Shushila-e-Library
This is a Public Library. Anybody can use this library.
05/12/2023
সিজন আসতে না আসতেই খেজুরের গুড় খাবেন, খান! এই যে দেখুন, চার পাঁচ কেজি চিনি আর গরুর লালি মিক্স(চিটা গুড়) করে হয়ে যায় টস টসে খেজুরের পাটালি গুড়। অর্ডার দেন, খান...বেশি করে খান!
সম্পূর্ণ দোষ কি কেবল ব্যাবসায়ীদের, দোষ কি ভোক্তাদের নেই? আপনারা গুড়ের চাপ ফেলবেন শীত না আসতেই। আমের গুটি ধরার আগেই পাকা আম খাওয়ার জন্যে পাগল হয়ে যাবেন! সিজন শুরু হওয়ার আগেই অর্ডার দেওয়া নেওয়া শুরু করে দিবেন... তাহলে তো এরকম অখাদ্য-কুখাদ্য পেটে যাবেই! আর আপনি কি জানেন, এই ধরনের খাবার আপনার-আমার অকাল এবং আকস্মিক মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সিদ্ধান্ত আপনার.....
05/12/2023
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হাওড়া স্টেশনে ছিনতাইবাজদের পাল্লায় পড়েছেন, ছিনতাইবাজদের লক্ষ তাঁর হাতে ধরা রূপনারায়ণের মস্ত তিন ইলিশ। শরৎচন্দ্র
শোভাবাজারের কাউকে খাওয়াবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে শোভাবাজার নয় রূপনারায়ণের মস্ত সেই তিনটি ইলিশের শেষ পর্যন্ত গন্তব্য হল লিলুয়ায় দেব দম্পতির সংসারে। হ্যাঁ আমরা বলছি কবি, সাহিত্যিক নবনীতা দেবসেনের মা রাধারাণী ও তাঁর স্বামী নরেন্দ্র দেবের কথা। সেই রাধারাণী যার জীবনে অকাল বৈধব্য জীবন -কল্লোলিনীতে প্রাচীর হতে চেয়েও পারে নি,বরং পুনর্বিবাহে তাদের জীবন হয়েছিল মধুর আনন্দময়।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে
রাধারাণী-নরেন্দ্রর বিবাহ রবীন্দ্রনাথ এবং শরৎচন্দ্র দুই বটবৃক্ষের আশীষ পেয়েছিল, দম্পতির সংসার তখন আক্ষরিক অর্থে চাঁদের হাট,সাহিত্য জগতের বন্ধুদের আনাগোনা লেগে থাকে। অভিভাবকের মত শরৎচন্দ্র নিয়মিত আসেন সেই বাড়িতে। এটা -ওটা কিনে তিনি গুছিয়ে দেন প্রিয় রাধু'র সংসার। ক্যালেণ্ডারে সেদিন রবিবার। ঘড়িতে তখন প্রায় তিনটের কাঁটা ছুঁই ছুঁই করছে। সকালেও রাধারাণী -নরেন্দ্রর বাড়িতে একদল হৈ হৈ করে আড্ডা দিয়েছে। বাড়ির বারান্দা থেকে প্ল্যাটফর্ম দেখা যায়, রাধারাণী দেখলেন কলকাতা থেকে আসা ট্রেনে নামছেন শরৎচন্দ্র,নাট্যাচার্য শিশির ভাদুড়ি,প্রেমাঙ্কুর আতার্থী সহ আরও বেশ কয়েকজন।তাদের দেখে রাধু'র স্বামী মহাখুশী। বললেন ভাগ্যিস তারা বেরিয়ে পড়েন নি।রাধু বলল গুণনিধি কোথায়, শিগগিরই দুটো উনুনে আগুন দিক অনেক বেলা হয়েছে।স্বামী ভদ্রলোকের গলার সুরে উদ্বেগের সেই প্রশ্ন ,এতবেলায় কি না খেয়ে বেরিয়েছে!
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে
ওদিকে শিশির ভাদুড়ি উদাত্ত কণ্ঠে আবৃত্তি করছেন -
"বহুদিন মনে ছিল আশা
ধরণীয় এককোণে রহিব আপন মনে ,
ধন নয়,মান নয়, এতটুকু বাসা-শিশিরবাবুর পাশে শরৎচন্দ্রের মুখে প্রসন্ন হাসি।
আসলে সবাই গিয়েছিলেন শিশির ভাদুড়ির থিয়েটারের আড্ডায়। সেখানে ও তাদের ওঠার জন্য কেউ তাড়া দিয়েছেন চুপিচুপি, হেমেন্দ্রকুমার বিদ্রোহের সুরে বলেছিলেন রবিবার তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরলে নাকি তাঁর মুড নুন হয়ে গলে যাবে, তিনি বাগবাজার যাবেন না, লিলুয়ায় যাবেন। সবাই সেই কথায় সন্মত হলেন।
শিশির ভাদুড়িও বললেন তিনি 'ঘরে-বাইরে'বইটা নাটক করতে নরেন কে দিয়েছেন। সেটা তৈরি হয়ে আছে সে খবর দিয়েছে।...চল আমিও তোদের সঙ্গে যাই।
কেউ তখনও স্নান করেন নি, হাওড়া স্টেশনে এসে পৌঁছেছেন তাদের দৃষ্টি পড়ল শরৎচন্দ্রের দিকে তিনি সঙ্গী ছোকরার হাতে মস্ত তিনটি ইলিশ দিয়ে স্টেশন থেকে বের হচ্ছেন।আর যায় কোথায় ডাকাত পড়ার মত সবাই ঝাঁপিয়ে পড়লেন তাঁর উপর,প্রশ্ন ইলিশ যাচ্ছে কোথায়?উত্তর এল শোভাবাজার।
শরৎচন্দ্র বললেন শোভাবাজারে একজনকে ইলিশ খাওয়াবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।চারু, প্রেমাঙ্কুর সমকণ্ঠে বলে উঠলেন আপনি রূপনারায়ণ থেকে ইলিশ ধরে শোভাবাজারে প্রতিশ্রুতি পালনে চলেছেন আমরা ইলিশ সমেত আপনাকে ধরে দেবালয়ে রবিবার পালনে চলেছি। শীঘ্রই ট্রেনে উঠে পড়ুন আমাদের সঙ্গে। শরৎচন্দ্র আর বাক্যব্যয় না করে শিশির ভাদুড়িদের সঙ্গে ট্রেনে উঠে পড়লেন, গন্তব্য লিলুয়া, যেখানে থাকেন রাধারাণী ও নরেন্দ্র তারা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল নবনীতা দেবসেনের বাবা ও মা।
সংকলনে ✍🏻 অরুণাভ সেন।।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে
পুস্তক ঋণ কৃতজ্ঞতা স্বীকার রাধারাণী দেবী, রত্না মিত্র, রাধারাণী দেবীর রচনা সংকলন, দ্বিতীয় খণ্ড
04/12/2023
“গুরুদেব আমাকে বরণ করে নিলেন অর্ঘ্য দিয়ে, আশীর্বাদ করলেন কবিতা পড়ে” - নন্দলাল বসু...
