Firstsun24.com
বস্তনিস্ট সংবাদ সবার আগে আপনার কাছে.........।।
20/08/2021
আফগানিস্তানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকবে না
তালেবানের শাসনে আফগানিস্তানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকবে না বলে জানিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতা ওয়াহিদুল্লাহ হাশিমি। তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কাউন্সিল গঠন করেই রাষ্ট্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের শীর্ষ নেতারা। হাশিমি বললেন, কোনো গণতান্ত্রিক পদ্ধতি থাকবে না। কারণ আফগানিস্তানে এর কোনো ভিত্তিই নেই। এ দেশে কোন ধরনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা চলবে সেটি নিয়ে আলোচনার কিছু নেই; এটা পরিষ্কার। এখানে শরিয়াহ আইনই শেষ কথা।
কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে থাকবেন তালেবানের শীর্ষ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুনজাদা। তালেবানের সভায় যাকে নিয়মিত দেখা যাবে না, তার আবাসস্থলও থাকবে গোপন। হাশিমি আরো জানান, আখুনজাদারই কোনো এক ডেপুটিকে বসানো হবে প্রেসিডেন্ট পদে। শীর্ষ নেতাদেরই আবার তিনজন করে ডেপুটি আছেন- মোল্লা ওমরের ছেলে মোল্লা ইয়াকুব, হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রধান সিরাজুদ্দিন হাক্কানি ও দোহায় তালেবান অফিসের প্রধান আবদুল গনি বারাদার। তবে দেশ চালানোর ব্যাপারে এখনো অনেক কিছু চূড়ান্ত হয়নি।
এ দিকে মার্কিন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আফগান সেনা ও পাইলটকে যার যার পদে যোগ দিতে বলা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে হাশিমির বক্তব্য হলো, তারা নতুন একটি জাতীয় বাহিনী গড়ে তুলবেন। যাতে নিজেদের সদস্যরা তো থাকবেনই, আগের আফগান বাহিনীর সদস্যদের কেউ স্বেচ্ছায় যোগ দিতে চাইলে তারাও থাকবেন। আফগান বাহিনীকে সুযোগ দেয়ার ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, তাদের বেশির ভাগই তুরস্ক, জার্মানি ও ইংল্যান্ডে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। তাই তাদের সাথে আমরা আলাপ করব।
হাশিমি আরো জানান, তাদের পাইলটের সঙ্কট বেশি। নেই বললেই চলে। বিভিন্ন এলাকায় দখল করা হেলিকপ্টার ও সামরিক এয়ারক্রাফটগুলো তারা ব্যবহার করতে পারছেন না। যার কারণে আফগান বাহিনীর পাইলটদের প্রতি তাদের খানিকটা দুর্বলতাও আছে। তালেবানের সাথে যোগ দিলেই পাইলটদের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দেয়ার ইঙ্গিত দেন হাশিমি। ‘সুতরাং, আমরা তাদের সাথে কথা বলব যেন তারা নিজেদের পূর্বাবস্থানে ফিরে আসেন’, যোগ করেন ওয়াহিদুল্লাহ হাশিমি।
তিনি আরো বলেন, অবশ্যই আমাদের কিছু পরিবর্তন হবে। বিশেষ করে সেনাবাহিনীতে কিছু সংস্কার করতে হবে। তবুও আমাদের তাদের দরকার এবং তালেবান সরকারের সাথে যোগ দেয়ার জন্য তাদের ডাকব। আমাদের অনেক পাইলটের সাথে যোগাযোগ আছে। আমরা তাদের ফিরে আসতে এবং ভাইদের সাথে ও সরকারের সাথে যোগ দিতে বলেছি। আমরা তাদের অনেককে ফোন করেছি এবং অন্যদের নম্বর খুঁজছি তাদের কল করার জন্য। তাদের চাকরিতে পুনরায় যোগদানের আমন্ত্রণ জানিয়েছি।
17/08/2021
আমরা ২০ বছর আগের তালেবান নই
সরকার গঠনের পর তালেবান সিদ্ধান্ত নেবে দেশ কোন আইনে চলবে। কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ।
জাবিউল্লাহ মুজাহিদ আরো বলেছেন, ‘বিশ বছর আগেও আমাদের দেশ মুসলিম রাষ্ট্র ছিল। আজও আমাদের দেশ মুসলিম রাষ্ট্র। কিন্তু অভিজ্ঞতা, পরিপক্কতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির বিচারে বিশ বছর আগের তালেবানের সাথে আজকের তালেবানের বিশাল তফাত রয়েছে। আমরা ২০ বছর আগের তালেবান নই। সময়ের প্রেক্ষিতে আমাদের পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্তগুলোতে অনেক পার্থক্য দেখা যাবে। আর এটা বিবর্তনের ফসল।’
জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করতে চাই যে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কোনো সমস্যা করতে চাই না। আমাদের ধর্মীয় নীতি অনুসারে কাজ করার অধিকার আমাদের আছে। নারীরা পুরুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাচ্ছে। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করতে চাই যে, কারো মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’
শরিয়াহ আইনে দেশ পরিচালনার ইঙ্গিত দিয়ে জবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘অন্যান্য দেশের বিভিন্ন পন্থা, নিয়ম-কানুন আছে। অন্যদের মতো আফগানদের মূল্যবোধ অনুযায়ী নিজস্ব নিয়ম-কানুন থাকার অধিকার রয়েছে। আমরা শরিয়াহ আইনের অধীনে নারীদের অধিকারের প্রতি সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।’
সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার বিষয়ে এ তালেবান মুখপাত্র বলেন, ‘কারও ওপর কোনো প্রতিশোধ নেওয়া হবে না। যে তরুণ এখানে বড় হয়েছে, আমরা চাই না তারা চলে যাক। তারা তো আমাদের সম্পদ। আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য আমরা সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আমাদের যোদ্ধা, আমাদের জনগণ, সব পক্ষ, সব উপদল, সবার অন্তর্ভুক্তি আমরা নিশ্চিত করব। সবাইকে নিয়েই দেশ পরিচালিত হবে।’
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
257/2, Modhubon Supermarket, Bondor Bazar
Sylhet
3100