It'z Rashed bro-

It'z Rashed bro-

Share

হে আল্লাহ তুমি আমাকে এমন কিছু দিও না যাতে তুমাকে আমি তুমাকে ভুলে যায়�

29/10/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Md Lovlu Khan, Khurshed Alam, Sk Juyel, Asad Ali

01/02/2025

কথা ঠিক আছে নাকি বেজাল আছে,,🔥🔥🔥💯💯💯

01/02/2025

Assalamu alaikum

27/01/2025

বেগুন চাষ পদ্ধতি : বেগুন চাষের সঠিক পদ্ধতি আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আর এতে করে বেগুনের ফলন নিয়ে চাষিরা হতাশ হন। বেগুনের অধিক ফলন পেতে হলেন সঠিক নিয়মে চাষাবাদ করা প্রয়োজন।
চুলন জেনে নেওয়া যাক যেভাবে বেগুন চাষ পদ্ধতিতে শতভাগ সফলতা আসে-
চাষের মৌসুম: সাধারণত বেগুনের চারা মাঘ-ফাল্গুন মাসে গ্রীষ্মকালীন, বৈশাখ মাসে বর্ষাকালীন, ভাদ্র-আশ্বিন মাসে শীতকালীন ফসলের জন্য রোপণ করা হয়ে থাকে।
চারা তৈরি: বেগুন চাষের জন্য প্রথমে বীজতলায় চারা করে তা মূল জমিতে রোপণ করতে হয়। বীজতলা এমন স্থানে তৈরী করতে হবে যেখানে বৃষ্টির পানি দাঁড়াবে না অর্থাৎ সুনিষ্কাশিত হতে হবে, সর্বদা আলো-বাতাস পায় অর্থাৎ ছায়ামুক্ত হতে হবে।
বীজতলা তৈরির জন্য মাটি গভীরভাবে (অন্তত ২০ সেন্টিমিটার) চাষ দিতে হবে। বীজতলায় মাটি হতে হবে উর্বর। উর্বরতা কম থাকলে জৈব সার ও সামান্য পরিমাণ ফসফেট জাতীয় সার ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতি বর্গ মিটার বীজতলার জন্য ০.১০ ঘন মিটার পচা গোবর সার ও ৩০ গ্রাম টিএসপি সার ব্যবহার করা যেতে পারে। চাষের পর সম্পূর্ণ জমিকে কয়েকটি ছোট ছোট বীজতলাতে ভাগ করে নিতে হবে
প্রতিটি বীজতলা দৈর্ঘ্যে ৩-৫ ঘন মিটার, প্রসে’ এক মিটার ও পাশ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার ফাঁকা জায়গা রাখা উচিত। পাশাপাশি দুটো বীজতলার মধ্যে ৫০-৬০ সেন্টিমিটার ফাঁকা জায়গা রাখা উচিত। এ ফাঁকা জায়গা থেকে মাটি নিয়ে বীজতলা উঁচু করে নিতে হবে। অল্প সংখ্যক চারা উৎপাদনের জন্য বীজতলা হিসেবে কাঠের বাক্স, প্লাস্টিকের ট্রে অথবা বড় টব ব্যবহার করা যেতে পারে।
জমি তৈরি ও চারা রোপণ: সাধারণত মাঠের জমি তৈরির জন্য ৪-৫ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। ৩৫-৪৫ দিন বয়সের চারা রোপণের উপযোগী হয়। এ সময় চারাতে ৫-৬টি পাতা গজায় এবং চারা প্রায় ১৫ সেমি. লম্বা হয়। বেগুনের চারার বয়স একটু বেশী হলেও লাগানো যেতে পারে।
প্রয়োজনে দু’মাস পর্যন্ত চারা বীজতলার রেখে দেওয়া যায়। চারা তোলার সময় যাতে শিকড় নষ্ট না হয সেজন্য চারা তোলার ১-২ ঘন্টা আগে বীজতলায় পানি দিয়ে মাটি ভিজিয়ে নিতে হবে। চারা রোপণ দূরত্ব জাত, মাটির উর্বরতা ও উৎপাদন মৌসুমের উপর নির্ভর করে।
সাধারণত বড় আকারের বেগুনের জাতের ক্ষেত্রে ৯০ সেমি. দূরে সারি করে সারিতে ৬০ সেমি. ব্যবধানে চারা লাগানো যেতে পারে এবং ক্ষুদ্রাকার জাতের ক্ষেত্রে ৭৫ সেমি. সারি করে সারিতে ৫০ সেমি. ব্যবধানে চারা লাগানো যেতে পারে। জমিতে লাগানোর পর পরই যাতে চারা

26/01/2025

✅ ধানের চারা রোপনের পরবর্তীতে করনীয়:

ধানের চারা রোপনের ৭-১০ দিনের মধ্যে কোন চারা মারা গেলে পুনরায় সেখানে নতুন চারা রোপন করে দিতে হবে এবং প্রথম কিস্তির ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

👉 চারা রোপনের ১০-১৫ দিন জমিতে ছিপছিপে পানি রাখতে হবে।
👉 চারা রোপনের পর গুঁড়ি পচা/গোড়া পঁচা রোগের আক্রমণ হয়ে থাকে।

🔰 গোড়া পঁচা রোগে করণীয়:

👉 এ রোগ দেখা দিলে ধানের জমির সম্পূর্ণপানি শুকিয়ে ফেলতে হবে।
👉 আক্রান্ত গাছ তুলে নতুন করে চারা রোপন করতে হবে।
এমতাবস্থায়,

🔻চাম্পিয়ন ৭৭ ডাব্লিউ পি (পেট্রোকম)।
🔻জিবাল ৭৭ ডাব্লিউ পি (ইনতেফা)।, এর যে কোন একটি

🟢 (প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে)

অথবা

🔻নেকসুমিন ৫৪ ডাব্লিউ পি (ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার)
🔻সানপুমা ৫৪ ডাব্লিউ পি (ম্যাকডোনাল্ড),এগুলোর যে কোন একটি বালাইনাশক -

🟢 ( প্রতি লিটার পানি ২ গ্রাম হারে স্প্রে করতে হবে)

অথবা,

🔻ডিফেন্স ৩৫ এসসি (হেকেম)
🔻ধানসিঁড়ি ৩৫ (এসসি সী ট্রেড)

🟢 (প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।)

অথবা,

রাদি/বিসমাজল/অটোব্যাক / ব্যাকট্রোবান /ব্যাকট্রল ২০ ডাব্লিউ পি এর যে কোন একটি বালাইনাশক-

🟢 (প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।)

👉 গুটি ইউরিয়া প্রয়োগের ক্ষেত্রে ৭-১০ দিনের মধ্যে প্রতি চার গোছার মাঝখানে ২.৭ গ্রামের গুটি ইউরিয়া ৭-১০ সেন্টিমিটার গভীরে কাদায় পুঁতে দিতে হবে।

👉 গুটি ইউরিয়া প্রয়োগের পরে জমিতে পানি ধরে রাখতে হবে। যাতে মাটি ফেটে না যায়। গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ কৃত জমিতে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ৩০ দিনের মধ্যে জমিতে প্রবেশ উচিত নয়।

👉 ইউরিয়া সার সমান তিন কিস্তিতে বিঘায় প্রয়োগ করতে হবে।

(জমির ধরন অনুযায়ী কম বেশি হতে পারে)

🔸প্রথম কিস্তিঃ

👉 চারা রোপনের ১০-১২ দিনের মধ্যে ১০-১২ কেজি।

🔸দ্বিতীয় কিস্তিঃ

👉 চারা রোপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে ১০-১২ কেজি।

🔸তৃতীয় কিস্তিঃ

👉 কাইচ থোড়ের ৫-৭ দিন আগে ৮-১০ কেজি।

🔴 চারা রোপনের পরে ফসফেট জাতীয় সার প্রয়োগ না করাই ভালো।

( এক্ষেত্রে চারা রোপনের আগে শেষ চাষে কাদায় ফসফেট জাতীয় সার প্রয়োগ করতে হবে)

👉 ইউরিয়া সার প্রয়োগ করার সময় জমিতে ২-৩ সেন্টিমিটার পানি থাকা ভালো।

(সার প্রয়োগের সাথে সাথে হাত দিয়ে নিড়ানি দিলে সার যেমন মাটির সাথে মিশে যায় তেমনি আগাছা না থাকায় ধান গাছ বেশি পুষ্টি পায়।)

👉 চারা রোপ

23/01/2025

#ধান আবাদে পটাশ সারে, ফলন বাড়ে অধিক হারে।

আমরা কেন পটাশ (এমওপি) সার ব্যবহার করবো?

