The Path To Jannah

The Path To Jannah

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from The Path To Jannah, Apparel & Clothing, Sylhet.

19/07/2025

একটি বাসায় এসেছি দাওয়াতে। জিজ্ঞেস করিনি—"ওয়াইফাই আছে?"

যদিও পরিবারটি মধ্যবিত্ত, ওয়াইফাই থাকাটাই স্বাভাবিক,তবুও যদি সামর্থ্যের অভাবে না থাকে—আমার প্রশ্নটাই তাদের মনে খোঁচা দিতে পারে। হয়ত 'নাই' বলতে অসস্তি ফীল করতে পারে৷
কারোর ইনকাম থাকা মানেই সে ধনী এমন ত নয়৷

পরিচিত একজন যাকাত নিয়ে চলে৷ কারণ তার ইনকাম ১ লাখ আর চিকিতসা খরচ ১.৫ লাখ৷ প্রত্যেকের জীবনের হিস্ট্রি আলাদা৷

একইভাবে,

"আপনি কী চাকরি করেন?"
"বিয়ে করেছেন?"
"সন্তান কজন?"
এই প্রশ্নগুলোও আমি করি না।

কারণ, অনেক সময় প্রশ্ন নয়— প্রশ্নের সময়, প্রেক্ষাপট আর পারিপার্শ্বিকতা একটি মানুষের হৃদয়ে ব্যথার ঢেউ তুলতে পারে৷

হয়ত কেউ চাকরির চেষ্টা করেও পাচ্ছেনা, কতশত এক্সাম, ভাইভা দিচ্ছে৷ হচ্ছেনা৷ এই ব্যাপারে হতাশ ।
কেউ চেষ্টা করেও বার বার বিয়ে ভেংগে যাচ্ছে৷
কেউ হয়ত অনেক চেষ্টা করেও সন্তান হচ্ছে না৷

এই প্রশ্ন গুলো তারা দুয়া করে যে কেউ তাদের না করুক৷

এগুলো প্রশ্ন পেলে নি:শ্বাসই ফেলবে শুধু৷

কি দরকার এত জেনে!

একান্ত প্রয়োজনে এভাবে আস্ক করা যেতে পারে যে, পরিবারে কে কে আছে৷

প্রয়োজন না থাকলে কৌতূহল থেকে আস্ক করা উচিত না৷

📌Shah Muhammad Tonmoy

18/07/2025

আমি এটাকে কুরআন কারীমের কারামতই বলবো। চার বছর আগে, ভার্সিটির পড়ার চাপে, শখের বশে শুরু করা কুরআন হিফয বন্ধ করে দিয়েছিলাম। পরীক্ষার ঠিক আগ মুহুর্তে আব্বু ইন্তেকাল করলেন।
মন খারাপ ভাব দূর করার জন্য, পরীক্ষা মাথায় রেখেই আবার কুরআন হিফয শুরু করলামম।
কিছুদিন পর শোক কমে এলে, আপনা-আপনি হিফয বন্ধ হয়ে গেলো।

কয়েকদিন পর আব্বুকে স্বপ্নে দেখলাম।তিনি বললেন, অসম্পূর্ণ হিফয পূর্ণ করো। তুমি যা করছিলে, আমার জন্য আরামদায়ক ছিল। ঘুম ভাঙার পর থেকেই আবার শুরু করলাম।

পরীক্ষার তুমুল ব্যস্ততায়ও হিফয ছাড়িনি। পরিমাণে অল্প হয়েছে, তবুও একেবারে বাদ দিই নি। আলহামদুলিল্লাহ, পরীক্ষার কিছুদিন পরেই হিফয শেষ হয়ে গেছে।
নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত,
দৈনিক হিযব আদায় একদিনের জন্যও বাদ যেতে দিই না। এখন ঘর-সংসার হয়েছে।
ব্যস্ততা বেড়েছে। তবুও তিলাওয়াতের রুটিন আগেরটাই বহাল রেখেছি।
এমনকি বাসর রাতেও তিলাওয়াত করেছি।
বর আসার আগের সময়টুকু একা একা বসে না থেকে ঘোমটার আড়ালে মৃদু স্বরে তিলাওয়াত করেছি।
স্বপ্নের পর থেকেই মনে হতো, আমি তিলাওয়াত করলে, আব্বু কবরে শান্তি পাবেন। আমার তিলাওয়াত আব্বুর কবরে রহমত হিসেবে নাযিল হবে।সন্তানের তিলাওয়াত নিছক তিলাওয়াত থাকে না, হয়ে উঠে মাতা-পিতার প্রতি 'ইহসান' - সদাচার।

__আয়াত মুস্তাফা (আলজেরিয়া)
বই- সুইটহার্ট কুরআন

18/07/2025

আজ শুক্রবার

কাহাফ পড়তে হবে

কারণ এটা দাজ্জালের ফিতনা থেকে প্রটেক্ট করবে

সেই দাজ্জাল,

যেই দাজ্জালকে বলা হয় সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ ধোকাবাজ

কিভাবে প্রটেক্ট করবে?

নো আইডিয়া

হয়তো পড়ে একটা ফু দিবো,

বাস দাজ্জাল হাওয়া হয়ে যাবে!

এটাই হলো কাহাফ সম্পর্কে আমাদের ধারণা!

আজ এই চিন্তা শক্তি লোপ পেয়েছে বলেই

আমরা যারা একসময়ে ড্রাইভিং সিটে ছিলাম,

আজ এখন প্যাসেঞ্জের সিটে বসে কমপ্লেইন করছি!

তাই কাহাফ নিয়ে আজকের লিখা,

ছোট্ট লিখাটা আসলে নিজেকে জন্যই

বিস্তারিত না হয় আরেক দিন দিবো, ইনশাল্লাহ।

প্রথমেই প্রশ্ন:

কোরানের এই ১১০ আয়াত বিশিষ্ট সূরাটিরর কি এমন বৈশিষ্ট আছে যা আমাদের সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ ধোকাবাজ থেকে প্রটেক্ট করবে?

কাহাফ শুরু হয় একটা ধামাকা দিয়ে

"ধন্যবাদ সেই সত্তার যিনি এ কিতাব দিয়েছেন,
সেই কিতাব যার মদ্ধে কোনো বক্রতা নেই
যা সময়ের সাথে বেঁকে যায় না!

মনে পরে,

৯০ এর দশকে চুমুর দৃশ্য
তখন ছিল দুটো গোলাপের ঠুকঠুকি

আর এখন?

৯০ এর দশকে যেটা মোরালি আনএকসেপটাবল ছিল সেটা এখন মোরালি একসেপটাবল!

অর্থাৎ সময়ের সাথে সেন্সর বোর্ডের স্টান্ডার্ড বেঁকে গিয়েছে।

প্রশ্ন আসে না সময়ের সাথে কি এমন কোনো স্টান্ডার্ড আছে আছে যা বেঁকে যায় না?

আছে,

কুরআন!

কি? ব্রু কুঁচকে গেলো?

দাঁড়ান, বলছি কেন.

কোরান "প্রিন্সিপাল বা আদর্শ" এর কথা বলে

আর এই প্রিন্সিপাল বা আদর্শ সময়ের সাথে বেঁকে যায় না

যেমন ,

নৈতিকতা, বিশুদ্ধতা, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, উদারতা, সত্যবাদিতা, এবং মানবতা

পৃথিবীর যেই প্রান্তেই থাকেন না কেনো,

ধনী-গরিব, ছোট-বড়, সাদা কালো, নির্বিশেষে

এই প্রিন্সিপাল গুলোকে কে মান্য করে,

কারণ এদের নিজেস্ব একটা শক্তি আছে.

