LOOP Pharma

LOOP Pharma

Share

"LOOP PHARAMA"The Uncommon Drugstore

29/05/2023

কাঁঠাল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
-------------------------------------------
#কাঠাল

কাঠাল
কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল, এর ইংরেজী নাম হচ্ছে (Jackfruit) । বাংলাদেশের সব স্থানেই কম- বেশি কাঁঠাল পাওয়া যায়। বসন্ত ও গ্রীস্মের প্রথমে কাঁচা অবস্থায় এবং গ্রীস্ম ও বর্ষায় পাকা অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ফলটি আকারে বেশ বড় হয়ে থাকে। এর পুষ্টিগুণ রয়েছে অনেক। কাঁঠালের ৪-৫ কোয়া থেকে ১০০ কিলো ক্যালরি খাদ্য শক্তি পাওয়া যায়। এর হলুদ রঙের কোষ হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ সমদ্ধ। ২-৩ কোয়া কাঁঠাল আমাদের এক দিনের ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদা পূরণ করে। সেজন্য কাঁঠাল অপুষ্টিজনিত সমস্যা রাতকানা এবং রাতকানা থেকে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করার জন্য খুবই উপযোগী ফল। শিশু, কিশোর, কিশোরী এবং পূর্ণ বয়সী নারী- পুরুষ সব শ্রেণীর জন্যই কাঁঠাল খুবই উপকারী ফল।গর্ভবতী এবং যে মা বুকের দুধ খাওয়ান তাদের জন্য কাঁঠাল দরকারি ফল। শরীরে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাব দেখা দিলে ত্বক খসখসে হয়ে যায়। শরীরের লাভণ্যতা হারিয়ে ফেলে এজন্য কাঁঠাল প্রতিরোধ করতে পারে। এ ছাড়া কাঁঠালের মধ্যে ভিটামিন ‘সি’ এবং কিছুটা ‘বি’ আছে। পাকা কাঁঠাল যেমন উপকার রয়েছে, তেমনি কাঁচা কাঁঠালও কম উপকারী নয়। কাঁচা কাঁঠাল আমিষ ও ভিটামিনসমদ্ধ তরকরি। পাকা কাঁঠালের বিচি বাদামের মতো ভেজে যেমন খাওয়া যায়, তেমনি তরকারি হিসেবেও খাওয়া যায়। ১০০গ্রাম
কাঁঠালের বিচিতে ৬.৬ গ্রাম আমিষ আছে ও ২৫.৮গ্রাম শর্করা আছে। সবার জন্যই আমিষসমদ্ধ কাঁঠালের বিচি উপকারী। এজন্য কাঁঠাল গাছ বেশি লাগানো উচিত। সেই সঙ্গে কাঁঠাল ফলটি খেয়ে ভিটামিন ‘এ’- এর ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।
কাঁঠাল এর ২০টি উপকারিতা
১। কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম। এই ফল খাওয়ার কারণে ওজন বৃদ্ধির আশংকা কম।২। কাঁঠাল পটাশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস। ১০০ গ্রাম কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ ৩০৩ মিলিগ্রাম। যারা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এ জন্যে কাঁঠালে উচ্চ রক্ত চাপের উপশম হয়।৩। কাঁঠালে প্রচুর ভিটামিন এ আছে, যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।৪। কাঁঠালের অন্যতম উপযোগিতা হল ভিটামিন সি। প্রাকৃতিকভাবে মানবদেহে ভিটামিন “সি” তৈরি হয় না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাঁতের মাড়িকে শক্তিশালী করে ভিটামিন “সি”।৫। কাঁঠালে বিদ্যমান ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস- আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম।৬। কাঁঠালে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকে ক্ষতিকর ফ্রির‌্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও আমাদেরকে সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।৭। টেনশন এবং নার্ভাসনেস কমাতে কাঁঠাল বেশ কার্যকরী।৮।বদহজম রোধ করে কাঁঠাল।৯। কাঁঠাল গাছের শেকড় হাঁপানী উপশম করে। শেকড় সেদ্ধ করলে যে উৎকৃষ্ট পুষ্টি উপাদান নিষ্কাশিত হয় তা হাঁপানীর প্রকোম নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।১০। চর্মরোগের সমস্যা সমাধানেও কাঁঠালের শেকড় কার্যকরী। জ্বর এবং ডায়রিয়া নিরাময় করে কাঁঠালের শেকড়।১১।কাঁঠালে আছে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান ম্যাঙ্গানিজ যা রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।১২।কাঁঠালে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়ামের মত হাড়ের গঠন ও হাড় শক্তিশালী করণে ভূমিকা পালন করে।১৩।কাঁঠালে আছে ভিটামিন বি৬ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।১৪।কাঁঠালে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম কেবল হাড়ের জন্য উপকারী নয় রক্ত সংকোচন প্রক্রিয়া সমাধানেও ভূমিকা রাখে।১৫।ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে কাঁঠালের রস খাওয়ালে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ হয়। অন্যদিকে তার প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়।১৬।চিকিৎৎসা শাস্ত্র মতে প্রতিদিন ২০০ গ্রাম তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী মহিলা ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়।১৭।গর্ভবতী মহিলারা কাঁঠাল খেলে তার স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে এবং গর্ভস্থসন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়।১৮।দুগ্ধদানকারী মা তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।১৯।এই ফল আঁশালো বিধায় কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে।২০।কাঁঠালে রয়েছে খনিজ উপাদান আয়রন যা দেহের রক্তাল্পতা দূর করে।

