Kamal Auto Engineering Workshop
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Kamal Auto Engineering Workshop, Car Stereo Store, Tamabil Road, Jaintapur, Sylhet.
ব্যবসা কোন নতুন ধারনা নয়। সৃষ্টির আদিকাল থেকে মানুষ ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। কত ধরনের ব্যবসায় তো আছে। কিন্তু ব্যবসা শুরু করার জন্য সার্মথ্য আর জ্ঞানেরও দরকার আছে। আপনাদের জন্য উদ্যোক্তার খোঁজে ডটকম বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক আইডিয়া ও সে সম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা আপনাদের জানাব একটি সার্ভিসিং বা মেরামত ব্যবসা সম্পর্কে।
মোটর গাড়ির সার্ভিসিং বা মেরামতের ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে আমরা আজকের প্রচ্ছদটি সাজিয়েছি। মোটর গাড়ি সার্ভিসিং ব্যবসার জন্য আপনার সর্বপ্রথমে ব্যবসার স্থান নির্বাচন করতে হবে। সাধারনত শহর অঞ্চল এ ধরনের ব্যবসার জন্য উপযুক্ত স্থান। কারন অধিকাংশ ধনী মানুষেরা শহরাঞ্চলে বসবাস করে। বাসষ্টান্ড বা পেট্রোল পাম্পের আশপাশ এ ব্যবসার জন্য উপযুক্ত স্থান। এছাড়াও যেকোন জনবহুল গাড়ি পার্কিং এলাকা কিংবা হাইওয়ে রাস্তার পাশেও এ ব্যবসার জায়গা নির্ধারন করা যেতে পারে।
মোটর গাড়ি বলতে আপনি মোটর সাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মিনিবাস, বাস, ট্রাক ইত্যাদি গাড়ি মেরামতের জন্য নির্বাচন করতে পারেন। এ জাতীয় গাড়ির জন্য ইঞ্জিন ও বডির যাবতীয় কাজ সম্পর্কে আপনার জানা থাকলে সবচেয়ে ভাল করতে পারবেন। আপনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হলে আপনার জন্য এ ব্যবসায়ের সম্ভাবনাকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন। আবার আপনি গাড়ি মেরামত না করতে পারলেও কাজ জানা লোক নিয়োগ করে এ ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারেন।
মোটরগাড়ি মেরামতের ব্যবসায়ের জন্য আপনাকে প্রাথমিক ভাবে ব্যবসায়ের ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। আপনার প্রতিষ্ঠানের সুন্দর একটি নাম দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করার পর দোকান বা জায়গা ভাড়া নিতে হবে। অবশ্যই ভাড়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট চুক্তিপত্র করে নিতে ভুল করবেন না। দোকানের সামনে খোলা জায়গা পেলে ভাল হয়। তাতে করে আপনি সেখানে গাড়ি রেখে কাজ করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন।
দোকান ভাড়া নেওয়া হয়ে গেলে আপনি এবার গাড়ি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে নিন। আপনার বিনিয়োগের একটি বড় অংশ ব্যয় হবে এ যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রে। এবার কাজের জন্য লোকবল নিয়োগ দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই অভিজ্ঞ লোক নিয়োগ দিন। কারন ব্যবসায়ের শুরুতে কম অভিজ্ঞ কিংবা অনভিজ্ঞ লোক নিয়োগ দিলে আপনাকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। আপনি কাজ জানলেও আপনার পাশাপাশি অভিজ্ঞ লোক নিয়োগ দিবেন কারনে আপনি কোন কারনে সমস্যায় পড়লে যাতে সমাধান পাওয়া সম্ভব হয়।
