MSK

MSK

Share

ALONG BUT HAPPY.

Photos from MSK's post 19/03/2025

New 2025

Photos from MSK's post 06/01/2025

বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডালিম যা যা বলল-

১. শেখ মুজিব হ'ত্যায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পরোক্ষভাবে জড়িত।
২. মুজিবের ভাষনে নয় মেজর জিয়াউর রহমানের "স্বাধীনতা ঘোষণায়" লক্ষ লক্ষ মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করেছিল এবং আমি নিজেও পা'কি'স্তা'ন থেকে চলে এসেছিলাম মেজর জিয়ার ডাকে।
৩. মুক্তিযুদ্ধে সর্বমোট শহীদের সংখ্যা ৩০ লক্ষ নয়, ৩ লক্ষ।
৪. মুক্তিযুদ্ধে ধ'র্ষ'ণের শিকার নারীদের সংখ্যা ২ লক্ষ নয় বরং আরো অনেক অনেক কম কারণ ডালিম সাহেব বলেছেন উনি মাত্র দুইজন ধ'র্ষি'তা নারীকে পেয়েছেন।
৫. মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাইনি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিল।
৬.ভা'র'ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করছে যাতে তাদের একটি প্রদেশ বানাতে পারে।
৭. মুজিব নিজেই ধরা দিয়ে, পা'কি'স্তা'নি আর্মির কাছে ফ্যামিলির দায়িত্বভার দিলেন।
৮. কোরআন শপথ করে জিয়া আগস্ট বিপ্লবীদের সাথে থাকার ওয়াদা করেন। (কিন্তু তার বদলে) তিনি ক্ষমতা সুসংহত করতে ৪০০০ লোককে মৃ'ত্যু'দ'ন্ড দিয়েছিলেন।
৯. বুদ্ধিজীবীদের হ'ত্যা করেছিলো ভা'র'তীয় বাহিনী।
১০. ভারত স্বাধীনতার পর ১৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায়। বাঁধা দিলে মুজিব মেজর জলিলকে গ্রেপ্তার করে।
১১. জহির রায়হান ও শহিদুল্লাহ কায়াসারকে হ'ত্যা করেছিলো মুজিব।
১২. মুক্তিযুদ্ধে ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জৎ লু'ট হয়েছিলো এইটা একটা মিথ্যা প্রচারণা।
১৩. বিপ্লবী সিরাজ সিকদারকে পরিকল্পনা করে হ'ত্যা করে মুজিব।
১৪. কথা আর কাজে কোন মিল ছিলোনা মুজিবের৷
১৫. মুজিব হত্যার পরে মিষ্টি বিতরণ করে দেশের মানুষ।
১৬. মেজর ডালিমের স্ত্রীকে চিকিৎসা নিতে দেয়নি হাসিনা ও খালেদা।
১৭. বঙ্গবন্ধু মুজিব বাহিনী সীমাহীন লুটপাট, হত্যা ,ধর্ষণ ,ডাকাতি চালিয়েছিলো। যে কারণে মানুষ শেখ মুজিব ফেরাউন বলতে শুরু করেছিলো।
১৮. শেখ মুজিব মারা যায়নি, অভ্যুত্থানে নিহত হয়েছেন।
১৯. মুজিব হত্যার পর লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিলো ,আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরন করেছিলো।
২০. ভারতের চাপে রবীন্দ্রসংগীতকে জাতীয় সংগীত করা হয়।
২১. বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে শেখ মুজিব সেটা জানতোই না।

তারিখ: জানুয়ারি ০৫, ২০২৫ ইং,,,👍৩০৩০বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডালিম (বীর উত্তম) এর বদৌলতে যে সত্য ইতিহাসগুলো জাতি অর্ধ শতাব্দী বছর পর জানলো:
১. মুজিব নিজে স্বয়ং ধরা দিয়ে পা'কি'স্তা'নি আর্মির কাছে ফ্যামিলির দায়িত্বভার দিলেন।
২. মুজিবের ভাষনে নয় মেজর জিয়াউর রহমানের ডাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ একতাবদ্ধ হয়েছিলো এবং আমি নিজেও পা'কি'স্তা'ন থেকে চলে এসেছিলাম মেজর জিয়ার ডাকে।
৩. মুক্তিযুদ্ধে সর্বমোট শহীদের সংখ্যা ৩০ লক্ষ নয়, ৩ লক্ষ।
৪. মুক্তিযুদ্ধে ধ'র্ষ'ণের শিকার নারীদের সংখ্যা ২ লক্ষ নয় বরং আরো অনেক অনেক কম কারণ ডালিম সাহেব বলেছেন উনি মাত্র দুইজন ধ'র্ষি'তা নারীকে পেয়েছেন।
৫. মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাইনি।
৬.ভা'র'ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করছে যাতে তাদের একটি প্রদেশ বানাতে পারে।
৭. মুজিব হ'ত্যায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও জড়িত ছিলেন।
৮. কোরআন শপথ করে জিয়া আগস্ট বিপ্লবীদের সাথে থাকার ওয়াদা করেন। (কিন্তু তার বদলে) তিনি ক্ষমতা সুসংহত করতে ৪০০০ লোককে মৃ'ত্যু'দ'ন্ড দিয়েছিলেন।
৯. বুদ্ধিজীবীদের হ'ত্যা করেছিলো ভা'র'তীয় বাহিনী।
১০. ভারত তৎকালীন ১৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বাংলাদেশ থেকে লুট করে নিয়ে যায়। বাঁধা দিলে মুজিব মেজর জলিলকে গ্রেপ্তার করে।
১১. জহির রায়হান ও শহিদুল্লাহ কায়াসারকে হ'ত্যা করেছিলো মুজিব।
১২. মুক্তিযুদ্ধে ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জৎ লু'ট হয়েছিলো এইটা একটা মিথ্যা প্রচারণা।
১৩. বিপ্লবী সিরাজ সিকদারকে পরিকল্পনা করে হ'ত্যা করে মুজিব।
১৪. কথা আর কাজে কোন মিল ছিলোনা মুজিবের৷
১৫. মুজিব হত্যার পরে মিষ্টি বিতরণ করে দেশের মানুষ।
১৬. মেজর ডালিমের স্ত্রীকে চিকিৎসা নিতে দেয়নি হাসিনা ও খালেদা।
তারিখ: জানুয়ারি ০৫, ২০২৫ ইং৮ লক্ষ মানুষের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক এই লাইভের কিছু চুম্বক অংশ-

১/ বিবিসি বাংলার হেড বলেন ৭১ যুদ্ধে মারা যায় ৩ লক্ষ মানুষ। শেখ মুজিব বিবিসির সাংবাদিককে জানায় ৩ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়।

২/ আমরা জানি ৩ লক্ষ নারী সম্ভ্রম হারিয়েছে ৭১ যুদ্ধে,মেজর ডালিম বলেন আমরা মাত্র ২ জন নারীকে পেয়েছি এমন বিপর্যস্ত।

৩/একাত্তরে শেখ মুজিব পরিবারকে পাকিস্তানের জিম্মায় রেখে,পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে নিজেকে সেইফ রাখে।

৪/স্বাধীনতার ঘোষণা দেন জিয়াউর রহমান নিজের নামে;পরে ভারতের চাপে বক্তব্য পরিবর্তন করে বলেন মুজিবের ঘোষণা পত্র পাঠ করেছি।
৫/ মেজর ডালিম সহ সবাই যখন ভারতে যুদ্ধের জন্য যায় তখনই বুঝতে পারে বাংলাদেশকে করদ রাজ্য এবং পরবর্তীতে অঙ্গরাজ্য করার লক্ষ্যে মুলত ইন্দো পাকিস্তান যুদ্ধের আয়োজন হয়।

৬/ বুদ্ধিজীবী দিবস, ১৪ ই ডিসেম্বরের হত্যাযজ্ঞ চালায় ভারত, এটা বুঝতে হলে বিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নাই।

৭/ পাকিস্তানের আপত্তি এবং বহির্বিশ্বের চাপে ভারত তাদের সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করে বাংলাদেশ থেকে,মুজিবের অনুরোধে নয়।কিন্তু তাদের অবৈধ হস্তক্ষেপে কেউ বাধা দিতে না পারে তাই রক্ষীবাহিনী গঠন করে ভারতীয় বাহিনীর শূন্যতা পূরণ করে।

৮/পচাত্তরের ১৫ ই আগষ্টের মুজিব পরিবারকে হত্যার পরে সারাদেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে আনন্দ মিছিলের জন্য বেরিয়ে আসে এবং মিষ্টি বিতরন করে।

৯/ শেখ হাসিনা আর শেখ মুজিবের তুলনা করলে শেখ হাসিনা সবচেয়ে বড় স্বৈরাচার; তার বাবা বীজ বপন করেছে আর সে ভারতের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করেছে।

১০/শেখ মুজিব যখন ইন্দিরা গান্ধীর কথামোতো পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ না এসে লন্ডন হয়ে ভারত হয়ে বাংলাদেশে আসে তখনও জানত না বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। সে বিবিসির সাংবাদিক কে আশংকা জানায় কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, স্বাধীন কি আসলেই হয়েছে?

