Software System Lab

Software System Lab

Share

This is a Software company.

18/01/2019

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বরাবরই একজন আলাদা মানুষ। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী হলেও নিয়ম মানতে পছন্দ করেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর এমনই একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাপক ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি আর দশটা সাধারণ মানুষের মতোই লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার সংগ্রহ করেছেন। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তাঁর একটি ছবি গত মঙ্গলবার ফেসবুকে ছেড়ে দেন মাইক গ্যালোস নামের এক ব্যক্তি।

ইন্ডিয়া টাইমস অনলাইনের খবরে জানানো হয়, মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ফাস্ট ফুড পছন্দ করেন। প্রায়ই তিনি দোকান থেকে তা কিনে খান। তাঁকে ওয়াশিংটনের বুলেভুয়ের বার্গারমাস্টারে প্রায়ই দেখা যায়। তবে গত সপ্তাহে তাঁকে সিয়াটলের আরেকটি স্থানীয় বার্গারের দোকানের সামনে লাইনে দেখা যায়।

Eprothom Alo
মাইক্রোসফটের সাবেক কর্মী মাইক গ্যালোসের পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তিটি সাধারণ প্যান্ট ও জ্যাকেট পরে পকেটে হাত ঢুকিয়ে বার্গারের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁকে ক্ষুধার্ত মনে হলেও তিনি লাইন ভেঙে সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেননি।

গ্যালোস বলেন, ছবিটি তিনি তোলেননি। তিনি এটি রোববার মাইক্রোসফটের সাবেক আরেক কর্মীর কাছ থেকে পেয়েছেন।

ডেইলি মেইল অনলাইনের খবরে বলা হয়, ছবিতে বিল গেটসকে লাল রঙের সোয়েটার পরে থাকতে দেখা যায়। গত রোববার তিনি ওই লাইনে দাঁড়ান। তিনি যে বার্গার খেতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন, এতে সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৬৮ মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে তাঁর। মাইক্রোসফট অ্যালুমনাই গ্রুপে আগে ওই ছবিটি পোস্ট করা হয়। এরপর থেকে ওই ছবিটি ১২ হাজারের বেশি শেয়ার হয়েছে।

বর্তমানে বিল গেটসের সম্পদের পরিমাণ ৯৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আরও সংবাদ
বিষয়:
খবরাখবরতারকা


দেশে ‘ফু’ ব্র্যান্ডের এয়ারফোন

ফেসবুককে টপকে শীর্ষে হোয়াটসঅ্যাপ

চরবৃত্তির সন্দেহে হুয়াওয়ের অর্থ আর নেবে না অক্সফোর্ড

মাউসই যখন কম্পিউটার

জাকারবার্গকে নিয়ে নতুন চলচ্চিত্র?

মন্তব্য ( ৪ )
মন্তব্য করতে লগইন করুন অথবা নিবন্ধন করুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
অবাক হবার কিছু নেই, এটা তাঁদের সমাজের সভ্যতা।


User Picture
Jalal Uddin Rumi
Salute Boss!


User Picture
Nd.Mikhail Haque khan
এত বার্গার খাওয়ার কি দরকার, মনে হয় উনার কাজকর্ম নেই আয় রোজগার কমে গেছে।


User Picture
Rashidullah
এ থেকে বুঝা যায় তাঁর নিরহঙ্কারী স্বভাব...দার্শনিক মন, আরো অনেক কিছু।


সব মন্তব্য
দেশে ‘ফু’ ব্র্যান্ডের এয়ারফোন
আগের সংবাদ

গণমাধ্যমে নতুন চিঠি এরশাদের
বাংলাদেশ

ডাকসু নির্বাচন: হলে ভোটকেন্দ্রের পক্ষে-বিপক্ষে
বাংলাদেশ৭

সাকিবের কাছে হেরে গেলেন ওয়ার্নার
খেলা

প্রথম থেকেই কাদেরের মনে হয়েছে ঐক্যফ্রন্ট টিকবে না
বাংলাদেশ২০

প্রথম আলো
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

প্রচ্ছদ
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
অর্থনীতি
খেলা
মতামত
বিনোদন
ফিচার
জীবনযাপন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
রস+আলো
পাঁচমিশালি
আমরা
শিল্প ও সাহিত্য
শিক্ষা
ছবি
ভিডিও
আর্কাইভ
বিজ্ঞাপন
সার্কুলেশন
পবিত্র হজ
দূর পরবাস
উত্তর আমেরিকা
২২২২১ট্রাস্টপ্রতিচিন্তাকিশোর আলোকিশোর আলোabc রেডিও
Prothom Alo is the highest circulated and most read newspaper in Bangladesh. The online portal of Prothom Alo is the most visited Bangladeshi and Bengali website in the world.
Privacy Policy | Terms of Use
© স্বত্ব প্রথম আলো ১৯৯৮ - ২০১৯
সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান
প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন,
২০-২১ কারওয়ান বাজার , ঢাকা ১২১৫
ফোন: ৮১৮০০৭৮-৮১, ফ্যাক্স: ৯১৩০৪৯৬,
ইমেইল: [email protected]

01/01/2019

Happy New Year 2019 will be peace and happiness for everyone.

22/12/2018

This is the First Time softsyslab company offering Brand New T -shirts

17/12/2018

Happy Victory Day

30/10/2018

অবসরে যাওয়ার আগে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য জ্যাক মার দেওয়া তিনটি অনন্য শিক্ষা

সফল উদ্যোক্তাদের ব্যাপারে আমাদের কিছু সাধারণ ধারণা আছে। আমরা মনে করি সফল উদ্যোক্তারা যেমন স্মার্ট, তেমনি আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা সম্পন্ন হয়ে থাকে। তাহলে বিশ্বখ্যাত ইকমার্স কম্পানি আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মার গল্পটা ভিন্ন হলো কেন? ১৯৯৫ সালে জ্যাক মা যখন আলিবাবা শুরু করেছিলেন, তখন তার মধ্যে উপরে উল্লেখিত তিনটি বৈশিষ্ট্যের কো

জ্যাক মা একজন শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এবং বর্তমানে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলোর একটি আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী চেয়ারম্যান। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই ব্যবসায়ী চীনের তানজিন শহরে বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলনে বলেছিলেন, “আমাকে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে গড়ে তুলেছে একমাত্র আমার শিক্ষকতা পেশা।”

আলিবাবা শুরু করার আগে জ্যাক মা ৩০ বার বিভিন্ন চাকরি থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন এবং শেষমেশ সিদ্ধান্ত নেন ইন্টারনেটভিত্তিক কোনো কোম্পানি শুরু করার। অথচ তখন তিনি ইন্টারনেট এবং তথ্য প্রযুক্তি সম্বন্ধে কিছুই জানতেন না। জানতেন না, কীভাবে একটি কোম্পানি পরিচালনা করতে হয়। এমনকি ব্যবসার জন্য তার কাছে কোনো অভিনব আইডিয়াও ছিল না। কিন্তু ইংরেজির শিক্ষক জ্যাক মার প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করা এবং তাদের গড়ে তোলার আত্মবিশ্বাস এবং দক্ষতা ছিল। আর এই একটি দক্ষতা তাকে নিয়ে গেছে সাফল্যের সুউচ্চ শিখরে, জন্ম হয়েছে আলিবাবার।

বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্সের ২০১৮ সালে করা তালিকা অনুযায়ী ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সম্পদের অধিকারী জ্যাক মা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ব্যক্তি। ৫৪ বছর বয়সী এই সফল চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রতি অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। আজকের নিবন্ধে জ্যাক মার সেই গুরুত্বপূর্ণ তিনটি শিক্ষা বা পরামর্শ নিয়ে আলোচনা করব।

১. আমি অফিসে মরতে চাই না
তানজিন শহরের এই ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক ফোরামে দ্রুত অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জ্যাক মা স্পষ্ট ভাবে বলেন,

আমি অফিসে মরতে চাই না। বরং সমুদ্রসৈকতে মরতে চাই। সমুদ্র সৈকতে মরতে পারলে আমি অনেক খুশি হব।

নিজের শিক্ষকতা জীবনের গল্প বলতে গিয়ে জ্যাক মা বলেন, “আমি একজন শিক্ষক ছিলাম। এটা কোনো ভাবেই একজন উদ্যোক্তা হওয়ার প্রবণতা নয়। কিন্তু সময় গড়ানোর সাথে সাথে একটি ভালো টিম পেয়ে যাই। কিন্তু সব সময় ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় না। আমরা যদি আমাদের ভাগ্যকে প্রসারিত করতে চাই, তবে অন্যদের জন্য বেশি বেশি সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। যার মাধ্যমে আপনি নিজেকেই আসলে বেশি সুযোগ দিতে পারবেন।”

জীবনের অর্থ এবং উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি বলেন, “আপনার জন্মই হয়েছে জীবনকে উপভোগ করার জন্য এবং নতুন নতুন জিনিস দেখার এবং স্বাদ নেওয়ার জন্য, শুধুমাত্র কাজের জন্য নয়। গত ২০ বছরে অনেক কিছুর প্রতি আমার আগ্রহ জন্মেছে। কিন্তু সে আগ্রহ এবং আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার যথেষ্ট সময় এবং সুযোগ আমার হাতে ছিল না। কিন্তু আজ আমার হাতে নতুন কিছুর স্বাদ নেওয়ার যথেষ্ট সময় এবং সুযোগ আছে।”

