Mir Miftahul Islam Rajib
welcome to my page.� pubg lover
প্রশ্ন : হুজুর! আমি কি বেশি বেশি তসবিহ পড়বো নাকি বেশি বেশি তওবা করবো!?
উত্তর : হযরত সুফিয়ান আস-সাওরি (রহ) বলেন, তুমি বেশি বেশি তওবা কর।
সেই লোকটি প্রশ্ন করল, হুজুর! কারণ কি!?
তখন তিনি বলেন, যখন কাপড় ময়লা হয়ে যায় তখন সেই কাপড়ের আতরের চেয়ে সাবানের বেশি প্রয়োজন পড়ে। আমাদের কাপড় (ক্বলব) ও অনেক ময়লা তাই সেটাকে (তওবার) সাবান দিয়ে ধৌত করতে থাকুন।
আসতাগফিরুল্লাহ!! আসতাগফিরুল্লাহ!!
استغفر الله الذي ،اللهم اغفر لي ذنبي
-----যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার পাঠ করবে,আল্লাহ তায়ালা তাকে সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ ও দুশ্চিন্তা থেকে রক্ষা করবেন!
( আবু দাউদ ১৫১৮)
আসতাগফিরুল্লাহ, (১০)বার
পড়া হলে আলহামদুলিল্লাহ। (sent with love effect)
থার্টি ফার্স্ট নাইট: এ অসভ্যতার শেষ কোথায়?
পাশ্চাত্য কালচার কথিত থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে জাতির জাগ্রত বিবেক আলেম-উলামা শত নিষেধ ও সতর্কবার্তা দিয়েছেন। কারণ তা ইসলামে নিষিদ্ধ। তারপরও পশ্চিমা কালচারে গা ভাসিয়ে দেওয়া একশ্রেণীর উদ্ভট ও উগ্র মানুষ (যারা অধিকাংশই নামধারী মুসলিম) গভীর রাতের নিস্তব্ধতাকে বিদীর্ণ করে ডিজে পার্টি এবং উচ্চ ভলিউমে গান-বাজনা করে কত মানুষের ক্ষতি করলো, কত রোগী, শিশু, ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত ও ঘুমন্ত মানুষের আরাম-আয়েশ ও ঘুম কেড়ে নিলো, পরীক্ষার্থীর পড়া-শোনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করলো, সালাত ও জিকির-আজকারে নিমগ্ন মানুষকে বিরক্ত করলো। আতশবাজির ভয়ঙ্কর আওয়াজে মনে হচ্ছিল, যেন দেশে যুদ্ধ শুরু হয়েছে।
ফানুস ও আতশবাজিতে পুড়ে শেষ হল এভাবে কোটি-কোটি টাকা। ঘটলো বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। খবরে বলা হয়, সারাদেশ থেকে প্রায় ২০০ স্থানে আগুন লাগার সংবাদ আসে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কন্ট্রোল রুম এবং জরুরি সেবা ৯৯৯ এর কাছে। [rtvonline]
যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আতশবাজি এবং ফানুস উড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা ছিল কিন্তু কোথায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী? কোথায় শব্দ দূষণ নামক আইনের প্রয়োগ?
এভাবে মানুষের ক্ষতি করা এবং মানুষকে কষ্ট দেওয়া কোন সভ্যতার সংজ্ঞায় পড়ে?
এ অসভ্যতার শেষ কোথায়?
সত্যি যখন কোনো জাতির কপাল পুড়ে যায় তখন দেশ আগুনে পুড়ে গেলেও তাদের চেতনা বোধ জাগ্রত হয় না। কিন্তু এ তো দুনিয়ার আগুন। আখিরাতের আগুনে পোড়ার জন্য তারা কি প্রস্তুত?
হে অন্ধ, বেহুঁশ ও নির্বোধ জাতি, কখন তোমাদের হুঁশ ফিরবে? কখন তোমরা এই অন্ধ অনুকরণ থেকে ফিরে আসবে?
হে কচুরিপানার মত ভেসে বেড়ানো শেকড়বিহীন যুবক, কখন তুমি তোমার শেকড়কে চিনবে? তোমার শেকড় তো ইসলাম। এটাই তোমার মূল পরিচয়।
পাশ্চাত্যের গোলক ধাঁধায় তোমরা যারা আজ হাবুডুবু খেয়ে ইসলামকে অবহেলা করছ, মনে রাখবে, এই রঙ্গ ভরা যৌবন দীর্ঘস্থায়ী নয়। হঠাৎ মৃত্যুর নীল স্পর্শে তোমার কাল্পনিক রঙ্গিন দুনিয়াটা ফ্যাকাসে হয়ে যাবে। তারপর এক ভয়াবহ বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে কেবল আফসোস করবে। কিন্তু তখন তা আর কোনও কাজ আসবে না।
সুতরাং সময় থাকতে তওবা করে ফিরে আসো তোমার রবের পথে। অতীতের সকল পাপাচার এবং হারাম কর্মকাণ্ডে লজ্জিত হয়ে রবের দরবারে হাজির হও ধ্বংসের করাল গ্রাসে নিপতিত হওয়ার পূর্বেই। দয়াময় প্রতিপালক তোমার তওবা কবুলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নিশ্চয় তিনি পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল।
রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে ক্ষমা করুন এবং আমাদের নির্বোধদেরকে দীনের সঠিক জ্ঞান ও সুবুদ্ধি দান করুন-নতুন বছরের শুরুতে প্রতিপালকের দরবারে সেই দুআ করি। আল্লাহুম্মা আমিন।
লেখাঃ উস্তাদ আব্দুল্লাহিল হাদী (হাফিজাহুল্লাহ)
🥺🥺🥺
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet