Be SMART
Be Smart your career
01/03/2024
হযরত আদম (আ)-এর রোযা:
কোনো কোনো সুফী বলেছেন যে, আদম (আ) যখন নিষিদ্ধ ফল খেয়েছিলেন এবং তারপর তাওবা করেছিলেন তখন ৩০ দিন পর্যন্ত তার তাওবা কবুল হয়নি যতক্ষণ তার দেহে ঐ ফলের কিছু অংশ ছিল। অত:পর তাঁর দেহ যখন তা থেকে পাক পবিত্র হয়ে যায় তখন তাঁর তাওবা কবুল হয়। তারপর তাঁর সন্তানদের ওপরে ৩০টি রোযা ফরয করে দেয়া হয়। হাফিয ইবনে হাজার আসকালানী (র) বলেন, একথা প্রমাণে সনদ নেই। এর কোনো দলীল পাওয়া দুরূহ ব্যাপার।
(ফাতহুল বারী ৪র্থ খণ্ড, ১০২-১০৩ পৃষ্ঠা)
বিশ্বের ইতিহাসে সর্বপ্রথম রোযা কে রেখেছিলেন- এ বিষয়ে সাধক শিরোমনি শায়েখ আব্দুল কাদির জিলানী (র) বর্ণনা করেছেন, যির ইবনে হুবাইশ (রা) বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সা) এর বিশিষ্ট সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা)-কে আইয়্যামে বীয (চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখকে আইয়্যামে বীয বলে) সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আদম (আ)-কে একটি ফল খেতে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু আদম (আ) সেই ফল খেয়ে জান্নাত থেকে দুনিয়ায় নেমে আসতে বাধ্য হন। সে সময় তাঁর শরীরের রং কালো হয়ে যায়। ফলে তাঁর এ দুর্দশা দেখে ফেরেশতাগণ কেঁদে কেঁদে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করলেন, হে আল্লাহ! আদম তোমার প্রিয় সৃষ্টি!!! তুমি তাঁকে জান্নাতে স্থান দিয়েছিলে, আমাদের দ্বারা তাকে সিজদাও করালে, আর একটি মাত্র ভুলের জন্য তার দেহের রং কালো করে দিলে? তাদের জবাবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আদম (আ)-এর কাছে এ ওহী প্রেরন করলেন, তুমি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা রাখ। আদম (আ) তাই করলেন। ফলে তার দেহের রং আবার উজ্জ্বল হল। এ জন্যই এ তিনটি দিনকে আইয়্যামে বীয বা উজ্জ্বল দিন বলে। (গুনইয়াতুত-ত-লিবীন, বাংলা অনুবাদ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩০৭) আব্দুল কাদির জিলানী (র) উক্ত বিষয়টির প্রমাণে কোনো হাদীস বা তফসীরের উদ্ধৃতি দেননি। কাজেই বিষয়টি কতটা সত্য তা চিন্তা সাপেক্ষ। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ঘরে ও সফরে আইয়্যামে বীযে কখনো সিয়াম না করে থাকতেন না। (নাসায়ী, মিশকাত ১৮০ পৃষ্ঠা) (বই: রমযানের ৬০ শিক্ষা, ৩০ ফতোয়া।)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Uttara