AMR Agro
কখনো কখনো আপনার পোষা প্রাণী আপনাকে বাছাই করে নেয়..
🥲
27/03/2025
পুদিনার উপকারিতা
১) গরমে ত্বকের জ্বালাপোড়া ও ফুসকুরি সমস্যায় কয়েকটি পুদিনার পাতা চটকে গোসলের জলতে মিশিয়ে স্নান করলে ভালো কাজ হয়।
২) মুখের দুর্গন্ধ দুর করতে পুদিনা পাতা জলের সাথে মিশিয়ে কুলি করুন।উপকার পাবেন।
৩) পুদিনা পাতা হজম শক্তি বাড়ায়,মুখের অরুচি ও গ্যাসের সমস্যা দুর করে, কর্মক্ষমতা বৃদ্বি করে ও শরীর ঠান্ডা রাখে।
৪) পুদিনা ত্বকের যে কোনো সংক্রমণকে ঠেকাতে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। শুকনো পুদিনা পাতা ফুটিয়ে পুদিনার জল তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিন। এক বালতি জলতে দশ থেকে পনেরো চামচ পুদিনার জল মিশিয়ে স্নান করুন। এর ফলে গরমকালে শরীরে ব্যাকটেরিয়া জনিত বিশ্রী দুর্গন্ধের হাত থেকে রেহাই পাবেন, কেননা পুদিনার অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট গুণ অতুলনীয়। ঘামাচি, অ্যালার্জিও হবে না।
৫) পুদিনা পাতার রস তাত্ক্ষণিক ব্যথানাশক উপাদান হিসেবে কাজ করে। পুদিনা পাতার রস চামড়ার ভেতর দিয়ে নার্ভে পৌঁছে নার্ভ শান্ত করতে সহায়তা করে। তাই মাথা ব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথা উপশমে পুদিনা পাতা ব্যবহার করা যায়। মাথা ব্যথা হলে পুদিনা পাতার চা পান করতে পারেন। অথবা তাজা কিছু পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টে ব্যথায় পুদিনা পাতা বেটে প্রলেপ দিতে পারেন।
৬) পুদিনা পাতার চা শরীরের ব্যাথা দুর করতে খুবই উপকারি।
৭) মাইগ্রেনের ব্যাথা দুর করতে নাকের কাছে টাটকা পুদিনা পাতা ধরুন।এর গন্ধ মাথাব্যাথা সারাতে খুবই উপকারি।
৮) কোন ব্যাক্তি হঠাত করে অগ্গান হয়ে গেলে তার নাকের কাছে পুদিনা পাতা ধরুন।সেন্স ফিরে আসবে।
৯) অনবরত হেচকি উঠলে পুদিনা পাতার সাথে গোলমরিচ পিষে ছেকে নিয়ে রসটুকু পান করুন।কিছুক্ষনের মধ্যেই হেচকি বন্ধ হয়ে যাবে।
১০) গোলাপ, পুদিনা, আমলা, বাঁধাকপি ও শশার নির্যাস একসঙ্গে মিশিয়ে টোনার তৈরি করে মুখে লাগালে তা ত্বককে মসৃণ করে তোলে।
১১) পুদিনা পাতায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্টসের চমত্কারী গুনাগুণ যা পেটের যে কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে খুব দ্রুত। যারা হজমের সমস্যা এবং পেটের ব্যথা কিংবা পেটের অন্যান্য সমস্যায় ভুগে থাকেন তারা খাবার পর এককাপ পুদিনা পাতার চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। ৬/৭টি তাজা পুদিনা পাতা গরম জলতে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে খুব সহজে পুদিনা পাতার চা তৈরি করতে পারেন ঘরে।
১২) পুদিনাপাতা পুড়িয়ে ছাই দিয়ে মাজন বানিয়ে দাত মাজলে মাড়ি থাকবে সুস্থ, দাত হবে শক্ত ও মজবুত।
১৩) দীর্ঘদিন রোগে ভুগলে বা কোষ্ঠ্যকাঠিন্য থাকলে অনেক সময় অরুচি হয়।এক্ষেত্রে পুদিনা পাতার রস ২ চা চামচ,কাগজি লেবুর রস ৮-১০ ফোটা,লবণ হালকা গরম জলতে মিশিয়ে সকাল বিকাল ২ বেলা খান।এভাবে ৪-৫ দিন খেলে অরুচি দুর হয়ে যাবে।
১৪) তাত্ক্ষনিকভাবে ক্লান্তি দুর করতে পুদিনা পাতার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। ক্লান্তি নিমিষেই দুর হয়ে যাবে।
১৫) কফ দুর করতে পুদিনা পাতার রস,তুলসী পাতার রস,আদার রস ও মধু একসাথে মিশিয়ে খান। পুরোনো কফ দুর করতেও এই মিশ্রণ অতুলনীয়।
১৬) সুস্থ হার্টের জন্য পুদিনা পাতা অনেক উপকারী। এটি রক্তে কলেস্টরেল জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে হার্ট থাকে সুস্থ।
১৭) যেকোনো কারনে পেটে গ্যাস জমে গেলে পুদিনা পাতা কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। পুদিনার রস ২ চা চামচ, সামান্য লবন, কাগজী লেবুর রস ৮/১০ ফোঁটা, হালকা গরম জলর সাথে মিশিয়ে সারাদিন ২-৩ বার খেলে পেটে গ্যাস ভাব কমে আসে।