অন্য ভাবে যদি বলি,

কুরআনকে কম্পেয়ার করা হয়েছে শক্তিশালী একটা গাছের সাথে

এমন একটা গাছ যার মূল বা রুট অনেক গভীর

এমন একটা শক্তিশালী খুঁটি যা জোয়ারে ভেসে যায় না

এমন একটা খুঁটি যা আপনি অনাআসে আঁকড়ে ধরতে থাকতে পারবেন

এর অর্থ এই নয় যে আপনি প্রেসার ফিল করবেন না

করবেন,

তবে আপনাকে খোঁড়া শ্রোতা ট্রেন্ড থেকে তা রক্ষা করবে.

যেমন,

যদি প্রশ্ন উঠে

চুমুর দৃশ্য কি এখন দেখা যাবে?

উত্তর: সিম্পল, কুরআনের স্টান্ডার্ড

"অশ্লীলতার ধারে কাছেও যাওয়া যাবে না!"

বাকিটা বুঝে নিন!

দাজ্জাল যখন আসবে

সে মানুষকে গান পয়েন্টে বশ্যতা শিকার করাবে না

সে আসলে আমাদেরকে সিডিউস করবে।

সে ট্রেন্ড স্টার্ট করবে

এবং বেশির ভাগ মানুষ সেই ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে দিবে।

সেই সময়টা যখন আসবে

জেনে রাখুন,

কুরআন হবে আমাদের রেফারেন্স পয়েন্ট।

কাহাফের প্রথম আয়াত সেই ইঙ্গিতই করে.

দাজ্জাল ৪টি ডাইমেনশন থেকে আমাদেরকে সিডিউস করবে

"বিস্বাস, সম্পদ, জ্ঞান এবং ক্ষমতা"

খেয়াল করে দেখুন

এই ৪ টি ডাইমেনশনই কিন্তু আমাদের জীবনের মৌলিক চাহিদার সাথে জড়িত

এমনকি হিউমান সাইকোলজির ৪ টি ন্যাচারাল পার্ট

যা মাইন্ড, বডি, হার্ট এবং সৌল

সেই গুলোও এর সাথেও সম্পৃক্ত।

আল্লাহ সূরা কাহাফে এই ৪ টি ডাইমেনশনকে ৪টি কেস স্টাডির মাধ্যমে তুলে ধরেন এবং বলে দেন কিভাবে ইন্টালেকচুয়ালি আমরা এই ডাইমেনশন গুলোর ডাইলেমা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারি!

প্রথম কেস স্টাডি: ধর্ম বা বিশ্বাসের

এখানে তুলে ধরেন কি ভাবে কয়েকজন যুবক সামাজিক ট্রেন্ডের বাইরে গিয়ে নিজেদের বিস্বাস কে আগলে রেখেছিলেন

দ্বিতীয় কেস স্টাডি: সম্পদের

এখানে তুলে ধরেন কিভাবে দুই জন মালিক কি ভাবে সম্পদ নিয়ে বিতর্ক করেন

তৃতীয় কেস স্টাডি: জ্ঞানের

এখানে তুলে ধরেন কিভাবে হজরত মুসা জ্ঞান আহরণের জন্য বেরিয়ে পড়েন এবং সেখান থেকে কি শিক্ষা লাভ করেন

চতুর্থ কেস স্টাডি: ক্ষমতার

এখানে তুলে ধরেন কি ভাবে হজরত যুলকারনাইন তার ক্ষমতা শক্তি ও মেধা বেবহার করেছিলেন।

দাজ্জাল কি ভাবে এই মৌলিক দিক গুলোতে আঘাত আনবে?

