All Smart News
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from All Smart News, Newspaper, Rangpur Sadar, Rangpur.
বাংলা ভাষার সাইটে সরাসরি বিজ্ঞাপন দিবে গুগল এডসেন্স.
বাংলা ভাষার সাইটে সরাসরি বিজ্ঞাপন দিবে গুগল এডসেন্স
গুগল এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলা হয়,‘আজ আমরা এই সুখবরটি জানাতে পেরে আনন্দিত যে বাংলাদেশ, ভারত এবং বেশ কয়েকটি দেশের বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠির ভাষা বাংলা সাপোর্ট করতে পারছে গুগল এডসেন্স।’
গুগল অ্যাডসেন্স মূলত অনলাইন অ্যাডভার্টাইজিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক ।
ওয়েবসাইট, ইউটিউব কিংবা বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপণের সিংহভাগই অ্যাডসেন্স এর দখলে।
গুগল মূলত এই অ্যাডসেন্স সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালগুলোকে বিজ্ঞাপণ প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের সুযোগ দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে অ্যাডসেন্স এক ধরনের অ্যাড এজেন্সী হিসেবে কাজ করে যেখানে সাইটে প্রদর্শিত অ্যাড এর রেভিনিউ শেয়ার করে মাত্র।
এডসেন্স এখন বাংলায়
তারা আরও জানিয়েছে , বাংলা ভাষা এখন ৪০ টি ভাষার মধ্যে একটি।তারা সবসময় চেষ্টা করে অন্যান্য ভাষা কে তাদের বিজ্ঞাপন দেওয়ার ভাষা হিসেবে যোগ করার। সে হিসেবে বাংলা ভাষা এখন তার দাবিধার।
অনলাইন দুনিয়ায় বাংলা কনটেন্টের পরিমাণ অনেক বাড়ছে।
তাই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে এখন থেকে বাংলা ভাষায় এডসেন্স সেবা দেওয়া হবে।
বর্তমানে বিশ্বের প্রায় দেড় কোটি ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হচ্ছে।
২০১৫ সালেই প্রতিষ্ঠানটি গুগল অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার পেমেন্ট দিয়েছে,
যা ক্রমবর্ধমান হারে তুমুল গতিতে বাড়ছে। বাংলা ভাষায় অ্যাডসেন্স চালু হওয়ার ফলে এ সংখ্যায় নতুনমাত্রা যুক্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
লেখালেখি যাদের ভালো লাগে, তাদের জন্য এটা দারুণ একটা সুযোগ।
যারা পড়ালেখা করে, এ সুযোগকে কাজে লাগালে নিজের পকেট খরচ নিজেই উঠাতে পারবেন।
এছাড়া ভালো লিখতে পারলে এখানেই ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে।
আইফোনের ‘আই’ বিড়ম্বনায় অ্যাপল
আইফোনে ইংরেজি ‘আই’ অক্ষর লিখতে সমস্যার মুখে পড়েছেন কিছু গ্রাহক।
বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু গ্রাহক অভিযোগ করেছেন যে যখনই তারা আই লেখার চেষ্টা করছেন তখন তা স্বয়ংক্রিয়-সংশোধন হয়ে ক্যাপিটাল লেটার ‘এ’ এবং ‘প্রশ্নবোধক চিহ্ন’তে পরিবর্তিত হচ্ছে।
আইফোন ও আইপ্যাডের আইওএস ১১.১-এ এই ত্রুটি দেখা গেছে বলে জানানো হয়।
মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে প্রযুক্তি প্রতিবেদক মাইক মারফি বলেন, “আমার একটি ১১৫০ মার্কিন ডলারের ফোন রয়েছে যা ‘আই’ অক্ষর পড়তে পারে না।”
প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে সাময়িকভাবে এটি সাড়ানোর জন্য উপায় জানিয়েছে অ্যাপল।
এতে আইওএস ডিভাইসের কিবোর্ড সেটিংস পরিবর্তন করতে বলেছে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি, যাতে ক্যাপিটাল বা স্মল লেটারের সঠিক ‘আই অক্ষর’ ব্যবহার করা যায়।
প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয় পরবর্তী সফটওয়্যার আপডেটে ত্রুটি সাড়ানো হবে।
সব আইওএস ১১.১ গ্রাহক এই ত্রুটির শিকার হননি। তবে, অনলাইনে এমন অনেক মন্তব্যই পাওয়া গেছে যাতে বলা হচ্ছে তারা এই সমস্যার মুখে পড়েছেন।
অ্যাপলের অনলাইন আলোচনা ফোরামে এক গ্রাহক বলেন, “এটি খুবই বিরক্তিকর।”
এ বিষয়ে জানতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
প্যারাডাইস পেপার্স-এ অ্যাপলের নাম.
মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপল নতুন একটি কর কাঠামো হাতে নিয়েছে, সম্প্রতি আলোড়ন সৃষ্টি করা প্যারাডাইস পেপার্স-এ এই তথ্য উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানটি শত শত কোটি ডলার কর এড়িয়ে যাওয়া অব্যাহত রাখতে পারবে বলে বিবিসি’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৩ সাল থেকে কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য আয়ারল্যান্ডে অর্থ জমা রাখা নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়ে অ্যাপল।
পানামা পেপার্সের পর দুনিয়াজুড়ে নতুন আলোড়ন তুলেছে প্যারাডাইস পেপার্স, যেখানে ব্রিটেনের রানীসহ বিশ্বের বহু রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, রাজনীতিবিদ ও প্রভাবশালী ব্যক্তির গোপন সম্পদের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এতে দেখা যায়, অ্যাপল এই বিতর্ক এড়াতে আরেকটি কর স্বর্গে অর্থ রাখা শুরু করেছে। ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মাঝে অবস্থিত জার্সি নামের এই চ্যানেল আইল্যান্ডস-এ কর না দিয়ে অ্যাপলের রাখা মোট অফশোর অর্থের পরিমাণ এখন ২৫২০০ কোটি ডলার।
যদিও এ নিয়ে অ্যাপলের দাবি, নতুন এই কর কাঠামো প্রতিষ্ঠানটির কর পরিশোধের পরিমাণ কমায়নি। প্রতিষ্ঠানটি বলে, শেষ তিন বছর ধরে অ্যাপল বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কর পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রায় ৩৫০০ কোটি ডলার কর্পোরেট কর পরিশোধ করে আসছে। এ ক্ষেত্রে আইন ও এর পরিবর্তনগুলো অনুসরণ করা হয়েছে। এর ফলে “কোনো দেশেই আমাদের কর পরিশোধ কমেনি” বলে মন্তব্য প্রতিষ্ঠানটির।
আরেকটি বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি বলে, আয়ারল্যান্ড থেকে অ্যাপলের কোনো কার্যক্রম বা বিনিয়োগ সরানো হয়নি।
২০১৪ সাল পর্যন্ত অ্যাপল যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের লাভ আয়ারল্যান্ডে জমা রাখার মাধ্যমে কর কমিয়ে আনছিল। প্রতিষ্ঠানটির মোট আয়ের ৫৫ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে আসে। আয়ারল্যান্ডে ১২ শতাংশ করপোরেট কর দেওয়ার জায়গায় নতুন কাঠামো অ্যাপলকে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের লাভের উপর হওয়া করের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করেছে।
ইউরোপিয়ান কমিশন-এর হিসাব মতে, এক বছরে অ্যাপলের একটি আয়ারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানের কর দেওয়ার হার হয়ে যায় ০.০০৫ শতাংশ।
২০১৩ সালে অ্যাপল মার্কিন সিনেটের চাপের মুখে পড়ে। এ সময় অ্যাপল প্রধান টিম কুক প্রতিষ্ঠানটির কর ব্যবস্থা নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনে বাধ্য হয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র বড় অংকের কর হারাচ্ছে বলে দাবি করে অ্যাপলের এমন কর ব্যবস্থায় ক্ষুদ্ধ সে সময়কার মার্কিন সিনেটর কার্ল লেভিন কুক-কে বলেছিলেন, “আপনি সোনার হাঁসকে আয়ারল্যান্ডে পাঠিয়ে দিয়েছেন। আপনি এমন তিন প্রতিষ্ঠানের কাছে এটি পাঠিয়েছেন যারা আয়ারল্যান্ডে কোনো কর দেয় না। এগুলো অ্যাপলের জন্য মুকুটের রত্ন। এটি ঠিক নয়।”
এ নিয়ে ক্ষোভের সঙ্গে কুক জবাব দিয়েছিলেন, “আমরা আমাদের সব কর পরিশোধ করি, প্রতিটি ডলার। আমরা কর ফাঁকির উপর নির্ভর করি না…আমরা কিছু ক্যারিবিয়ান দ্বীপে অর্থ লুকিয়ে রাখি না।”
২০১৩ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) এক ঘোষণায় বলে তারা অ্যাপলের আইরিশ কর ব্যবস্থাপনা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। সে সময় করের হার কমাতে, অ্যাপলকে অফশোর অর্থ রাখার এমন একটি কেন্দ্র খোঁজা প্রয়োজন ছিল যা প্রতিষ্ঠানটির আইরিশ অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর রাখার জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
২০১৪ সালে অ্যাপলের আইনি উপদেষ্টারা অ্যাপলবাই’র কাছে একটি প্রশ্নপত্র পাঠান। অ্যাপবাই হচ্ছে একটি শীর্ষস্থানীয় অফশোর আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। প্যারাডাইস পেপার্স ফাঁসের বড় একটি সূত্রও এই প্রতিষ্ঠান। এই প্রশ্নপত্রে জিজ্ঞাসা করা হয়, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস, বারমুডা, ক্যায়ম্যান আইল্যান্ডস, মরিশাস, আইল অফ ম্যান, জার্সি আর গার্নেসি- এসব ভিন্ন ভিন্ন অফশোর বিচারব্যবস্থার দেশের কোনটিতে অ্যাপলবাই অ্যাপল-কে কী কী সুবিধা দিতে পারবে। ওই দেশগুলোর কোনোটির সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে কিনা, কোন কোন তথ্য প্রকাশ হবে আর বিচারব্যবস্থা থেকে বের হওয়া কতোটা সহজ হবে- এগুলোও জিজ্ঞাসা করা হয় ওই প্রশ্নপত্রে।