১১/দেশে ফিরে তাজউদ্দীন আহমদকে বলে তাজউদ্দীন তুমি সরে যাও আজ থেকে আমিই সরকারের প্রধান।

১২/ নিম্মির ক্যান্সার ছিল, তাকে হাউজ এরেস্ট করে রাখা হয় ১৯৯৬ থেকে;ক্যান্সারের ৪র্থ স্টেজে ছিল নিম্মি।এমনকি খালেদা জিয়াও তাকে পাসপোর্ট দেন নাই,ফলে ক্যান্সারেই মারা যায়....

- মেজর ডালিম

21/11/2024

বাংলার প্রাঙ্গণ “বাংলার তথ্যপট” উদ্যোগ নিয়ে এক নবদিগন্তের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়েছে এরই একটি নতুন শাখা “৬৪ জেলার ভ্রমণকথন”। এই শাখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ স্থানগুলো সবার সামনে নিয়ে আসা। আজ "৬৪ জেলার ভ্রমণকথন" এর ষষ্ঠবিংশতম পর্বে থাকছে - নাটোর জেলা।

নাটোর জেলা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত। শহরের শান্ত পল্লী অঞ্চল থেকে শুরু করে রাজকীয় রাজবাড়ী পর্যন্ত, প্রতিটি কোণে যেন রয়েছে এক আলাদা গল্প, এক নতুন অভিজ্ঞতা।চলুন, আজকে নাটোর জেলার উল্লেখযোগ্য কিছু ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।

১. বৃ-চাপিলা শাহী মসজিদ:
নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নে অবস্থিত বৃ-চাপিলা শাহী মসজিদ, মুঘল আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। প্রায় ৪০০ বছর আগে এটি নির্মিত হয় এবং এর স্থাপত্যশৈলী মুঘল কালীন সময়ের একটি দৃষ্টান্ত। স্থানীয়ভাবে এই মসজিদটি "গায়েবি মসজিদ" নামে পরিচিত, কারণ এর সাথে জড়িত রয়েছে নানা পৌরাণিক কাহিনী এবং ইতিহাস। মসজিদটির নির্মাণশৈলী এবং এর অদ্ভুত গঠন পর্যটকদের মধ্যে এক ধরনের বিস্ময় জাগায়।

২. দয়ারামপুর রাজবাড়ি:
দয়ারামপুর রাজবাড়ি, নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। এটি দিঘাপতিয়া জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা দয়ারামের নামানুসারে নামকরণ করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই রাজবাড়ীটি সেনানিবাস হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এবং ১৯৭৪ সালে শহীদ লে. কর্ণেল আব্দুল কাদিরের নামে কাদিরাবাদ সেনানিবাস প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজবাড়িটি এখন কাদিরাবাদ সেনানিবাস হিসেবে পরিচিত।

৩.ফকিরচাঁদ বৈষ্ণব গোঁসাইজির আশ্রম:
ফকির চাঁদ বৈষ্ণব ১১০৪ বঙ্গাব্দে লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া নওপাড়ার গহীন অরণ্যে বটগাছের নিচে একটি আশ্রম স্থাপন করেন। তিনি এখানে বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার ও সাধনা শুরু করেন। বর্তমানে, প্রতি বছর দোল পূর্ণিমা, গঙ্গা-সড়বান এবং নবান্ন উৎসবে হাজারো ভক্ত এখানে সমবেত হন। আশ্রমটির মন্দির, বিশাল পুকুর এবং ভক্তশালার পাশাপাশি মনোরম পরিবেশ দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

৪. বনপাড়া লুর্দের রাণী মা মারিয়া ধর্মপল্লী:
১৯৪০ সালে প্রতিষ্ঠিত বনপাড়া লুর্দের রাণী মা মারিয়া ধর্মপল্লী নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার একটি প্রধান খ্রিষ্টীয় ধর্মীয় স্থান। এটি বর্তমানে একটি তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত এবং প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী এখানে সমবেত হন। এখানে সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা স্থানীয় জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

৫. রাণী ভবানী রাজবাড়ী:
১৭০৬-১৭১০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত রাণী ভবানী রাজবাড়ী নাটোর শহরের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা। রাণী ভবানী, রাজা রামকান্তের মৃত্যুর পর রাজবাড়িটি পরিচালনা করেন এবং এটি তার নেতৃত্বে নবজীবন লাভ করে। রাজবাড়ির বিশাল আঙিনা, প্রাসাদ এবং মন্দিরগুলি এখনো পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এটি বর্তমানে যুবপার্ক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। রাজবাড়ী সংলগ্ন শ্যামসুন্দর মন্দির ও তারকেশ্বর শিব মন্দির রাজবাড়ির ধর্মীয় গুরুত্ব-ও বৃদ্ধি করে।

