Climate Channel
Climate TV Channel Inc. CTC News is a Canadian Public Service Television in English and Bengali.
06/04/2026
টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘আইটি ক্যারিয়ার সামিট ২০২৬’
কানাডার টরন্টোতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পেশাজীবী ও আগ্রহীদের জন্য একটি বিশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ‘দি অপরচুনিটি এক্সচেঞ্জ’-এর উদ্যোগে আগামী ১৩ জুন ২০২৬, শনিবার টরন্টো সিটি হলের কাউন্সিল চেম্বারে (Toronto City Hall: Council Chamber) এই ‘আইটি ক্যারিয়ার সামিট ২০২৬’ (IT Career Summit 2026) আয়োজন করা হয়েছে (উৎস: image.png)।
আইটি খাতে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক এবং এই শিল্পে কর্মরতদের দিকনির্দেশনা দিতে এই সামিটে বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞরা স্পিকার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন (উৎস: image.png)।
আমন্ত্রিত শীর্ষস্থানীয় স্পিকারবৃন্দ:
সংযুক্ত চিত্র (image.png) থেকে জানা গেছে, এবারের সামিটে গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করবেন:
আবু শাঈম (Abu Shayeem): ভিপি, সিটিগ্রুপ, গ্লোবাল পিএমও লিডগ্রুপ (VP, Citigroup, Global PMO Leadroup)।
আশিকুর রহমান (Ashiqur Rahaman): সিনিয়র ম্যানেজার, গভর্নমেন্ট অফ কানাডা (Sr. Manager, Government of Canada)।
আশেক মাহমুদ (Ashek Mahmood): ভিপি এবং সিনিয়র পার্টনার, আইবিএম কনসাল্টিং, এজেন্টিক এআই (VP & Sr Partner, IBM Consulting, Agentic AI)।
ভূঁইয়া তানভীর (Bhuiyan Tanveer): টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার, মাইক্রোসফট কানাডা (Technical Program Manager, Microsoft Canada)।
দিলশাদ হোসেন (Dilshad Hossain): লিড ইঞ্জিনিয়ার, অ্যাস্টেরা ল্যাবস, সান ফ্রান্সিসকো (Lead Engineer, Astera Labs, San Francisco)।
সি এম খালেদ সাইফুল্লাহ (C M Khaled Saifullah): সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, মাইক্রোসফট (Software Engineer, Microsoft)।
নাইমুল হক (Naimul Huq): আর্কিটেক্ট, গভর্নমেন্ট অফ কানাডা (Architect, Government of Canada)।
ওমর খান (Omar Khan): ভিপি, এন্টারপ্রাইজ সেলস, অ্যাডাস্ট্রা কর্পোরেশন (VP, Enterprise Sales, Adastra Corporation)।
সাদিক সৈয়দ (Sadique Syed): ভিপি এবং গ্লোবাল হেড অফ ডাটা, ম্যানুলাইফ (VP and Global Head of Data, Manulife)।
কেন এই সামিট গুরুত্বপূর্ণ?
এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা মাইক্রোসফট, আইবিএম, সিটিগ্রুপ এবং কানাডা সরকারের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শীর্ষ কর্তাদের কাছ থেকে সরাসরি অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ শোনার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে বর্তমান সময়ের আলোচিত প্রযুক্তি যেমন ‘এজেন্টিক এআই’ (Agentic AI), ক্লাউড কম্পিউটিং এবং ডাটা সায়েন্সের মতো ক্ষেত্রে ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে (উৎস: image.png)।
অনুষ্ঠানটিতে অংশ নেওয়ার জন্য একটি কিউআর কোড (QR Code) যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে আগ্রহীরা রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন
টরন্টোর প্রাণকেন্দ্রে আয়োজিত এই আইটি সামিটটি স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটিসহ সবার জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের একটি দারুণ সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
#বাংলা_খবর #বাংলাদেশী #কানাডিয়ান #কানাডার_বাংলা_টেলিভিশন
06/04/2026
টরন্টোর বুকে এক টুকরো ইউরোপ: ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ ‘কাসা লোমা’
CTC Travel, Canada
কানাডার আধুনিক ও ব্যস্ততম শহর টরন্টোর বুকে যদি হঠাৎ এক শতাব্দী আগের ইউরোপীয় রাজকীয় আবহ খুঁজে পান, তবে কেমন লাগবে? ব্যস্ত হাইওয়ে আর গগনচুম্বী স্কাইস্ক্র্যাপারের মাঝে এক পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছে এক জাদুকরী দুর্গ—কাসা লোমা (Casa Loma)। স্প্যানিশ শব্দ ‘কাসা লোমা’র অর্থ ‘পাহাড়ের ওপর বাড়ি’। যারা ইতিহাস ভালোবাসেন, স্থাপত্যের নান্দনিকতায় মুগ্ধ হন কিংবা রূপকথার দুর্গের রহস্যময় গলিতে হারিয়ে যেতে চান, তাদের জন্য কাসা লোমা টরন্টোর বুকে এক অবশ্য দর্শনীয় স্থান।
এক খামখেয়ালী ধনকুবেরের স্বপ্নের প্রাসাদ
কাসা লোমার ইতিহাস যেমন জমকালো, তেমনি কিছুটা ট্র্যাজিক। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে, ১৯১১ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে কানাডিয়ান ধনকুবের এবং দূরদর্শী ব্যবসায়ী স্যার হেনরি প্যাট (Sir Henry Pellatt) প্রায় ৩৫ লাখ ডলার (যা বর্তমান সময়ে শত মিলিয়নেরও বেশি) খরচ করে এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। প্রায় ৩০০ জন শ্রমিকের তিন বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে ওঠে ৯৮টি কক্ষ বিশিষ্ট এই বিশাল দুর্গ।
তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা এবং ঋণের বেড়াজালে পড়ে স্যার হেনরি মাত্র এক দশক পরেই এই স্বপ্নের প্রাসাদটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে ১৯৩৭ সালে টরন্টো শহর কর্তৃপক্ষ এটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে উন্মুক্ত করে।
কাসা লোমার প্রধান আকর্ষণসমূহ: যা আপনার চোখ জুড়াবে
ঐতিহাসিক কক্ষ ও রাজকীয় আসবাব: প্রাসাদের ভেতরে প্রবেশ করতেই ওক কাঠের তৈরি বিশাল গ্রেট হল (Great Hall), লাইব্রেরি এবং চমৎকার ডাইনিং রুম আপনাকে স্বাগত জানাবে। প্রাচীন পিয়ানো, রাজকীয় ঝাড়বাতি আর দেয়ালে ঝোলানো চিত্রকর্মগুলো আপনাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে এডওয়ার্ডিয়ান যুগে।
রহস্যময় গোপন সুড়ঙ্গ (Secret Tunnels): কাসা লোমার অন্যতম রোমাঞ্চকর অংশ হলো এর ৮০০ ফুটের আন্ডারগ্রাউন্ড টানেল বা সুড়ঙ্গ। এই সুড়ঙ্গটি মূল প্রাসাদকে আস্তাবল ও ক্যারেজ হাউসের সাথে যুক্ত করেছে। সুড়ঙ্গের দেয়াল জুড়ে রয়েছে টরন্টোর ইতিহাসের নানা অন্ধকার ও রোমহর্ষক অধ্যায়ের আলোকচিত্র।
সুউচ্চ টাওয়ার (The Towers): দুর্গের গথিক শৈলীর টাওয়ার বা চূড়ায় ওঠার জন্য রয়েছে সংকীর্ণ সর্পিল সিঁড়ি। একটু কষ্ট করে ওপরে উঠে গেলে ক্লান্তি এক নিমেষেই দূর হয়ে যাবে, কারণ সেখান থেকে পুরো টরন্টো শহরের স্কাইলাইন এবং সিএন টাওয়ারের যে দৃশ্য দেখা যায়, তা এক কথায় অতুলনীয়।
পাহাড়ি বাগান (The Gardens): মে থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত কাসা লোমার ৫ একরের বাগানটি যেন জীবন্ত স্বর্গ হয়ে ওঠে। নানা রঙের বিরল ফুল, চমৎকার ফোয়ারা এবং সুবিন্যস্ত ভাস্কর্য দিয়ে সাজানো এই বাগানটি ফটোগ্রাফির জন্য দারুণ এক জায়গা।
কিভাবে যাবেন?