অ্যাপল এই পদক্ষেপ গোপন রাখতে চেয়েছিল, ফাঁস হওয়া মেইলগুলো এই তথ্যও স্পষ্ট করে দিয়েছে বলে বিবিসি’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শেষে অ্যাপল জার্সিকেই বেছে নেয়। জার্সি হচ্ছে যুক্তরাজ্যের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র। এই দ্বীপরাষ্ট্রের নিজস্ব কর আইন আছে, যাতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শুন্য শতাংশ করপোরেট করের নিয়ম রাখা হয়েছে।
প্যারাডাইস পেপার্স-এর দলিলে দেখা যায়, অ্যাপলের দুই আইরিশ অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অ্যাপল অপারেশনস ইন্টারন্যাশনাল (এওআই) অ্যাপলের ২৫২০০ কোটি ডলার বিদেশি আয়ের সবচেয়ে বেশি অংশ রাখে। আর অন্যটি হচ্ছে অ্যাপল সেলস ইন্টারন্যাশনাল (এএসআই), যা ২০১৫ সালের শুরু থেকে ২০১৬ সালের শুরু পর্যন্ত জার্সিতে থাকা অ্যাপলবাই’র কার্যালয় থেকে পরিচালনা করা হতো।
এর মাধ্যমে অ্যাপল বিশ্বব্যাপী শত শত কোটি ডলার কর এড়ানো অব্যাহত রেখেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অ্যাপলের ২০১৭ সালের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ৪৪৭০ কোটি ডলার আয় করে। এর মধ্যে ১৬৫ কোটি ডলার কর বিদেশি সরকারগুলোর কাছে পরিশোধ করে, যা আয়ের অংকের ৩.৭ শতাংশ। করের এই হার বিশ্বব্যাপী করপোরেট করের গড় হারের ছয় ভাগের এক ভাগেরও কম।
দুই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান তাদের কর জার্সিতে সরিয়ে নিচ্ছে কিনা তা নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলেও অ্যাপলের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি। অ্যাপল-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, “২০১৫ সালে আয়ারল্যান্ড যখন তাদের কর আইন পরিবর্তন করে, আমরা আমাদের আইরিশ অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর দেওয়ার দেশ পরিবর্তন করি আর এটি নিয়ে আমরা আয়ারল্যান্ড, ইউরোপিয়ান কমিশন ও যুক্ররাষ্ট্রকে অবহিত করেছি।”
“আমরা যে পরিবর্তন করেছি তা কোনো দেশে আমাদের কর কমায়নি। বরং আয়ারল্যান্ডে আমাদের কর পরিশোধের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে আর শেষ তিন বছরে আমরা সেখানে ১৫০ কোটি ডলার কর দিয়েছি।”
ভারতে কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিল পেইপ্যাল.
বুধবার ভারতে কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ডিজিটাল লেনদেন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠাতা পেইপ্যাল। এক দশকের কাছাকাছি সময় ধরে দেশটিতে অন্যদেশগুলোর সঙ্গে লেনদেন (ক্রস-বর্ডার পেমেন্ট) সেবা দিয়ে আসছিল বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এক বিবৃতিতে পেইপ্যাল-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, “এই সেবা চালুর মাধ্যমে ভারতীয় গ্রাহকরা দেশটির কিছু বহুল জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান থেকে পেইপ্যাল ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করতে পারবেন।”
“পেইপ্যাল সেবা রাখা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো পেইপ্যালের মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই ধরনের লেনদেনই সম্পন্ন করতে পারবেন। সেইসঙ্গে তারা ভারত ও বিশ্বব্যাপী থাকা পেইপ্যালের ২১ কোটি ৮০ লাখ গ্রাহকের কাছে পোঁছাতে পারবেন।”
“পেইপ্যাল প্রায় এক দশক ধরে ভারতে ক্রস-বর্ডার পেমেন্ট সেবা দিয়ে আসছে। যার মাধ্যমে দেশটির এসএমই বা ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো আর ফ্রিল্যান্সাররা বৈশ্বিক সুযোগ কাজে লাগাতে পারছেন।”
আইএএনএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত সরকার সম্প্রতি ডিজিটাল লেনদেনের দিকে ঝুঁকছে। এ কারণে পেইপ্যাল সরকার আর দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কয়েকটি পদক্ষেপে চুক্তি করেছে।
পেইপ্যাল প্রাইভেট লিমিটেড-এর প্রধান নির্বাহী রোহান মাহাদেভান বলেন, “ভারতের ডিজিটাল লেনদেন-এর যাত্রা উচ্চগতির উন্নতির পথে, আর এর অংশ হতে পেরে আমরা আনন্দিত।”
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Rangpur Sadar
Rangpur
5400