29/05/2023

খালি পেটে পেঁপে খেলে দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্যসহ যেসব রোগ
-------------------------------------------------------------

আমরা শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে ফল খাই। তবে ফলের তালিকায় অনেকেই পেঁপে রাখি, আবার রাখি না। তবে পেঁপে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি ফল। বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজের প্রাকৃতিক উৎস থাকে পাকা পেঁপে। এজন্য চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা প্রতিদিন সকালে পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন।

পেঁপের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও ফাইবার। আর এই ফলে ক্যালোরির পরিমাণও খুব কম। খেতে মিষ্টি হলেও ডাইবেটিস রোগীরা এই ফল খেতে পারেন। পেটের সমস্যায় থাকলে এই ফল বেশ উপকারী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পাকা পেঁপে খেলে শারীরিক উপকার পাওয়া যায়। তাই সবার খালি পেটে পেঁপে খাওয়ার উপকারিতা জেনে রাখা ভাল।

প্রথমত কোষ্ঠকাঠিন্যে সমস্যায় পাকা পেঁপে ভাল কাজ করে। পেঁপে ফাইবার সমৃদ্ধ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য সারায় এবং স্বাভাবিক মলত্যাগে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে পাকা পেঁপে খেলে পাকস্থলি সুস্থ থাকবে এবং পেটের বিভিন্ন সমস্যাও দূর হবে। অ্যাসিডিটি ও বদহজমের সমস্যা কমাতেও সহায়তা করে এ ফল।

খালি পেটে পাকা পেঁপে খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম, আর ফাইবার থাকে প্রচুর পরিমাণে। যার ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। ঘন ঘন ক্ষুধা পায় না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পাকা পেঁপে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। যার ফলে বিভিন্ন সংক্রমণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।

শুধু তাই নয়, প্রতিদিন সকালে খালি পেঁপে খেলে শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যায়। চুল পড়াও কমে। পেঁপের ফাইবার খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

এ ছাড়া পাকা পেঁপেতে রয়েছে পটাশিয়াম, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পাকা পেঁপে খেলে হার্ট সুস্থ থাকে। ত্বকের জেল্লা ফেরে পাকা পেঁপে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বকের জন্যও খুব উপকারী। পেঁপেতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা ত্বকের কোষ মেরামত করে। এতে ত্বক ভাল থাকে।

