায়।
♥√চিনি নিম্ন রক্তচাপকে স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে।
♥√চিনির দানা যেকোনো কাটাছেঁড়া ক্ষেত্রে প্রলেপ হিসেবে লাগালে অ্যান্টিবায়োটিকের মতো কাজ করে।

♥চিনিতে যেসকল উপাদান বিদ্যামান♥

♥√গ্লুকোজ
♥√ফ্রুক্টোজ
♥√সুক্রোজ,
♥√ক্যালসিয়াম,
♥√ম্যাগনেসিয়াম,
♥√পটাসিয়াম,
♥√সোডিয়াম এবং এন্টি অক্সাইড প্রচুর পরিমানে রয়েছে। যে কোনো প্রকারের ডায়রিয়া জনিত পানিশূন্যতারোধে অধিক মাত্রায় কার্যকরী।

এসব কারণে বিশেষজ্ঞরা এখন দেশে উৎপাদিত বাদামী/লালচে চিনি খাবার পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে শেষে একটি কথার পুনরাবৃত্তি না করলেই নয়। পরিশোধিত সাদা চিনির চেয়ে লালচে চিনির ক্ষতি কম, কিন্তু সবচেয়ে ভাল খুব কম চিনি গ্রহণ করা এবং ধীরে ধীরে খাদ্যতালিকা থেকে এটি বাদ দেওয়া

♥বিট লবণ♥

স্বাস্থ্যকর হিমালয়ান সল্ট বা বিট লবণ , এই লবণটি গোলাপী রং-এর হয়ে থাকে। এতে গোলাপী,সাদা এবং লাল রং এর খনিজ উপাদান বিদ্যমান থাকায় এর রং গোলাপী দেখায়। এর পুষ্টিগুণ সাধারণ লবণের থেকে অনেক বেশি

১। নিম্মমানের সোডিয়ামের পরিমাণঃ
যদিও হিমালয় সল্ট আর সাধারণ লবণ একই উপাদান দিয়ে তৈরি তবুও হিমালয়ের ক্রিস্টাল গঠন সাধারণ লবণের তুলনায় বড়। এর মানে হল এতে ১/৪ টেবিল চামচ পরিমাণে কম সোডিয়াম থাকে সাধারণ লবণের তুলনায়।

২। উচ্চ পরিমাণে খনিজঃ
♥√ হিমালয়ান সল্ট ৮০+ খনিজ নিয়ে গঠিত যা পৃথিবীর মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়।
♥√এতে ৮৫% থাকে সোডিয়াম ক্লোরাইড
♥√ আর ১৪% থাকে সালফেট,
♥√ম্যাগনেসিয়াম,
♥√ক্যালসিয়াম,
♥√পটাসিয়াম,
♥√খাবার সোডা,
♥√বরিক অ্যাসিডের সল্ট,
♥√স্ট্রনশিয়াম এবং ফ্লোরাইড মত খনিজ পদার্থ।

এই সকল খনিজ়ের নিজস্ব কিছু গুণ আছে যা হিমালয়ান সল্টের মধ্যে বিদ্যমান।

♥খনিজের গুণাবলী♥

♥√হাড় শক্তিশালীকরণ
♥√নিম্ন রক্তচাপ দূরীয়করণ
♥√মাইগ্রেইনের ব্যথা দূরীকরণ
♥√হজমশক্তী বাড়ানো
♥√পেশী ব্যাথারোধ
♥√কোষের ভিতর এবং বাইরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখে
♥√শরীরে পানির পরিমাণ ঠিক রাখে
♥√ শুনে অবাক হলেও স্নানেও এই লবণ ব্যবহার হয়!