জ্যাক মা আশি নব্বই বছর বয়স পর্যন্ত কাজ করতে রাজি না। তিনি বলেন, “অন্যান্য দেশ এবং ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করুন। সেখানে আশি নব্বই বছর বয়সী চুল পাকা ব্যবসায়ী আছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে এই প্রবণতা সেকেলে। নতুন নতুন শখ মেটানোর জন্য আমার হাতে এখন পর্যাপ্ত সময় আছে। আমি চীন এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোতে দেখাতে চাই, ৯০ বছর বয়স পর্যন্ত সাফল্যের জন্য যুদ্ধ করার প্রয়োজন নেই।”

২. কেন আপনি নিজের লোকদের জন্য টাকা ব্যয় করবেন?
জ্যাক মার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, মানুষের পেছনে অর্থ ব্যয় করা। সফল ব্যবসায়ীদের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো, তারা মানব সম্পদ উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করেন। জ্যাক মাও মানব সম্পদ উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করার পরামর্শ তিনি বলেন, “একজন ব্যবসায়ী হিসেবে সবসময় আমার প্রধান চিন্তা হল, কোথা থেকে অর্থ আসে এবং তা কোথায় ব্যয় হয়। শিক্ষা গ্রহণের জন্য সবাই হার্ভার্ডে যেতে পারে না। তাই যাদের শিক্ষা গ্রহণের সামর্থ্য নেই, তাদের উন্নয়নে আমাদের অর্থ ব্যয় করা উচিত।”

জ্যাক মা অবকাঠামো উন্নয়নের চেয়ে মানব সম্পদ উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। কেননা উন্নত অবকাঠামো নতুন অবকাঠামো সৃষ্টি করতে পারে না। কিন্তু শিক্ষিত এবং দক্ষ মানব সম্পদ ক্রমাগত নতুন নতুন উন্নত অবকাঠামো এবং সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

৩. সফল হতে হলে স্মার্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই
আপনি যদি মনে করে থাকেন, সফল হতে হলে আপনাকে স্মার্ট হতে হবে, তবে আপনি ভুল ভাবছেন।

দূরদর্শী চীনা ব্যবসায়ী জ্যাক মা বলেন,

আমি যখন ব্যবসা শুরু করেছিলাম তখন ব্যবসা পরিচালনা এবং প্রযুক্তি সম্বন্ধে আমার কোনো ধারণা ছিল না। সফল হওয়ার জন্য আপনাকে বেশি কিছু জানতে হবে না। আপনাকে শুধু আপনার চেয়ে স্মার্ট মানুষ খুঁজে বের করতে হবে।

“কয়েক বছর ধরে আমি ক্রমাগত আমার চেয়ে বেশি স্মার্ট কিছু মানুষ খুঁজেছি। যখন আপনি কিছু স্মার্ট মানুষ খুজে বের করতে পারবেন, তখন আপনার দায়িত্ব হলো এই স্মার্ট মানুষগুলোকে একসাথে কাজে লাগানো। যখন এই স্মার্ট মানুষগুলো একসাথে কাজ করবে, তখন আপনার লক্ষ্য খুব সহজেই পূরণ হবে। আপনার প্রধান দায়িত্ব হলো, এই স্মার্ট মানুষগুলোকে একসাথে কাজ করানো। কেননা অনেক বোকা মানুষ একসাথে কাজ করতে পারে, কিন্তু স্মার্ট মানুষেরা সবসময় একসাথে কাজ করতে পারে না।”

জ্যাক মা তরুণদের জন্য পরামর্শ দিয়ে বলেন, ” ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে আপনি কোনো কোম্পানিতে কাজ করে ভালোভাবে কাজ শেখার চেষ্টা করুন। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে আপনি যা করতে চান ,তা শুরু করে দিন। এই সময় আপনি ব্যর্থ হতেও পারেন। কিন্তু ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সের মধ্যে আপনি যে কাজটা সবচেয়ে ভালো পারেন, তাই করুন। সবসময়ই আকর্ষণীয় কাজটি বেছে নিবেন না, বরং নতুন কিছু বেছে নিন। এতে বিপদ থাকলেও সাফল্যের সম্ভাবনা অনেক বেশি।”

৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সে আপনি প্রশিক্ষণ এবং পরবর্তী প্রজন্মের উন্নয়নে কাজ করুন, আর ৬০ বছর পার হবার পর আপনি অবসর সময় কাটানো শুরু করুন।

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in London?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


269 Sprowstone
London
10000

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm