Emon Legal Support

Emon Legal Support

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Emon Legal Support, Education Website, Madhabdi, Dhaka, Narsingdi.

08/08/2025

এনরোলমেন্ট মৌখিক পরীক্ষার (Viva-Voce) পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু গাইডলাইন। লেখাটি বড় হলেও মনোযোগ সহকারে পড়ুন, আশা করছি আপনার ব্যয়িত সময় বিফলে যাবেনা। -

১। ভাইভার নোটিশের জন্য অপেক্ষা না করে এখন থেকে নিয়মিত ভাইভার জন্য লেখাপড়া শুরু করে দিন। বিষয়টা এমন না যে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা লেখাপড়া করতে হবে। নিয়মিত কোর্টে যাবেন, সিনিয়রের সাথে প্র‍্যাক্টিস করবেন। কারণ ভাইভার জন্য কোর্ট প্র‍্যাক্টিসের বিকল্প নেই। উল্লেখ্য যে, ভাইভা বোর্ডে যেসকল প্রশ্ন করা হয় তার ৯০%-৯৫% Practical কিংবা Court Practice রিলেটেড। সবাই নিজ নিজ Bar Association সম্পর্কিত তথ্যাদি জেনে নেবেন, যেমনঃ বর্তমান প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি, বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ, বিজ্ঞ মহানগর দায়রা জজ, বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, কোর্টের নাম, কোর্টের ভবন/বিল্ডিং সম্পর্কিত বিষয়। ভাইভা বোর্ডে উক্ত বিষয়াদি জানতে চাওয়া মানে আপনার সাথে কোর্টের সম্পর্ক রয়েছে কিনা সেইটা যাচাই করা। এছাড়াও বার কাউন্সিলের বর্তমান কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল বিজ্ঞ ব্যক্তিবিশেষের নাম/পদবী এবং মাননীয় এ্যাটর্ণি জেনারেল স্যার, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, আপীল বিভাগ/হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতিগণ সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্যাদি জেনে নেবেন।

২। আপনার এলাকা/জন্মস্থান/অঞ্চল কি জন্য/কার জন্য বিখ্যাত, আপনার এলাকার/জন্মস্থানের/অঞ্চলের কোনো ব্যক্তিবিশেষ রাষ্ট্রীয় কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে (মন্ত্রী, বিচারক, বিচারপতি) রয়েছেন কিনা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত সাধারণ তথ্যাদি এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/ব্যক্তিনি বিশেষদের নাম/অবদান সম্পর্কে জেনে নেবেন।

৩। যদিও এনরোলমেন্ট প্রিলিমিনারি (MCQ) এবং লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ৭টি বিষয়ের উপরে সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু এনরোলমেন্ট মৌখিক (Viva-Voce) পরীক্ষায় সিলেবাসের বাইরে গিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানসহ কোর্ট প্র‍্যাক্টিসে প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হচ্ছে এমন কতিপয় আইন থেকে প্রশ্ন হয়ে থাকে। যেমনঃ

(i) যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮,
(ii) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০,
(iii) The Arms Act, 1878,
(iv) The Special Power Act, 1974,
(v) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮,
(vi) পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩,
(vii) The Muslim Family Laws Ordinance, 1961,
(viii) Hindu Law,
(ix) আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২,
(x) The State Acquisition and Tenancy Act, 1950,
(xi) The Negotiable Instruments Act, 1881,
(xii) ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ ইত্যাদি।

৪। সিভিল এবং ক্রিমিনাল মামলা/মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি এবং বিভিন্ন স্টেজ সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিবেন। মামলা/মোকদ্দমা পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন স্টেজের পরে কোন স্টেজ আসবে এবং কোর্টের কজলিস্টে কিভাবে ধার্য্য তারিখে মামলা/মোকদ্দমার স্টেজ উল্লেখ করা হয় সেগুলো জেনে নেবেন।

৫। অনলাইনে ফরম ফিলাপের সময়ে প্রদত্ত অনুযায়ী বিজ্ঞ সিনিয়র থেকে মামলা/মোকদ্দমার যাবতীয় তথ্যাদি সংগ্রহ করুন, যেগুলো আপনার কেইস ডায়েরি লেখাতে সহায়ক হবে। যদিও ভাইভা বোর্ডে কেইস ডায়েরি নিয়ে তেমন একটা প্রশ্ন করেনা, তারপরেও কাউকে কেইস ডায়েরি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ঠিকমত উত্তর দিতে না পারলে প্রার্থীর উপরে বোর্ডের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এমনও হয়েছে কোনো কোনো প্রার্থীর ভাইভা শুরু হয়েছে তার কেইস ডায়েরি দিয়ে আবার শেষও হয়েছে কেইস ডায়েরি দিয়ে।

৬। ভাইভা বোর্ডে সাধারণত ছোট ছোট প্রশ্ন করা হয়ে থাকে এবং প্রশ্নের উত্তরের স্বপক্ষে কোনো অপশন থাকেনা। উত্তর পারলে দিবেন, অন্যথায় "সরি/দুঃখিত স্যার, এই মুহুর্তে মনে পড়ছেনা" বলে বোর্ডকে অন্য প্রশ্ন করার সুযোগ দিবেন। মনে রাখবেন, ভাইভা বোর্ড়ে আপনার কোনো তথ্য গোপন করা কিংবা মিথ্যাচার করা যাবে না। আইন সম্পর্কিত বিষয়ে ২/১টা প্রশ্নের উত্তর ভুল দিলেও বোর্ড বিবেচনায় নিতে পারেন, কিন্তু কোনো মিথ্যাচার কিংবা অসৌজন্যমূলক আচরণ করলে বোর্ড তা কোনোভাবেই সুবিবেচনায় নেবেন না।

৭। এখন থাকে বাসায় নিজে নিজে কোর্টে বিজ্ঞ সিনিয়ররা যেভাবে সাবমিশন দেন ঠিক সেভাবে প্র‍্যাক্টিস করবেন। কারণ ভাইভা বোর্ডে আপনাকে বলা হলো, "দেখি একটা জামিন শুনানী কিংবা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানী করে দেখান তো"। উল্লেখ্য যে, বিগত কয়েকটি মৌখিক পরীক্ষায় কতিপয় প্রার্থীদেরকে জামিন শুনানী করতে বলা হয়েছিল।

৮। The Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর অধিন অপরাধগুলো কোনটি কোন আদালতে বিচার করা হয়ে থাকে কিংবা অপরাধগুলোর অধিনে মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হয়, উক্ত অপরাধগুলো আমলযোগ্য/জামিনযোগ্য/আপোষযোগ্য কিনা, উক্ত অপরাধগুলো অধিনে রায় (শাস্তি/খালাস) প্রদান করা হলে আপিল/রিভিশন কোন আদালতে দায়ের করতে হবে, এইসব বিষয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট/ভালোভাবে ধারনা নিয়ে রাখবেন। পাশাপাশি খালাস, অব্যাহতি, নারাজি, আপীল, রিভিশন, মিস কেস, জামিন, খারিজ সম্পর্কে বিস্তারিত পড়বেন। এছাড়াও The Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এর অধিন আপীল, রিভিউ, রিভিশন, অগ্রক্রয়, তামাদির গণনাকাল ও মেয়াদ, কোর্ট ফি এগুলো সম্পর্কেও বিস্তারিত পড়বেন।

৯। The Civil Courts Act, 1887 (Act No. XII of 1887) এর সর্বশেষ আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction) সংশোধনী সম্পর্কে জেনে নেবেন। মোকদ্দমার মূল্যমান/সংখ্যা (Valuation of Suit) অনুযায়ী The Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এর অধিন মোকদ্দমাসমূহ কোন আদালতে দায়ের করতে হবে এবং মোকদ্দমা নিষ্পত্তি (রায়/ডিক্রি) হলে আপিল/রিভিউ/রিভিশন কখন কোন আদালতে দায়ের করতে হবে, এইসব বিষয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট/ভালোভাবে ধারনা নিয়ে রাখবেন।

১০। কেইস ডায়েরিতে যেই ১০টি মামলা/মোকদ্দমা লিখবেন সেগুলো সম্পর্কে A to Z সকল তথ্যাদি এমনভাবে জেনে রাখবেন যেন তা আপনার ঠোঁটে থাকে, আর বোর্ড থেকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা মাত্রই আপনি বলতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনার কেইস ডায়েরি সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের ভুল উত্তর দেওয়া যাবেনা। এছাড়াও এর সাথে সংশ্লিষ্ট আইনগুলো সম্পর্কে ব্যাসিক তথ্যগুলো জেনে যাবেন।

১১। যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০, The Arms Act, 1878, The Special Power Act, 1974, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২, The Negotiable Instruments Act, 1881 ইত্যাদি আইন সমূহের অধিন সৃষ্ট অপরাধগুলো থেকে মামলা সমূহ কোন আদালতে দায়ের করতে হয়, উক্ত অপরাধগুলো আমলযোগ্য/জামিনযোগ্য/আপোষযোগ্য কিনা, উক্ত অপরাধগুলো অধিনে রায় (শাস্তি/খালাস) প্রদান করা হলে আপিল/রিভিশন কোন আদালতে দায়ের করতে হবে, এইসব বিষয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট/ভালোভাবে ধারনা নিয়ে রাখবেন।

১২। The Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং The Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর অধিন গঠিত আদালতের প্রকারভেদ এবং সেগুলোর এখতিয়ার সংক্রান্ত সকল তথ্যাদি জেনে রাখবেন। উভয়ই আইনের অধিনে দায়েরকৃত আপিল/রিভিউ, রিভিশন এবং মিচ কেইস সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্যাদির উপর গুরুত্বারোপ করবেন।