♥ লেবু চিনি ও লবনের মিশ্রণ এর উপকারিতা♥

♥√ লেবু বডি পিএইচ কমিয়ে দিয়ে সাল্মোনেল্লা,
ই কোলাই সহ অনান্য ক্ষতিকর গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশান প্রতিহত করে।
♥√ ডায়রিয়া জনিত পানি শূন্যতা ও জিংক এর অভাব পূরন করে শরীরকে সতেজ রাখে।
♥√বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল এর অভাব জনিত রোগ প্রতিহত করে।
♥√কবুতরের ক্রমাগত বুকের মাংশ শুকিয়ে যাওয়া প্রতিহত করে।
♥√ডায়রিয়া/প্যারাটাইফয়েড(সাল্মোনেল্লসিস) এর কারনে শরীরে লবন এর ঘাটতি পূরন করে।
♥√শরীরে আয়োডিন এর অভাব পূরন করে।

♥ব্যবহার বিধি♥

♥√ ১ লিটার ফোটানো বিশুদ্ধ নরমাল পানি
♥√ ১ টি লেবু বা ২ চামচ লেবুর রস
♥√ চিনি ২ চামচ ( দেশি চিনি , চেনার উপায় মোটা
দানা এবং কিছুটা হাল্কা গোলাপি বর্ণের )
♥√ 2 চামচ বিট লবণ

ভালোভাবে মিক্স করে জীবাণুমুক্ত চালনি দিয়ে
ছেকে কবুতরকে প্রতি সপ্তাহে

♥√ ১ দিন বা প্রতি মাসে
♥√ ৫ দিন করে খাওয়ান।

বাংলাদেশে কবুতরের ভেক্সিন ব্যয়বহুল, দূর্লভ ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত পর্যাপ্ত লোক না থাকায় স্বল্প মেয়াদে সাল্মোনেল্লা থেকে কবুতরকে মুক্ত রাখতে বিকল্প হিসাবে এই মিশ্রণটি যথেষ্ট উপকারী।

30/10/2018

কবুতরের ক্যাংকার বা মুখের বিতরে ঘাঃ-
ক্যাংকার (Canker)ঃ- এটি একটি প্রোটোজোয়া জনিত রোগ যা সাধারনত সব কবুতরের দেখা যায়। মুখে বা গলায় যদি হলুদ বা সাদা রংগের বস্তু দেখা যায়, তবে সহজেই এই রোগের সনাক্ত করা যায়।
এটা এক ধরণের ছত্রাক, মুখের বিভিন্ন অংশে হয় যেমন- মুখ, গলা, ক্রপ সহ পরিপাক তন্ত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট অঙ্গে পাওয়া যেতে পারে। এটা গালে জমে থেকে আক্রান্ত কবুতরের মুখের ভেতর হাল্কা হলদে রঙের ঘা এর মতো দেখতে পাওয়া যায়। অথবা সাদা আবরণের সৃষ্টি করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেবীর নাভীতে দেখা যেতে পারে। এই আবরণ উঠে গেলে ঘা দেখা যায়। এবং কি মুখ অপরিষ্কার থাকলে, ও দীর্ঘদিন অ্যান্টিবায়টিক গ্রহণের ফলেও মুখে ছত্রাক জমতে পারে। এটা কবুতরের খুব কমন একটি রোগ যা সব বয়সের কবুতরের ক্ষেত্রে খাবার বা পানি থেকে আক্রান্ত হয়, বা কবুতরের মুখ থেকে পরা খাবার এবং বেবীদের ক্ষেত্রে খাওয়াবার সময় বাবা-মা থেকে বেবীদের ভেতর সংক্রামিত হয়।
আর এর কারণ হচ্ছে শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ভিটামিন 'সি' বা 'ডি'র অভাব কিংবা পেট পরিষ্কার না থাকার কারণে হতে পারে মুখে ঘা। এতে বেশ জ্বালা পড়া যেমন হতে থাকে তেমনি তীব্র ব্যথা বা যন্ত্রণা হয়।
চিকিৎসায় অবহেলা হলে কবুতর মারা যায়।

লক্ষন:-
(ক) মুখ গহবরে হাল্কা হলদে বা সাদা ঘা।
(খ) বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে থ্রোটে সংগক্রমনের ফলে টনসিলে নডুলের কারনে শ্বাস কষ্ট একটি কমন লক্ষন।
(গ) খাবারে অনীহা
(ঘ) ওজন হ্রাস
(ঙ) হজমে সমস্যা
(চ) ডাইরিয়া
(ছ) মুখ থেকে রক্ত পড়া

প্রতিরোধ:-
(ক) খাবার এবং পানির ক্ষেত্রে বায়োসিকিউরিটি মেনে চলা।
(খ) নতুন কবুতর সংযোজনের ক্ষেত্রে বায়োসিকিউরিটি মেনে চলা।
(গ) লফটে স্ট্রেস নুন্যতম পর্যায়ে রাখা।
(ঘ) নিয়মিত ক্যাংকার প্রতিরোধী ড্রাগ বা প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা। এক্ষেত্রে অনেকেই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে ভালো ফল পাচ্ছেন।
(ঙ) সপ্তাহে ১ দিন দারুচিনির গুড়া ১ চামুচ এবং হাপ লেবুর রস ১ কেজি খাবারের সাথে মিশিয়ে কবুতরকে খেতে দিন।


চিকিঃসাঃ-
(১) একটা কটনবার দিয়ে মুখের বিতরের ময়লাটা বাহির করে পেলবেন। তারপর রিবোসিনা বা রিবোপ্লাবিন টেবলেট সকালে একটা বিকালে একটা করে দিনে ২ বার খাওয়াবেন। তারপর Flazil সিরাপ ১ সি সি করে দিনে ৩ বার। তারপর Apsol cream/micogel cream লাগাবেন দিনে ৩ বার। এভাবে মোট ৭ দিন ছলবে। সব গুলা ঔষধ মানুষের

(২) একটা কটনবার দিয়ে মুখের বিতরের ময়লাটা বাহির করে পেলবেন। তারপর ফাস্ট ভেট টেবলেট ১টাকে ৪ ভাগ করে দিনে ১ বার খাওয়াবেন, এবং সিভিট ১টা করে দিনে ২ বার খাওয়াবেন। এভাবে ফাস্ট ভেট ৩ দিন। সিভিট ৫ দিন খাওয়াবেন।।

(৩) ১ চিমটি বেকিং সোডা আর একটু পানি দিয়ে পেস্ট করে মিশিয়ে ঘা এর উপর লাগিয়ে রাখবেন। প্রতিদিন ১বার করে ৩দিন।।
(৪) পিয়াজ পিসে লাগিয়ে দিন দিনে ২ বার করে ৩ দিন খুব তাড়াতাড়ি উপকার পাবেন।
(৫) হলদের গুঁড়ো নিয়ে তাতে সামান্য মধু মিশিয়ে সেই মিশ্রণ মুখের ভেতরে ঘা-এর মধ্য লাগাবেন দিনে ২ বার করে ৩দিন।
(৬) অ্যালোভেরার রস মুখের ভেতরে লাগাতে পারেন। এতে আরাম হবে ও ঘা সেরে যাবে। ৫-৭ দিন।
(৭) ২০টা ধনে পাতা ১ কাপ পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি থেকে ১০ মিলি করে দিনে ২ বার খাওয়ান, ৩ দিন।।
(৮) কয়েকটি তুলসির পাতা চিবিয়ে নিন। তুলসি পাতার রস ঘা এর মধ্য লাগিয়ে দেন,প্রতিদিন ১বার করে ৩ দিন।।
(৯) দারুচিনির গুড়া পানি দিয়ে পেস্ট করে বড়ি বানিয়ে দিনে ১-২ টা করে ৫-৭ দিন খাওয়ান।

