Menhaz
I’m a freelance Writer,
Exercise Journalism and Hobbyist Photographer.
05/03/2026
রিজওয়ানা হাসানের পুরো ২৫ মিনিটের সাক্ষাৎকারটা দেখলাম। তার বক্তব্য থেকে শতভাগ পরিষ্কার, সে "উগ্রবাদী" শক্তির কথা মীন করেছে।
যারা মাজার ভেঙ্গেছে, যারা নারীর প্রতি কটূক্তি করেছে, যেসব "উগ্রবাদী"কে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তাদের কথা বলেছে।
নারীর প্রতি কটূক্তি প্রসঙ্গে রিজওয়ানা ব্যাখ্যা করেছে - তারা একপর্যায়ে ক্ষমাও চেয়েছে। এটা পরিষ্কারভাবেই হেফাজতের রেফারেন্স।
এই পর্যান্ত কোথাও রিজওয়ানা জামাতের কথা বলেনি।
সাংবাদিক যখন পাল্টা জিজ্ঞেস করেছে - সেই "উগ্রবাদী" শক্তির একাংশ (অর্থাৎ জামাত) তো এখন বিরোধী দলে।
রিজওয়ানা তখনও জামাতকে পুরো দায় দেয়নি। উল্টো বলেছে, তাদের একটা অংশ "যদি এখন বিরোধী দলে হয়েও থাকে", তাহলে আমাদের কাজ হবে তাদের রাজনীতির যেটুকু অংশ নারীবাদের, নারীর ক্ষমতায়নের বিরুদ্ধে, সেটুকু নিয়ে কাজ করা।
অর্থাৎ পুরো জামাতের রাজনীতির বিরোধিতা করার কথাও রিজওয়ানা বলেনি।
এরপর তার আগের বক্তব্যের সুর ধরে কন্টিন্টিউ করেছে - কখনও যেন এই জাতীয় শক্তি (অর্থাৎ উগ্রবাদী, হেফাজতি, মাজার ভাঙ্গা, নারীবিদ্বেষী শক্তি) মেইনস্ট্রিম হতে না পারে, সেটা আমরা করতে পেরেছি। আমরা তাদেরকে মেইনস্ট্রিম হতে দেইনি।
পুরো সাক্ষাৎকারে "নির্বাচন" নিয়েও কোনো কথা হয় নাই। রিজওয়ানা বলছে উগ্রবাদীদেরকে মেইনস্ট্রিম হতে না দেওয়ার কথা। মেইনস্ট্রিম হওয়ার সাথে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নাই।
এই বক্তব্যে ক্ষেপার কথা ছিল হেফাজতের। অথচ অনলাইনে পুরো জামাত-শিবিরের সবাই দাবি করছে, রিজওয়ানা নাকি জামাতকে ক্ষমতায় আসতে দেয় নাই।
একটা "মেধাবী" দলের টপ টু বটম সবার কম্প্রিহেনশন ক্ষমতা এত লো ক্যামনে হয় ভাই?
-তোহা
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.
Type
Contacter l'entreprise
Téléphone
Site Web
Adresse
Paris
75000