Study Computer Solution
We provide any kind of service with IT sector. We are more reliable than others. We provide our service with cheap rate & our environment is very friendly.
20/07/2023
ইউরোপের একটি দেশ যেখানে এই দৃশ্য অহরহ দেখতে পাবেন ।
একটি রেস্তোরা। ঐ রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে এক ভদ্রমহিলা এলেন আর বললেন ৫ টা কফি আর একটা সাসপেনশন। তারপর উনি পাঁচটি কফির বিল মেটালেন আর চার কাপ কফি নিয়ে চলে গেলেন।
কিছুক্ষণ পরে এক ভদ্রলোক এলেন আর অর্ডার করলেন দুটো লাঞ্চ প্যাক করুন আর দুটো সাসপেনশন রাখুন। উনি চারটে লাঞ্চের বিল মেটালেন আর দুটো লাঞ্চ প্যাকেট নিয়ে চলে গেলেন।
তার কিছুক্ষণ পর আরো একজন এলেন। অর্ডার করলেন দশটা কফি ছটা সাসপেনশন। উনি দশটা কফির পেমেন্ট করলেন আর চারটে কফি নিয়ে গেলেন।
এভাবেই একের পর এক চলতে লাগলো। বেশ কিছুক্ষণ পরে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি জর্জর অবস্থায় কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কোনো সাসপেনশন কফি আছে ?
কাউন্টার থেকে জানানো হলো অবশ্যই আছে এবং এক কাপ গরম কফি ওনাকে দেওয়া হলো।
তারও অল্প কিছুক্ষণ পরে এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিতরে এসে জিজ্ঞাসা করলেন আজ কি কোনো লাঞ্চ সাসপেনশনে রাখা আছে ? কাউন্টার থেকে যথারীতি সম্মতি জানিয়ে তাকে গরম খাবারের একটি পার্সেল আর এক বোতল জল দেওয়া হলো।
এই ব্যাপারটা সারাদিন চলছে তো চলছেই। কিছু মানুষ নিজেদের পকেট থেকে নিজেদের অর্জিত রোজগার থেকে কিছু অজানা মানুষের খাওয়ার জন্যে পেমেন্ট করছেন আর কিছু গরীব দুস্থ মানুষ বিনা পেমেন্টে নিশ্চিন্তে খাওয়া দাওয়া করছেন। দিনভর চলছে এই কান্ড।
অথচ কেউ জানেনা কারোরই পরিচয়। না দাতা জানে গ্রহীতার পরিচয় না গ্রহীতা জানে দাতার পরিচয়।
প্রয়োজন নেই পরিচয় জানার,
প্রয়োজন নেই নিজের নাম জাহির করার।
কিন্ত প্রয়োজন আছে কিছু অভুক্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেবার এবং সেটা একেবারেই গোপনে।
মানবিকতার এই চরম শিখরে পৌঁছনো দেশটির নাম "নরওয়ে", এবং নরওয়ের দেখাদেখি এই পরম্পরা ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও!!
@ সংগৃহীত।
জিলহজ্জ মাসের
৯ তারিখ ফজর থেকে তেরো তারিখ আছর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাত্ক্ষনিক একবার তাকবীরে তাশরীক বলা প্রত্যেক নর-নারীর উপর ওয়াজিব।
লাস্ট কয়েক বছর ইন্ডিয়া থেকে গরু না আসায় খুশিই হয়েছিলাম যে, এদেশের এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়িয়ে যাক। দেশীয় উদ্যোক্তারা সফল হোক। কিন্তু এখন দেখছি ইন্ডিয়ান গরু না আসায় এরা এই দেশের মানুষকে জিম্মি করে ফেলেছে। ২০০-৩০০ টাকা কেজি দরের মাংশ এখন ৮০০+ দিয়ে কিনতে হচ্ছে। ঈদকেন্দ্রীক তো কেজি প্রতি ১১০০-১৩০০ পর্যন্ত পড়ে যাচ্ছে।
এখন থেকে চার বছর আগেও যেই গরুটা ৬৫০০০ টাকায় কিনেছি, এবছর একই সাইজের গরুটার দাম ১ লাখ ২৫ হাজার দিয়েও পাচ্ছিনা। দাম হাঁকাচ্ছে ১ লাখ পঞ্চাশ হাজার। এক কথায় যেমন ইচ্ছা তেমন দাম ক্রেতাকে দিতে বাধ্য করছে। অথচ ইন্ডিয়াতে এখনো কেজি প্রতি বাংলা টাকায় দু'শর ঘরেই আছে...
সহজ বিষয় হল, যে দেশে ইন্ডিয়া থেকে এক ট্রাক পেঁয়াজ ঢোকার সাথে সাথে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কমে যায়, সে দেশের ব্যবসায়ীরা কোন পর্যায়ের জুলুমবাজ আর শয়তান সেটা বুঝতে রকেট সাইন্স পড়া লাগেনা।
সবার আগে ক্রেতাদের কথা ভাবা দরকার। কারণ, এভাবে চলতে থাকলে মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত আর সৎ উপার্জন করা ব্যক্তিরা আগামীতে আর কুরবানী দিতে পারবেনা। শুধু কুরবানী না, জীবন যাত্রার জন্য মৌলিক যে খাদ্য সেই খাদ্য ক্রয় করা আজ দুস্কর হয়ে দাড়িয়েছে। সবজি বাজারে ৫০/৬০ টাকার নীচে কোন সবজি পাওয়া যায় না🥲🥲🥲।
অচিরেই সমাজে খাদ্য সংকটের জন্যে অস্থিরতা তৈরি হবে, আর সেই দায়ভার দেশের মজুতদার, জুলুমকারী ব্যবসায়ীদের নিতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Islampur, Majortila
Sylhet
3100