The Freethinking Humanists -Adra

The Freethinking Humanists -Adra

Share

uplift cultural reform . complete seculer & spread human rights movement

15/05/2026

#কে এই গুলিয়া দা?
তাঁর স্পষ্ট উচ্চারণের বাংলায় থমকে যান ক্রেতা। বালুরঘাটে একশো পেরোনো মারোয়াড়ি পরিবারের সন্তান গুলিয়া ওরফে নির্মল। গান্ধীজীর ব‍্যবহৃত চশমা,অমর্ত‍্য সেনের বিয়ের কার্ড থেকে কেরোসিনে চলা ফ্রিজ,তাঁর দেরাজের স্বপ্নসুখ। ক‍্যামেরার বিবর্তন দেখতে ছুটে আসেন বহু মানুষ,এই আগরওয়াল হাউজে। ব‍্যক্তিগত সংগ্রহে বিরাট জাদুঘরের প্রাণপুরুষ গুলিয়াদা। এ গেল নেশার কথা। আর পেশা বা প‍্যাশন হল কাপড়ের রেশন ডিলার।স্পষ্ট কথায় সাবসিডিতে সর্বহারাকে কাপড় বেচেন এই কালপুরুষ।
যে দোকানে দিনরাত সব সাবলটার্ন মানুষের ভিড়।রিকশাওয়ালা থেকে দিনমজুর।কেন আসবে না?গুলিয়াদা যে এ শহরের মধুসূদন দাদা।অগতির গতি,অকূলের কূল,অনাথের নাথ। এক বিপদভঞ্জন অবাঙালি। মেয়ের বিয়ে,চোখে জল। হাজারটাকায় বেণারসী মেলে এ দোকানে। হলুদকোটার ছাপাশাড়ি? হাসতে হাসতে দিয়ে দেন একশোতে। সাথে পরিস্থিতি খারাপ মনে হলে বরের দুটো ধুতি ফ্রি। সেবার এক চাষীকে প্রণামীর চারখানা জামদানি জলের দরে দিয়েই বললেন,আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ। তাই রৌদ্রছায়ায় কন‍্যাদায়গ্রস্ত অসংখ‍্য বাবামায়ের ভরসাস্থল বুড়াকালীবাড়ি লাগোয়া এ জমিন। আত্রেয়ীপাড়ের লোক বলেন মিথ। যেখানে দয়ার আশমান দিনেরাতে মিশে একাকার। শীতের জ‍্যাকেট? ঈশ্বরের মত দুশো।সে তো দোকান নয়,একটা মন্দির! মাঘের শীতে লাইন পড়লে" মৃতসাহেবের" বদনাম জুটেছিল তবু অনড় গুলিয়াদা। সব কথা সমীপেষু করে পানতাফুরনো মানুষকে সাজিয়ে তোলাই যে ওনার প‍্যাশন। চুনসুড়কির দোকানছাদ হালে মেরামত করেছেন। বলতেন,ওটাই নাকি গরীবের স্টাইলস্টেটমেন্ট। এ শ্রেণি আলো,পারফিউমে ভয় পায়। তাই আধুনিকতার মাঝেও ক্ষয়ে যাওয়া ধ্বস্ত ক্রেতাকে মনে রেখে,বাতানুকূল মেশিনের পাশে এখনও এখানে লুকোচুরি খেলে কড়িবরগার ছাদ। জীর্ণ পুরাতন গ্লাসের আলমারি ভেসে যায়নি। বরং গরীবের স্মৃতিদাগ ছড়িয়ে আছে দোকানময়। আশ্চর্য একতলায় দরদাম করে শুকনো মুখের ক্রেতা আর সিঁড়ি ভেঙে দোতলায়, ব্র‍্যান্ডের বড়লোকি হাট।অফুরান আলো । এভাবেই শহরের হতদরিদ্র মানুষের সুখ,হাসিকেও মণিমুক্তোর মত আরকাইভে ধরে রেখেছেন আজীবন। নির্মাণ করেছেন হতভাগ‍্যের এক বিপুল জাদুঘর। প্রত‍্যহ প্রিজার্ভ করে চলেছেন গরীবের চাঁদের হাসি,ডেলেবারের আনমল স্মৃতিসুধা। ছেলেদের হাতে ধরে শিখিয়েছেন ,পকেটখালি ক্রেতা চিনবে কি করে?কোন ভাষায় পড়তে হবে তাদের দুর্যোগলিপি ? এটাই গুলিয়াদা। শেষ হয়েও যেন হইল না শেষের মত চরিত্র। কি বলা যায়? অন্তেবাসী শালরজঙ! মফস্বলের নিঃসঙ্গ নিজাম! নাকি ভবসাগরে ভাসমান মনোস্তাত্ত্বিক মিউজিয়ামের সারেঙ! নাকি সকল নিয়ে বসে থাকা এক দীনদয়াল!আদতে তিনি ব‍্যক্তির ঘনায়মান র্সবনাশে রুখে দাঁড়ানো এক পথিক। ভাবতে ভাবতেই নিকটের কালিবাড়িতে সন্ধ‍্যারতি শুরু হয়। ঢাক বাজে অদূরে।দোকানঘরের মাঙ্গলিক ধূপের ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে গুলিয়াদার মুখ। মনে হয় যেন আস্ত দেবাংশী। আত্রেয়ী পাড়ের প্রথম অবাঙালি দেবাংশী। যাঁর কথা কোন পুরাণে লেখা ছিলনা কোনদিন।

08/05/2026

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি
নট, নাট্য পরিচালক এবং থিয়েটার ব্যক্তিত্ব জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায় (৮মে)

জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায় ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি নট, নাট্য পরিচালক এবং থিয়েটার ব্যক্তিত্ব।

১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাংলা নাট্যজগতে অবদানের জন্য দীনবন্ধু পুরস্কার লাভ করেন।

তিনি পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমির সভাপতিও ছিলেন।

জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের ৫ জুলাই ব্রিটিশ ভারতের অধুনা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর কলকাতার শ্যামবাজারে। পিতা জগদীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়। তাঁদের আদি নিবাস ছিল ঢাকার বিক্রমপুরে।

১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে বিক্রমপুরের কামারখাড়া হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। কৈশোরেই তিনি অভিনয়ের প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়েন। তাঁর আগ্রহ দেখে অজিত মিত্র নিয়ে আসেন ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশনে।

একরকম বাড়ির অমতেই তিনি ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে আইপিটিএ তথা ভারতীয় গণনাট্য সংঘে যোগ দেন। গণনাট্য সংঘে তাঁর অভিনীত প্রথম নাটক ছিল ঢেউ ।

শুধু বাংলা রঙ্গমঞ্চ নয় যাত্রাজগৎ ও ছায়াছবিতে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য।

১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে তিনি মাস থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন।

তবে ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে গণনাট্য সংঘ ছেড়ে আসার পর সক্রিয় হন এবং "কাঁচঘর" মঞ্চস্থ করেন।

মাস থিয়েটার নিয়ে গ্রাম-গঞ্জ শহরে নাটক করেছেন। তবে ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় সুধীর মুখোপাধ্যায় পরিচালিত পাশের বাড়ী ছবিতে।

চলচ্চিত্রে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন 'জোসেফ'-এর চরিত্রে সত্যজিৎ রায়ের ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে মুক্তিপ্রাপ্ত অভিযান ছবিতে।

তিনি ঋত্বিক ঘটক, মৃণাল সেন এবং তপন সিনহার মতো বিখ্যাত পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

তিনি দীর্ঘ পঞ্চাশ বৎসরের অভিনয় জীবনে ১১২ টি ছায়াছবিতে ঋত্বিক ঘটক , মৃণাল সেন, রাজেন তরফদার, তপন সিনহা, তরুণ মজুমদার প্রমুখ বিখ্যাত পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

বিশ্বরূপা, কাশী বিশ্বনাথ মঞ্চসহ বাংলার রঙ্গমঞ্চ ছাড়াও যাত্রাজগতেও অংশ নেন। ভারতী অপেরায় "মাস্টারদা সূর্য সেন" যাত্রাপালায় অভিনয় করেন।

চলচ্চিত্রে, রঙ্গমঞ্চে অভিনয়ের পাশাপাশি ছবির পরিচালনা, নাটক রচনা নাট্যনির্দেশনার কাজ করেছেন।

সুখেন দাসের সঙ্গে যৌথ পরিচালনার দায়িত্ব ছিল ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে মুক্তিপ্রাপ্ত অচেনা অতিথি ছবিটির। ছবিটি ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে হিন্দিতে অনজানে মেহমান নামে প্রদর্শিত হয়েছিল।

তাঁর একার দায়িত্বে নির্মিত হয়েছিল স্বীকারোক্তি (১৯৭৬) ও বনশ্রী (১৯৮৩)।

চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবে তিনি সেভাবে প্রশংসিত না হলেও নাট্য নির্দেশক হিসাবে তাঁর কাজ প্রশংসিত হয়েছেন। 'চরৈবতি', মুক্তির উপায়', 'মল্লিকা' সহ দশটিরও বেশি নাটক রচনার পাশাপাশি প্রায় তিরিশটি নাটক পরিচালনা করেছেন।

পেশাদার মঞ্চ, যাত্রাজগৎ ছাড়াও তিনি বেতার নাটক, দূরদর্শন ধারাবাহিকেও অভিনয় করেছেন।

জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায় ২০০০ খ্রিস্টাব্দ হতে আমৃত্যু পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে দীনবন্ধু পুরস্কার লাভ করেন।

২০০৮ খ্রিস্টাব্দের ৮ মে কলকাতায় প্রয়াত হন।

১৯৫২ পাশের বাড়ি
১৯৫৩ বাঁশের কেল্লা
১৯৫৪ আজ সন্ধ্যায়
১৯৫৫ শাপ মোচন
১৯৫৮ অযাত্রিক
১৯৫৮ বাড়ি থেকে পালিয়ে
১৯৬০ মেঘে ঢাকা তারা
১৯৬০ বাইশে শ্রাবণ
১৯৬০ উত্তর মেঘ
১৯৬০ গঙ্গা
১৯৬১ অর্থ
১৯৬১ মেঘ
১৯৬১ আজ কাল পরশু
১৯৬২ অগ্নিশিখা
১৯৬২ অভিযান
১৯৬২ কাজল
১৯৬২ কুমারী মন
১৯৬২ বেনারসী
১৯৬৩ দুই নারী
১৯৬৩ পলাতক
১৯৬৩ ছায়াসূর্য
১৯৬৪ সপ্তর্ষি
১৯৬৪ বিভাস
১৯৬৫ আকাশ কুসুম
১৯৬৫ প্রথম প্রেম
১৯৬৬ সুশান্ত সা
১৯৬৬ অশ্রু দিয়ে লেখা
১৯৬৭ খেয়া রূপক
১৯৬৮ ছোট্ট জিজ্ঞাসা
১৯৬৮ রক্তলেখা
১৯৬৯ তেরো নদীর পারে
১৯৭০ শান্তি
১৯৭০ এই করেছো ভালো
১৯৭০ নল দয়মন্তী
১৯৭১ নিশাচর
১৯৭১ এখানে পিঞ্জর
১৯৭১ সোনা বৌদি
১৯৭১ নিমন্ত্রণ
১৯৭১ অন্য মাটি অন্য রং
১৯৭২ অর্চনা
১৯৭২ মা ও মাটি
১৯৭২ আজকের নায়ক
১৯৭২ বহুরূপী
১৯৭২ অচেনা অতিথি
১৯৭৪ সাধু যুধিষ্ঠিরের কড়চা
১৯৭৪ জীবন রহস্য
১৯৭৫ নতুন সূর্য
১৯৭৫ প্রিয় বান্ধবী
১৯৭৬ ছুটির ঘন্টা
১৯৭৬ স্বীকারোক্তি
১৯৭৭ প্রাণের ঠাকুর রামকৃষ্ণ
১৯৭৭ যুক্তি তক্কো আর গপ্পো
১৯৭৭ হাতে রইল তিন
১৯৭৭ ফুলশয্যা
১৯৭৮ রজনী
১৯৭৮ঈ টুসি
১৯৭৮ করুণাময়ী
১৯৭৮ মা ছিন্নমস্তা
১৯৭৮ বেঞ্জার সাহেব
১৯৭৮ বালক শরৎচন্দ্র
১৯৭৯ যত মত তত পথ
১৯৭৯ অরুণ বরুণ কিরণমালা
১৯৭৯ সমাধান
১৯৭৯ পম্পা
১৯৮০ সন্ধি
১৯৮০ অভি
১৯৮০ রাজাসাহেব
১৯৮১ সৎমা
১৯৮১ খনাবরাহ
১৯৮১ মা বিপত্তারাণী চণ্ডী
১৯৮১ প্রতিশোধ
১৯৮১ স্বামী স্ত্রী
১৯৮২ মেঘের পরে মেঘ
১৯৮২ সমর্পণ
১৯৮২ ছুটি
১৯৮৩ বনশ্রী
১৯৮৩ মুক্তির দিন
১৯৮৪ রাজেশ্বরী
১৯৮৪ বাগদী পাড়া দিয়ে
১৯৮৫ অজান্তে
১৯৮৬ পরিণতি
১৯৮৬ বসুন্ধরা
১৯৮৭ তানিয়া
১৯৮৭ দোলনচাঁপা
১৯৮৮ আঘাত
১৯৮৮ পুনর্মিলন
১৯৮৯ শত্রুপক্ষ
১৯৮৯ জজ সাহেব
১৯৯০ ব্যবধান
১৯৯০ একটি জীবন
১৯৯০ সংক্রান্তি
১৯৯০ স্বর্ণা
১৯৯০ শেষ আঘাত
১৯৯২ অধিকার
১৯৯৩ প্রেমপূজা
১৯৯৩ ঈশ্বর পরমেশ্বর
১৯৯৩ পাষণ্ড পণ্ডিত
১৯৯৪ গজমুক্তা
১৯৯৫ বৌমণি
১৯৯৫ দাগী
১৯৯৬ মিস মৈত্রেয়ী
১৯৯৭ অভিশপ্ত প্রেম
১৯৯৭ দামু
১৯৯৭ প্রতিরোধ
১৯৯৭ তারিণী তারা মা
১৯৯৮ মায়ের অধিকার
১৯৯৮ মানুষের জন্য
১৯৯৯ নিয়তি
২০০১ দুর্গা
২০০১ জয় বাবা লোকনাথ
২০০৩ দেবীপূজা
২০০৩ আলো

Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization in Adra?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


24 Khuli
Adra
723121