১৮) পিত্তে শ্লেষ্মার জ্বর, অম্লপিত্ত, আমাশা, অজীর্ণ, উদরশূল, প্রভৃতির কারনে অনেকসময় আমাদের বমি বমি ভাব আসে। এসময় পুদিনার শরবতের সাথে এক চা চামুচ তেঁতুল মাড় ও চিনি মিশিয়ে খেলে বমিভাদ দূর হয়ে যায়।
১৯) পুদিনা পাতার রস উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পুদিনা পাতার রস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে।
২০) পুদিনার শেকড়ের রস উকুননাশক হিসেবে খুবই কার্যকরী, এমনকি পাতাও। পুদিনার পাতা বা শেকড়ের রস চুলের গোড়ায় লাগান। এরপর একটি পাতলা কাপড় মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দু বার এটা করুন। এক মাসের মধ্য চুল হবে উকুনমুক্ত।
২১) মেয়েদের অনিয়মিত পিরিয়ডের যন্ত্রণা থেকে সেরে ওঠার জন্য পুদিনা পাতা বেশ উপকারী।
২২) পুদিনা ত্বককে শীতল করে। খাবারের সঙ্গে নিয়মিত খেলে শরীরের ত্বক সতেজ হয়, সজীব ভাব বজায় থাকে। মৃত কোষকে দূর করে মৃসণ করে তোলে ত্বক। সেজন্য, আধা কাপ পুদিনা পাতা বাটা ও পরিমিত বেসন দিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে নিলে, উপকার পাওয়া যায়।
অনেক ঝোপালো
১৫/২০ গাছ একসাথে।
নিচে পিক দিলাম
কারও লাগলে নিতে পারেন।
💥পুদিনার ভর্তা মুখের রুচিও বাড়ায়,সাথে মুড়িমাখা সেই স্বাধ💥
05/02/2025
শহরের অল্প জায়গায় দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন: লাভজনক উদ্যোগ
বদরুল আলম
০১/০২/২০২৫
বর্তমান সময়ে নগর জীবনে কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্ভাবনী ধারণার মাধ্যমে এটি সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব। সিলেটের খোজারখলার উদ্যোক্তা Mitu Shah ঠিক এমনই একটি অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন—তিনি অল্প জায়গায় দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন করে দেখিয়েছেন যে শহরেও কৃষিপ্রধান ব্যবসার সফলতা সম্ভব।
ছোট জায়গায় পশুপালন: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
শহরের বাড়িতে পশুপালন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হলেও আধুনিক ব্যবস্থাপনার কারণে এটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে উন্নত জাতের দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন করলে অল্প জায়গায় বেশি উৎপাদন সম্ভব হয়। খামারের জায়গা ছোট হলেও, উপযুক্ত খাবার, পরিচর্যা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করলে এটি একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হতে পারে।
Mitu Shah এর উদ্যোগ: সফলতার গল্প
সিলেটের খোজারখলার মিঠু শাহ তার বাড়ির সীমিত জায়গায় দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন শুরু করেন। প্রথমদিকে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও, আধুনিক পদ্ধতিতে খামার পরিচালনা করে তিনি ভালো লাভ করতে সক্ষম হন। তার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে—
1. উন্নত জাতের পশু নির্বাচন: উচ্চ দুধ উৎপাদনক্ষম গরু ও ছাগল পালন করা।
2. সঠিক খাদ্য সরবরাহ: পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে পশুর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো।
3. স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা: নিয়মিত টিকা ও চিকিৎসার মাধ্যমে পশুগুলোকে সুস্থ রাখা।
4. অল্প পরিসরে আধুনিক খামার: সীমিত জায়গার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
নগর পশুপালনের ভবিষ্যৎ
মিঠু শাহের মতো উদ্যোক্তাদের সফলতা দেখে অনেকেই এ ধরনের উদ্যোগ নিতে আগ্রহী হচ্ছেন। শহরের বাড়িতে পশুপালন করলে একদিকে যেমন স্থানীয়ভাবে দুধ, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা মেটানো সম্ভব, অন্যদিকে এটি একটি লাভজনক ব্যবসার পথ খুলে দেয়।
উপসংহার
নগর জীবনে অল্প জায়গায় দুধাল গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ। সিলেটের মিঠু শাহের মতো আরও উদ্যোক্তারা যদি এই পথে এগিয়ে আসেন, তবে এটি শহরাঞ্চলে একটি নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করবে। সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনায় এটি হতে পারে একটি টেকসই ও লাভজনক ব্যবসা।
#শহুরে_খামার #দুধাল_গরু #ছাগল_পালন #ভেড়া_পালন #লাভজনক_ব্যবসা #সিলেট #উদ্যোগ #গ্রামীণ_উন্নয়ন #টেকসই_ব্যবসা
26/01/2025
আলহামদুলিল্লাহ,,ঘাস ছাড়া 💥 মাত্র ৩৭ দিনে 💥আমাদের উত্তরের এই হাড়ভাঙ্গা শীতের মধ্যে এই গরুটি পরিপূর্ণ মোটাতাজা হয়েছে।।
নুতুন খাদ্য তালিকায় গরুর এমন পরিবর্তন দেখে আমি নিজেই হতবাক। 🙂
✅গরুটি কেনা ছিল ৩৬০০০ টাকা । (কাহারোল হাটে)
✅খাদ্য ও পরিচর্যা খরজ ৫০০০ টাকা।।
✅ গরুটি বিক্রি হয় ৫২০০০ টাকা (বসুনিয়া হাটে)
💥💥 লাভ হয় ১১,০০০ টাকা 💥💥(আলহামদুলিল্লাহ)
♻️খাদ্য খরজের বিবরণ ♻️
৩৭ দিনে গরুটি খাদ্য খায় প্রায় ১০০ কেজির মতো,,
বলতে প্রথম ১০ দিনে পর্যায়ক্রমে ১৫ কেজি,
এবং বাকি দিনগুলো দৈনিক ৩ কেজি করে।
১ কেজি খাদ্য মূল্য ৪০ টাকা
তাহলে ১০০ কেজির খাদ্য মূল্য (১০০×৪০=৪০০০ টাকা )
খড় সর্বোচ্চ খেলে ৬০০ টাকার খাবে ।
(গ্রাম এলাকা তাই খড় প্রায় সস্তা )
কৃমি ও ইনজেকশন খরজ সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা
✅ এই সব মিলে খরজ প্রায় ৫০০০ টাকা ৩৭ দিনে ✅
♻️ দ্রুত মোটাতাজাকরণ সত্যতা যাচাই ♻️
✅১।গরুটি কেনার দিনের ছবি প্রোফাইলে পোস্ট করা আছে
✅২। দ্রুত সময়ে আরো অনেক গরুর মোটাতাজাকরণ এর ছবি দেওয়া আছে, এবং সেগুলোর লাইভ ভিডিও সহ প্রোফাইলে দেওয়া আছে।
✅৩। গরুর সত্যতা সিং দেখে যাচাই করতে পারেন কারণ গরুকে জিঙ্ক খাওয়ানোর পর গায়ের রং এর অনেক পরিবর্তন আসে।
✅৪। এখন পর্যন্ত কোনো গরুর ছবিতে মিথ্যাচার প্রমান করতে পারলে ২ লক্ষ টাকা পুরুস্কা থাকবে।
✅৫। এগুলো গরুর প্রয়োজনে কেনার দিনের রশিদ ও দেখাতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
♻️♻️ এত গুলো বাড়তি কথা বলার একটাই কারণ, না বুঝে কেউ খারাপ মন্তব্য থেকে যেন বিরত থাকে। ♻️♻️
♻️বিঃ দ্রঃ ♻️
💥💥ব আপনি ও চাইলে আমাদের মতো দ্রুত সময়ে গরুকে কোনো প্রকার পার্সোপ্রতিক্রিয়া ছাড়া মোটাতাজা করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ যদি,
আপনি গরুকে শীতের সময়ে শীতের সঠিক পরিচর্চার মধ্যে পালন করতে পারেন এবং একটি ভালো মানের খাদ্য তৈরী করে গরুকে খাওয়াত্ষেত্রে খাদ্যের ভূমিকা ৯০%।
💥ইনশাআল্লাহ বর্তমান আমরা যেভাবে শীতের পরিচর্চা নিচ্ছি ও মেডিসিন দিয়ে খাদ্য তৈরী করে খাওয়াচ্ছি সেই খাদ্য ও মেডিসিন তালিকা নিম্নে তুলে ধরতেছি💥
♻️💥 খাদ্য তালিকা 💥♻️
1. ভুট্টা গুড়া - ৯০ কেজি =৩১৫০ টাকা
2. DORB/ ভুট্টারগুঁড়া -২০ কেজি =৬৪০ টাকা
3.সয়ামিল খৈল - ১০ কেজি = ৬০০ টাকা
4. রেপসিড খৈল - ২৫ কেজি = ৯২০ টাকা
5. লাইমস্টন - ৬ কেজি = ৭২ টাকা
6.এমাইনোপ্রোট- ৩ কেজি = ৩৯০ টাকা
7.ধান গুঁড়া/ব্রান/নাইচ -১০ কেজি = ৩০০ টাকা
8. লবন - ৩ কেজি = ৬০টাকা
9. ধানের কুড়া - ৪০ কেজি = ৬০০টাকা
10.মেডিসিন(২৩ প্রকার) - ৬ কেজি= ২১১৩ টাকা ____________________________________________
মোট ওজন ২১৩ কেজি ✴️মোট মূল্য ৮৮৪৫ টাকা ।
{প্রতি কেজি খাদ্য তৈরিতে খরজ হলো (৮৮৪৫÷২১৩)টাকা } =✴️ ৪১ টাকা ৫২ পয়সা ✴️
💥ভুট্টার দাম বর্তমানে কমতেছে ইনশাআল্লাহ কিছু দিন পর এভাবে খাদ্য তৈরি করলে কেজি প্রতি ৩৬ হতে ৩৭ টাকা খরজ হবে। 💥
♻️ প্রকার মেডিসিন♻️..............//...............//...............//............//.........
