Learning & Earning Resources
ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন পেইড কোর্স ফ্রিতে নিতে আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন।
17/07/2022
আপনার LinkedIn Marketing Start করার পূর্বে অবশ্যই এইগুলো জানতে হবে এবং ফলো করতে হবে |
তা না হলে LinkedIn Marketing কাজ করবেনা এবং আপনার মেইন উদ্দেশ্য ক্লায়েন্ট একুসিশন করা সেটিও সম্ভব হবে না |
আমি মনে করি এটা LinkedIn Marketing এর একটি Top Biggest Mistakes | আজকে জাস্ট মেইন টাইটেল গুলো বললাম এরপরে ডিটেল পোষ্টের মাধ্যমে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ|
কারণ এইগুলো অনেক বিগ ইস্যুজ | এগুলো একটি পোষ্টের মাধ্যমে আলোচনা করা বা আপনাদের বোঝানো সম্ভব না |
1. Small Niche Selection
2. Profile Optimize
3. Targeted People Add On Your Profile
4. Good Relation And Trust Build Up
5. Niche Related post and article and Videos share
6. Make Your Connected People Hangry For Your services
7. Last But Not Least Strong English Communication Skills
এইগুলো আপনাকে step-by-step করতে হবে |একটি আগে আরেকটি করা যাবে না কারণ এটি হচ্ছে Real System|
আপনি যদি আপনার নিজ সিলেক্ট না করতে পারেন তাহলে আপনার প্রোফাইল নিস রিলেটেড হবেনা | আর নিস রিলেটেড প্রফাইল না হলে আপনার টার্গেটেড পিপল কেউ অ্যাড করতে পারবেন না | এই জন্যই আপনাকে আগে নিজ সিলেকশন করতে হবে|
অনেকেই Niche কি জিনিস বুঝবেন না একটু পরিষ্কার করে বলি| আপনি যেই ইন্ড্রাস্ট্রির পিপল দের কাজ করতে চান সেটি হচ্ছে আপনার Niche |
ধরেন আপনি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তাই বলে সবারিতো গ্রাফিক্যাল কাজগুলো আপনি করে দিতে পারবেন না| আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে কোন ইন্ডাস্ট্রির গ্রাফিক্যাল কাজগুলো আপনি করবেন|
ধরেন আপনি Coffee ইন্ডাস্ট্রির বিপুল দের সঙ্গে কাজ করতে চান তাহলে এই Coffee ইন্ডাস্ট্রি টা হচ্ছে আপনার একটি Niche .
এরপর আপনি ধরেন Coffee ইন্ড্রাস্ট্রির বিপুল দের সঙ্গে কানেক্ট করতে থাকলেন এবং বিভিন্ন Coffee ইন্ড্রাস্ট্রি গুগল সার্চ করলেন LinkedIn এ সার্চ করলে এবং তাদের সঙ্গে কানেক্ট হওয়ার চেষ্টা করলেন |
At the same time অবশ্যই আপনার প্রোফাইলে Coffee Industry নিয়ে আগের কাজগুলো শেয়ার করবেন | এর ফলে আপনার প্রতি তাদের ট্রাস্ট বাড়বে ,আপনার সঙ্গে কানেক্ট হবে | তবে Niche Specification নিয়ে কিন্তু অনেক কিছু জানতে হয় - যেমন তাদের আর্নিং সম্পর্কে জানতে হবে , তাদের বাজেট সম্পর্কে জানতে হবে |
17/07/2022
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরির ১০টি কার্যকরী টিপস
ভার্সিটি পড়ুয়া, কর্পোরেট, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, টিচার সবার জন্য পাওয়ারপয়েন্ট জিনিসটা লাগে। Presentation তৈরি করতে সফটওয়্যার হিসেবে ৯৫ ভাগ Microsoft PowerPoint ব্যবহার করে।
জেনে অবাক হবেন প্রতিদিন ৩০ মিলিয়নেরও বেশি পাওয়ারপয়েন্ট Presentation বানানো হয়,এবং তার মধ্যে ৮০% এরও বেশি হয় নিম্নমানের। আপনার প্রেজেন্টেশান ওইসব ৮০% এর মধ্যে নয় তো? কিভাবে আমরা ভাল একটা Presentation বানাতে পারি সেটা নিয়ে মূলত আলোচনা করব।
১. পাওয়ার পয়েন্ট থিম:
ডিফল্ট থিম ব্যবহার করা একরকম ক্রাইম। দেখতে ভালো লাগে না এবং আপনার বিষয়বস্তুর সাথেও হয়তো মিলবে না। নিজের বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত থিম তৈরি করতে হবে। এতে দেখতে ভালো লাগবে এবং সহজে উপস্থাপন করতে পারবেন।
২. কালার:
কালার একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফন্ট কালার, শেইপ কালার, ব্যাকগ্রাউন্ড কালার সবগুলোর জন্য প্রফেশনাল এবং স্ট্যান্ডার্ড কালার চেনা অনেক জরুরি। পাওয়ারপয়েন্টের নিজস্ব কালার স্কিমে কিছু কিছু স্ট্যান্ডার্ড কালার আছে। কয়েকটা কালার এর মিশ্রণে ভাল কালার তৈরি করা যায়। স্ট্যান্ডার্ড কালারের একটা বৈশিষ্ট্য হল দেখতে সহজবোধ্য হবে এবং BORING লাগবে না। ১৩ বা এর পরবর্তী ভার্সন গুলোতে EYE DROPPER TOLL দিয়ে ওয়েব থেকে যেকোন কালার আনা যায়। মনে রাখতে হবে কালার বাছাই করতে হবে স্লাইডের বিষয়, থিম এগুলোর উপর ভিত্তি করেই। একটা স্লাইডে একাধিক ফন্ট, শেইপ, কালার ব্যবহার করা ঠিক নয়। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রত্যেকটা স্লাইডে একটা COLOR COMBINATION থাকতে হবে।
৩. ফন্ট:
ফন্ট নির্বাচনের গুরুত্ব কম নয়। এক্ষেত্রেও আমাদের প্রফেশনাল ফন্ট বাছাই করতে হবে। যেটাই ব্যবহার করি না কেন একটা প্রেজেন্টেশানে ২টি ফন্ট ব্যবহার করা উত্তম। একটা Title আর অন্যটা Subtitle বা বিবরণে। ফন্ট সাইজ এমন রাখতে হবে যেন পিছনের কেউ ও ভালভাবে দেখতে পায়।
৪. বুলেট পয়েন্ট:
বুলেট তো বুলেটই, একটা প্রেজেন্টেশানকে হত্যা করার জন্য এই বুলেট পয়েন্টই যথেষ্ট। মনে রাখতে হবে ONE IDEA ONE SLIDE। বুলেট পয়েন্ট দেয়ার মানে অনেক আইডিয়া বা পয়েন্ট একটা স্লাইডে যুক্ত করা। এটা যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।
৫. সিম্পল স্লাইড:
অনেকেই দেখা যায় নিজে যা বলে তার সমস্ত কিছু পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডে লিখে দেয়। যেকোন কিছুর সংজ্ঞা বা তথ্য সব লিখে দেয়। এতে কেউ প্রেজেন্টারের দিকে তাকাবে না। আইডিয়াটা বড় করে লিখে দিয়ে যথাসম্ভব বাকিগুলা নিজেকে ব্যাখ্যা করতে হবে।
৬. চিত্রবহুল পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইড:
মানুষ কিন্তু কম পড়তে ভালবাসে। তাই স্লাইডে অত লেখালেখি না করে যথাসম্ভব বিষয় সম্পর্কিত চিত্র, আইকন, গ্রাফ ব্যাবহার করতে হবে। এতে মানুষের দৃষ্টি এবং মনোযোগ দুটিই পাওয়া যায়।
৭. ট্রানজিশন এবং এনিমেশন:
প্রথম প্রথম পাওয়ারপয়েন্ট পেলে সবাই যত বেশি পারে ট্রানজিশন এবং এনিমেশন ব্যবহার করে। পাখি উড়ে যায়, পর্দা খুলে যায়, ফন্ট-শেইপ লাফাতে লাফাতে পড়ে। এটা করা যাবে না, প্রথমত এটা মনোযোগ নষ্ট করে দ্বিতীয়ত সময় নষ্ট হয়। তবে ভালো মানের কিছু এনিমেশন ব্যবহার করা যায় যেখানে প্রয়োজন পড়ে। এতে প্রেজেন্টেশানের মান উন্নত হয়। যেমন বলতে পারি স্লাইড চেঞ্জের জন্য “Parallax Effect “.
৮. শেইপ:
পাওয়ারপয়েন্ট কিন্তু এক প্রকার শেইপের খেলা। শেইপগুলো দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন অসাধারণ কিছু ডিজাইন, চিত্র বা আইকন। এভাবে একটা পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশানকে প্রফেশনাল বানিয়ে ফেলতে পারেন।
৯. কনট্রাস্ট ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয়বস্তু:
Contrast অন্যতম একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চোখ ধাঁধানো Contrast মানুষের দৃষ্টি ও মনোযোগ কমিয়ে দেয়। তাই Contrast সবসময় স্ট্যান্ডার্ড লেভেলে রাখা উচিত। বিনা কারণে ক্লিপ আর্ট, শেপ, ছবি অ্যাড করা মোটেও কাম্য নয়। খেয়াল রাখবেন প্রত্যেকটা ছবি, ক্লিপ আর্ট এমনকি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডও বিনা প্রয়োজনে রাখা যাবে না।
১০. পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইডে জটিলতা:
জটিল কোন চিত্র, গ্রাফ পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডে দেখানো কাম্য নয়। যথা সম্ভব সহজ-সরল এবং বোধগম্যভাবে উপস্থাপন করুন যাতে সবাই সহজেই বিষয়টি বুঝে যায়।
02/02/2022
How does Google track you?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet
3031