Mohammad Rashed
অনলাইনে দ্বীন প্রচার হোক কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। online dawah happiness only for Allah .
31/03/2026
❤️Shei sad😄😃😆Malaysia airlines
20/03/2026
❤️🇦🇪তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম 🇦🇪❣️
Eid Mubarak
09/03/2026
➡️বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কেন্দ্রিক উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের ভূমিকা কেবল ব্যক্তিগত সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, বরং সামষ্টিক কল্যাণ ও ধর্মীয় নির্দেশনার আলোকে হওয়া প্রয়োজন।
তেলের বাজারে প্রকৃত সংকট না থাকলেও গুজব এবং অহেতুক আতঙ্ক সংকট তৈরি করছে।
➡️আতঙ্ক থেকে আমরা প্রায় প্রত্যেকেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কেনার প্রতিযোগিতায় নেমেছি। এমন প্রবণতা শুধু যুদ্ধ-পরিস্থিতি না, স্বাভাবিক সময়েও সংকট তৈরি করে।
➡️* অপ্রয়োজনে ব্যক্তিগত গাড়ি বা বাইক ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের চেষ্টা করা।
* বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সচেতন হওয়া, কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনেও তেলের বড় ভূমিকা থাকে।
➡️. আতঙ্কিত হয়ে মজুতদারি (ইহতিকার) না করা
সংকটের আশঙ্কায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে ঘরে মজুত করা বা পাম্পে দীর্ঘ সারি তৈরি করা ইসলামি নৈতিকতার পরিপন্থী। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি পণ্য মজুত করে সে পাপী" (সহীহ মুসলিম)। অতিরিক্ত মজুতদারি বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়।
➡️ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল
যেকোনো সংকট মুমিনের জন্য একটি পরীক্ষা। তেলের দাম বৃদ্ধি বা অভাবের সময় ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা উচিত। হযরত ইউসুফ (আ.)-এর সময়কার দুর্ভিক্ষের সাত বছরের পরিকল্পনা আমাদের শেখায় যে, বিপদের সময় ধৈর্য ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।
➡️ মিতব্যয়ী জীবনযাপন
রাসূলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত সাদামাটা ও মিতব্যয়ী জীবনযাপন করতেন। আধুনিক এই সংকটে আমাদের ভোগবাদী মানসিকতা ত্যাগ করে জীবনের মৌলিক চাহিদার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ বা বিলাসবহুল আয়োজন কমিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা ঈমানের দাবি।
আপনি ফুল ট্যাঙ্ক তেল নিচ্ছেন, কিন্তু যুদ্ধ যদি প্রলম্বিত হয়, এই তেল দিয়ে কয়দিন চলতে পারবেন?
সামান্য কিছুতেই আতঙ্কিত ও বিচলিত হওয়া—এটা আমাদের মানসিক দীনতারই বহির্প্রকাশ। মুসলমান, যিনি সবকিছুতে আল্লাহর ওপর ভরসা করেন, এটা তার চরিত্র হতে পারে না।
আমরা অতিরিক্তি তেলে ট্যাঙ্ক ভরে ঘরে বসে আছি আর ওদিকে তেল সংকটে খাদ্য-কৃষি-ওষুধ সহ জরুরি পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি কালোবাজারি, মজুতদারির পথও উন্মুক্ত হচ্ছে।
তারমানে এই সংকটের জন্য আমাদের আতঙ্কিত মনোভাব ও আচরণই প্রধানত দায়ী।
সেই সাথে ব্যবসায়ী ভাইদের বলব, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে এই সংকটপূর্ণ সময়ে তেল মজুদ করবেন না। এটা ভয়াবহ অন্যায় ও গুনাহ।
আশা করছি, সংকট দূরীকরণে সরকার জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
আমাদের এই সকল ভোগবাদী মনমানসিকতা বের হয়ে এসে সকল পরিস্থিতিতে একমাত্র আল্লাহর উপরে দাখিল করতে হবে
14/02/2026
মানুষ সৃষ্টির মূল লক্ষ্য হলো একমাত্র আল্লাহর ইবাদত (দাসত্ব) করা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ নিজেই ঘোষণা করেছেন:
> "আমি জিন ও মানুষকে কেবল আমারই ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি।" (সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ৫৬)
>
এখানে ইবাদত বলতে কেবল নামায-রোযা নয়, বরং জীবনের প্রতিটি কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং তাঁর নির্দেশ মেনে চলাকে বোঝানো হয়েছে।
২. খলিফা বা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন
আল্লাহ মানুষকে পৃথিবীতে তাঁর 'খলিফা' বা প্রতিনিধি হিসেবে পাঠিয়েছেন। মানুষের কাজ হলো আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এবং পৃথিবীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
