Home Computing Solution in Sylhet City
Home Computing Solutions provide computer, desktop, laptop, netbook support diagnostics, repairs and advice throughout the Sylhet City.
**** পকেটের মধ্যেই সুপার কম্পিউটার ****
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নয়, প্রতি সেকেন্ডে দ্রুতগতিতে লাখ লাখ হিসাব করতে পারবে এমন সুপার কম্পিউটার থাকবে আপনার পকেটেই! বাস্তবে এমনই ক্ষুদ্রাকার দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা করেছে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এনভিডিয়া দাবি করেছে, মোবাইল প্রযুক্তি ও গাড়িতে ব্যবহারের জন্য ভবিষ্যতে এমন এক ধরনের চিপ তৈরি করবে তারা; যা সুপার কম্পিউটারের মতোই দ্রুতগতিতে কাজ সম্পন্ন করতে পারবে।
৭ জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য কনজুমার ইলেকট্রনিকস শো (সিইএস) উপলক্ষে ‘কে১’ নামে একটি চিপ আনার কথা জানিয়েছে এনভিডিয়া। স্মার্টফোন, ট্যাব ও কম্পিউটারের চিপের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় এনভিডিয়া এখন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে।
সিইএস শুরুর আগেই এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেন সান হুয়াং জানিয়েছেন, এনভিডিয়ার তৈরি ‘কে১’মোবাইল চিপে ব্যবহূত হবে কেপলার গ্রাফিকস প্রযুক্তি, যা মূলত হাই এন্ড গেমিং পিসির ক্ষেত্রে ব্যবহূত হয়। এই চিপের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে সর্বাধুনিক গ্রাফিকস প্রযুক্তি যুক্ত করতে যাচ্ছে এনভিডিয়া।
হুয়াং দাবি করেছেন, আমরা মোবাইল কম্পিউটিংকে ডেস্কটপ ও সুপার কম্পিউটিং স্তরে আনতে যাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, এনভিডিয়ার তৈরি সর্বশেষ টেগরা ৪ প্রসেসর মাইক্রোসফটের সারফেস২ ট্যাবলেট ও চীনের শাওমি স্মার্টফোনে ব্যবহূত হয়েছে।
‘কে১’ চিপটি তৈরির সময় এনভিডিয়া এর কোডনাম রেখেছিল ‘লোগান’ যা মূলত উলভারিনের কমিক হিরোর নাম।
এনভিডিয়ার দাবি, তাদের তৈরি সুপার কম্পিউটিং চিপটি ৬৪বিটের স্মার্টফোন, ট্যাব, গাড়ির ড্যাশ বোর্ড এমনকি গেম কনসোলেও ব্যবহার করা যাবে।
এদিকে, মার্কিন বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, চিপ তৈরিতে এনভিডিয়া যে পরিমাণ অর্থ লগ্নি করেছে তা প্রতিযোগিতার কারণে গত কয়েক প্রান্তিকে তুলে আনতে পারেনি মার্কিন এই চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যার সমাধান
কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করতে গেলে মাঝেমধ্যে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। প্রায়ই হয় এমন সাধারণ সমস্যার সমাধান নিজে নিজেই করা যায়। চলুন দেখা যাক...
***কম্পিউটারশুরুতেই যা করণীয়***
কোনো সমস্যা হলে অন্য কিছু করার আগে প্রথম কাজটিই হবে কম্পিউটার পুনরায় চালু বা রিস্টার্ট করা। এই কাজটি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়। কম্পিউটারে সংযুক্ত কোনো যন্ত্রপাতি সমস্যা করলে সেটি বন্ধ করে আবার চালু করুন। তাতে কাজ না হলে যন্ত্রটি প্রথমে কম্পিউটার থেকে খুলে আবার লাগিয়ে নিন, তারপর সেটির সর্বশেষ সংস্করণের চালক সফটওয়্যার বা ড্রাইভার ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে আবার ইনস্টল করুন।
******
১. ধীরগতির কম্পিউটার
কম্পিউটার খুব ধীরগতির হলে প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে এটি আসলে কম্পিউটারের নিজের সমস্যা কি না। ওয়েবসাইট দেখতে সময় বেশি লাগা বা অনলাইনে ভিডিও দেখার সময় বাফারিং অবিরাম চলতে থাকাটা কম্পিউটারের সমস্যা না-ও হতে পারে। যদি মনে হয় কম্পিউটারেই সমস্যা, তাহলে দেখে নিন হার্ডডিস্কের যে ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা আছে (সাধারণত C:), তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা আছে কি না। অপারেটিং সিস্টেম চলার সময় উইন্ডোজের ফাইল তৈরিতে খালি জায়গার প্রয়োজন হয়। অপর্যাপ্ত থাকলে ড্রাইভের কিছু জায়গা খালি করে ফেলুন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো ডিস্কম্যাক্স নামের একটি প্রোগ্রাম। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/rgcY4Q। রিসাইকল বিন, ইনস্টলেশন রেমন্যান্ট, ইউজার হিস্ট্রি, টেম্পরারি ফাইল, কুকিজ, উইন্ডোজ ক্যাশ ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় সবকিছু মুছে সিস্টেম ড্রাইভসহ পুরো হার্ডডিস্ক পরিষ্কার করে ফেলবে।