29/05/2023

নিজেকে ফিট রাখার কৌশল
--------------------------------
#স্বাস্থ্য
শীত এলেই চারদিকে ছুটির আমেজ। পিকনিক, বিয়ে, বৌভাত, জন্মদিন আরও কত রকমের আয়োজন। এ আয়োজনে থাকে নানারকম মজাদার খাবার। লোভনীয় বলে সব সময় না খেয়ে আর কতটা নিজেকে কষ্ট দেয়া যায়? এমন ভাবনা আমাদের সবার। কিন্তু যারা শরীর নিয়ে একটু ভাবনার মধ্যে আছেন অর্থাৎ যারা মুটিয়ে গেছেন তাদের অবশ্যই খাবারের পরিমাণ এবং ক্যালরির দিকে নজর দেয়া উচিত। আমরা যারা স্বাভাবিক কাজ কর্মের মধ্যে থাকি তারা সব সময় ব্যায়ামের দিকে খুব একটা নজর দেই না। কিন্তু শরীরটা তো ঠিক রাখা চাই। তাই নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম একজন সুস্থ মানুষের খুবি জরুরি। শরীরে বাড়তি মেদ ঝরাতে আপনার সিদ্ধান্তই আসল। আপনি চাইলেই আপনার ওজন নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। শরীরে জমে থাকা বাড়তি মেদ ঝরাতে আপনাকে কী করতে হবে? পোড়াতে হবে ক্যালোরি। যত ক্যালোরি বাড়তি খাচ্ছেন প্রতিদিন, ততখানি ঝরিয়ে ফেলতে পারলেই বাড়বে না ওজন। আর একটু বেশি ঝরাতে পারলেই ওজন কমতে শুরু করবে। ওজন কমানো মানেই জিমে গিয়ে ব্যায়াম করা নয়, বরং নিজের দৈনন্দিন জীবনের ফাঁকেই একটু বুদ্ধি করলে ঝরিয়ে ফেলতে পারবেন বাড়তি মেদ। আসুন একটু চোখ বুলিয়ে নেই কীভাবে আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রিত করতে পারি।

১। সকালে ২০ মিনিট মর্নিংওয়াক করুন।

২। দৈনিক ১৫ মিনিট বাইসাইকেল চালানোর অভ্যাস করুন।

৩। লিফটকে ‘না’ বলে সিঁড়ি বেঁয়ে উপরে উঠুন।

৪। ফোনে কথা বলুন হেঁটে হেঁটে।

৫। গান ছেড়ে মন খুলে নাচুন মিনিট পনেরো।

৬। বসে থাকার অভ্যাসটা বাদ দিয়ে দিন।

৭। দৈনিক পান করুন কমপক্ষে দুই কাপ গ্রিন-টি।

৮। নিজের কাজগুলো নিজেই করুন রোজ। যেমন কাপড় ধোয়া, ঘর পরিষ্কার করা ইত্যাদি।

৯। একটু স্পাইসি খাবার খান। মসলা মেটাবোলিজম বাড়ায় ও ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।

১০। ফ্যাট বা তেলযুক্ত যে কোনো খাবার খাওয়ার পরই বরফ শীতল পানি বা পানীয় পান করবেন না। ঠাণ্ডা কিছু খেতেই হলে ৩০ মিনিট পর খান।

১১। খাবার খান সময় নিয়ে, ভালোমতো চিবিয়ে খান।

১২। কোমল পানীয় পান করা একেবারেই বাদ দিন।

১৩। ভালোমতো ঘুমান।

১৪। দৈনিক মিনিট দশেক দড়ি দিয়ে ব্যায়াম করুন অর্থাৎ স্কিপিং করুন।

১৫। ব্যায়াম করতে ভালো লাগে না? পিং পং বল খেলাটা কিন্তু ভালো ব্যায়াম।

১৬। চিনি খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিয়ে দিন।

১৭। প্রতি বেলায় খাবারের সঙ্গে সালাদ খান।

১৮। মাছ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

১৯। স্ট্রেসমুক্ত জীবনযাপন করুন।

২০। মন খুলে হাসুন, আনন্দ করুন। কেবল হেসেই মিনিটে ১.৩ ক্যালোরি পোড়ানো যায়। মনে রাখবেন, বিষণœতা মানুষকে দ্রুত মোটা বানিয়ে ফেলে।

এভাবেই চলুক আগামী কিছুদিন তারপর নিজেই দেখবেন আপনার এনার্জি লেভেল কত বেড়েছে। আপনি কতটা ঝরঝরে অনুভব করছেন। আমাদের অন্তরের বিশ্বাসই আমাদের লক্ষ্য অর্জনের মূল হাতিয়ার। তাই বিশ্বাস করুন নিজেকে আর ভালোবাসুন নিজের কাজকে।

Want your business to be the top-listed Gym/sports Facility in Tongi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Cherag Ali
Tongi