সাধারনত ইঞ্জিনের ত্রুটি কিংবা বডি বা ইঞ্জিনের বাইরের আবরনের ত্রুটি ও রংয়ের কাজ মোটর গাড়ির মালিকেরা করিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় আপনাকে কাজের জন্য গাড়ির মালিকদের জানানোর প্রয়োজন পড়বে। নতুন অবস্থায় ভাল সেবা দিতে পারলে স্থায়ী সেবা গ্রাহক পেয়ে যাবেন। আপনার প্রতিষ্ঠানের অবস্থান ও সেবা সম্পর্কে প্রচার অব্যাহত রাখুন। বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মালিক যাদের একাধিক গাড়ি আছে তাদেরকে আপনার গ্রাহকে পরিনত করার জন্য মার্কেটিং কৌশল গ্রহন করুন এবং সুসম্পর্ক তৈরী করুন। আপনার দোকানের বাইরেও সেবা প্রদান করার জন্য পরিকল্পনা করুন। প্রয়োজনে সেবা গ্রাহীতার বাড়িতে অথবা অফিসে উপস্থিত হয়ে সেবা প্রদান করুন।
মোটর গাড়ি মেরামত ব্যবসায় প্রাথমিক ভাবে দুই থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে শুরু করতে পারবেন। খুবই সল্প পরিসরে শুরু করতে চাইলে এক লক্ষ বা তার কম পরিমান টাকায়ও শুরু করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে আপনাকে মেরামতের কাজ জানতে হবে। এ ব্যবসায়ে প্রতিযোগীতা মোকাবেলা করার জন্য আপনাকে কৌশলী হতে হবে। গ্রাহকের সাথে সুসম্পর্ক ও সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদান নিশ্চিত করে ব্যবসায়ের সফলতা অর্জন করতে পারবেন খুব সহজেই।
একটু হিসেব করে চলতে পারলে এ ব্যবসায় থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারবেন। আর ব্যবসার সাথে বিশ্বাস ও সততার যোগসুত্র স্থাপন করতে পারলে আপনার সুনাম ও বৃদ্ধি পেতে থাকবে দিন দিন। সল্প পরিমান ঝুঁকি মোকাবেলা করে এ ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারবেন। সেই সাথে পরবর্তীতে ব্যবসার পরিধি বাড়িয়ে খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রয় করে আয় বাড়াতে পারবেন। লেগে থেকে পরিশ্রম করলে নিজে সাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি আরও অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।
শুভকামনা রইল সকলের জন্য। উদ্যোক্তার খোঁজে ডটকমের আপডেটগুলো নিয়মিত পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে রাখুন। আইডিয়াটি সম্পর্কে আপনাদের মতামত ও পরামর্শ জানান কমেন্ট করে। ধন্যবাদ সকলকে। শুভেচ্ছা নিরন্তর।
সাধারন বিষয়াবলীঃ
গাড়ি চালাতে শুরু করার আগে যে দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে তা হল-
১) গাড়ির সব সচল অংশগুলো ঠিকমত কাজ করছে কিনা- কোথাও অসুবিধা থাকলে তা সঙ্গে সঙ্গে মেরামত করতে হবে।
২) গাড়ি স্টার্ট করার আগে গাড়িতে লুব্রিকাটিং তেল ( মবিল ) সঠিক পরিমানে আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে হবে।
৩) কোন ফিটিং ঢিলা আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। কোন ফিটিং ঢিলা থাকলে সঙ্গে সঙ্গে টাইট করে নিতে হবে।
৪) গাড়ির চাকা গুলোতে হাওয়া ও নাট গুলো টাইট আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে হবে।
৫) গাড়ির রেডিয়েটরে পানি আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
৬) পেট্রোল অথবা সিএনজি পরিমান মত আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
৭) টুল বক্স গাড়িতে আছে কিনা তা দেখতে হবে।
৮) ব্রেক ওয়েল পরিমান মত আছে কিনা দেখতে হবে।
৯) গাড়ির লাইট সমূহ ঠিক মত জ্বলে কিনা তা দেখতে হবে।
১০) ব্যাটারীতে ডিষ্টিল ওয়াটার ও বিদ্যুতের লাইন ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।
সতর্কতাঃ
১) দীর্ঘ পরিশ্রমে শরীর খুব ক্লান্ত থাকলে গাড়ি চালাতে নেই।
২) মদ বা অন্যান্য মাদক দ্রব্য পান করে গাড়ি চালানো উচিৎ নয়।
৩) গাড়ির কিছু কিছু প্রধান পার্টস্ খারাপ থাকলে সেই গাড়ি চালাতে নেই।
৪) মানসিক অবস্থা ভাল না থাকলে গাড়ি চালাতে নেই।
৫) খুব বেশি ক্ষুধা-তৃষ্ণা নিয়ে গাড়ি চালানো ঠিক না, তাতে মন বিরক্ত থাকে ও যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটা স্বাভাবিক।
৬) নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রীর অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে গাড়ি চালানো ঠিক না।
৭) অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে গাড়ি চালানো ঠিক নয়।
ড্রাইভিং সিটে ড্রাইভারের করনীয়ঃ
১) গাড়ির চারপাশ দেখে নিতে হবে। উপযুক্ত পথ ও গতিবেগ নির্ধারন করতে হবে।
২) গাড়ির আয়না বা মিরর গুলোর দিকে নজর রাখতে হবে।
৩) গাড়ি ডানে বামে মোড় নেবার পূর্বে সিগনাল দিতে হবে।
৪) ট্রাফিক সিগনাল মেনে চলতে হবে।
৫) অপ্রয়োজনে ওভারটেকিং করা থেকে বিরত থাকবে।
৬) ওভারটেকিং করার পূর্বে অবশ্যই হর্ন বাজাতে হবে।
৭) যত্রছত্র হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকবে।
ওভারটেকিং করার নিয়মাবলীঃ
১) নিজের গাড়ির গতিবেগ কন্ট্রোলে রাখতে হবে।
২) যে লাইনে গাড়ি চলছে তার সামনে ও পিছেনের গাড়িকে সিগন্যাল দিতে হবে।
৩) সব সময় নজর রাখতে হবে যে, ওভারটেক্ করার সময় রাস্তার মধ্যখান থেকে গাড়ি যেন বেশী ডানে না যায়।
৪) ওভারটেক্ করার সময় উল্টোদিক থেকে আগত গাড়ির দিকে নজর রাখতে হবে।
৫) গাড়ির গতি বৃদ্ধি করে যতটা সম্ভব ওভারটেকিং শেষ করতে হবে।
৬) কখনো বিপদজনক ভাবে ওভারটেকিং করা ঠিক নয়।
৭) নিজে ওভারটেকিং করার সময় অন্য গাড়িও ওভারটেকিং করছে কিনা তা খেয়াল করতে হবে।
৮) বহু যানবাহন বা জনবহুল পথে ঘন ঘন ওভারটেকিং করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৯) আঁকাবাঁকা বা দুই মুখী রাস্তা গুলোতে ওভারটেকিং না করাই ভাল।
১০) বড় গাড়ি বা লরী সামনে থাকলে কতটা পথ ফাকা তা ভাল করে না দেখে ওভার টেকিং করা উচিৎ নয়।
ড্রাইভিং সংক্রান্ত আইন-কানুনঃ
সাধারন আইন-
১) সবার আগে মোটর গাড়ি রেজিষ্টি করতে হবে। গাড়িতে স্পষ্ট ভাবে নম্বর প্লেট লাগাতে হবে।
২) চালকের ন্যুন্যতম ১৮ বছর, ৮ শ্রেনী পাস এবং লাইসেন্স প্রাপ্ত হতে হবে।
৩) ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে নিয়ম ভেদে ১০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। রাস্তা পার, গাড়ির গতি, ট্রাফিক নির্দেশ ও সংকেত প্রভৃতি সব রকম নির্দেশ মেনে চলতে হবে।
৪) ড্রাইভারকে গাড়ি চালাবার সময় সর্বদা মানুষ, জন্তু, অন্য গাড়ি প্রভৃতির দিকে নজর রেখে চালাতে হবে। এতে ভূল-ত্রুটি হলে অমার্জনীয় অপরাধ বলে গন্য হবে।
বিশেষ নিয়মাবলীঃ
১) রাতের বেলা গাড়ি চালাতে গেলে গাড়ির আলো ঠিক রাখতে হবে।
২) মালামাল বহন সীমার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে গাড়ি চালানো আইনত দন্ডনীয় আপরাধ।
৩) গাড়ি সবসময় পথের বামদিক দিয়ে চলবে। ওভারটেকিং করার সময় সিগনাল দিতে হবে।
৪) যেখানে যতটুকু গতিসীমা দেওয়া থাকে তার অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো দন্ডনীয় অপরাধ।
৫) যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করা উচিত নয়। আইন হল- আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে গাড়িতে তুলে নিকটবর্তী ডাক্তারখানা বা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। নিকটবর্তী থানাতে দুর্ঘটনার কথা জানাতে হবে। এরূপ করলে ড্রাইভারের শাস্তি কম হয় বা হয় না। কিন্তু পালিয়ে গেলে শাস্তি বেশী হয়।
৬) কোন রকম মাদক দ্রব্য গাড়িতে রাখা বে আইনী। ধরা পড়লে শাস্তি হবে।
৭) যত্ছত্র গাড়ি পাকিং করা অনুচিত।
রাস্তার মাঝে ছোটখাট মেরামতির কাজঃ
১) চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ গাড়ির ব্যটারী ডাউন হয়ে যায় বা ব্যাটারী যদি ঠিক মত কাজ না করে, তাহলে প্রথমে কয়েকজন মিলে ঠেলা দিয়ে গাড়ি স্টার্ট করাতে হবে। এর পর গ্যারেজে গিয়ে ব্যাটারী চার্জ করে নিতে হবে। ঠেলা দিয়ে গাড়ি স্টার্ট না হলে অন্য কোন গাড়ির সাথে চেইন বা দড়ির সাহায্যে গাড়িকে বেধে গ্যারেজে নিয়ে যেতে হবে।
২) যদি কোন স্পার্ক প্লাগ কাজ না করে তাহলে অন্য প্লাগ গুলো পরিষ্কার করে নিতে হবে, যদি তাতেও কাজ না হয় তাহলে ইন্সুলেটরের অংশ একটু শর্ট করে নিতে হবে।
৩) যদি পেট্রোল –ট্যাঙ্ক থেকে পেট্রোল চুইয়ে পড়ে তাহলে বুঝতে হবে কোন জায়গা ফুটো হয়েছে। কোন জায়গা থেকে পেট্রোল পড়ছে তা দেখে ঐ জায়গাটা বন্ধ করে দিতে হবে।এ জন্য অনেকে গাড়িতে কাপড় কাচার সাবান রাখে যাতে সাবান দিয়ে ফুটো সাময়িক ভাবে বন্ধ করা যায়।
৪) যদি এসি পাম্প কাজ না করে কিংবা পেট্রোল ট্যাঙ্ক ফেটে যায় তাহলে একটা ছোট টিনে পেট্রোল ভরে উঁচু করে সেটা ঐ জায়গায় বেঁধে দিতে হবে। ঐ টিনে একটা রবারের নল লাগিয়ে মুখ দিয়ে একটু পেট্রোল টেনে নলের আগা পর্যন্ত আনতে হবে। তারপর ঐ নলের মুখে কার্বোরেটারের ইন্লেট ইউনিয়নের ফ্লুইডের সঙ্গে জড়ে দিতে হবে। এভাবে করলে ধীরে ধীরে পেট্রোল কার্বোরেটারের মধ্যে যেতে থাকবে, গাড়িও আবার চলতে থাকবে। পরে ভালভাবে মেরামত করতে হবে।
৫) যদি ডায়নামোতে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে না বলে দেখা যায়, অর্থাৎ সেটি চার্জ না থাকে, তাহলে এর কার্বোরেটরটি ভাল করে সাফ করে দিতে হবে। তারপর দেখতে হবে ফ্যান বেল্ট ঢিলা আছে কিনা। যদি ঢিলা থাকে, তাহলে ভালভাবে টাইট করে দিতে হবে। ভাল করে লক্ষ করতে হবে যে, ডায়নামো কানেক্শন ও কাট-আউট টার্মিনাল যেন ঢিলা না থাকে। ঢিলা থাকে তবে টাইট করে দিতে হবে।
৬) যদি ইগনিশান সুইচ ঠিকমত কাজ না করে বা অকেজ হয়ে যায় তবে দুটি তার খুলে নিয়ে এক সাথে জুড়ে দিয়ে ইঞ্জিন স্টার্ট করে নিতে হবে। ইঞ্জিন বন্ধ করার সময় আমার দুটি তারই খুলে দিতে হবে, যাতে সুইচ অফ হবার কাজ করে। নিজে নিজে যদি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় তাহলেও তার দুটি অবশ্যই খুলে নিতে হবে।
