Holy Star Academy

Holy Star Academy

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Holy Star Academy, School, Village Chakiarchhara, PO Nishiganj, PS Mathabhanga, District Coochbehar, Cooch Behar.

29/06/2023

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি তারা। তিনি তার রচনাশৈলী দিয়ে যেমন একদিকে বাংলা সাহিত্যকে নতুন উচ্চতাতে নিয়ে গেছেন ঠিক তেমনি তিনি বন্দে মাতরমের মতো মহান ও অমর রচনা দিয়ে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে এক নতুন জীবন দিয়েছিলেন। আজ তার জন্মদিনের বিশেষ উপলক্ষে আমরা আপনাদের সামনে তার জীবন কাহিনীটি তুলে ধরতে চলেছি।

২৬ শে জুন, ১৮৩৮ সালে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটি শহরের কাছে কাঁঠালপাড়া নামেরে এক গ্রামে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম হয়। তিনি তার পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও মাতা দুর্গাসুন্দরী দেবীর তৃতীয় এবং সবথেকে ছোটো ছেলে ছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুই দাদার নাম হলো শ্যামাচরণ চট্টোপাধ্যায় ও সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শৈশব বেলা থেকেই পড়াশোনার দিকথেকে প্রচন্ড মেধাবী ছিলেন। তিনি মাত্র একদিনের মধ্যেই বাংলা বর্ণমালা আয়ত্ত করে ফেলেছিলেন। তার প্রাথমিক শিক্ষা কাঁঠালপাড়া গ্রামে শুরু হলেও তা সেখানে সম্পূর্ণ হয়নি। তিনি কাঁঠালপাড়া গ্রামে আট দশ মাস পড়াশোনা করার পর বাবা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাথে মেদিনীপুরে চলে আসেন এবং মেদিনীপুরেই তিনি তার প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। এখানে তিনি ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করেন।

মেদিনীপুরে ৫ বছর ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করার পর তিনি কাঁঠালপাড়ায় ফিরে আসেন। এখানে তিনি শ্রীরাম ন্যায়বাগীশের কাছে বাংলা ও সংস্কৃতের পাঠ নিতে শুরু করে দেন। তার পর ১৮৪৯ সালে হুগলী মহসিন কলজে ভর্তি হন এবং সেখানে ৮ বছরে জন্য পড়াশোনা জারি রাখেন। এর পর ১৮৫৬ সালে তিনি আইন পড়ার জন্য কলকাতায় প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। তিনি ১৮৫৯ সালে বিএ পরীক্ষা দেন এবং কলেজের প্রথম দুজন গ্র্যাজুয়েটের মধ্যে একজন হয়ে ওঠেন।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১১ বছর বয়সে নারায়নপুর গ্রামের মােহিনীদেবী নামক এক পঞ্চমবর্ষীয়া বালিকার সাথে তার প্রথম বিয়ে করেন। কিন্তু দূর্ভাগ্যবসত ১৮৫৯ সালে তার প্রথম স্ত্রী মারা যান। এর পর ১৮৬০ সালে হালি শহরের বিখ্যাত চৌধুরী পরিবারে কন্যা রাজলক্ষী দেবীর সঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিয়ে হয়।
পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি যশোর শহরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টরের পদে চাকরি পান। যশোরে কয়েক বছর কাজ করার পর ১৮৬০ সালে তিনি মেদিনীপুরের নেগুয়ায় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসাবে যোগদান করেন। তার পর খুলনাতে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসাবে যোগদান করেন। এই ভাবেই তিনি বেশকিছু এলাকার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসাবে কাজ করেন। যেমন –

বারুইপুর
মুর্শিদাবাদ
আলিপুর
জাজপুর (কটক)
হাওড়া
ঝিনাইদহ
Etc.
এর মাঝে তিনি ১৮৭১ সালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টরের পদ থেকে প্রমোশন পেয়ে তিনি মুর্শিদাবাদের কালেক্টর হয়ে ওঠেন।

