Electrical Engineering
we are electrical engineer�
02/07/2025
Hipot Test (High Potential Test) হল একটি উচ্চ ভোল্টেজ নির্ভর নিরীক্ষণ পদ্ধতি, যেখানে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিকে তার স্বাভাবিক অপারেটিং ভোল্টেজের তুলনায় ২–৩ গুণ বেশি ভোল্টেজ দিয়ে অল্প সময়ের (সাধারণত ১ মিনিট) জন্য পরীক্ষা করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ইনসুলেশন ঠিক আছে কিনা, কোনো দুর্বলতা, লিকেজ বা আর্কিং হচ্ছে কিনা তা চিহ্নিত করা। ইকুইপমেন্ট এই উচ্চ ভোল্টেজ "withstand" করতে পারলে ধরে নেওয়া হয় যে সেটি নিরাপদভাবে কাজ করতে পারবে এবং ইনসুলেশন ঠিকঠাক আছে।
এই টেস্ট সাধারণত ইকুইপমেন্ট নির্মাণকারী ফ্যাক্টরিতে করা হয়ে থাকে, তবে GIS (Gas Insulated Substation) এর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এটি সাইটে ইনস্টলেশনের পরও করা হয়। যেমন, Kachua 230/132 kV GIS Grid Substation-এ এই টেস্টের সময় প্রায় ৩৮০ কেভি বা তার বেশি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, যেখানে অপারেটিং ভোল্টেজের তুলনায় অনেক বেশি ভোল্টেজ প্রয়োগ করেও ইকুইপমেন্ট ঠিক থাকে কিনা তা দেখা হয়। এখানে ২৩০ কেভি ফেজ টু ফেজ অপারেটিং ভোল্টেজের ভিত্তিতে ফেজ টু গ্রাউন্ড ভোল্টেজ ধরা হয় প্রায় ১৩২ কেভি, এবং সেই হিসেবে হাইপট ভোল্টেজ সেট করা হয়।
এই অতিরিক্ত ভোল্টেজ উৎপাদনের জন্য Step-up Transformer ব্যবহার করা হয় এবং ভোল্টেজ আরও বৃদ্ধি করতে LC Resonance Circuit ব্যবহার করা হয়। GIS নিজেই একটি ক্যাপাসিটরের মতো আচরণ করে, যার সাথে সিরিজে একটি ইন্ডাক্টর ও প্যারালালে ক্যাপাসিটর বসিয়ে রেজোন্যান্স অবস্থা তৈরি করা হয়। রেজোন্যান্স অবস্থায় সর্বোচ্চ ভোল্টেজ ও কারেন্ট পাওয়া যায়, এবং অল্প পাওয়ার ব্যবহার করেই ইকুইপমেন্টে অনেক বেশি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা সম্ভব হয়। সবশেষে, যদি কোনো আর্কিং, ডিসচার্জ বা ইনসুলেশন ব্রেকডাউন না ঘটে, তবে ইকুইপমেন্টকে সেফ ধরা হয় এবং সাবস্টেশনে চালু করার জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়।
(Copy)
02/06/2025
‘পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ম ইউনিটের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে নিরাপদ সঞ্চালনের পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করেছে। আজ, ২ জুন ২০২৫, সোমবার, দুপুর ৩:৩২ টায়, ‘রূপপুর-গোপালগঞ্জ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন’ সফলভাবে চালু করার মধ্য দিয়ে ১ম ইউনিটের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালন সক্ষমতার মাইলফলক স্পর্শ করে পাওয়ার গ্রিড। এর মাধ্যমে পারমানবিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ বাংলাদেশের গ্রিডে সঞ্চালনের সক্ষমতা অর্জিত হলো। রূপপুর-গোপালগঞ্জ ৪০০ কেভি লাইনের দৈর্ঘ্য ১৫৮ কিলোমিটার (প্রায়)। টাওয়ার সংখ্যা ৪১৪টি।
ইতঃপূর্বে ১ম ইউনিটের ফিজিক্যাল স্টার্টআপের জন্য আরও দুটি হাইভোল্টেজ লাইন প্রস্তুত করা হয়েছিল। গত ৩০ জুন ২০২২ তারিখে ‘রূপপূর-বাঘাবাড়ি ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন’ এবং গত ৩০ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে ‘রূপপুর-বগুড়া ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন’ চালু করা হয়। রূপপুর-গোপালগঞ্জ লাইন চালুর মধ্য দিয়ে মোট তিনটি লাইন প্রস্তুত হলো, যার প্রতিটির সঞ্চালন সক্ষমতা ২০০০ মেগাওয়াট।
দেশের প্রথম পারমানবিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালন সক্ষমতা অর্জনের মধ্য দিয়ে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হলো।
বিদ্যুৎ সেক্টরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিডিও.. #ইনসুলেটর
১০ গ্রেড না পেয়ে ভাইটি চোর হয়ে গেলো। এবার তো ১০ম গ্রেড ছেড়ে দাও ডিপ্লোমাবাসী 🤣
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Rangpur
Thakurgaon
5120