৭) যদি ব্যাটারী থেকে কয়েলের মধ্যে শর্ট থাকে বা কোন গোলমাল থাকে, তাহলে সেটা আগে ভাল করে পরীক্ষা করে বুঝে নিতে হবে। তারপর পজিটিভ থেকে একটা তার আর ইগনিশান সুইচ থেকে আসা তারের জায়গায় নিয়ে যেতে হবে ও তার পর ইঞ্জিন স্টার্ট করে নিতে হবে। এভাবে কৌশলে সাময়িক কাজটুকু সেরে নেওয়া যায়। এরপর তার খুলে সুইচ অফ্ করার কাজ করবে। যদি সুইচের চাবি হারিয়ে যায় তাহলেও এইভাবে গাড়ি স্টার্ট করে নেওয়া যায়।
৮) যদি ডায়নামো ঠিকমত কাজ করে কিন্তু আউট কারেন্ট ডায়নামোর আগে অর্থাৎ বাইরের দিকে এগিয়ে যেতে না পারে, তাহলে কাট-আউটের পয়েন্ট টার্মিন্যাল পরিষ্কার করে নিতে হবে। যদি পরিষ্কার করার পরও কাজ না হয়, তাহলে ডায়নামোর আর্মেচারের তার খুলে ব্যাটারীর তারের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ইঞ্জিন ষ্টার্ট করতে হবে এবং বাতি জ্বালিয়ে দিতে হবে। তবে এর ফলে অনেক সময় আর্মেচার জ্বলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এতে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। তবে নেহাৎ বিপদে পড়লে এছাড়া উপায় থাকে না। ইঞ্জিন বন্ধ করার সাথে সাথে অবশ্য আর্মেচার ও ব্যাটারীর তার খুলে ফেলতে হয়। খুলে না দিলে অযথা কারেন্ট নষ্ট হয়। এভাবে বেশীক্ষন চালানোও ঠিক না, অতিসত্তর মেরামত করা উচিৎ।
৯) হঠাৎ যদি বিগ এন্ড বিয়ারিং খারাপ জ্বলে যায়, তাহলে চেম্বার খুলে বিয়ারিং এর জায়গায় এক টুকরো চামড়া লেপটে দিতে হবে। যদি চামড়া না পাওয়া যায় জুতোর চামড়া সামান্য কেটে লাগিয়ে দেওয়া যায়। তাতেও যদি কোন কাজ না হয় তাহলে পিষ্টন শুদ্ধ বিয়ারিং খুলে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে যেতে হবে। সাময়িকভাবে এতে কাজ চলে যাবে।
১০) যদি ইঞ্জিনের একটা পিষ্টন হঠাৎ ভেঙ্গে যায়, তাহলে ইঞ্জিনের হেড ও চেম্বার খুলে ভাঙ্গা পিষ্টনটি খুলে নিতে হবে। তারপর ৩টি বা ৫টি পিষ্টন দিয়ে ধীরে ধীরে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।অবশ্য এই সময় ইঞ্জিনের শক্তি খুব কম থাকে।এতে গাড়ি চলবে ,তবে ভারী মাল টেনে নিয়ে যেতে পারবে না।তাই প্রয়োজন হলে গাড়ি খালি করে নিতে হবে। তারপর গ্যারাজে নিয়ে গিয়ে পিষ্টন পাল্টে নিতে হবে।
১১) অনেক সময় কোন নির্জন স্থানে চাকার টিউব পাংচার হয়ে যেতে পারে। সঙ্গে অতিরিক্ত চাকা বা মেরামত করার ব্যবস্থা ( ভলকানাইজিং ) নেই। এই অবস্থায় টিউবটি চাকা থেকে খুলে নিতে হবে। তারপর টায়ারের মধ্যে ঘাস, কাগজের টুকরা ইত্যাদি ভরে গাড়ি আস্তে আস্তে কোন গ্যারাজের উদ্দেশ্যে চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
১২) যদি গাড়ির ব্রেক জ্যাম হয়ে যায়, তাহলে পরিষ্কার করার চেষ্টা করতে হবে। যদি তাতেও কাজ না হয়, তাহলে ফুটব্রেকের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে বুঝে ধীরে ধীরে হ্যান্ডব্রেকের সাহায্যে চালিয়ে গ্যারাজে নিয়ে গিয়ে মেরামর করতে হবে। অনেক সময় ব্রেক ড্রাম খুলে পরিষ্কার করে আবার লাগিয়ে দিলেও ভালভাবে ব্রেক কাজ করে।
১৩) গাড়ির চাকা পাথর খন্ড বা ধারালো কিছুতে ঘষা লেগে কেটে গেলে এক্সিলের উপর জ্যাক লাগিয়ে গাড়ি উঁচু করে কাঁচা রাবার গরম করে সেটা ঠিক করে লাগিয়ে দিতে হবে। এজন্য একটা মোমবাতি ও কিছুটা কাঁচা রাবার গাড়িতে সবসময় রাখা উচিৎ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Telephone
Website
Address
Tamabil Road, Jaintapur
Sylhet
3100