Snake Rescue & Wildlife Awarness Organization Rangpur
যদি কাটে সাপে দ্রুত যাও হাসপাতালে
22/10/2025
বাড়ির পাসে কলা গাছের ঝোপে তিন সন্তান সহ আশ্রয় নিয়েছিল এক মা বনবিড়াল। বাড়িওয়ালা ও এলাকাবাসীর সহ্য হলো না সেটা। মুরগি খেয়ে ফেলবে এই অপরাধ দিয়ে তিন সন্তান সহ মা বিড়ালটিকে হ/ত্যা করল এলাকার সব মানুষ মিলে। পুরো একটি পরিবার নিমিষেই শেষ করে দিল লাঠির আঘাতে। মানুষ নাকি সৃষ্টির সেরা জীব একি তার নমুনা?
হয়তো তারা তাদের দুঃখ ভাষায় বলতে পারেনা কিন্তুু বিশ্বাস করেন উপরে যিনি বসে আছে তিনি তাদের সব ভাষা বোঝেন। তিনি যেমন মানুষের সৃষ্টিকর্তা তাদের ও সৃষ্টিকর্তা। শেষ বিচারের দিনে এই অন্যায়ের বিচারও তিনি করবেন।
অনুরোধ রইলো ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট এর কাছে এই সকল অমানুষদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার জন্য।
02/10/2025
মুরগি খাওয়ার অপরাধে একটি বন বিড়ালকে মে/রে বাড়ির পাশে পুঁতে রেখেছিল কুষ্টিয়ার এক ব্যাক্তি।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফরেস্ট গার্ডারা উদ্ধার করেছে সেই বন'বিড়ালের দেহ। ছোট ছোট বন জঙ্গল বাঁশঝাড় কেটে বাড়ি বানাবেন আর সেখানে বনবিড়াল যদি দুই একটা মুরগী খায় তাকে এভাবে মেরে পুঁতে দিবেন?
এটা কি মনুষত্বের পরিচয়? আমরা আর কবে মানুষ হবো পৃথিবীটা মানুষের একার না। অপরাধী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রইলো।
21/09/2025
রংপুরে সর্পদংশন চিকিৎসার অন্যতম পথিকৃৎ ডাঃ রথীন্দ্র কুমার মন্ডল স্যার এবং SRWAOR এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি Rakib al Mim। সংগঠনের পথ চলার শুরুর দিক থেকেই রংপুরের সর্প দংশনের শিকার রোগীদের চিকিৎসা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ব্যাপারে স্যারের সহযোগিতা ও পরামর্শ পেয়ে আসচি আমারা। আমাদের Snake rescue & wildlife awarness organization Rangpur এর উপদেষ্টা হিসেবে স্যারের সহযোগিতা অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে আমাদের। আশা রাখি সামনেও সর্প দংশনের চিকিৎসায় ও সর্প দংশন রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্যারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
25/08/2025
দড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা, কি ভাবছেন উনি কোন চোর কিনবা ডাকাত? পড়ুন বিস্তারিতঃ চমকে উঠবেন।
না উনি চোর কিনবা ডাকাত কোনটাই নন উনি একজন সর্প দংশনের রোগি। কিন্তুু কুসংস্কারাছন্ন সমাজ তাকে এমন ভাবে বেঁধেছে, যে কেউ এক পলকে ভেবে নিতে পারেন উনি চোর কিনবা ডাকাত। তাও যদি জীবনটা বাঁচত এরকম করে বাঁধার কারনে তাহলেও একটা সান্তনা পাওয়া যেত। ভাবতেই অবাক লাগে ২০২৫ সনের আধুনিক যুগে এসেও মানুষ সাপে কাটা রুগীকে, চোর ডাকাতের মত রশি দিয়ে বেঁধে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালের পরিবর্তে ওঝা কবিরাজের কাছে নিয়ে গিয়ে মূল্যবান সময় নষ্ট করে রোগিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
গতকাল নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার মোল্লাপাড়া গ্রামে বিষধর Common krait বা পাতি কালাচ সাপের কামড়ে রশিদুল নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে এটাও মনে হয় না বলাটা ঠিক হবে কারণ হাসপাতালের পরিবর্তে তারা ওঝার কাছে গিয়েছিল যার কারনে সুচিকিৎসার অভাবে তার মৃত্যু হয়েছে। হ্যা এটা বলা উচিত।
গতকাল রাত দুইটার দিকে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মোল্লাপাড়া গ্রামের রশিদুল নামের ওই যুবক Common krait/পাতি কালাচ সাপের কামড়ের শিকার হন।