(১০) সবচেয়ে বেস্ট মেডিসেন, হোমিও এটা দূত কাজ করবে,, (Rinsout drops mouthwash) খালি পেটে ২ ফোটা ৫ মিলি পানির সাথে মিশিয়ে সিরিজ দিয়ে থাওয়াবেন,দিনে ৩ বার।।
তারপর (aconite napellus) খাদ্য খাওয়ার পরে ১ মিলি ৫ মিলি পানির সাথে মিশিয়ে সিরিজ দিয়ে থাওয়াবেন,দিনে ৩ বার।।
তারপর (boro glycerine) এটা দিনে ২ বার মুখের বিতরের খত জায়গায় লাগাবেন।। রোগ ভাল হওয়া পর্যন্ত ঔষধ চলবে।

Photos from Hello Pigeon's post 11/10/2018

কবুতরের পা যদি ভেঙ্গে যায়। তাহলে কি করবেন। প্রথমে আইসক্রিমের কাঠি নিবেন। কাঠি টাকে কেটে ছোট ছোট ২ টুকরা করবেন। তারপর টাকা জোড়া দেওয়ার জন্য আমরা যে টেপ ব্যবহার করি সেই গুলা নেবেন, বা ব্যান্ডেজ কাপড় নিবেন। প্রাথমিক অবস্থায় বরফের টুকরা টাওয়ালে নিয়ে বা ফ্রিজের ঠান্ডা পানি ইলাস্টিক ব্যাগে নিয়ে লাগালে ব্যথা ও ফুলা কমে আসবে।। এরপর খত যায়গায় হেক্সিসল বা স্যাভলন অথবা পবিসেব দিয়ে ভাল ভাবে ওয়াস করতে হবে। তারপর প্লাস্টার অফ প্যারিস যেটি ফার্মাসি তে পাওয়া যায়। পানি দিয়ে গুলে মাখন বানিয়ে তার উপর প্রলেপ দিতে হবে। দিতেই হবে এমন কোন বাধ্য বাধকতা নাই। খেয়াল রাখতে হবে ভিতর টি যেন ভিজে না থাকে তাহলে সংক্রমণ হবার ভয় থেকে যায়। তারপর প্রলেপ দেওয়ার পর আইসক্রিমের একটা কাঠিতে টেপ পেছিয়ে পাঁয়ের সাথে লাগিয়ে অন্য কাঠি অন্য পাসে দিয়ে, পা এবং কাঠি এক সাথে টেপ পেছিয়ে দিবেন, অথবা ব্যান্ডেজ কাপড় দিয়ে বেদে দিবেন। ব্যান্ডেজ ২১-৪০ দিন পর্যন্ত রাখতে হবে। কবুতরকে খাঁচায় রাখতে হবে। খাঁচার নিচে কাঠ বা বস্তা দিয়ে দিতে হবে যাতে বসে থাকতে পারে। এই সময় তরল জাতীয় খাবার ও ক্যালসিয়াম+ফসফরাস সরবরাহ করতে হবে যাতে হাড় তাড়াতাড়ি জোড়া নেয়। আর ব্যথা এবং হাড় জোড়া নেওয়ার জন্য, হোমিও ঔষধ (ব্লাড হেমোলিন) ১টা করে দিনে ২ বার এবং (ম্যাগনেসিয়াম ফসফোরিকা 6X) একটা দিনে ২ বার। টানা ১ মাস খাওয়াবেন।। ব্লাড হেমোলিন এর দাম=৭০ টাকা আর ম্যাগনেসিয়াম ফসফোরিকা 6X এর দাম=৮০ টাকা, মোটা মোটি ২০০ টাকার বিতরেই ইনশাআল্লাহ আপনার কবুতর সুস্থ হয়ে যাবে।
এক্ষেত্রে নিয়মিত পরিচর্যা ও খেয়াল রাখতে হবে যাতে কবুতর বেশি লাফা লাফি না করে, মাঝে মাঝে ভাঙ্গা জায়গাটি হাত দিয়ে দেখতে হবে যে হাড়ের স্থান চ্যুতি ঘটেছে কিনা। ভাঙা হাড়কে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত স্থানটি নিশ্চল রাখতে হবে, সেখানে সাপোর্ট দিয়ে রাখতে হবে, যাতে নাড়াচাড়া করতে না পারে। এতে স্থানটি আবার আঘাত পাওয়া থেকে রক্ষা পাবে। শুধু তাই নয়, এতে হাড়ের ভাঙ্গা প্রান্ত রক্তনালী, নার্ভ বা মাংসপেশিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না। আর একটা কথা কখনোই ফ্র্যাকচারের ঠিক ওপরের স্থানে ব্যান্ডেজ বাঁধবেন না। ব্যান্ডেজ এমনভাবে বাঁধবেন যাতে কবুতর স্থানটি নাড়াতে না পারেন এবং সেখানে আবার আঘাত না লাগে। এটি এমন টাইটও করবেন না, যাতে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয়।।