৬.শহীদ সাগর:
শহীদ সাগর, নাটোর জেলার গোপালপুরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের এক রক্তাক্ত ঘটনার স্মৃতি বিজড়িত। ৫ মে ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী নর্থ বেঙ্গল চিনি কারখানার এলাকায় গণহত্যা চালায়, যেখানে অনেক নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়। এই পুকুরটি ছিল সেই সময়ের এক বিভীষিকাময় দৃশ্যের সাক্ষী, এবং বর্তমানে এটি শহীদ সাগর নামে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের স্মৃতি স্মরণে এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে, যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের নৃশংসতা স্মরণ করিয়ে দেয়।

৭. হালতি বিল:
হালতি বিল, নাটোর জেলার নলডাঙ্গা ও বড়াইগ্রাম উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত একটি বিস্তৃত জলাভূমি। এটি প্রায় ৮,০০০ হেক্টর এলাকায় বিস্তৃত এবং বর্ষাকালে সম্পূর্ণ পানিতে পূর্ণ হয়ে ওঠে। এখানে নৌকা ভ্রমণ এবং মাছ ধরে অবকাশ যাপন অত্যন্ত জনপ্রিয়। হালতি বিল বর্তমানে স্থানীয় পর্যটন শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এছাড়া এটি প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য একটি আদর্শ স্থান, যেখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

৮. নাটোর রাজবাড়ী:
নাটোর রাজবাড়ী, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের নাটোর জেলার মূল শহরের কেন্দ্র থেকে কিছুটা দক্ষিণে অবস্থিত, এটি ১৮শ শতাব্দীর শেষের দিকে রাজা শিবনারায়ণ সাহা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকেই এটি নাটোর জেলার শাসনকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। নাটোর রাজবাড়ী তার ইতিহাস, স্থাপত্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দিয়ে আজও দর্শনার্থীদের সমানভাবে আকৃষ্ট করে।

৯. চলনবিল:
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ জলাভূমি, চলনবিল নাটোর জেলার একটি অন্যতম আকর্ষণীয় ভ্রমণস্থল, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত। এটি নাটোর, সিরাজগঞ্জ এবং পাবনা জেলার মধ্যে বিস্তৃত একটি বিশাল জলাভূমি এলাকা। বিশেষ করে বর্ষাকালে, চলনবিল পানিতে পূর্ণ হয়ে যায়, আর শুষ্ক মৌসুমে এটি বিরাট বিলের আকার নেয়। এখানে রয়েছে অসংখ্য নদী, খাল, পুকুর এবং জলাভূমি, যা স্থানীয় কৃষক এবং মাছচাষিদের জীবিকার উৎস।

১০. গ্রিন ভ্যালী পার্ক:
গ্রিন ভ্যালী পার্ক, নাটোর জেলার লালপুর উপজেলা সদর থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি মনোরম বিনোদন কেন্দ্র। এটি প্রায় ১২৩ বিঘা জমির ওপর বিস্তৃত এবং এখানে বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থীদের জন্য নানা রকমের রাইডের ব্যবস্থা রয়েছে। পার্কটির মধ্যে প্রায় ৩০ একর জায়গাজুড়ে একটি চমৎকার লেক এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে। পরিবারসহ ভ্রমণের জন্য পার্কটি নিঃসন্দেহে একটি আদর্শ স্থান।

১১.উত্তরা গণভবন:
উত্তরা গণভবন, যা পূর্বে দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন এবং কার্যলয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রায় ৪৩ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং এখানে ১২টি ভবন রয়েছে। রাজপ্রাসাদের নির্মাণশৈলী এবং এর চারপাশের ভাস্কর্যসমৃদ্ধ বাগান দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। এটি একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যার সঙ্গে দেশের রাজনীতি ও ইতিহাস গভীরভাবে জড়িত। সঙ্গত কারণেই, ভবনটি পরিদর্শনের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

নাটোরের প্রতিটি স্থান যেন তার নিজস্ব ইতিহাস ও সংস্কৃতির গল্প বলে, আর, জীবনানন্দ দাশের কবিতায় যে বনলতা, তার স্নিগ্ধতা যেন নাটোরের প্রকৃতির প্রতিটি কোণে।


তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট
#ভ্রমণ_কথন #নাটোর #বনলতা সৌন্দর্য
(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)

েলার_ভ্রমণকথন (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Natore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Natore, Rajshahi, Bangladesh
Natore
6400