#পটাশ (এমওপি) সারের কাজ:
১/ পটাশ সার গাছের শিকড় বৃদ্ধি করে এবং পাতার আকার বাড়ায়।
২/ প্রতি ছড়ায় পুষ্ট দানার সংখ্যা বৃদ্ধি করে ও দানার ওজন বাড়ায়।
৩/ গাছের দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশ যেমন খরা, ঠান্ডা, রোগবালাই ইত্যাদি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৪/ ফসলের গুনগত মান বৃদ্ধি করে।

#পটাশিয়াম অভাবের কারণ:

১/ মাটিতে পটাশিয়াম প্রয়োগের পরিমান প্রয়োজনের তুলনায় কম হলে পটাশের ঘাটতি হয়।
২/ ফসলের অবশিষ্টাংশ মাটি থেকে সম্পূর্ণরূপে অপসারণের ফলে।
৩/ বেলে মাটিতে চুয়ানি জনিত অপচয় বেশি হলে এর অভাব দেখা যায়।

#পটাশিয়াম সারের অভাবজনিত লক্ষণ:
১/ গাছ গাঢ় সবুজ ও ছোট হয়ে থাকে এবং নেতিয়ে পড়ে।
২/ পটাশিয়ামের অভাবে প্রাথমিক অবস্থায় পাতার আগার দিক হলদেটে কমলা রং ধারন করে পরে এ বিবর্ণ রঙ আস্তে আস্তে পাতার গোড়ার দিকে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে পাতা মরপ বা শুকিয়ে যায়।

৩/ অনেক সময় গাঢ় সবুজ পাতায় তিলের দানার মতো ছোট ছোট বাদামী দাগ দেখা যায়।
৪/ গাছে রোগবালাইয়ের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
৫/ শিকড়ের বৃদ্ধি কম হয় এবং প্রায়শই তা পচন রোগে আক্রান্ত হয়।
৬/ চিটার হার বেড়ে যায়।
৭/ ধান গাছ হেলে পড়ে ফলন কমে যায়।
৮/ শীষে অনেক সময় অনিয়মিত ভাবে সাদা দাগ দেখা দেয়।

#পটাশিয়ামের অভাব দূরীকরণ:
১/ ফসল কাটার পর এর অবশিষ্টাংশ মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।
২/ পরিমান মতো পটাশিয়াম সার মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে।
৩/ মাটি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চুয়ানো জনিত অপচয় রোধ ও শিকড় বৃদ্ধিকে তরান্বিত করে পটাশিয়ামের গ্রহণ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এর অভাব অনেকাংশে দূর করা সম্ভব।

#পটাশ সার প্রয়োগের সময় ও পদ্ধতি:
১/ সাধারণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় পটাশ সার প্রয়োগ করতে হয়।
২/ পটাশ সার একক ভাবে অথবা নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করা যেতে পারে।
৩/ বেলে মাটিতে পটাশের অতিরিক্ত চুয়ানিজনিত রোধে কিস্তিতে প্রয়োগ করা উচিত। সে ক্ষেত্রে অর্ধেক সার কুশি গজানোর সময় প্রয়োগ করতে হবে।

23/01/2025

🌶️ #মরিচের_গাছে_ট্রেনিং:
মরিচের গাছে সঠিকভাবে ট্রেনিং করলে
অধিক ফুল ও ফল ধরে, গাছে রোগ
পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়।

🌶️ #মরিচ_গাছ_ট্রেনিং_কখন_ও_কিভাবে_করতে_হয়:
প্রতি মরিচে চারা রোপনের ১ মাসের মধ্যে
গোড়া থেকে যে ছোট ছোট শাখা বের হয়
এগুলো ছাঁটাই করাই হলো ট্রেনিং (অঙ্গ ছাঁটাই)।
✅ আরো সহজভাবে বলতে গেলে মরিচ গাছ বৃদ্ধি
পেয়ে এক পর্যায়ে ইংরেজি Y বর্ণের মতো
দুইভাগ হয়ে যায়। এই Y সেইপের নিচে যে শাখা
গজায় একি গজানোর সাথে সাথে ভেংগে
দেওয়াই ট্রেনিং।

🌶️ #মরিচ_গাছে_অঙ্গ_ছাঁটাই_এর_উপকারিতা:
আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকের জমি পরিদর্শন করে
দেখেছি যে গোড়ার দিকের প্রচুর শাখা গজায়
এবং এগুলোর বৃদ্ধি খুব দ্রুত হয় কিন্তু কিন্তু এই
শাখাগুলোতে ফুল কম আসে এরা শুধু পুষ্টি
গ্রহন করে থাকে এবং পোকামাকড়ের
আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।
✅ সঠিক সময়ে ট্রেনিং করলে Y সেইফের উপরের
অংশের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং গাছ উপরের দিকে
প্রচুর শাখা বের হয়ে ☂️ ছাতার মতো হয়ে প্রচুর
ফুল ও মরিচ ধরবে ইনশাআল্লাহ।

আশাকরছি এই তথ্য আমাদের মরিচ চাষী ভাইদের একটু হলেও উপকারী হবে।

সময়োচিত কৃষি বিষয়ক তথ্য ও পরামর্শ পেতে Shuhal Rana আইডি অনুসরণ করুন।

#মরিচ #চাষ #পদ্ধতি

23/01/2025

(১) আপনার গাছ হলুদ হয়ে যাচ্ছে? বৃদ্ধি হচ্ছে না? ডালপালা কম?
ইউরিয়া সার প্রয়োগ করুন বা মুরগীর বিষ্টার সার প্রয়োগ করতে পারেন। ডিএপি সারও প্রয়োগ করতে পারেন।

(২) আপনার গাছে ফুল ফল হচ্ছে না? গাছ নরম? শক্ত করার দরকার? পাতা চিকুন? ফল ঝরে যাচ্ছে?
কোন চিন্তা নাই- টিএসপি( ট্রিপল সুপার ফসফেট) সার দিন। প্রতি বর্গ ফুটে ১.৪ গ্রাম। ১ চা চামচের অর্ধেকের কম।

(৩) আপনার গাছের পাতা পুড়ে যাবার মত হচ্ছে? তিলের দানার মত দাগ পড়েছে? রোগ ব্যাধি বা পোকা মাকড়ের আক্রমণ বেশি?
যদি উত্তর হ্যা হয় তাহলে এমওপি( মিউরেট ও পটাশ) বা হাড়ের গুড়া / ভার্মি কম্পোস্ট সার প্রয়োগ করুন।

(৪) আপনার গাছের পাতা চিকুন হয়ে যাচ্ছে? ফল ঝরে যায়? পাতার কিনারা সাদা হয়? গাছ দুর্বল হয়?
সালফার সার প্রয়োগ করুন। ১ গ্রাম / লিটার।

(৫) পুরাতন পাতায় মরিচার মত দাগ পড়ে? নতুন পাতার গোড়া ও মধ্যশিরার দুই কিনারা সবুজ হয়?
জিংক সার প্রয়োগ করুন। ১ গ্রাম/ প্রতি লিটারে।

(৬) ফল আঁকাবাকা হচ্ছে? অমসৃন ত্বক? ফল ঝরে যাচ্ছে?
কোন চিন্তা নাই- বোরণ প্রয়োগ করুন।

(৭) পোকায় আক্রমণ করছে? পাতা খেয়ে যাচ্ছে?
বায়োক্লিন বা ইমিডা ক্লোরোপিড গ্রুপের কীটনাশক( ইমিটাব) বা অন্যান্য কীট নাশক প্রয়োগ করুন। প্রথমটি জৈব কীট নাশক। পরের গুলো ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে।

(৮) আপনার গাছ বা পাতা পচে যাচ্ছে? কান্ড বা শেকড় পচে যাচ্ছে,গাছ ঢ়লে পড়ছে?
ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করুন (বায়োডার্মা, ট্রাইকো ডার্মা, সাবান পানি ইত্যাদি) এতে কাজ না হলে ম্যানকোজেব,ম্যানসার, কাজিম প্রয়োগ করতে পারেন।

(৯) ফল পচে যাচ্ছে বা ফল ছিদ্র করে দিচ্ছে?
জাদুর ফাদ বা ফেরোমন ট্রাপ ব্যবহার করুন।

(১০)সাদা মাছি পোকা আক্রমন করেছে? মাকড় নাশক ইমিটাব ব্যবহার করতে পারেন।

(১১) জাব পোঁকা পাতা খেয়ে যাচ্ছে ?
হলুদ ফাদ বা কাগজ ব্যবহার করুন।

বাগানীরা শেয়ার করে নিজের প্রফাইলে রেখে দিন।

Want your business to be the top-listed Media Company in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Mymensingh