01/10/2018

#সাল্মোনেল্লোসিস প্রতিরোধ ও প্রতিকারক হিসাবে লেবু,চিনি ও লবনের মিশ্রণ।

উপাদানঃ-

লেবু :

লেবুতে যে সকল উপাদান বিদ্যামান থাকেঃ
লেবু একটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এসিডিফায়ার(সাইট্রিক এসিড), কার্বহাইডেট,প্রটিন,ফ্যাট,এনার্জি,
ভিটামিন A, ভিটামিন B1,ভিটামিন B5,ভিটামিন B6,ভিটামিন B9,ভিটামিন C, ভিটামিনE,আইরোন,পটাসিয়াম,ক্যালসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম,ম্যাঙ্গানিজ,কপার,মলিবডেনাম,সোডিয়াম, ফসফোরাস,ফ্লুরিড,এবং জিংক।এতে কোনো প্রিজারভেটিভ নেই। তাই গুনাগুন থাকে অক্ষুন্ন এবং যে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াবিহীন।

চিনিঃ

চিনিতে যেসকল উপাদান বিদ্যামানঃ-

চিনিতে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ,ক্যালসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম,পটাসিয়াম,সোডিয়াম এবং এন্টি অক্সাইড প্রচুর পরিমানে রয়েছে। যে কোনো প্রকারের ডায়রিয়া জনিত পানিশূন্যতারোধে অধিক মাত্রায় কার্যকরী।

লবন(আয়োডিন যুক্ত)ঃ

লবনে যেসকল উপাদান বিদ্যামানঃ-

লবণ বা নুন​ হলো খাদ্যে ব্যবহৃত এক প্রকারের দানাদার পদার্থ যার মূল উপাদান হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)। এটি প্রাণীর জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য, কিন্তু অধিকাংশ স্থলজ উদ্ভিদের জন্য বিষবৎ। লবনের স্ফটিক তৈরির এর সাথে জৈব ইউরিয়ারূপে মূত্র ব্যবহার করা হয়।এর লবনাক্ততার জন্য স্বাদকে মৌলিক স্বাদের একটি বলে গণ্য করা হয়। পৃথিবীর সর্বত্র এটি খাদ্য প্রস্তুতিতে ব্যবহার করা হয়। দৈহিক উন্নয়নের অক্ষমতাগুলো দূর করতে লবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

লেবু,চিনি ও লবনের মিশ্রণ এর উপকারিতাঃ

১. লেবু বডি পিএইচ কমিয়ে দিয়ে সাল্মোনেল্লা, ই কোলাই সহ অনান্য ক্ষতিকর গ্রাম নেগেটিভ #ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশান প্রতিহত করে
২. ডায়রিয়া জনিত পানি শূন্যতা ও জিংক এর অভাব পূরন করে শরীরকে সতেজ রাখে।
৩. বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল এর অভাব জনিত রোগ প্রতিহত করে।
৪. কবুতরের ক্রমাগত বুকের মাংশ শুকিয়ে যাওয়া প্রতিহত করে।
৫. ডায়রিয়া/ #প্যারাটাইফয়েড(সাল্মোনেল্লসিস) এর কারনে শরীরে লবন এর ঘাটতি পূরন করে।
৬.শরীরে আয়োডিন এর অভাব পূরন করে।