1.লাইসিন - ৪০০গ্রাম = ১০৪ টাকা
2.মিথিওনিন - ৪০০ গ্রাম = ১৫২ টাকা
3. টক্সইন - ৩০০গ্রাম = ৯০ টাকা
4. জাইম - ২০০ গ্রাম = ১০০ টাকা
5. ক্যালসিয়াম - ১০০গ্রাম = ৫০টাকা
6. সোডিয়াম - ২০০ গ্রাম = ১৪ টাকা
7.রুমেন ই - ১০০ গ্রাম = ৫৫ টাকা
8. মিনারেল- ৪০০গ্রাম = ১৬০ টাকা
9. ম্যাগনিসিয়াম - ৩০০গ্রাম= ১২০টাকা
10. হাই ভিটামিন প্রিমিক্স-৫০০গ্রাম = ১৪০ টাকা
11 . এম সি পি - ৫০০গ্রাম= ১০০ টাকা
12. ফাইটেস - ৩০০গ্রাম = ৩৯টাকা
13. অক্সি - ১০০গ্রাম = ৬০টাকা
14. মুল - ১০০গ্রাম = ৬০টাকা
15. আর হ্যাল - ৬০গ্রাম = ৪৮ টাকা
16. গ্রোথফর্মুলা - ২০oগ্রাম = ৮০ টাকা
17. ডি জি টন - ২০০গ্রাম = ৫০ টাকা
18. জেডএম (a)- ১০০গ্রাম = ৯৬ টাকা
19.গ্রোয়ার - ৫০০গ্রাম= ৯০ টাকা
20 ফ্যাটি. জি - ৩০০গ্রাম = ৭৫ টাকা
21.ফ্যাট - ৫০০গ্রাম = ২০০টাকা
22.হেফাসেট - ১০০গ্রাম = ৮০ টাকা
23. প্রফিড- ১০০গ্রাম = ১৫০টাকা
___________________________________________
মোট ওজন ৬০৫০ গ্রাম ✴️ মোট মূল্য ২১১৩ টাকা
⚠️⚠️এমন পাইকারি দরে ফিড সাপ্লিমেন্ট/ মেডিসিন ও কাঁচামাল গুলো ক্রয়ের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন.♻️
☎️ 01739227743 (whatsapp/ imo) 💥💥💥♻️
________=_________=_________=_________=______
💥 শীতকালে গরুর বাড়তি পরিচর্চা 💥
♻️১। গরুর ঘরে যেন কোনো বাতাস বা শীত প্রবেশ করতে না পারে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
♻️২। প্রয়োজনে খামারে বাতাস প্রবেশের জায়গায় কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া।
♻️৩। গরুর গা ঢেকে রাখা (বস্তা দিয়ে)।
♻️৪। গরু থাকার মেঝে বা সেট পানি দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার না করা। নিম্নে ৭-১০ দিন পর পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। বাকি দিন গুলো গরুর গোবর তুলে ফেলে বাঁশের ঝাড়ু দিয়ে সর্বোচ্চ পরিমান সেট পরিষ্কার করা ।
♻️৫। গরুকে প্রতিনিয়ত গোসল করা থেকে বিরত থাকা ।
♻️৬। গরুর ঘর গরম রাখার জন্য বেশি ভোল্ট এর বাল্ব ব্যবহার করা।
_____=______=_______=______=_______=_____=__
❇️খাদ্য যেভাবে গরুকে প্রয়োগ পরিমান ❇️
♻️ হাড্ডিসার গরুকে মূলত অন্য সব গরুর মত লাইভওয়েড অনুযায়ী খাদ্য প্রয়োগ করা যায় না। এখানে খাদ্য প্রয়োগ করতে হয়, একটি গরুতে কী পরিমান মাংস ধরতে পারে মোটাতাজা হলে, এই পরিমান এর উপরে আন্দাজ করে। আমরা যেভাবে খাদ্য দেই গরুকে,,,
♻️যে গরু মোটাতাজা হলে মাংস ধরে ২ মন এর মত, সেই গরুকে খাদ্য দেই দিনে ৩ কেজি মত
♻️যে গরু মোটাতাজা হলে মাংস ধরে ৩ মন এর মত, সেই গরুকে খাদ্য দেই দিনে ৪ কেজি এর মত
♻️যে গরু মোটাতাজা হলে মাংস ধরে ৪ মন এর মত, সেই গরুকে খাদ্য দেই দিনে ৫ কেজি এর মত
বিঃ দ্রঃ উপরন্তু উল্লেখিত খাদ্যের পরিমান অনুযায়ী গরুকে খাওয়ানো শুরু করা প্রায় ৭ হতে ১০ দিন পর । প্রথম ৭ হতে ১০ দিন প্রতিনিয়ত খাদ্যর পরিমান বাড়ানো হয়।
✴️এভাবেই মূলত আমরা আমাদের খামারের গরুকে খাদ্য প্রয়োগ করে ২ মাসে পরিপূর্ণ মোটাতাজা করি।
____=________=__________=________==________
❇️ বি : দ্রঃ ❇️
♻️অনেক জনের মনে প্রশ্ন আসছে হয়ত এত পরিমান ভুট্টা কিভাবে শোষণ করতে পারবে ? ভুট্টাকে শোষণ উপযোগী করে তুলার জন্য আমরা ভুট্টা কে একবারে মিহি আটা করে নেই এছাড়াও মেডিসিন তালিকায় ভুট্টাকে শোষণ করার জন্য একদম ভালো মানের " জাইম " ব্যবহার করি ও ফাইটেস ব্যবহার করি ,এছাড়াও সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ব্যবহার করি। যার ফলে এই বেশি পরিমান ভুট্টা আমাদের গরুর মধ্যে নরমালি শোষণ হয়ে থাকে। আলহামদুলিল্লাহ কখনো এর জন্য সমস্যায় পতিত হই নি আল্লাহর রহমতে।
______=________=________=________=______=___
⚠️বি:দ্রঃ প্রয়োজনে আপনার নিকটস্থ প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বা প্রাণী চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে এগুলো বিষয়ে আরো ভালো তথ্য গ্রহণ করতে পারেন।
♻️আজকের বিষয়টি প্রয়োজনীয় মনে হলে, শেয়ার দিয়ে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন। এবং কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন। ♻️
☎️ : 01739-227743
💥খাদ্য তৈরীর ভিডিও পেতে "Nill Agro amiraz" ইউটুব চ্যানেল ভিজিট করতে পারেন। 💥💥
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। 🥰
🥰 যাজাকাল্লাহ খাইরুন। 🥰
Nill Agro Amiraz
28/05/2024
যদি বলি মাত্র ১ শতক জমিতে আমাদের নিয়মে সবজি চাষ করলে সারাবছর আপনার সবজি কেনা লাগবে না, অনেকেই বিশ্বাস করবে না।
তবে বিশ্বাস করেন আর না করেন একবার ট্রাই করবেন অবশ্যই।
এই টা এমন একটা মডেল যেখানে আপনি সারা বছর আপনার পছন্দনীয় প্রায় সব গুলো সবজি চাষ করতে পারবেন সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও নিরাপদভাবে। এই মডেলটার জন্য মাত্র এক শতক জায়গা লাগবে।
আমাদের নিয়মে চাষ করলে আপনাকে কোনো রাসায়নিক সার, কীটনাশক দিতে হবে না।
একবার বেড তৈরী করে নিলে আজীবন শাক সবজি খেতে পারবেন।
সারাবছরের সবজি গুলোকে আমরা দুই সিজনে ভাগ করি, গ্রীষ্মকালীন এবং শীত কালীন।
এই মডেল টা ২৪ ফিট বাই ২৪ ফিট। নরমালি সবজির বেড থাকবে ৫ টা (মাঝখানে), তবে দুই মাথায় মাচায় হয় এমন সবজির জন্য আরো দুটি বেড হবে, মোট ৭ টা বেড। মাঝখানের ৫ টা বেড হবে ১৬ ফিট করে লম্বা আর ২ ফুট ৪ ইঞ্চি চওড়া, বেড গুলো হবে উত্তর দক্ষিন মুখি, বেডের মাঝখানে মাঝখানে নালা গুলো হবে ১০ ইঞ্চি চওড়া। দুই মাথায় মাচা গুলো হবে ৩ ফিট চওড়া আর ২৪ ফিট লম্বা।
এবার দেখে নিন কি কি সবজি লাগাবেন।
গ্রীষ্মকালীন সবজিঃ