* সূরা আল-বাকারাহ (আয়াত ৩০): যেখানে আল্লাহ ফেরেশতাদের বলেন যে, তিনি পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি (মানুষ) পাঠাতে যাচ্ছেন।
৩. পরীক্ষা করা (The Test of Life)
এই পৃথিবী মানুষের জন্য একটি পরীক্ষাগার। কে ভালো কাজ করে আর কে মন্দ, তা যাচাই করার জন্যই এই সংক্ষিপ্ত জীবন।
* সূরা আল-মুলক (আয়াত ২): "যিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন, যাতে তোমাদের পরীক্ষা করেন—কে তোমাদের মধ্যে আমলের দিক থেকে উত্তম।"
৪. আল্লাহর পরিচয় জানা
মানুষ যেন সৃষ্টিজগত দেখার মাধ্যমে স্রষ্টাকে চিনতে পারে এবং তাঁর অসীম ক্ষমতা ও রহমত সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারে। মহাবিশ্বের নিখুঁত কারুকাজ দেখে একজন বিশ্বাসী যেন আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করে।
| একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা | আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক না করে তাঁর দাসত্ব করা। |
| পৃথিবী সংস্কার | আল্লাহর দেওয়া সম্পদ ব্যবহার করে পৃথিবীর উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখা। |
| আখেরাতের প্রস্তুতি | দুনিয়ার পরীক্ষার মাধ্যমে জান্নাত লাভের যোগ্যতা অর্জন করা। |
দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য এবং একটি শক্তিশালী মুসলিম উম্মাহ গঠনের জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) যুবকদের যে নসিহতগুলো দিয়েছেন, তা মূলত ঈমান, আমল এবং নেতৃত্বের সমন্বয়। ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায়, দ্বীন প্রচার ও প্রতিষ্ঠার কঠিন সময়ে যুবকরাই ছিল রাসুল (সা.)-এর প্রধান সেনাপতি ও সহযোগী।
রাসুল (সা.) যুবকদের বড় বড় দায়িত্ব দিয়ে তাদের নেতৃত্বের জন্য তৈরি করতেন।
* উদাহরণ: তিনি মাত্র ১৮-২০ বছর বয়সী উসামা বিন জায়েদ (রা.)-কে রোমানদের বিরুদ্ধে বিশাল বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করেছিলেন, যেখানে আবু বকর (রা.) ও উমর (রা.)-এর মতো প্রবীণ সাহাবীরাও ছিলেন।
* শিক্ষা: দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য যুবকদের কেবল আবেগ নয়, বরং রণকৌশল ও প্রশাসনিক যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
দ্বীন বিজয়ের প্রথম ধাপ হলো জ্ঞান। রাসুল (সা.) যুবকদের কুরআন, সুন্নাহ এবং তৎকালীন সমসাময়িক প্রয়োজনীয় বিদ্যায় পারদর্শী হতে বলতেন।
* তিনি জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.)-কে হিব্রু ও সিরিয়াক ভাষা শিখতে বলেছিলেন যাতে তিনি বিদেশের রাজাদের চিঠি পড়তে ও লিখতে পারেন।
* নসিহত: ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যুবকদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে দক্ষ হতে হবে।
*
চারিত্রিক শক্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণ
চরিত্রহীন যুবক দিয়ে দ্বীন বিজয় সম্ভব নয়। রাসুল (সা.) যুবকদের নফস বা প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার তাগিদ দিয়েছেন।
সাহস ও আপসহীনতা
দ্বীন প্রতিষ্ঠার পথে বাধা আসবেই। রাসুল (সা.) যুবকদের শিখিয়েছেন হকের ওপর অটল থাকতে।
* মক্কার কঠিন সময়ে আরকাম ইবনে আবিল আরকাম (রা.) নামক এক যুবকের বাড়িতে (দারুল আরকাম) বসে দ্বীনের গোপন কার্যক্রম চলত।
* মুসআব ইবনে উমায়ের (রা.)-কে তিনি মদিনার প্রথম দূত হিসেবে পাঠিয়েছিলেন, যার অসামান্য ধৈর্য ও দাওয়াতের ফলে পুরো মদিনা ইসলামের জন্য প্রস্তুত হয়েছিল।
ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব
দ্বীন বিজয়ের জন্য মুসলিম যুবকদের মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য প্রয়োজন। রাসুল (সা.) নসিহত করেছেন:
> "মুমিনরা একটি ইমারত বা দেয়ালের মতো, যার এক অংশ অন্য অংশকে শক্তিশালী করে।" (বুখারি)
16/01/2026
⭕অন্যায়কে রুখে দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে ইনশাআল্লাহ ।
গজাই ইজরাইল দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখতে
দেশীয় সোনা পাঠানোর সিদ্ধান্তে, পশ্চিমা চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ
🗓 ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ - বাদ জুমা
📍 বাইতুল মোকাররম, উত্তর গেইট
আয়োজনে: ইন্তিফাদা বাংলাদেশ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
Pabna
6600