ব্যবহার বিধিঃ
#সাল্মোনেল্লা, োলাই ও অনান্য গ্রাম নেগেটিভ ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশন প্রতিরোধে, ভিটামিন-মিনারেল এর অভাব জনিত রোগ ও পানিশূন্যতা রোধে:

১.পানিঃ ১ লিটার।

২.লেবুর রস, মাঝারি সাইজ এর অর্ধেক।

৩. চিনি: ৫ চা চামচ।

৪. লবন: ৫ চিমটি।

ভালোভাবে মিক্স করে কবুতরকে প্রতি সপ্তাহে ১ দিন করে খাওয়ান। দীর্ঘ মেয়াদে কবুতরকে সাল্মোনেল্লা মুক্ত রাখতে ভেক্সিন এর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু বাংলাদেশে কবুতরের ভেক্সিন ব্যয়বহুল, দূর্লভ ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত পযাপ্ত লোক না থাকায় স্বল্প মেয়াদে সাল্মোনেল্লা থেকে কবুতরকে মুক্ত রাখতে বিকল্প হিসাবে এই নিয়মটি ফলো করতে পারেন।

সংগ্রথিত - নেট+ অনান্য পোষ্ট

Pigeon Health Care In Bangladesh কবুতর পালন বিষয়ক সমস্ত তথ্যের জন্য আমাদের সাইট www.pigeoncarebd.com ভিজিট করতে পারেন।

30/09/2018

কবুতরের পালক নিয়ে আজ কিছু কথা বলবো।
আমার জানা মতে কবুতরের পালক অনেক ধরনের হয়, এর মধ্যে ২টা পালক বেশি পরিচিত তা হলো
১.তীর পালক
২.তালোয়ার পালক।
তীর পালক যেভাবে চিনবেন:
সাধারণত তীরের মত সোজা পালক হবে এবং সামনে দিকে একটু ত্রিভুজের মত হবে।চিত্রে ডান পাশের টা তীর পালক।
তীর পালকের বৈশিষ্ট্য:
তীর পালক বৈশিষ্ট্য কবুতর খুব দ্রুত টপে উঠে যাই এবং টপে যেয়ে দ্রুত গতিতে উড়ে ও আকাশে বেশি ছুটা ছুটি করে।আবার নামার সময় দ্রুত নেমে যাই যার। তবে এই ধরনের পাক ওলা কবুতর একটু বেশি উড়ে।তাই এধরনের পাক ওলা কবুতর কে বেশি প্রধান্য দেয়া হয়।
তালোয়ার পালক যেভাবে চিনবেন:
সাধারনত তালোয়ারের মত একটু বেকানো বা হেলান হয়,সম্পূর্ন সোজা হয় না এবং পালকের শেষ প্রান্তে রাউন্ড ধরনের হয়।
চিত্রে বাম পাশের টা তালোয়ার পালক।
তালোয়ার পালকের বৈশিষ্ট:
এ পালক বৈশিষ্ট্য কবুতর ধির গতি তে উড়ে,আস্তে আস্তে টপে উঠে আবার আস্তে আস্তে নিচে নামে। এই পাক বিশিষ্ট কবুতর যখন উড়ে মনে হয় আকাশে কবুতর টা মেঘের মত ভাসছে।এই পাখ ওলা কবুতর ধীর গতি হওয়াই তুলনা মূলক ভাবে বাজের শিকার বেশি হয়। এই পাখার কবুতর তার নিজ বাড়ির উপরেই বেশি উড়ে এবং তীর পালকের থেকে কম উড়ে।
(লেখা ও ছবি সংগৃহীত)

Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Nandail
Mymensingh
2290