সব শেষে ১৪ ই সেপ্টেম্বর ১৮৯১ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় চাকরি জীবন থেকে অবসরগ্রহণ করেন।

ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, ডেপুটি কালেক্টর ও কালেক্টরের পদের অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে কাজ করার জন্য ব্রিটিশ সরকার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ১৮৯১ সালে রায় বাহাদুর খেতাব এবং ১৮৯৪ সালে কম্প্যানিয়ন অফ দ্য মোস্ট এমিনেন্ট অর্ডার অফ দ্য ইন্ডিয়ান এম্পায়ার খেতাব দিয়ে সম্মানিত করেন।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সাহিত্য সম্রাট বলার পেছনে মূল কারন হলো তার উপন্যাস, প্রবন্ধ গ্রন্থ ও বিবিধ। তার লেখা প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হয়ে ওঠে। তিনি এই উপন্যাস মাত্র চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সে লিখে ছিলেন। তিনি মোট ১৫টি উপন্যাস লিখেছিলেন যার মধ্যে একটি ইংরেজি ভাষার উপন্যাসও ছিলো। তার রচনাশৈলী এতটাই ভালো ছিল যে বর্তমানে তার স্মরণে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বঙ্কিম পুরস্কার নামক একটি পুরস্কার বাংলা কথাসাহিত্যিকদের দিয়ে থাকে।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস:-

Rajmohans Wife – (১৮৬৪)
দুর্গেশনন্দিনী – (১৮৬৫)
কপালকুণ্ডলা – (১৮৬৬)
মৃণালিনী – (১৮৬৯)
বিষবৃক্ষ – (১৮৭৩)
ইন্দিরা – (১৮৭৩)
যুগলাঙ্গুরীয় – (১৮৭৪)
চন্দ্রশেখর – (১৮৭৫)
রাধারাণী – (১৮৮৬)
রজনী – (১৮৭৭)
কৃষ্ণকান্তের উইল – (১৮৭৮)
রাজসিংহ – (১৮৮২)
আনন্দমঠ – (১৮৮২)
দেবী চৌধুরাণী – (১৮৮৪)
সীতারাম – (১৮৮৭)

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ:-

লোকরহস্য (১৮৭৪)
বিজ্ঞান রহস্য (১৮৭৫)
কমলাকান্তের দপ্তর (১৮৭৫)
বিবিধ সমালোচনা (১৮৭৬)
সাম্য (১৮৭৯)
কৃষ্ণচরিত্র (১৮৮৬)
বিবিধ প্রবন্ধ (১ম খন্ড-১৮৮৭, ২য় খন্ড-১৮৯২)
ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন (১৮৮৮)
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (১৯০২)
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর মৃত্যু
৮ ই এপ্রিল, ১৮৯৪ (২৬ শে চৈত্র ১৩০০ বঙ্গাব্দ) সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বহুমূত্র রোগে আক্রান্ত হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে যান। তবে তার রচনাশৈলীর মাধ্যমে তিনি আজও আমাদের মধ্যে অমর হয়ে রয়েছেন।

29/06/2023

স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় (২৯ জুন ১৮৬৪ - ২৫ মে ১৯২৪) বাঙালি শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন।
স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ১৮৬৪ সালের ২৯ জুন সোমবার অধুনা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী শহর কলকাতার বৌবাজারের মলঙ্গা লেনে একটি ভাড়াটিয়া বাড়িতে সেসময়ের ভবানীপুর অঞ্চলের বিখ্যাত চিকিৎসক গঙ্গাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও জগত্তারিণী দেবীর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। এই মুখোপাধ্যায় পরিবারের আদিবাস ছিল অধুনা পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার জিরাট-বলাগড় গ্রামে ৷
আগাগোড়া মেধাবী ছাত্র আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ১৮৭৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। তিনি ১৮৮৪ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ডিগ্রি ও ১৮৮৫ সালে গণিতে এম.এ পাস করেন। এর পরের বছরে তিনি পদার্থবিদ্যায় এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৮৮৪ সালে ঈশান বৃত্তি লাভ করেন এবং ১৮৮৬ সালে প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বৃত্তি পি.আর.এস. অর্জন করেন। আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ জ্যামিতির ওপর তার কাজের স্বীকৃতি প্রদান করে।
আশুতোষ মুখোপাধ্যায় স্বাধীনচেতা মানুষ ছিলেন। তার জীবনের প্রধান লক্ষ্য ছিল কলকাতা হাই কোর্টের বিচারক হওয়া। ১৮৮৮ সালে তিনি বি.এল. ডিগ্ৰী লাভ করেন এবং তখন থেকেই আইন ব্যবসা শুরু করেন। আইন পেশার পাশাপাশি তিনি তার অ্যাকাডেমিক পড়াশোনা চালিয়ে যেতে থাকেন। ১৮৮০ থেকে ১৮৯০ সালের মধ্যে বিভিন্ন জার্নালে তিনি উচ্চতর গণিতের ওপর প্রায় বিশটির মতো প্রবন্ধ প্রকাশ করেন।

ইন্ডিয়ান অ্যাসোশিয়েসন ফর দি কালটিভেশন অব সায়েন্স-এর সাথে তিনি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং ১৮৮৭ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে তিনি গণিতের ওপর একাধিক লেকচার প্রদান করেন। তার দুটি অসাধারণ অ্যাকাডেমিক অবদান হলো ১৮৯৩ সালে প্রকাশিত জিওমেট্টি অব কোণিক্স এবং ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত ল অব পারপিচুইটিস। ১৯০৮ সালে তিনি ক্যালকাটা ম্যাথেমেটিক্যাল সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৯৪ সালে তিনি ল’ এর ওপর ডক্টরেট ডিগ্ৰী লাভ করেন এবং ১৮৯৮ সালে ট্যাগোর ল প্রফেসর হন। ১৯০৪ সালে তিনি কলকাতা হাই কোর্টে বিচারপতির পদে অধিষ্ঠিত হন।

এর আগে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো ও ১৮৮৯ সালে এর সিন্ডিকেটের সদস্যের পদ অলংকৃত করেন। তিনি ১৮৯৯ থেকে ১৯০৩ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। ১৯০২ সালে লর্ড কার্জন তাকে বিশ্ববিদ্যালয় কমিশনের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত করেন। ১৯০৬ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদে অধিষ্ঠিত হন এবং ১৯১৪ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

তার উপাচার্য হিসেবে থাকাকালীন সমগ্র সময়টি বাংলায় স্বদেশীদের বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন ছিল তুঙ্গে। জাতীয়বাদীরা সমালোচনা করে যে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ঔপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থায় জনসম্পদের উন্নয়ন ও জাতি গঠনের পারিপার্শ্বিক অবস্থা ছিল না। সতীশচন্দ্র মুখার্জীর মতে এ পুঁথিগত, কেতাবি ও অবৈজ্ঞানিক শিক্ষাব্যবস্থা ব্রিটিশ রাজের জন্য কেবল কারণিক তৈরি করছিল। ফলে ১৮৯৫ সালে সতীশচন্দ্র মুখার্জীর প্রতিষ্ঠিত ভগবত চতুস্পতি-এর মাধ্যমে শুরু হয় জাতীয় শিক্ষা আন্দোলন। এটি মূলত ভারতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিয়ে অগ্রসর হয়। ১৯০২ সালে এ প্রতিষ্ঠানটি ডন সোসাইটিতে রূপান্তরিত হয়। ১৯০২ থেকে ১৯০৬ সালের মধ্যে এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মডেল হিসেবে কাজ করে।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষা জাতীয় উদ্দেশ্য লাভে ব্যর্থ হয়। ১৯০৪ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন-এ জাতীয় শিক্ষার পরিধি আরও একটু সীমিত হয়ে যায়। কারণ এ আইনের বলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ সরকার মনোনীত ইউরোপীয়দের হাতে চলে যায়। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল প্রশাসন ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে যে কোন ধরনের জাতীয়তাবাদী আদর্শের অণুপ্রবেশ বন্ধ করা। তাদের আরও চেষ্টা ছিল স্বদেশী বুদ্ধিজীবী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন কলেজ সমূহকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অন্তর্ভুক্ত হতে না দেওয়া। ১৯০৪ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন ও ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ জাতীয়তাবাদী চেতনাকে দারুণভানে উজ্জীবিত করে তোলে।

ঠিক এসময়ে সরকারের প্রয়োজন ছিল আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মতো একজন ব্যক্তিত্ব। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মপ্রচেষ্টাকে আশুতোষ সমর্থন করেন নি। তার মতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় একটি অ্যাকাডেমিক ঐতিহ্য স্থাপন করেছে যা আমাদের রক্ষা করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত পাশ্চাত্য শিক্ষাকেও জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করা সম্ভব। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার চেয়েছিলেন, বিপ্লব চান নি। সরকার অনুভব করেছিল যে, আশুতোষ মুখার্জীর তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপদ থাকবে, রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে না।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোর মধ্যে থেকেই প্রায় সব জাতীয়তাবাদমূলক বিষয়কে কার্যকর করেছিলেন। তিনি কলেজ স্ট্রীট ও রাজাবাজার ক্যাম্পাসে কলা ও বিজ্ঞান শাখার জন্য নতুন বিভাগসমূহ স্থাপন করেন এবং ‘দেশী ভাষা’ ও ‘প্রাচীন ভারতের ইতিহাস’ বিভাগ দুটি চালু করেন। বিদেশী ও ভারতীয় বহু খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ প্রফেসর হিসেবে বিভিন্ন বিভাগে নিযুক্ত হন। তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে সমস্ত বিভাগের সিলেবাস প্রণয়নে তত্ত্বাবধান করেন। তিনি ছাত্রদের কল্যাণের জন্য যেমন উদ্বিগ্ন থাকতেন, তেমনি শিক্ষা ও পরীক্ষার ব্যাপারেও তিনি তাদের আগ্রহ সৃষ্টিতে অণুপ্রেরণা দিতেন।

তিনি ১৯২১ থেকে ১৯২৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো উপাচার্যের পদে অধিষ্ঠিত হন। এ সময়েই তিনি কলা ও বিজ্ঞান শাখার পি.জি. কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হন। ১৮৮৯ সাল থেকেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেটের সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন। তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অণুপ্রেরণা। রাজনীতির সাথে জড়িত না হয়েই তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাশ্চাত্য ও জাতীয় শিক্ষার সুফলগুলি অত্যন্ত সফলতার সাথে সংযু্‌ক্ত করেন। এভাবে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক রেনেসাঁস ঘটিয়ে ফেলেন।

জাতীয় শিক্ষা কাউন্সিল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে জাতীয়তাবাদী চেতনার বহিঃপ্রকাশ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় অভিষ্ঠ লক্ষ্যে তাদের কাজকর্মে কোন অংশেই পিছিয়ে ছিলনা। তবে কারিগরি ও প্রযুক্তিবিদ্যায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অবদান বেশি রাখছিল। তখন পর্যন্ত ঔপনিবেশিক প্রভাব থাকার কারণে আশুতোষ মুখার্জী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের চরিত্রে সম্পূর্ণ পরিবর্তন সূচিত করতে পারে নি।

আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ১৯২৩ সালে কলকাতা হাইকোর্ট ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯২৪ সালের ২৫ মে পাটনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

26/05/2023

বিদ্ৰোহী কবি তুমি কাজী নজরুল ইসলাম। গানে কাব্যে জড়িয়ে আজও সর্বত্র তোমার নাম।। আজ তোমার জন্মদিবসে আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণাম .

Want your school to be the top-listed School/college in Cooch Behar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Culinary Team

Attire

Telephone

Address


Village Chakiarchhara, PO Nishiganj, PS Mathabhanga, District Coochbehar
Cooch Behar
736157