Azad Miah
Education movement will be continued until the Ultimate GOAL is Achieved.
20/07/2025
"আমি এক ব্যর্থ শিক্ষক?"
আমি এক ব্যর্থ শিক্ষক —
বলেছিলাম, “আদর্শে দাঁড়াও,” তারা দাঁড়ালো ক্ষমতায়।
বলেছিলাম, “মানবিক হও,” তারা হলো দানবিক!
আজ সেই ছাত্ররাই বসে আছে চেয়ারে —
সচিব, ডিসি, এসপি, কর্নেল, জেনারেল হয়ে
তারা চালায় রাষ্ট্র, আমি চালাই ক্ষত-বিক্ষত দিনপঞ্জি!
আমি এক ব্যর্থ শিক্ষক —
শিক্ষার আলো দিয়েছিলাম হাতে,
তারা বানালো তা ছুরি, নথি আর গুলি।
তাদের চোখে এখন মর্যাদা মানে পদবী,
বাক্য মানে আদেশ, শিক্ষক মানে—
তাদের কাছে এক করুণা-প্রার্থী,
বদলির দরখাস্তে নাম লেখা এক নামহীন করুণা!
আমি এক ব্যর্থ শিক্ষক —
তাদের মানবিক করতে গিয়ে, নিজেই হয়ে গেছি অমানব!
তাদের জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালাতে গিয়ে,
নিজের ঘরটাই হয়েছে অন্ধকার,
সন্তান বলে না ‘বাবা’, সমাজ বলে না ‘মানুষ’!
তাই আজ ঘোষণা করি বিদ্রোহ —
না! আর মাথা পাতবো না ছাত্রের সামনে!
না! আর সাজবো না করুণা-ভিখারি হয়ে!
আমি শিক্ষক!
আমি জাগরণের প্রথম সূর্য —
আমার হাতে যে চক, সেটাই ভবিষ্যতের হাতিয়ার!
আমার কথাই জাতির বীজ—
আমিই জন্ম দিয়েছি সেইসব কর্নেল, জেনারেল, ডিসিদের!
তাই আমি ব্যর্থ নই—
ব্যর্থ তোমরা, যারা শিক্ষককে করেছ ভিখারি!
ব্যর্থ এই সমাজ, যেখানে জ্ঞান বিক্রি হয়
কিন্তু শিক্ষক বাঁচে অপমানের সেলামে!
12/07/2025
কিছু বলার নাই। ওদের গায়ে শক্তি আছে তাই।
06/07/2025
জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা
জেগে ওঠে পদ্মার তীরে এক অশ্রুজল ছায়া,
রাত্রির শেষে ভোরের আশায় প্রহর গোনে মায়া।
বিচারহীন ভূমির বুকে পুড়ে মরে গান,
ফিরে আসে না সন্তানেরা, আঁধার করে প্রাণ।
তবু ওগো নিশি-পথিক, ওগো বন্দী মানব,
আকাশ পানে তুলি হাত, করি হৃদয় সজীব!
এই যে জুলাই, নেয় সে সাথে ন্যায় ও দীপ্ত শপথ,
আসবে আলো, রবে না চিরকাল আঁধারের বলয়রথ।
মিনারে মিনারে ধ্বনি উঠুক, “ইনসাফ চাই, ইনসাফ চাই!”
আল্লাহর জমিনে মানুষ যেন পায় তার প্রাপ্য ঠাঁই।
পাপের শহর ভাঙে যে ঢেউ, সেই ঢেউ-য়ে নামুক জাহান,
জান্নাতি দিনে ফিরুক দেশে পবিত্র সংবিধান।
সেই দিন আসবে, হে প্রভু!
যেদিন এই মাটিতে আর গুম হবে না কারো পুত্র,
যেদিন ধনীর কাঁধে নয়, জনগণই হবেন মুখপাত্র;
জুলাই সেই সনদের নাম—এক নবজাগরণের পত্র।
নেতানিয়াহুর ‘আব্বা’ ট্রাম্প: বাস্তব রাজনৈতিক দাসত্বের প্রতীক
ভণিতাহীন শুরু
বিজ্ঞাপন ও মিডিয়ার চমক লাগানো প্রচারণা ছাপিয়ে যে বাস্তবতা উঠে আসে, তা হলো: ইসরাইলের স্বাধীনতা যতটা জোরে প্রচারিত হয়, বাস্তবে তার নীতিগত স্বাধীনতা ততটাই আমেরিকার গুদামে তালাবদ্ধ। বিশেষ করে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরাইল বারবার এমন সিদ্ধান্ত নেয় যার মূল কারিগর বসে থাকে হোয়াইট হাউসে। আর ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই মঞ্চে নেতানিয়াহুর রাজনীতিকে পিতাসুলভ ছায়া দিয়ে চালিয়ে গেছেন। তাই আজকের আলোচনার যুক্তির কেন্দ্রে উঠে এসেছে এক বিতর্কিত প্রশ্ন —
> “ট্রাম্প কি সত্যিই নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক আব্বা?”
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের অক্ষমতা
নেতানিয়াহুর বহুবার ঘোষিত হুমকি:
> “ইরানকে পারমাণবিক শক্তি হতে দেব না।”
এই হুমকি বাস্তবায়নে ইসরাইল কখনো গোপনে, কখনো প্রকাশ্যে ইরানে হামলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, স্বতন্ত্রভাবে ইরানের পারমাণবিক প্রকল্প ধ্বংস করতে ইসরাইল কখনো সফল হয়নি। কারণ:
ইরানের স্থাপনাগুলো পাহাড়ের নিচে বা গভীর সুরক্ষায় নির্মিত;
ইরান সামরিকভাবে দুর্বল নয়, প্রতিশোধে সক্ষম;
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার ভয় আছে;
এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি ছাড়া ইসরাইল এত বড় পদক্ষেপ নিতে পারে না।
২০১۹–২০২০ সালের দিকে নেতানিয়াহু বারবার ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সামরিক হামলার অনুরোধ জানান। তিনি চেয়েছিলেন ট্রাম্প নিজ হাতে ইরানকে "শাস্তি" দিন। হোয়াইট হাউসের একাধিক সূত্র বলছে, নেতানিয়াহু প্রায় "প্ররোচনামূলকভাবে" ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে নিতে চেয়েছিলেন।
এটা কোনো দাসত্ব নয় তো কী?
যুক্তির ভিত্তি: কে সিদ্ধান্ত নেয়?
১. রাজনৈতিক স্বাধীনতা কি নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা নয়?
ইসরাইল যদি সত্যিই মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র হয়, তাহলে কেন সে প্রতিবার ইরান ইস্যুতে মার্কিন সম্মতির জন্য অপেক্ষা করে?
২. ইসরাইলের অস্ত্র কে দেয়?
প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ৩.৮ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা দেয় ইসরাইলকে। ফাইটার জেট থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা — সবই আসে আমেরিকার পকেট থেকে।
জাতিসংঘে রক্ষা কে করে?
গাজা বা পশ্চিম তীরে গণহত্যার পর ইসরাইলের বিরুদ্ধে কোনো প্রস্তাব এলে যুক্তরাষ্ট্রই ভেটো দেয় — যেন পিতার হাতের ঢাল ধরে সন্তান বেপরোয়া হয়ে যায়।
ট্রাম্পের যুগে নেতানিয়াহুর রমরমা
ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালে:
জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন;
গোলান হাইটসকে ইসরাইলের বলে মেনে নিলেন;
ইরান পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে একতরফাভাবে সরিয়ে নিলেন;
এবং নেতানিয়াহুকে সবরকম কূটনৈতিক ছাড় দিয়ে সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে পক্ষপাতদুষ্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট হয়ে উঠলেন।
এই যুগে নেতানিয়াহু রাজনৈতিকভাবে এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েন ট্রাম্পের ওপর, যে সমালোচকরা বলেন —
> “নেতানিয়াহু তখন পলিসি করতেন না, বরং হোয়াইট হাউস থেকে হুকুম শুনতেন।”
পিতা-সন্তান নয়, আধিপত্যের রূপক
ট্রাম্পের রাজনৈতিক সমর্থন ছাড়া নেতানিয়াহুর উগ্র জায়নবাদী আগ্রাসন সফল হতো না। তাই অনেকেই আজ রাজনৈতিক ব্যঙ্গ করে বলেন:
> “নেতানিয়াহুর পিতা বেনজিয়ন নন, আসলে তার আসল ‘আব্বা’ হচ্ছেন ট্রাম্প।”
এটি নিছক বিদ্রুপ নয়, বরং মার্কিন-ইসরাইল সম্পর্কের এক করুণ বাস্তবচিত্র। যেখানে একটি রাষ্ট্রের ‘শক্তি’র মূল উৎস তার নিজস্বতা নয়, বরং একজন সাম্রাজ্যবাদী পিতার অনুগ্রহ।
যদি ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্ট হন, তবে নেতানিয়াহুর ‘পুনর্জন্ম’ও ঘটবে। কারণ তার রাজনীতি নিজস্ব নীতির উপর দাঁড়িয়ে নেই — বরং আমেরিকার ট্রিগারে বাঁধা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet
3123