টরন্টোর ট্রানজিট ব্যবস্থা অত্যন্ত সহজ হওয়ায় কাসা লোমায় যাওয়া খুবই সুবিধাজনক।
সাবওয়ে বা টিটিসি (TTC) যোগে: টরন্টো সাবওয়ের লাইন ১ (Line 1 Yonge-University) ধরে সরাসরি 'Dupont Station'-এ নামুন। স্টেশন থেকে বের হয়ে উত্তর দিকে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিট হাঁটলেই পাহাড়ের ওপর কাসা লোমার মূল ফটক দেখতে পাবেন।
গাড়ি বা রাইডশেয়ার: আপনি যদি গাড়ি বা উবার/লিফট ব্যবহার করেন, তবে ডাউনটাউন থেকে মাত্র ১০-১৫ মিনিটে কাসা লোমায় (1 Austin Terrace, Toronto, ON M5R 1X8) পৌঁছানো সম্ভব। এখানে পর্যটকদের জন্য পেইড পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
অফিশিয়াল লিংক
টিকিট বুকিং, ভ্রমণের সময়সূচী এবং বিশেষ ইভেন্টের (যেমন- হ্যালোইন নাইট বা ক্রিসমাস লাইট শো) বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে: Casa Loma Website
বলা হয়ে থাকে, কাসা লোমা না দেখলে টরন্টো ভ্রমণই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই উইকএন্ডে বা অবসরে ক্যামেরাটা কাঁধে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন ইতিহাসের এই অনন্য সাক্ষী থেকে।
#বাংলাখবর #বাংলাদেশী #কানাডিয়ান #কানাডারবাংলাটেলিভিশন Travel.gc.ca - Travel advice from the Government of Canada
06/04/2026
আবার কণ্ঠশিল্পী হিসেবে দেখা দিলেন নুসরাত ফারিয়া। প্রায় তিন বছরের বিরতি কাটিয়ে পুনরায় গানের ভুবনে ফিরলেন। অনেকে যখন ভুলতে বসেছেন, কবে তিনি নতুন গান প্রকাশ করেছিলেন, ঠিক তখনই নতুন আয়োজন নিয়ে ছোট ও বড়পর্দার এই তারকার আবির্ভাব। অথচ গানের বিষয়ে গত আড়াই বছরে টুঁ শব্দটিও করেননি ফারিয়া। আসলে ফারিয়া হয়তো এমনই–কখন কী ভাবে দর্শক-শ্রোতার সামনে হাজির হবেন তা বলা কঠিন। এমনটি তাঁর জন্য নতুন নয়। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই এই প্রবণতা দেখা গেছে।
এই যেমন তিনি এফএম রেডিওতে কাজ শুরু করেছিলেন, তখন শ্রোতা জানাতেন না, নুসরাত ফারিয়া নামের আরজে [রেডিও জকি] দেখতে কেমন। তবু তাঁর প্রতি তৈরি হয়েছিল ভালোলাগা। কারণ একটাই, মাইক্রোফোনের সামনে তিনি চমৎকার করে কথা বলতেন। বিষয় যেমনই হোক, গুছিয়ে কথা বলায় ফারিয়াকে অভিজ্ঞ বলেই মনে হতো; যার সুবাদে দিন দিন বেড়ে চলেছিল এই রেডিও জকির অনুরাগীর সংখ্যা। সেই সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বেড়ে গেলে কিছুদিন পর সেই শ্রোতারা নিজ চোখে নুসরাত ফারিয়াকে দেখা পান।
আরটিভির ‘ঠিক বলছেন তো’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম টিভি পর্দায় উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। অবশ্য তারও আগে কিশোরী ফারিয়াকে দেখা গেছে বিটিভির বিতর্ক প্রতিযোগিতায়। তবে সেই সময়ের ফারিয়ার গল্পটা আলাদা। কারণ, তখন তিনি বিনোদন জগতের কেউ নন; কেবলই শিক্ষার্থী। সে যাই হোক, টেলিভিশনে আসার পর উপস্থাপক হিসেবে অল্প সময়ে দর্শক মনোযোগ কেড়ে নেন ফারিয়া।
একের পর এক টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনার প্রস্তাব আসতে থাকে। ফারিয়াও ব্যস্ত হয়ে উঠেন ছোটপর্দায়। যে কারণে শুরুতে যারা তাঁর কণ্ঠে মুগ্ধ হয়েছিলেন, তাদের পাশাপাশি অনিন্দ্য সৌন্দর্যে ও চটপটে উপস্থাপনা দিতে দর্শকের মনোযোগ কেড়ে নিতে সক্ষম হন তিনি। সেই সূত্রে বিনোদন দুনিয়ার নানা মাধ্যমে ডাক আসতে থাকে তাঁর। তাই অল্প দিনের ব্যবধানে রেডিও জকি ও টিভি উপস্থাপকের পর মডেল হিসেবে দেখা মেলে ফারিয়ার। মডেল হিসেবে সাফল্য পেতে সময় লাগেনি। তাই সিনে দুনিয়ায় আমন্ত্রণ পাওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার।
ক্যারিয়ার শুরুর তিন বছরের মাথায় ‘আশিকী’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে অভিষেক হয় ফারিয়ার। এরপর ‘হিরো ৪২০’, ‘বাদশা–দ্য ডন’, ‘ধ্যাততেরিকি’, ‘প্রেমী ও প্রেমী’, ‘বস-২’, ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’, ‘বিবাহ অভিযান’, ‘শাহেনশাহ’, ‘অপারেশন সুন্দরবন’, ‘পাতালঘর’, ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ থেকে শুরু করে ‘জ্বিন-৩’ পর্যন্ত আরও বেশ কিছু সিনেমায় ধারাবাহিকভাবে অভিনয় করে জয় করেন দর্শকহৃদয়। এ সবই পুরোনো কথা, যা কম-বেশি সবারই জানা। এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে, আবার কেন এই পুরোনো প্রসঙ্গ তুলে আনা? এর উত্তর একটাই–নুসরাত ফারিয়ার সেই পরিচয়কে তুলে আনা, যা ঝড়োবৃষ্টির সময়ে ক্ষণে ক্ষণে দেখা পাওয়া বিদ্যুৎ চমকের মতো। সেই পরিচয় হলো কণ্ঠশিল্পী নুসরাত ফারিয়ার; যার দেখা মেলে ঠিক দু-তিন বছর পরপর।
২০১৮ সালে হঠাৎ করেই কণ্ঠশিল্পী হিসেবে আবির্ভাব ঘটে নুসরাত ফারিয়ার। প্রীতম হাসানের সুরে তাঁর গাওয়া ‘পটাকা’ গানটি নিয়ে সে সময় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল অনেকের মাঝে। গানের চেয়ে মিউজিক ভিডিও বেশি নজর কেড়েছিল দর্শক-শ্রোতার। প্রথম গান বলে বিষয়টি শখের বলে ধরে নিয়েছিলেন সবাই।
দুই বছর পর ২০২০ সালে যখন মাস্টার ডি’র সঙ্গে ‘আমি চাই থাকতে’ শিরোনামে আরেকটি গান প্রকাশ করেন, তখনই মূলত ফারিয়ার কাছে প্রত্যাশা তৈরি হতে থাকে সংগীতপ্রেমীদের। তা বুঝতে পেরেই হয়তো গানের নিরীক্ষা থামিয়ে রাখেননি ফারিয়া। সেই সুবাদে ২০২৩ সালে শ্রোতারা তাঁর কণ্ঠে শুনতে পান তৃতীয় গান ‘বুঝি না তো তাই’। মামজি স্ট্রেঞ্জারকে নিয়ে ফারিয়ার এই আয়োজন অনেকের নজর কেড়ে নিয়েছিল। তারপরও দীর্ঘ সময় এই তারকা দেখা দেননি গানের ভুবনে।
অবেশেষে আড়াই বছরের বিরতি ভেঙে ফারিয়া ফিরলেন ‘লোকে বলে’ গানের মাধ্যমে। যেখানে সুরের সফরসঙ্গী হয়েছেন খ্যাতিমান সংগীতায়োজক ফুয়াদ আল মুক্তাদির। ফোক ও পপ সুর-সংগীতের মিশ্রণে তৈরি করা ‘লোকে বলে’ গানের কথা লিখেছেন তাহজিব এম বন্ধন। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ফুয়াদ আল মুক্তাদির। গানের কোরিওগ্রাফির পাশাপাশি মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন ভারতীয় নির্মাতা বাবা যাদব।
সম্প্রতি এসভিএফ ও বিলিং মিউজিক-এর ইউটিউব চ্যানেলে একযোগে গানটি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশের পরপরই সংগীতপ্রেমীদের মাঝে সাড়া ফেলতে শুরু করেছে গানটি।
এর জন্মবৃত্তান্ত জানাতে চাইলে ফারিয়া বলেন, ‘বুঝি না তো তাই’ গানটি প্রকাশের পরপরই ‘লোকে বলে’র পরিকল্পনা শুরু। কথা, সুর-সংগীতের অনেক কাটাছেঁড়ার পরই তৈরি হয় গানটি। কিন্তু দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এটি প্রকাশ করা হয়ে ওঠেনি। প্রায় সময় নিজের প্লে-লিস্টে রাখা এই গানটি হেডফোনে শুনতাম। নিজেই গাইতাম গুনগুন করে। গুনগুন করতে গিয়ে মাঝে মাঝে মন খারাপ হতো–গানটি হয়তো শ্রোতার কানে পৌঁছে দিতে না পরায়। তারপরও কল্পনা করতাম, গানটি শ্রোতা শুনছেন; যাদের অনেকের মুখে মুখে ফিরছে গানটি, কেউ কেউ এর তালে তালে নাচছেন।'
তার কথায়, ‘অবশেষে সেই কল্পনা সত্যি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফের কারণে। তারা গানটির ভিডিও নির্মাণ সেভাবেই করেছে, যেভাবে পরিকল্পনা সাজানো হয়েছিল। তবে সব কিছুর পর ভালো লাগা এখানেই যে, গানটি দর্শক-শ্রোতার মনোযোগ কেড়ে নেওয়ায়; যার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে, কণ্ঠশিল্পী নুসরাত ফারিয়ার যাত্রাটা এখনই শেষ হওয়ার নয়।’
06/04/2026
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী আয়োজনে পারফর্ম করার পাশাপাশি অফিশিয়াল অ্যালবামেও জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয়। একই অ্যালবামে বিশ্বখ্যাত রক ব্যান্ড দ্য রোলিং স্টোনস, পপ তারকা শাকিরা, রেগেটন কিংবদন্তি ড্যাডি ইয়াঙ্কি এবং আফ্রোবিটস তারকা বার্না বয় ও রেমার মতো বৈশ্বিক মিউজিক আইকনের গান স্থান পেয়েছে।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে খবরটি জানিয়েছেন সঞ্জয়। সঞ্জয় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর এই অর্জন এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসেতে বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সংগীতচর্চা শুরু করেন। বিশ্বের বড় মঞ্চে গান তৈরির স্বপ্ন দেখতেন বলেও উল্লেখ করেন।
সঞ্জয় লেখেন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে পারফর্ম করার সুযোগ পাওয়া এবং একই সঙ্গে অফিশিয়াল অ্যালবামের অংশ হতে পারা অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
পোস্টে সঞ্জয় আরও লেখেন, এই অর্জন শুধু তার একার নয়, বরং এমন সব তরুণের জন্য অনুপ্রেরণা—যাদের স্বপ্ন অনেক বড়, এবং যারা তা পূরণে চেষ্টা করে।
পোস্টে সঞ্জয় জানান, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাকে যুক্ত হওয়া গানটির শিরোনাম ‘সির সির’। এই প্রকল্পে তাঁর সঙ্গে আরও আছেন নোরা ফাতেহি ও ভেজড্রিমের মতো আন্তর্জাতিক শিল্পীরা।
এর আগে সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিশ্ববিখ্যাত তারকারা একই মঞ্চে থাকবেন। বিষয়টি এখনও অবিশ্বাস্য মনে হয়। তারা এমন শিল্পী, যাদের কাজ আমি বহু বছর ধরে অনুসরণ করেছি। এখন তাদের সঙ্গে একই বৈশ্বিক আয়োজনে অংশ নেওয়া দারুণ অনুভূতির। সবচেয়ে বড় কথা, এটি প্রমাণ করে যে, সংগীতের কোনো সীমান্ত নেই। ভিন্ন সংস্কৃতি ও দেশের শিল্পীদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকা আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করে।
যৌথভাবে এবার ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। তিন দেশেই আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে। তিন দেশে উদ্বোধনী ম্যাচগুলোর আগে পারফর্ম করার জন্য বিভিন্ন দেশের শিল্পীদের ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করেছে ফিফা। তালিকায় আছেন বাংলাদেশের তরুণ গায়ক ও ডিজে সঞ্জয়। তিনি পারফর্ম করবেন মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ব্ল্যাকপিঙ্ক সদস্য লিসার মতো তারকাদের সঙ্গে।
জন্ম শ্রীমঙ্গলে হলেও সঞ্জয়ের শৈশব কেটেছে চট্টগ্রামের লাভ লেন এলাকায়। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বেড়ে ওঠেন এবং সেখানকার বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশ তাঁর সংগীতচর্চাকে সমৃদ্ধ করেছে বলে জানান। পরিবারে সংগীতের পরিবেশ ছিল বলেও উল্লেখ করেন—তাঁর মা গান করতেন এবং নানি-ও সংগীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
376 Birchmount Road
Toronto, ON