পূর্ব দিকের মাচায় একদিক থেকে ঝিঙ্গা, কাকরোল, পটল, বরবটি,
মাঝখানের ৫ টা বেডের (পূর্ব থেকে)
প্রথম বেডে টমেটো এবং বেগুন
দ্বিতীয় বেডে মিষ্টি আলু ও কচু
তৃতীয় বেডে কাচা মরিচ
চতুর্থ বেডে ডাটা শাক, পাট শাক
পঞ্চম বেডে ঢেড়স(ভেন্ডি)
পশ্চিম দিকের মাচায় একদিক থেকে মিষ্টি কুমড়ো, শসা।
উত্তর ও দক্ষিন মাথায় ৩ টি করে মোট ৬ টি পেপে গাছ।
শীতকালীন সবজিঃ
পূর্ব দিকের মাচায় একদিকে লাউ, আরেক দিকে খীরা।
মাঝখানের বেড গুলোর(পূর্ব দিক থেকে)
প্রথম বেডে টেমেটো ও বেগুন,
দ্বিতীয় বেডে মূলা ও গাজর,
তৃতীয় বেডে কাচা মরিচ,
চতুর্থ বেডে লাল শাক ও পালং
পঞ্চম বেডে ফুলকপি ও বাধাকপি
পশ্চিম দিকের মাচায় একদিকে শীম, অন্যদিকে উস্তা করলা। পেপে গাছ গুলোর গোড়ায় পুদিনা, ধনিয়া।
আপনার পরিবারের জন্য বিষমুক্ত নিরাপদ শাক সবজি সর্বরাহের দ্বায়িত্ব আপনার।
এই জিনিস গুলো কেউ আপনাকে বলবে না।
নিজে করুন, অন্যকে করতে উৎসাহিত করুন।
(Collected)
24/05/2024
খামার করার আগেই ঠিক করবেন আপনার খামার কোন
ক্যাটাগরির হবে।
১। দুধের খামার।
২। মোটাতাজাকরন ।
৩। বাছুর উৎপাদন।
এই তিনটা থেকে আপনি কোন টা করবেন একটু ভাবুন।
১। আপনার খামার যদি শহরের আশপাশে হয়।
আপনার এলাকায় যদি দুধের দাম ৫০ টাকা +হয়(প্রতি লিটার)
তাহলে আপনি ফ্রিজিয়ান অথবা জার্সিছ ১৫/১৬ লিটার দুধের গাভি দিয়ে শুরু করতে পারেন। উন্নত জাতের দুধের গাভী পালন করতে হলে আপনাকে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে এবং সঠিক সেবা যত্ন করা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁচা ঘাসের চাষ করতে হবে।
২। মোটাতাজাকরন এটি আপনি ৩ মাস ৬ মাস ১ বছর মেয়াদে করতে পারেন।চাইলে ষাঁড় গরু দিয়ে করতে পারেন শাহিওয়াল সিন্ধি ব্রাহমা ফ্রিজিয়ান ক্রস জাতের গরু দিয়েও করতে পারেন।
অথবা দেশি ক্রস শুকনা গরু দিয়েও করতে পারেন। দেশি গরু দিয়ে করলে তিন মাস মেয়াদি করতে হবে।
৩। বাছুর উৎপাদন-আপনার এলাকা যদি গ্রামে হয় ।
আপনার এলাকায় যদি দুধের দাম কম হয়।
আপনি বাছুর উৎপাদন করতে পারেন।
বাছুর উৎপাদন করার জন্য কিনবেন দেশীয় বা শাহিওয়াল জাতের লম্বাচওড়া জাতের দেশীয় হলে ২০ মাস বয়সের আর শাহিওয়াল হলে ১৩ - ১৪ মাসের বকনা। গবাদিপশু পালন ও কৃষি।
এই বকনা গুলো হিটে আসলে শাহিওয়াল বীজ দিবেন।
এই বকনা গুলো গাভী হলে যা দুধ পাবেন তা দিয়ে বাছুরকে একটু বেশি দুধ খাইয়েও দুধ বিক্রি করে গাভীর খরচ ও রাখাল খরচ ওঠবে।
বকনা না কিনে আপনি প্রেগন্যান্ট গুরু কিনতে পারেন যেগুলো তিন থেকে পাঁচ লিটার দুধ দিতে পারে এরকম গরু গুলো কিনে প্রেগন্যান্ট অবস্থায় পালন করে বাচ্চা দেয়ার পরে বাছুর বড় হলে বিক্রি করে দিতে পারেন।
আপনি ঠিকমতো মা ও বাছুর লালন পালন করতে পারলে পেতে পারেন একটি ভালো মানের বাছুর।
বাছুরটা যদি হয় ষাঁড় তাহলেতো সোনার হরিণ হাতে পেয়ে গেলেন!
এই লেখাটি নতুন খামারিদের জন্য অনেক অনেক উপকারে আসবে ইনশাআল্লাহ্।
16/05/2024
কুরবানির বেশি দিন নেই, স্বল্প সময়ের মধ্যে কুরবানির গরু মোটাতাজা করতে নিচের ফর্মুলেশন অনুযায়ী খাদ্য তৈরি করে গরুকে খাওয়াতে পারেন।
যেখানে এক কেজি গমের ভুষির মূল্য ৫২-৫৩ টাকা। সেখানে এভাবে খাদ্য তৈরি করতে আপনার খরচ হবে প্রতি কেজি ৪২-৪৫ টাকা। এবং রেজাল্টও ভুষির তুলনায় ডাবল পাবেন।
নিচে ১০০ কেজি খাদ্য তৈরি নমুনা দিয়ে দিলাম।আপনারা যে যতটুকু খাদ্য তৈরি করবেন সেই হিসেবে গুন করে নিবেন।
দানাদার খাদ্যঃ
১/ ভূট্টা ৪০ কেজি
২/ ধানের কুড়া ২০ কেজি
৩/ ডালের ভূষি ১০ কেজি
৪/ গমের ভূষি ১০ কেজি
৫/ সয়াবিন খৈল ১০ কেজি
৬/ সরিষা খৈল ১০ কেজি
মোট ১০০ কেজি
প্রতি ১০০ কেজি খাবারের সাথে অবশ্যই এই প্রয়োজনীয় ভিটামিন গুলো যোগ করবেন।
১/ লাইসিন ২৫০ গ্রাম
২/ মেথিওনিন ২৫০ গ্রাম
৩/ টক্সিন ২০০ গ্রাম
৪/ ফাইটেজ জাইম ২৫০ গ্রাম
৫/ প্রিমিক্স ২৫০ গ্রাম
৬/ ভিটামিন মিনারেল ২৫০ গ্রাম
৭/ গ্রথ প্রমোটার ২০০ গ্রাম
৮/ ফ্যাট ২৫০ গ্রাম
৯/ বাই কার্বনেট ২৫০ গ্রাম
১০/ রুমেন ১০০ গ্রাম
১১/ সিআর ৫০ গ্রাম
১২/ মনো ক্যালসিয়াম ১.৫ কেজি
১৩/ লাইমস্টোন ১.৫ কেজি
১৪/ ফিশ প্রটিন ২.৫ কেজি
এখানে দেওয়া সব জিনিসগুলো একত্রে হাত দিয়ে ভালোভাবে মিক্স করার পর প্রতি ১০০ কেজি ওজনের ফুল বডি ওয়েটের গরুর জন্য সারাদিনে ২ কেজি খাদ্য দিবেন।
পাশাপাশি ঘাস বা খড় যে যেটা দেন সেটা খেতে দিবেন।
এভাবে খাদ্য তৈরি করে খাওয়ালে আশা করি খুব দ্রুত গরু মোটাতাজা করতে পারবেন।
♻️পোস্টটা শেয়ার করে রেখে দিন প্রয়োজনের সময় নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারবেন।
27/04/2024
ওজন অনুযায়ী গরুর খাদ্য তালিকা, গরুকে খাবার দেওয়ার নিয়ম ও ঘাস খাওয়ানোর উপকারিতা
-----------------------------------------------------------------
গরুকে দেহের ওজন অনুপাতে দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।
উপরের দানাদার মিশ্রণটি গরুর ওজনের শতকরা ০.৮ থেকে ১ ভাগ পরিমান সরবরাহ করলেই চলবে। দানাদার মিশ্রণটি একবারে না খাইয়ে ভাগ ভাগ করে সকালে এবং বিকালে খাওয়াতে হবে। গরুকে পর্যান্ত পরিমাণে পরিষ্কার খাওয়ার পানি সরবরাহ করতে হবে। গবাদিপশু পালন ও কৃষি। কোনোভাবেই বাসি পানি, পচা বাসি খাবার মেশানো পানি, পুকুর,ডোবা বা নদীর পানি খাওয়ানো যাবে না।
গরুকে খাবার দেওয়ার নিয়ম বা গরুকে খাবার খাওয়ানোর নিয়ম:
• নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিদিন প্রাণিকে পরিষ্কার ও সুষম খাদ্য খাওয়াতে হবে।
• দৈহিক ওজন অনুসারে প্রয়োজনীয় খাবার একবারে না দিয়ে ২৪ ঘন্টায় ৫-৬ বারে দিলে প্রাণির হজম ভাল হয়।
• খাদ্য সরবরাহের আগে অবশ্যই পাত্র পরিষ্কার করা।
• দানাদার খাদ্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ মেপে ২ বারে (সকালে ও বিকালে) পরিবেশন করা।
• দানাদার খাদ্য আধা ভাঙ্গা অব¯’ায় ভিজিয়ে খেতে অভ্যস্ত হলে সেভাবেই দিতে হবে।
• শুকনা দানাদার খাদ্য দিলে খাদ্য গ্রহণের পরপরই পানি পান করাতে হবে।
• গরু মোটাতাজাকরণের জন্য সরিষার খৈল বেশি উপকারী।
• প্রাণির বদ-হজম, পেট-ফাপা ও পাতলা পায়খানা হলে দানাদার খাদ্য খাবার দেওয়া যাবে না।