প্রথমত,

সে ইনফরমেশন কন্ট্রোল করবে, অর্থাৎ নলেজ বা জ্ঞান কন্ট্রোল করা স্টার্ট করবে

সে ইনফরমেশন মেনুপুলেট করবে এবং

সে যা জানে তা দিয়ে মানুষকে তাক লাগিয়ে ফেলবে

দ্বিতীয়ত:

সে পৃথিবীর ক্ষমতাবানদের নিজের পকেটে পুরে নিবে

তারপর পৃথিবীর গভর্নেন্স নিজের কন্ট্রোলে নিয়ে আসবে

তৃতীয়ত

সে ইকোনোমি কন্ট্রোল করবে

সে বৃষ্টিকে কন্ট্রোল করবে, অতঃপর তা থেকে উৎপাদিত খাদ্য কন্ট্রোল করবে যা কিনা পুরো ইকোনোমিতে ইম্পেক্ট ফেলবে

এবং ফাইনালি

সে বিস্বাসের উপর আঘাত আনবে,

প্রথমে নিজেকে হজরাত ঈসা দাবি করবে

অলোকিকতা দেখাবে,

মৃত আত্মীয় স্বজন কে কবর বের করে আনবে!

এবং একটা সময় গেলে

নিজেকেই খোদা দাবি করা স্টার্ট করবে।

মানুষ কে সে সিডিউস করবে,

তাকে যেন সবাই উপাসনা করে!

আমাদের ভালো লাগুক বা না লাগুক

এগুলো যে হবে এতে কোনো সন্দেহ নাই

তাই বেটার হয়

তার সিডাকশন পয়েন্টেগুলো টেকেল করার টেকনি আমরা জেনে রাখি।

লাকিলি আল্লাহ আমাদেরকে প্রতিটি কেস স্টাডির পর পরেই এর টেকেলের টেকনিকও বাতলে দিয়েছেন।

প্রথম কেস স্টাডি:

আসহাবে কাহাফের ঘটনা

ধর্ম বা বিশ্বাস নিয়ে যে ডিফেন্স টেকনিক আল্লাহ আমাদের শিখিছেন তা হলো:

"সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস
অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ"

অর্থাৎ

"এমন একটা গ্রুপের সাথে থাকতে হবে যারা
ভালোকে প্রমোট করবে আর খারাপ কে ডেমোট করবে";

আরো শিখান

পরিস্থিতি খারাপ হলে হিজরত করতে হবে;
খেয়াল রাখতে হবে,
ছোট খাটো ইস্যু যেন মূল ইস্যুকে ভুলিয়ে না দেয়;
জিনিসের সঠিক প্রায়োরিটি বুঝতে হবে।"

দ্বিতীয় কেস স্টাডি:

দুই বাগানের মালিকের গল্প,

এখানে আল্লাহ আমাদেরকে সম্পদ বিষয়ে যা শিখান তা হলো:

"জীবনটা কয়েক দিনের জন্য মাত্র
জীবনের উদ্দেশ্যটা কি সেটা আগে বুঝা দরকার
যা আছে তাতেই খুশি থাকতে হবে
বিশ্বাস রাখতে হবে যে
রিজিক আল্লাহই কন্ট্রোল করেন
সম্পদের মোহে সম্পর্ক নষ্ট করা যাবে না
অহংকার করা তো যাবেই না,
যেই অর্থের এতো বড়াই আমরা দেখাই
তা যেকোনো মুহূর্তেই তিনি কেড়ে নিতে পারেন।"

তৃতীয় কেস স্টাডি:

হজরত মুসার অভিযান,

জ্ঞান তান্ত্রিক বিষয়ে যে ডিফেন্স টেকনিক আল্লাহ আমাদের শিখান তা হলো:

"কেউ না কেউ থাকবেই যে কিনা আমাদের থেকে বেটার
অতএব অহংকারী হওয়া যাবে না
প্রয়োজনে সঠিক জ্ঞান আহরণে বেরিয়ে পড়তে হবে
ভালো মেন্টর খুঁজে বের করতে হবে
সঠিক জ্ঞান আমাদেরকে বিনয়ী বানাবে
যদি না বানায় ধরে নিতে হবে জ্ঞানের ইনটেকে সমস্যা আছে
যে বিষয়ে আমাদের জানা নেই
সে বিষয়ে ধৈর্য ধরতে হবে
কারণ অনেক সময়ই অনেক ঘটনা মেক সেন্স করে না,
তখন মাথায় রাখতে হবে যে
বেকগ্রাউন্ডে কাজ চলছে,
যা হচ্ছে ভালোর জন্যই হচ্ছে।"

আর ফাইনাল কেস স্টাডি:

হজরত যুলকারনাইনের অভিযান,

এখানে ক্ষমতা তান্ত্রিক বিষয়ে যে ডিফেন্স টেকনিক আল্লাহ আমাদের শিখান তা হলো:

"ক্ষমতা থাকলে তার বিষয়ে সিনসিয়ার হতে হবে
ক্ষমতা থাকলে সেটা দিয়ে মানুষকে হেল্প করতে হবে
হকের সাথে সুবিচার করতে হবে
জীবনে থেমে থাকা যাবে না
টেকনিক্যাল স্কিল ডেভেলাপ করতে হবে
অলোওকিকতার জন্য অপেক্ষা না করে নিজেদেরই কাজে নেমে পড়তে হবে
একা একা নয়, টিমে কাজ করতে হবে
অতরপর আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে হবে"

এই হলো ৪ টি ডাইমেনশনের ডিফেন্স টেকনিক।

এর মাঝে আল্লাহ আরেকটি রিয়ালিটিও তুলে ধরেন

আর তা হলো সব থেকে আদি ইতিহাস

কোথা হতে এই দ্বন্দ্বের সূচনা এবং

এর মুল হোতা কে?

সকল নাটের গুরু, সেই ইবলিশ!

যার অবজেকটিভই হলো
আমাদের ধোকায় ফেলা

যার অবজেকটিভই হলো
আমাদেরকে সফলতা থেকে ভুলিয়ে রাখা এবং

যার অবজেকটিভই হলো
আমাদেরকে সফলতা থেকে সরিয়ে রাখা

দাজ্জালতো আসলে তার হয়েই কাজ করবে।

উল্লেখিত ৪ টি ডাইমেনশনের যেকোনো একটিতে ফাক থাকলেই দাজ্জাল ও তার সহকর্মীরা আমাদেরকে পেয়ে বসবে,

তাই প্রতিটি এঙ্গেলেই গুরুত্বপূর্ণ।

কোরানের প্রতিটা সূরারই একটা অবজেকটিভ আছে,

কাহাফের অবজেকটিভ হলো

"প্রটেকশন"

আগেকার মানুষরা যেমন ভয়াল বিপদ থেকে গুহায় আশ্রয় নিতো

তেমনি কাহাফের নাম করুন দিয়ে আল্লাহ সেটাই বুঝিয়েছেন,

কাহাফ অর্থ গুহা

অর্থাৎ

ভয়াল দাজ্জাল যখন আসবে তখন

"কাহাফই হবে আমাদের প্রটেকশন!

তাই অনুরোধ,

এখন থেকে কাহাফ যখন পড়বেন,

তোতা পাখির মতো শুধু আওড়াবেন না

বুঝে পড়বেন,

সাথে তাফসীর পড়বেন

এক জনের তাফসীর শুধু নয়,

ভিন্ন ভিন্ন মুফাস্সিরের তাফসীর

ভিন্ন ভিন্ন আলেমদের তাফসীর

পসিবল হলে

খাতা নিয়ে বসবেন এবং নোট নিবেন

আস্তে আস্তে অবাক হয়ে লক্ষ্য করবেন

কি নিদারুন এর গভীরতা!

এই এপ্রোচটি খুব দরকার,

কারণ

দাজ্জাল একটা সিরিয়াস মেটার!

Samiul Huq

Want your business to be the top-listed Clothing Store in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Sylhet