Monir 02
আসসালামু আলাইকুম, বন্ধুরা
ক্ষুদ্র জীবনে ভালো কিছু করে,সবার মনে জায়গা করে নিতে চাই।
06/09/2025
এটা কি কল্পনা করা যায়?
22/08/2025
“ঘরে ঘরে এমন অজস্র আবু জাহেল আছে”
ছেলে ইমুতে মেসেজ পাঠিয়েছে-
“বাবা আপনার নামে ২০ হাজার টাকা ছেড়েছি, এ টাকা দিয়ে আপনি ডাক্তার দেখাবেন, ফল কিনে খাবেন। গোপন নাম্বারে পাঠিয়েছি, আপনি আইডি কার্ড নিয়ে জনতা ব্যাংকে গেলেই টাকা পেয়ে যাবেন”।
(গোপনীয়তার স্বার্থে পিন নাম্বারটি দিলাম না)।
ছেলের কথা মতো বাবা আজ জনতা ব্যাংক গৌরীপুর শাখায় এসেছেন টাকা তোলার জন্য। বেশ অসুস্থ শরীর তাঁর। কোনমতে লাঠিতে ভর করে চলাফেরা করেন। বললাম- এই শরীর নিয়ে একা একা আসা ঠিক হয়নি আপনার।
তিনি জানালেন- সাথে আসার মতো কাউকে পাননি বলে কষ্ট করে একাই এসেছেন। টাকা তুলে ডাক্তার দেখিয়ে তারপর বাড়ি ফিরবেন।
মুরুব্বিকে আমার রুমে বসিয়ে সহকর্মীকে বললাম ওনার টাকাটা পে-আউট করে দেয়ার জন্য। কিছুক্ষণ পর আমার সহকর্মী জানালো, এই টাকার বেনিফিসিয়ারী তিনি নন, অন্য আরেকজন। পরবর্তীতে গোপন পিন নাম্বারটি আমি নিজে কয়েক বার মিলিয়ে দেখলাম, সহকর্মীর কথাই সত্যি। পরে ভদ্রলোকের কাছে জানতে চাইলাম উল্লেখিত ব্যাক্তিকে আপনি চিনেন কিনা। নাম শোনতেই তাঁর দু’চোখে জলের তান্ডব দেখলাম!
অভাগা বাবা কাঁদতে কাঁদতে লাঠিতে ভর দিয়ে চলে গেলেন।
তখন নায়ক রাজ্জাকের “বাবা কেনো চাকর” সিনেমাটির কথা মনে পড়ে গেল। হৃদয়ে বাজতে লাগলো- আমার মতো এমন সুখী নেইতো কারো জীবন…..
বুঝতে পারলাম, ছেলে তার শ্বশুরকে পাঠানো মেসেজটি ভুলক্রমে বাবার মোবাইলে পাঠিয়ে দিয়েছেন। ঘন্টা দেড়েক পর একজন তড়তাজা ভদ্রলোক এসে সে টাকা উঠিয়ে নিয়ে গেলেন। তারঁ সাথেও কথা হল। জানতে চাইলাম কে টাকা পাঠিয়েছেন।
মাঝ বয়োসী ভদ্রলোক জানালো - “আমার জামাই, নবীর দেশে থাকে। খুব ভালো ছেলে, কয়েক মাস পর পর শরীর চেকআপের জন্য টাকা পাঠায়। পাগল একটা জামাই!, দোয়া করবেন স্যার।
আমি কিছুক্ষণের জন্য স্তব্দ হয়ে গেলাম। ভাবলাম বাবা ছেলেকে বড় করে নবীর দেশে পাঠিয়েছিলেন ঠিকই, এখন সে আবু জাহেলের দেশে বাস করে……
মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন
ব্যবস্থাপক,জনতা ব্যাংক পিএলসি.গৌরীপুর শাখা।
Collect
19/08/2025
আজকাল রিপন মিয়াকে আমার খুব বেশি ভালো লাগে। ভালো লাগে তার সরলতা, সহজ-সরল উক্তি এবং নিজের অবস্থানকে ভেঙে চুরে উপস্থাপন করা ও অকপটে স্বীকার করা। মাঝে মাঝে তার বিন্দাস লাইফ দেখে আমার খুব হিংসাও হয়।
এই রিপন মিয়া একসময় ফানি ভিডিও করতেন, যা তা বকতেন। এখন তিনি অনেক গুছালো এবং তার কন্টেট দেখে অনেকেই এমন একটা বিন্দাস লাইফ উপভোগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
অনেককে দেখেছি বড় হইতে হইতে লাগাম ছাড়া হয়ে যায়, আর রিপন মিয়াকে দেখলাম তিনি বড় হইতে হইতে খুব বেশি গুছানো ও মার্জিত হচ্ছেন।
06/08/2025
সময় পেলে লেখাগুলো পড়বেন,,,,,,
ড. ইউনূস গত কয়েকদিন আগে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন।১লা ফেব্রুয়ারি-১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে জাতীয় নির্বাচন।
তার মানে কিছুদিন পরই আমাদের কাছ থেকে পুরোপুরি বিদায় নিবেন তিনি।
আজকে জাতীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে আফসোসের সুরে অনেকগুলো কথা বলছিলেন তিনি।তার চেহারাটাও ছিল বেশ মনমরা।
এই মানুষটার জন্যে আফসোসই হয়। অনেকগুলো স্বপ্ন পূরণের ইচ্ছা নিয়ে এসেছিলেন এই দেশে। কিন্তু সেসবের অনেককিছুই রয়ে গেছে অপূর্ণ।
তিনি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে চেয়ারে বসার পর থেকে দেশে এ পর্যন্ত ১৭৪ টা আন্দোলন হয়েছে, ভয়াবহ বন্যা হয়েছে, বিমান দূর্ঘটনা হয়েছে, আরও কতশত অযাচিত ঘটনা ঘটেছে।
তারমধ্যে সেনাপ্রধান কমান্ড চেইন মানে না, পুলিশরা নিরাপত্তা দিতে পারে না, বিএনপি কথা শুনে না, হাসিনার রয়ে যাওয়া আমলারা কাজ করে না।
পিলখানার বিডিআর হত্যাকান্ডের মামলাটাও নতুন করে তদন্ত করা শুরু করেছিলেন ইউনূস কিন্তু সেনাপ্রধান ওয়াকার সেটাতেও বাঁধা দিলেন।
এতসব কিছুর ভিড়ে নিয়ে আসা স্বপ্নগুলো আর পূরণ করতে পারেননি তিনি।
তবুও চেষ্টা করেছিলেন ড. ইউনূস। চেয়েছিলেন নিজের ফেইস ভ্যালু ব্যবহার করে বৈদেশিক বিনিয়োগ আনতে,
দেশটাকে একটু ঠিকঠাক করতে। কিছু কাজ করেছিলেনও, দেশের রিজার্ভও ৩০ বিলিয়ন হয়েছিল।
কিন্তু বাকিগুলো করতে গিয়ে দেখলেন এদেশের সবাই ই দুর্নীতিতে জড়িত, চাঁদাবাজি রোগে আক্রান্ত।
আপনি ড. ইউনূসকে সুদখোর বলে গালি দিতে পারেন, গুজবে কান দিয়ে আমেরিকার দালাল বলতে পারেন কিন্তু কেউ আপনাকে গ্রেফতার করবে না, জেলে ভরবে না।
কিন্তু অন্য কোন সরকার প্রধান আসলে তার বিরুদ্ধে এভাবে বলার সুযোগটা আর পাব না আমরা। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি দেখেও দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে থাকতে হবে তখন।
ইউনূস সরকার চেয়েছিলেন যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশের মতো হয়ে যাওয়া বাংলাদেশটাকে একটু ঠিকঠাক করতে। কিন্তু দিনশেষে একরাশ কষ্ট নিয়েই ফিরে যাবেন নিজের পুরনো ঠিকানায়।
ড. ইউনূসের মতো আন্তর্জাতিক মানের আর একজনকেও আমরা খুঁজে পাব না।
যুদ্ধে পরাজিত সৈনিকেরা যেমন ক্লান্ত দেহ নিয়ে কোনরকম ঘরে ফিরে তেমনি ড. ইউনূসও ফিরে যাবেন, সেদিন হয়তো ঠিকই আফসোস করব আমরা!
লেখা- Ibrahim Khalil Shawon
25/07/2025
আমি সিঙ্গাপুরের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী Lawrence Wong কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি , ঢাকা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর আমাদের দেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন যা মানবতার দারুণ উদাহরণ।
বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আপনাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা,কার্যকরী উদ্যোগ এবং সহানুভূতির জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হোক—এই কামনা করি।
22/07/2025
আপনি শিক্ষক জাতির অহং'কার!
প্রমাণ করলেন শিক্ষকরা শুধু পাঠদানই করেন না, শিক্ষার্থীদের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবনকে উৎ'সর্গও করতে পারেন।
18/07/2025
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে।।।।।
12/07/2025
মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত ঠিকিই,তবে যাদের বিবেকবোধ আছে।
এমন নরপশু কখনো সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হতে পারেনা ❌❌
07/07/2025
"আমার মায়ের জন্য ঔষধ বাবদ প্রতি মাসে পনেরো থেকে বিশ হাজার টাকা লাগতো। গত দুই মাস আগে তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। মা মারা যাওয়ার কারণে, আমার তো এখন প্রতিমাসে পনেরো থেকে বিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত থাকার কথা! কিন্তু সে টাকা কই ? আমি টাকার কোন হিসেব পাই না।"
--- স্যার শাহ্ আব্দুল হান্নান ---(সাবেক সচিব)।
স্যারের কথার সারমর্ম হল- মানুষ যখন চলে যায়, তার রিযক্বের অংশও সাথে করে নিয়ে যায়। অর্থাৎ ভাই-বোন, আত্নীয়-স্বজন, পিতা-মাতার রিযিক্বের অংশ আপনার আয়ের মধ্যেই দেওয়া থাকে। কখনো ভাববেন না যে, আপনি যদি তাদের জন্য খরচ না করেন, তাহলে বরাদ্দকৃত অংশ আপনার মূল টাকায় যোগ হবে। তারা তাদের রিযক্ব খাচ্ছে, ঠিক যতটুকু আপনার ভান্ডারে তাদের জন্য তিনি (রিযক্বদাতা) রেখেছেন। পরিবারের জন্য খরচ করার মতো সৌভাগ্য সবার হয়না, আর না সবাই সেই মানসিকতা রাখে।
(সংগৃহীত)
শিক্ষা ও তথ্য কেন্দ্র।
পাখির চোখে রাতের সৌন্দর্য,
ঢাকা টু সিংগাপুর।
যার স্বামী নাই,সে হলো আসামী🤣
06/05/2025
ঘরের বানানো ডালের বড়া দিয়ে সন্ধ্যার নাস্তা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Nabinagar
3410