Freedom_Group

Freedom_Group

Share

যে সকল পাঠকপাঠিকা সাদা পাতায় কালো অক্ষরে ঘটনার চেয়ে বেশী কিছু খোঁজেন, তাদের জন্য ফ্রিডমের বই!

17/06/2026

26
বইয়ের নাম - ওপাশে অন্ধকার
লেখক - তন্দ্রা বন্দোপাধ্যায়
দাম - Rs 330/-
প্রকাশক - ফ্রিডম গ্রুপ

তন্দ্রা বন্দোপাধ্যায়, বর্তমান বাংলা সাহিত্যে একটি উজ্জ্বল নাম। তন্দ্রার মায়া কলমে বারংবার মিশে যায় বাস্তব, স্বপ্নবাস্তব এবং পরাবাস্তবের সীমানা। ঝরঝরে গদ্য ভাষায় ঠাস বুননের কাহিনী পড়তে পড়তে পাঠকমন অজান্তেই হারিয়ে যায় এক অসীম সম্ভাবনাময় জগতে। তন্দ্রার সাম্প্রতিকতম এই বইটিতে রয়েছে দুটি উপন্যাস

সেতুর নীচে
অন্ধকারের ওপাশে

প্রাপ্তিস্হান
কলেজ স্ট্রিট - ফ্রিডম কাউন্টার, বুকফার্ম শো রুম
অনলাইন - boichitro.in, versoz.com

16/06/2026

সাতটি সাতরকমের ভয়ের, আতঙ্কের গল্প। লেখকের সঙ্গে জনাকীর্ণ দক্ষিণ কলকাতা থেকে ব্রাজিলের গভীর অরণ‍্যে বিচরণ করতে করতে পাঠক উপলব্ধি করবেন আমাদের চারপাশটা আমরা আসলে কতটা কম চিনি। ঝকঝকে দিনের আলা বা গভীর রাতের আঁধার - যেকোনো সময় আমরা দেখে ফেলতে পারি জেনে ফেলতে পারি এমন কিছু যা আমাদের অস্তিত্বের ভিতটাকেই নড়িয়ে দেবে। ভয়ের সংজ্ঞা নিয়ে নতুন করে ভাবার সাহস করতে পারলে আপনাকে পড়তে হবে অপসপ্তক।

বইয়ের নাম - অপসপ্তক
লেখক - ঐষিক মজুমদার
প্রকাশক- ফ্রিডম গ্রুপ
মূল‍্য - 299/-

প্রাপ্তিস্হান
কলেজ স্ট্রিট- ফ্রিডম কাউন্টার, বুকফার্ম শো রুম
অনলাইন - boichitro.in, versoz.com

16/06/2026

পরের দিন সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখি টাইগার রাস্তার একটা বেড়ালের সঙ্গে ঝগড়ায় ব্যস্ত। তড়িঘড়ি বাইরে বেরিয়ে ওকে কোলে তুলে ধমক দিতেই দেখলাম দিলীপ বোস দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাস্তার উলটোদিকে। হাতে বাজারের ব্যাগ। পানের দোকানের লাল্টু কাকার সঙ্গে কথা বলছেন।
একটা টোটো রাস্তা পার হল বলে জলদি ছুটে যেতে পারলাম না, টোটোটা পেরিয়ে যাওয়ার পর দেখি তিনি বাড়ির উদ্দেশে হাঁটা দিয়েছেন। টাইগারকে কোলে নিয়েই ওর পিছু নিলাম আমি।
“কাকু? ও দিলীপকাকু? এক মিনিট দাঁড়ান। কাকু!”
দিলীপ বোস বোধহয় আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন না। চার-মাথার মোড়ে যেতেই একটা অটো একদম আমার গা ঘেঁষে বেরিয়ে গেল, টাইগার প্রচণ্ড ভয়ে আমার কাঁধ খামচে ধরেছে। একটু ধাতস্থ হতেই দেখলাম দিলীপ বোস নামক সেই ভদ্রলোক আমার সামনে নেই, যেন বেমালুম মিলিয়ে গেছেন। মনে পড়ল, ফলো করার সময় মাঠটা খেয়াল করা হয়নি।
ফেরার পথে মাঠের কাছে গিয়ে আবার হতবাক হয়ে গেলাম। বাড়িটা দাঁড়িয়ে রয়েছে। টাইগারকে কোল থেকে নামিয়ে দিলাম, ও বাড়ি চিনে চলে যাবে।
মাঠটাতে পা রাখতেই আমার সারা শরীর জুড়ে অদ্ভুত একটা শিহরণ খেলে গেল। বাড়িটার চারদিকে অজস্র গাছপালা, কিন্তু আগাছা নয়। ফুলগুলো চিনি না, কিন্তু দেখে মনে হচ্ছে যত্ন করা হয় নিয়মিত। কিছু ক্যাকটাস গাছও রয়েছে। কতক্ষণ ওইভাবে দাঁড়িয়ে ছিলাম মনে নেই, চটক ভাঙল একটা গলার আওয়াজে।
“আরে! তুই কখন এলি?”
পেছন ঘুরতেই আমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করল। দিলীপ বোস দাঁড়িয়ে আছেন, হাতে বাজারের ব্যাগ।
“আপনি আমায় চেনেন?” একটু ঢোঁক গিলে বললাম।
দিলীপ বোসের মুখে অমায়িক হাসি। “চিনি মানে? গরমে কি তোর মাথা কাজ করছে না? আয় ভেতরে আয়।”
ভদ্রলোক বাজারের ব্যাগ হাতে বাড়ির ভেতরে ঢুকলেন। আমি কিন্তু এই ভদ্রলোককে চিনি না, দুদিন আগে ছাড়া কোনওদিনও দেখিনি। এমনকি কাল রাতেও বাবা, মা, বাবাই প্রত্যেকেই আমাকে বলেছে এই নামে পাড়ায় কেউ থাকে না। ঘরে ঢুকতেই গাছগাছালির বুনো ঠান্ডায় আমার গরমে তেঁতেপুড়ে যাওয়া মাথাটা বেশ হালকা হয়ে এল। ছোট্ট একফালি বারান্দায় বেতের চেয়ারে বসতেই দিলীপ বোস ভেতর থেকে দইয়ের ঘোল ভর্তি একটা গ্লাস নিয়ে এসে আমার হাতে দিলেন। আমতা আমতা করছিলাম, খাওয়া উচিত হবে কি?
আমার উলটোদিকের চেয়ারে বসলেন দিলীপ বোস, কাকু বলাই উচিত মনে হয়। তিনি নিজেও একটা স্টিলের গ্লাস নিয়ে বসলেন।

- দিলীপ বোসকে কেউ চেনেন?

মাত্রাহীণ
লেখক - পারমিতা ঘোষ পাকড়ে
মূল‍্য - 340/-
দ্বিতীয় মুদ্রণ
প্রকাশক- ফ্রিডম গ্রুপ

প্রাপ্তিস্হান
কলেজ স্ট্রিট- ফ্রিডম কাউন্টার, বুকফার্ম শো রুম
অনলাইন - boichitro.in, versoz.com

13/06/2026

কিঞ্চিৎ দ্বিধাগ্রস্ত পদে রাজনন্দিনীর শয়নকক্ষে প্রবেশ করে সমুখের স্বর্ণখচিত আসনে দেহভার ন্যস্ত করেন অর্জুন।
দুই করতলে উদ্বেলিত বক্ষ চেপে ধরে নিজেকে সংবৃত করেন কৃষ্ণা। হে ঈশ্বর শক্তি দাও। জিহ্বাকে শাণিত কর। মস্তিষ্ক সচল থাক তীব্র মাত্রায়। এই রাত্রি যেন বৃথা না যায়।
‘বল দেবী। কী সে প্রয়োজন যার কারণে এই রাত্রে লোকনিন্দার ভয় ত্যাগ করে আমায় আহ্বান করেছ?’ কৌতূহলী স্বরে প্রশ্ন করেন অর্জুন।
‘লোকনিন্দা?’ দ্রৌপদীর শাণিত কণ্ঠস্বরে তীব্র ব্যঙ্গ ঝরে পড়ে।
‘লোকনিন্দা তো এখনও শুরু হয়নি পার্থ। শুরু হবে আগামী কাল থেকে। যখন এক নারী একসঙ্গে বরণ করবে পাঁচ পাঁচজন পুরুষকে। স্তব্ধ হয়ে দেখবে পৃথিবী। তারপর মুখর হবে নিন্দায়।’
‘নিন্দা কীসের সুকেশী? এ মাতৃআজ্ঞা!’
‘মাতৃআজ্ঞা!’ তীব্র শ্লেষে স্ফুরিত হয় দ্রুপদ তনয়ার গোলাপ পাপড়িতুল্য রক্তিম ওষ্ঠ।
‘মাতৃআজ্ঞাই কি শেষ কথা কুমার? আর কিছু নয়?’
‘আমি তোমার কথার মর্মাথ উপলব্ধি করতে পারছি না রাজকন্যা।’
‘উপলব্ধি করতে পারছেন না? না করতে চাইছেন না? পঞ্চভ্রাতা মিলে আমাকে বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নেবার পূর্বে একবার কি উচিত ছিল না যাকে বিবাহ করা হচ্ছে তার সম্মতি নেওয়ার?’
‘সম্মতি! কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বীর্যশুল্কে জয় করেছি তোমাকে দ্রুপদতনয়া।’ দৃঢ়, আত্মপ্রত্যয়ী অর্জুনের কণ্ঠ।
‘অবশ্যই। কিন্তু জয় করেছেন আপনি। শুধুমাত্র আপনি। আপনার বাকি চার ভ্রাতা নন। তাহলে কী হেতু তাদের কাছে লভ্যা আমি? জানতে পারি কি?’ অপূর্ব নয়নমনোহর ভঙ্গিতে ভ্রু উত্থিত করে প্রশ্ন করেন পাঞ্চাল রাজকন্যা।
‘মাতৃআজ্ঞা।’ একই বাক্য দ্বিতীয়বার উচ্চারণ করার সময় কিঞ্চিৎ দ্বিধান্বিত শোনায় অর্জুনের স্বর।
‘যিনি ঘুর্ণায়মান মৎসের চক্ষু বিদ্ধ করবেন তিনিই দ্রুপদনন্দিনীর বরমাল্য লাভ করবেন-- স্বয়ংবর সভায় এই শর্তই কিন্তু দেওয়া হয়েছিল। সেখানে মাতৃআজ্ঞার কোন স্থান ছিল না।’
‘মাতৃআজ্ঞা সর্বোপরি। কিন্তু তবু প্রশ্ন করি এই বিবাহে কি তুমি খুশি নও রাজকুমারী?’
প্রদীপ্ত নয়নে অর্জুনের দিকে তাকান কৃষ্ণা। ‘আপনি খুশি? না না। চক্ষু নত করবেন না তৃতীয় পাণ্ডব। বলুন আপনি সন্তুষ্ট তো?’

‌অচেনা মহাভারত
দ্বিতীয় সংস্করণ
লেখিকা - কাকলি ঘোষ
মুল্য – ২৯৯/
প্রকাশক - ফ্রিডম গ্রুপ
প্রাপ্তিস্হান - ফ্রিডম কাউন্টার, বুকফার্ম শো রুম
অনলাইন - versoz.কম, Boichitro.ইন

Want your business to be the top-listed Shop in KOLKATA?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Kolkata