ধীরগতির আরেকটি সমাধান হলো মাইক্রোসফট সিস্টেম কনফিগারেশন টুল। অনেক অ্যাপলিকেশন আছে যেগুলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে কম্পিউটার পুরোপুরি প্রস্তুত হতে বাড়তি সময় লাগায়। এ জন্য Windows Key + R কি চেপে তাতে msconfig লিখে এন্টার চাপুন। এখান থেকে যেসব স্টার্টআপ আইটেম অপ্রয়োজনীয় মনে হয়, সেগুলো থেকে টিক উঠিয়ে দিন। তবে ম্যানুফ্যাকচারার ট্যাবে মাইক্রোসফট করপোরেশন লেখা আইটেমগুলো থেকে টিক ওঠাবেন না। এবার ওকে চেপে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
******
২. ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যা
ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা হলে ভালো সমাধান হলো www.speedtest.net ওয়েব ঠিকানা। এখানে স্পিড টেস্ট চালিয়ে দেখুন ইন্টারনেটের গতি কেমন। ইন্টারনেট সেবাদাতার দেওয়া সংযোগের গতির অন্তত অর্ধেক পাচ্ছেন কি না, পিং করলে ১০০ মিলিসেকেন্ডের কম থাকে কি না। আশানুরূপ না হলে পরীক্ষা করে দেখুন, কোনো কিছু ডাউনলোড বা আপলোড হচ্ছে কি না। অনেক টরেন্ট ডাউনলোডিং প্রোগ্রাম টাস্কবারের বদলে সিস্টেম ট্রেতে থেকে নেপথ্যে ডেটা ডাউনলোড বা আপলোড করতে থাকে। উইন্ডোজের অটোমেটিক আপডেট নির্বাচন করা থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড চলতে থাকে। এটি বন্ধ করতে চাইলে স্টার্ট বাটন চেপে সার্চ বক্সে লিখুন windows update এবং এন্টার চাপুন। ‘চেঞ্জ সেটিংস’ ক্লিক করে ‘নেভার চেক ফর আপডেটস’ অপশনটি নির্বাচন করে ওকে করুন। নেটওয়ার্কে ব্যবহূত হার্ডওয়্যারও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। রাউটার বা সুইচের রিসেট বাটন চেপে সংযোগ সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। অথবা দু-এক সেকেন্ডের জন্য পাওয়ার কেবল বিচ্ছিন্ন করেও এটা করা যায়।
******
৩. কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট
হার্ডওয়্যার সমস্যা করলে সেটা শনাক্ত করে সমাধান করা একটু কঠিনই। প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে, উইন্ডোজ হালনাগাদ হচ্ছে কি না। এসব আপডেট ইনস্টল হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। অনেক সময় ভাইরাস বা অ্যাডওয়্যারের কারণে এমনটা হতে পারে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার অথবা বিনা মূল্যের মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়ালস সর্বশেষ হালনাগাদসহ ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ইনস্টল করে স্ক্যান করে নিতে পারেন। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/EW85AC আর এর সর্বশেষ ডেফিনিশন আপডেট ফাইল নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/8TnmU5। কম্পিউটারের ধরন অনুযায়ী (৩২ বা ৬৪ বিট) ‘ম্যানুয়ালি ডাউনলোড দ্য লেটেস্ট আপডেটস’ সেকশন থেকে এই সফটওয়্যারটির হালনাগাদ ফাইল নামাতে হবে অথবা ইন্টারনেটে সরাসরি হালনাগা করে নিতে পারেন।
কম্পিউটারের কোনো যন্ত্রাংশ মাত্রাতিরিক্ত গরম হলেও কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট নিতে পারে। আধুনিক অনেক কম্পিউটারে সেফগার্ড থাকে, যা যন্ত্রপাতি গরম হলে নিজে নিজেই কম্পিউটার বন্ধ করে দেয়। সিপিইউ খোলার অভিজ্ঞতা থাকলে এবং তাতে কোনো ওয়ারেন্টি সিল না থাকলে সেটি খুলে অনেক দিনের জমা ধুলোবালি ব্রাশ দিয়ে সাবধানে পরিষ্কার করে নিতে পারেন। তারপর র্যাম খুলে পরিষ্কার করে আবার লাগিয়ে নিন এবং হার্ডডিস্ক, ডিভিডি-রম ড্রাইভে সংযুক্ত তারগুলো ভালোভাবে লাগিয়ে রিস্টার্ট হওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন।
******
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 20:00 |
| Tuesday | 10:00 - 20:00 |
| Wednesday | 10:00 - 20:00 |
| Thursday | 10:00 - 20:00 |
| Friday | 10:00 - 20:00 |
| Saturday | 10:00 - 20:00 |
| Sunday | 10:00 - 20:00 |