১৩ । ভাইভায় অংশগ্রহণের নিমিত্তে একজন প্রার্থী হিসাবে ড্রেসকোড মেইনটেইন করা বাধ্যতামূলক। ড্রেসকোড মেইনটেইন না করা হলে প্রার্থীর উপরে বোর্ডের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। গতবার টাই পড়া ঠিক ছিলনা বলে অনেক প্রার্থীকে টাই ঠিক করে পড়ে আসতে বলা হয়েছিল। ছেলেরা সাদা/কালো প্যান্ট, সাদা শার্ট, কালো টাই, কালো জুতা, কালো কোর্ট পরিধান করবেন, আর মেয়েরা সালোয়ার কামিজ/শাড়ি, স্কার্ফ (কান দৃশ্যমান থাকতে হবে) ও কালো কোর্ট এর সাথে নিজেরদের পছন্দ অনুযায়ী সাজ দিতে পারেন। তবে অতিমাত্রায় মেকাপ, লিপস্টিক কিংবা তুলনামূলক পাতলা শাড়ি পরিধান না করাই শ্রেয়।

১৪। ভাইভা সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত থাকবে পরবর্তী পোস্টগুলোতে... -

01/08/2025

আপনি চেক ডিজঅনার মামলা নিয়ে চিন্তিত? আপনার বিবাদী মারা গেলে কী হবে ভাবছেন? জেনে নিন আইনি সমাধান! 👇
চেক ডিজঅনার মামলায় বিবাদী মারা গেলে কী হয়? ⚖️
চেক ডিজঅনারের মামলা (সাধারণত ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারা অনুযায়ী) একটি ফৌজদারি অপরাধ। কিন্তু মামলার চলাকালীন যদি বিবাদী (যাকে আসামি করা হয়েছে) মারা যান, তাহলে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে পরিস্থিতিটা একটু ভিন্ন হয়।
১. ফৌজদারি মামলার সমাপ্তি:
আসামি মারা গেলে ফৌজদারি মামলাটি সেখানেই শেষ হয়ে যায়। কারণ, ফৌজদারি দায় সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তিগত; মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা তার অপরাধের জন্য দায়ী হন না। সহজ কথায়, ফৌজদারি মামলা আর এগোয় না।
২. আপনার পাওনা আদায়ের উপায় (দেওয়ানি প্রতিকার):
তাহলে কি আপনার টাকা ফেরত পাওয়ার পথ বন্ধ? একদমই না! এক্ষেত্রে আপনার জন্য রয়েছে দেওয়ানি প্রতিকার।
* কী করবেন? মৃত বিবাদীর উত্তরাধিকারী বা আইনগত প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে আপনাকে দেওয়ানি আদালতে একটি টাকা আদায়ের মামলা করতে হবে।
* কেন? এই দেওয়ানি মামলা আপনাকে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে আপনার পাওনা টাকা আদায়ে সাহায্য করবে। মনে রাখবেন, উত্তরাধিকারীরা মৃত ব্যক্তির যতখানি সম্পত্তি পেয়েছেন, ততখানি পর্যন্তই তারা আপনার পাওনার জন্য দায়ী থাকবেন।
* কখন করবেন? চেক ডিজঅনারের ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি অথবা এটি শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও আপনি দেওয়ানি মামলাটি দায়ের করতে পারেন।
৩. জরুরি পরামর্শ:
যদি মামলা চলাকালীন বিবাদী মারা যান, তাহলে দ্রুত আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলার আরজি (plaint) সংশোধন করে মৃত বিবাদীর আইনগত প্রতিনিধিদের পক্ষভুক্ত করুন। এতে আপনার দেওয়ানি প্রতিকার চাওয়ার পথ সুগম হবে।
আইনি বিষয়গুলো প্রায়শই জটিল হয়। তাই এমন পরিস্থিতিতে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আপনাকে সঠিক পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবেন।
আপনার কি এই বিষয়ে আরও কিছু জানার আছে? কমেন্টে জানান! 👇
#চেকডিজঅনার #আইনিপরামর্শ #আইন #বাংলাদেশীআইন #ফৌজদারীমামলা #দেওয়ানিমামলা

30/07/2025

🔴 ভূমি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী সবার জানা জরুরী!

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
Land Solution farm বিস্তারিত জানতে
===============
১ একর = ১০০ শতক।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।

==================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতক।

=========================
১ শতক = ৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতক = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতক = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
১০ শতক = ৬ কাঠা। = ৪৩৫৬ বর্গফুট ।

=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।

=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতক।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।

================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতক।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।

======
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি।
কাচ্চা কানিঃ-
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট

বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা।

উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।

* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ স্কয়ার বর্গফুট।

* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ স্কয়ার বর্গফুট।

* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ স্কয়ার বর্গফুট।

এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।

আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমনঃ –

* আপনি যদি ৯০০ স্কয়ার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ স্কয়ার বর্গফুট।

* আর যদি ১২০০ স্কয়ার বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।

* ১৬০০ স্কয়ার বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ স্কয়ার ফুট!

সংগৃহীত তথ্য

Want your school to be the top-listed School/college in Narsingdi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Madhabdi, Dhaka
Narsingdi
1603