Zason Mohammad

Zason Mohammad

Share

☞ আমি একজন ইনফ্লুয়েন্সার, উদ্দোক্তা ও দার্শনিক।
☞ সত্য লুকায়িত, আপনাকে খুজে বের করতে হবে গবেষণা ও জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে।

19/05/2026

Creativity of corruption

07/05/2026

পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রতিবেদনটি সাবেক বাংলাদেশি ছিটমহলবাসীদের জীবন, নাগরিকত্ব এবং দলীয় রাজনীতিতে তাদের জড়িয়ে পড়ার কাহিনি তুলে ধরেছে।

২০১৫ সালের স্থলসীমা চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় ভূখণ্ডের ভেতরে থাকা ৫১টি বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল পরস্পরের সঙ্গে বিনিময় হয়। এর ফলে পোয়াতুরকুঠি ও মধ্য মশালডাঙ্গার মতো এলাকাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং সেখানকার বাসিন্দারা প্রথমবারের মতো পূর্ণ নাগরিক অধিকার পান। এর আগে তারা বিদ্যুৎ, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল এমনকি ভোটাধিকার থেকেও বঞ্চিত ছিলেন। ভারতীয় সুবিধা পেতে অনেককে ভুয়া পরিচয়ে ভোটার কার্ড বানাতে হতো। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন থেকেই তারা প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান, যদিও এর আগে বিশেষ ব্যবস্থায় একবার বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের ছিল।

প্রতিবেদনে মনসুর আলি, ওসমান গনি, জিহাদ হোসেইন ওবামা, রহমান আলি ও জয়নাল আবেদিনদের ব্যক্তিগত গল্পের মাধ্যমে উঠে আসে কীভাবে তারা ব্রিটিশ ভারত, পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতের নাগরিক হয়েছেন এবং কী কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নাগরিক স্বীকৃতি ও স্বাস্থ্যসেবা আদায় করেছেন। জিহাদ ওবামার জন্মের সময় তার বাবা-মা দিনহাটা হাসপাতালে জোর করে ছিটমহলের আসল ঠিকানা ব্যবহার করেন। এর ফলে প্রথমবারের মতো একটি শিশুর জন্ম ভারতে সঠিক পরিচয়ে নথিভুক্ত হয়। এর আগ পর্যন্ত সবাইকে আত্মীয়ের ভুয়া পরিচয় দেখিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হতেন।

ছিটমহল বিনিময়ের পর গ্রামগুলোতে বিদ্যুৎ, পাকা রাস্তা, স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি হল গড়ে উঠেছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিশ্রুত সুবিধার অনেক কিছুই এখনো মেলেনি। জমির দলিল হস্তান্তর সম্পূর্ণ হয়নি, সব পরিকল্পিত স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রও চালু হয়নি। একসময় ছিটমহল বিনিময়ের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকারীরা এখন তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও বাম শিবিরে ভাগ হয়ে পড়েছেন। কেউ ব্যক্তিস্বার্থে, কেউবা চাপে পড়ে দলে যোগ দিয়েছেন। এতে পুরোনো বন্ধুত্ব টিকে থাকলেও রাজনৈতিক বিভাজন ক্রমশ গভীর হচ্ছে এবং অনেকের মনে হতাশা জন্ম নিয়েছে যে, একজোট থাকলে দাবি আদায় অনেক সহজ হতো।

ছিটমহল বিনিময় আন্দোলনের অন্যতম নেতা দীপ্তিমান সেনগুপ্ত পরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় ভেতরে ভেতরে নতুন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। তিনি অবশ্য মনে করেন, এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই মানুষ বুঝতে পারছে দলীয় রাজনীতি কীভাবে ঐক্যকে ভেঙে দিতে পারে। তবু জয়নাল আবেদিনের মতো অনেকে বলছেন, রাজনৈতিক মতবিরোধ সত্ত্বেও ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব এখনো অটুট। দলীয় বিভাজনের মাঝেও সামাজিক সম্পর্ক টিকে থাকাটাই হয়তো এই মানুষগুলোর সবচেয়ে বড় শক্তি।

06/05/2026

একটি নতুন বই ও তদন্তে দাবি করা হয়েছে যে, বসনিয়ার সারায়েভো অবরোধ চলাকালে তথাকথিত ‘হিউম্যান সাফারি’ বা মানুষের ওপর শিকার অভিযানে এক ইউরোপিয়ান রাজপরিবারের সদস্যও অংশ নিয়েছিলেন। সাংবাদিক ডোমাগয় মারগেটিচের লেখা Pay and Shoot বইয়ে বলা হয়, ধনী ইতালিয়ানসহ ইউরোপের কিছু নাগরিক সার্বীয় স্নাইপারদের সঙ্গে মিলে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করার জন্য বিপুল অর্থ দিতেন।

মারগেটিচ দাবি করেন, তিনি বসনিয়ান গোয়েন্দা কর্মকর্তা নেজাদ উগলজেনের কাছ থেকে গোপন নথি পেয়েছিলেন; উগলজেনকে ১৯৯৬ সালে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই নথি অনুযায়ী, শিকারিদের কাছ থেকে মধ্যবয়সী নারী–পুরুষকে গুলি করার জন্য ৮০ হাজার মার্ক, তরুণীকে গুলি করতে ৯৫ হাজার মার্ক, আর গর্ভবতী নারীকে হত্যা করতে ১১০ হাজার মার্ক নেওয়া হতো।

অভিযোগ রয়েছে, বিদেশি এসব ‘স্নাইপার ট্যুরিস্ট’রা সারায়েভোর কুখ্যাত ‘স্নাইপার অ্যালি’–র উপর থেকে সাধারণ মানুষকে গুলি করত এবং তারা ‘সবচেয়ে সুন্দর’ নারীকে হত্যা করার প্রতিযোগিতায় নামত।
মারগেটিচ বলেন, কয়েকজন সার্ব–বসনিয়ান মিলিশিয়ার সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, এক ইউরোপিয়ান রাজপরিবারের সদস্য হেলিকপ্টারে করে এসে শিশুদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে চাইতেন।

তিনি আরও জানান, ক্রোয়েশিয়ান নাগরিক জভোনকো হোরভাতিনচিচ, যিনি আগে যুগোশ্লাভ গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কাজ করতেন, ধনী বিদেশিদের জন্য আগে পশু শিকার ট্যুর আয়োজন করতেন এবং পরে যুদ্ধ শুরু হলে সারায়েভোতে মানুষের ওপর শিকার আয়োজনের প্রশ্ন আসে।

প্রতিবেদনটিতে একটি টাইমলাইনও দেওয়া হয়েছে, যেখানে ১৯৯০–এর দশকের মাঝামাঝি প্রথম অভিযোগ ওঠা থেকে শুরু করে ২০২২ সালের ডকুমেন্টারি Sarajevo Safari এবং ২০২৫ সালে মিলান প্রসিকিউশন কর্তৃপক্ষের তদন্ত পর্যন্ত পুরো বিষয়টি কীভাবে সামনে এসেছে তা তুলে ধরা হয়েছে।

বর্তমানে এক ৮০ বছর বয়সী ইতালিয়ান ট্রাকচালককে এসব অভিযোগের অংশ হিসেবে তদন্তের মুখোমুখি করা হয়েছে, যেখানে তার বিরুদ্ধে ‘অ্যাগ্রাভেটেড মার্ডার’ বা গুরুতর হত্যার মামলা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Want your business to be the top-listed Realtor/realty Service in Natore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Natore
6400