• প্রাণিদেহে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ পানি তাই ১০-১৫ ভাগ পানি সরবরাহ করতে হবে।
• খাদ্যে দানাদার, খড়, কাঁচা ঘাস ও পানির অনুপাত ১ঃ৩ঃ৫ঃ১০-১৫ হতে হবে।
• আশঁযুক্ত খাবার (খড়) ২-৩ ইঞ্চি টুকরা করে কেটে ভিজিয়ে পরিবেশন করলে কম নষ্ট হয় এবং খাদ্যের গ্রহণও বাড়ে ।
• খড় খাওয়ানোর পূবের্ ২-৩ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে খাদ্যের মান বাড়ে।
• শুধুমাত্র খড় না দিয়ে এর সাথে দানাদার খাবার, ইউরিয়া, মোলাসেস, পানি ও কাঁচাঘাস মিশিয়ে
• খাওয়ালে খাদ্যের মান বৃদ্ধি হয়।
• খাদ্য অবশ্যই মাটি/বালি মুক্ত থাকা, খাদ্য পঁচা, বাসি, অতি পুরাতন না হওয়া।
👉 ১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গরুর খাদ্য তালিকা:
ধানের খড় = ২ কেজি
সবুজ ঘাস = ২ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে
দানদার খাদ্যে মিশ্রন = ১.২-২.৫ কেজি
ইউরিয়া = ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী)
চিটাগুড়া = ২০০-৪০০ গ্রাম
লবণ = ২৫ গ্রাম
দানাদার খাদ্যের সাথে লবন, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বারদিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়েখাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।
👉 ১৫০ কেজি ওজনের গরুর খাদ্য তালিকা:
খড় = ৩ কেজি
কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি
দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি
চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম
ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী)
লবন = ৩৫ গ্রাম
👉 ১৫০-২০০ কেজি ওজনের গরুর খাদ্য তালিকা:
ধানের খড় = ৪ কেজি
কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি
দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি
চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম
ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী)
লবন = ৩৫ গ্রাম
👉গরুর ১০০ কেজি দানাদার খাদ্য তৈরির তালিকা:
ভুট্টা ভংগা = ৩৫ কেজি
গম ভাংগা = ১৫ কেজি
সয়াবিন থৈল = ২০ কেজি
চাউলের কুড়া/রাইচ ব্রান = ২৫ কেজি
লাইম স্টোন = ১ কেজি
ডিসিপি/এমসিপি = ৫০০ গ্রাম
লবন = ২ কেজি
ভিটামিন-মিনারেল প্রিমিক্স = ১৫০ গ্রাম
সোডিয়াম বাই-কার্বনেট = ৫০০ গ্রাম
এনজাইম = ৫০ গ্রাম ।
♦️শেয়ার করে রেখে দিন টাইম লাইনে অনেকের উপকারে আসবে ।
10/03/2024
ছায়াযুক্ত স্থানে চাষযোগ্য ফসল:
যেসব জায়গায় তুলনামূলক রোদের উপস্থিতি কম থাকে, সেসব জায়গায় চাষ উপযোগী কিছু ফসল রয়েছে। এসব ফসল ছায়াযুক্ত বাড়ির আঙিনা/রাস্তার ধার, ছাদ বাগানে বড় গাছের নিচের ছায়ায় চাষ করা যাবে-
•সকল ধরনের কচু
•মেটে আলু/গাছ আলু
•সজনে ডাঁটা
•বারোমাসি মরিচ
•বারোমাসি সাদা বেগুন
•কলমি শাক
•বিলাতি ধনিয়া
•পুদিনা পাতা
•লেটুস
•বাটি শাক
•আদা
•হলুদ
•মিষ্টি পান
•চুই ঝাল
01/03/2024
এক বড় ভাইয়ের এবারের সফলতা 🥰
পিয়াজ উঠানোর কাজ শেষ হলো।
জমির পরিমান: ৭৩ শতক।
পিয়াজের পরিমান: ৮০ মন + ( ঢোলতা বাদে)
বিক্রি : প্রতি মন ৩৩০০ টাকা।
এখনো ২৯ শতক তুলতে বাকি৷
আপনাদের দোয়ার অনেক ভালো হয়েছে সবকিছু।
রোজার মাসে আমরা ভাই বোন 😸
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka More
Parbatipur
5250