তার পরিবার প্রথমে তাকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় কবিরাজের দ্বারস্থ হয়। কবিরাজ তার ভ্রান্ত আল বাল ছাল ঝাড় ফুঁ করে অতি মূল্যবান সময় নষ্ট করে। পরবর্তীতে অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকলে রোগিকে নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। পথিমধ্যে রশিদুলের শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে বোকার মত পুনরায় তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। সম্ভবত সকালে অন্য কোন কবিরাজের চিকিৎসার আশায়। মূল্যবান সময় এভাবেই গড়াতে থাকে রাত গড়িয়ে সকাল হয়। ততক্ষণে রশিদুল তার প্রাণ হয়তো হারিয়ে ফেলেছেন
কোন মুভমেন্ট ছিল না। কিন্তুু সকালে আরেকজন কবিরাজ এসে জানান, রোগী এখনো জীবিত আছে এবং তিনি ঝাড় ফু করবেন। তারপর কয়েক ঘণ্টা ঝারফু চিকিৎসা করার পর সেই কবিরাজ নিজেই নাকি রোগিকে মৃত ঘোসনা করেন।
আপনারা জানেন' দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরে সর্পদংনে মৃত্যু রোধে আমি এবং আমার সংগঠন কাজ করছি, যতটা সম্ভব জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রোগ্রাম করে চলেছি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় এবং তা অনলাইন প্লাটফর্মে প্রচার চালাচ্ছি দূর-দূরান্তের প্রান্তিক মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে। তাই এরকম ঘটনা আমার কাছে নতুন কিছু নয়।
আমার নিজের এলাকাতেও কবিরাজের ঝাড়ফু চিকিৎসার কারণে এক টগবগে যুবক ফিরোজ মিয়া প্রাণ হারিয়েছিল।
কিন্তুু এর শেষ কোথায়? আমাদের প্রচারণা গুলো কি কাজে লাগছে না নাকি আমরা সহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুল যারা সারা বাংলাদেশব্যাপী কাজ করছে তাদের কথায় মানুষজনের কোন আস্থা পাচ্ছে না?
এক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত মতামত যদি বলি তাহলে বলতে হয়, আমাদের তথা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো প্রচারণা কাজে দিচ্ছে।
কিন্তুু সব এলাকাতেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কুসংস্কার আচ্ছন্ন ওঝা কবিরাজরা সমাজের বয়স্কদের একটা আস্থার জায়গা দখল করে রেখেছে। সাথে এই ওঝা কবিরাজরা নিজেদের এমন ভাবে উপস্থাপন করেযে
গ্রামের সহজ সরল মানুষ অবলীলায় বিশ্বাস করে নেয় ঝারফু করেও সাপে কাটা রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব।
এক্ষেত্রে বহু প্রাচীন কাল থেকে সমাজে বয়ে চলা
সর্পদংশন সম্পর্কিত কিছু মিথ মানব মনে
আস্থার যোগান দেয়।
বিধায় মানুষ সর্পদংশনের ক্ষেত্রে প্রথমত ওঝা কবিরাজের দিকেই চিকিৎসার জন্য ঝুকে পরে।
কাজেই সর্প দংশনের সুচিকিৎসায় জনসাধারন
হাসপাতালমুখী হওয়ার সামনে ওঝা কবিরাজরা এখনো
মূল বাধা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
অতএব সর্পদংশনের সুচিকিৎসায় বাধা হয়ে দাঁড়ানো ওঝা কবিরাজদের ঠেকাতে সরকার এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অতীব জরুরী।
ওঝা কবিরাজদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে না পারলে বা তাদের এই পেশা থেকে দূরীভূত করতে না পারলে, সর্প দংশনে সুচিকিৎসা নিতে জনগণকে হাসপাতাল মুখী করা এবং মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা
সহজ ও সম্ভব হবে না।
🖋️..Rakib al Mim
founder: Snake rescue & wildlife awareness organization rangpur.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Rangpur