চলচ্চিত্র ও শিল্প সমালোচক সত্যজিৎ চৌধুরী একবার বলেছিলেন, “রবীন্দ্রনাথকে বাদ দিয়ে বাংলা কবিতায় আধুনিকতার বিচার অর্থহীন হয়ে পড়ে, তেমনি নন্দলালের পর্বে পর্বান্তরে বিস্তৃত কাজের সমীক্ষা এড়িয়ে ভারতীয় আধুনিকতার ধারণা দাঁড় করানো যায় না।” তাঁর এই কথার একটা ভিত্তি রয়েছে। সাহিত্য-শিল্প জগতে রবীন্দ্র-নন্দলাল ঠিক জুটির মতো। তাঁদের এড়িয়ে যাওয়া খুব কঠিন।
নন্দলাল বসুর জন্মদিনে গুরুদেব তাঁকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন, “কল্যাণীয় শ্রীযুক্ত নন্দলাল বসু,/ রেখার রহস্য যেথা আগলিছে দ্বার/ সে গোপন কক্ষে জানি জনম তোমার।/ সেথা হতে রচিতেছ রূপের যে নীড়,/ মরুপথ শ্রান্ত সেথা করিতেছে ভিড়।” অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর একটি ছবি এঁকেছিলেন আপনমনে। নন্দলাল বসু-ও পরিকল্পনা করেছিলেন একটি ছবি এঁকে দেবেন। তাঁর এতদিনের সঙ্গী, চলার পথের অনুপ্রেরণা এবং সমালোচককে উদ্দেশ্য করে হাতের সূক্ষ্ম রেখায় তিনি অমোঘ করে রাখবেন তাঁর একান্ত গুরুদেবকে। কিন্তু অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এঁকে ফেলায় আর কিছু আঁকলেন না নন্দলাল বসু। সেদিন নন্দলাল বসুর জন্মদিনে গুরুদেবের পাঠানো কবিতাখানিই হয়ে উঠেছিল একমাত্র সম্বল।
১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে শান্তিনিকেতনের আশ্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে পদার্পণ করলেন নন্দলাল বসু। ১লা মে তাঁকে বিশেষভাবে সংবর্ধনা জানালেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেই অনুষ্ঠানে নন্দলাল বসুকে উৎসর্গ করে নিজের লেখা কবিতা পাঠ করলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেই কবিতায় লেখা ছিল, “শ্রীমান নন্দলাল বসু পরম কল্যাণীয়েষু,/ তোমার তুলিকা রঞ্জিত করে ভারত-ভারতী-চিত্ত।/ বঙ্গলক্ষ্মী ভাণ্ডারে সে যে যোগায় নূতন বিত্ত।/ তোমার তুলিকা কবির হৃদয় নন্দিত করে, নন্দ!/ তাই তো কবির লেখনী তোমায় পরায় আপন ছন্দ।”
এই অভিবাদনের পর নন্দলাল বসুর অবস্থা কেমন ছিল? তিনি লিখেছিলেন, “এই অভিনন্দনের পরে আমার একটা অদ্ভুত অনুভূতির ঘটনা হল। গুরুদেব আমাকে বরণ করে নিলেন অর্ঘ্য দিয়ে, আশীর্বাদ করলেন কবিতা পড়ে। ...সহসা আমার মনে হল। আমাতে যেন আমি নেই। আমার দেহটা আছে বটে, তবে অতি স্বচ্ছ হয়ে গেছে। ...কবির ভেতর দিয়ে মহর্ষির আশীর্বাদ যেন আমাকে ছুঁয়ে গেল। আমি যেন শান্তিনিকেতনের আশ্রমের অন্তরে প্রবেশ করলুম।”
2024 World Cup:
The final list of qualified teams for the event is as follows:
Afghanistan,
Australia,
Bangladesh,
Canada,
England,
India,
Ireland,
Namibia,
Nepal,
Netherlands,
New Zealand,
Oman,
Pakistan,
Papua New Guinea (PNG),
Scotland,
South Africa,
Sri Lanka,
West Indies,
Uganda,
United States of America (USA).
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the organization
Telephone
Website
Address
Purba-Kadakati, Assasuni
Satkhira
9400