Astrologer R.P. Research & practice
নিজের সম্পর্কে জানতে সঠিক জন্ম তারিখ,
26/11/2021
"Astro Private Tutor Class"
প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস
এই ক্লাস তাদের জন্য যারা হরস্কোপে অনেক সমস্যা থাকায় সব সবসময় নিজেকে গুটিয়ে রাখেন তাদের জন্য। দেখুন ইচ্ছার সাথে গ্রহরা কিভাবে ছুটে চলে। জ্যোতিষী দের জন্য ও কাজে লাগবে। ভিন্ন ভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
সেটা ছিল 2009 সদ্য পাশ করা জ্যোতিষী। যা শিখেছি তাই এপ্লাই করছি। আমি আমার এক পরিচিত কে ক্লায়েন্ট হিসেবে পেয়েছি।
আমার এই ক্লায়েন্ট এর পৈত্রিক কাপড়ের বিজনেস ( মানে ছোটোখাটো কারখানা আছে)। বিয়ের পর তাদের যৌথ পরিবারে ভাঙ্গন ধরে। বাবা সবার বিজনেস আলাদা করে দিলেন। কেউ পেলেন আপার পার্ট ( মানে শার্ট) আর কেউ পেলেন লোয়ার পার্ট ( আন্ডার ওয়্যার)।
আমার ক্লায়েন্ট উনি পেলেন আপার পার্ট। তখন উনার শনির সাড়েসাতি চলছিল। তখন দশা চলছিল চন্দ্র/রাহু। একদিকে শনির সাড়েসাতি, অন্যদিকে দশায় চন্দ্রগ্রহণ দোষ। পৈতৃক পরিবার ভেঙ্গে গেছে, পুরো দায়িত্ব নিজের উপর। নতুন সংসার, তারপর আবার বিজনেসের বাকি পড়ে আছে অনেক লক্ষ টাকা সেটা কিভাবে মার্কেট থেকে তুলবেন সেই চিন্তা। জীবন বহুমুখী সংকটে। হাতে তখন ছিল সাত টা স্টোন। কলকাতার নামকরা সব জ্যোতিষী গণ কে দেখানো হয়ে গেছে।
শ্রী গোপাল স্যারের ছাত্র আমি, তাছাড়া তখন গড়িয়াহাটে ভাগ্যচক্রে নতুন চেম্বার আমার। একদম নতুন জ্যোতিষী বাচ্চা ছেলে আমি। গড়িয়াহাটের ভাগ্যচক্র চেম্বার এর জেঠু আমাকে খুব পছন্দ করতেন। সেই সূত্রে অনেক ক্লায়েন্ট পেয়েছি। চেম্বার নেবার আগে জেঠু আমাকে একটা ভাগ্য পরীক্ষা নিয়েছিলেন। সেই পরীক্ষায় আমি খুব ভালোভাবে পাশ করেছিলাম। তার জন্য আমাকে কোনো প্রকার প্রচার করতে হয়নি, সব ক্লায়েন্ট জেঠু দিতেন। কি পরীক্ষা নিয়েছিলেন জানেন, আমার বয়স কতো? এটা শুনে আমি হেসেছিলাম আর বলেছিলাম এটা কোনো ব্যাপার। চেম্বারে আর কয়েকজন জ্যোতিষী ছিলেন। তারাও হাসছে কি বলি আমি! আমি বললাম আশি। আপনার বয়স আশি। কিন্তু এতো ভালো নিজেকে মেনটেন করছেন এই ব্রাহ্মণ মশাই, দেখে যে কেউ ভড়কে যাবে। বলবে 60 to 65. এটা আমি কিভাবে বললাম তার ব্যাখ্যা অন্যদিন দেবো, অবশ্যই আপনারা মনে করাবেন।
তখন আমার ফি ছিল 413. আমার স্যারের ফি ছিল 401.
আমি তার স্টুডেন্ট তাই আমার জ্ঞান বেশি আমার ফি 12 টাকা বেশি। এটার ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম স্যার আমাকে পুরো জ্ঞান দিয়েছেন, তাছাড়া আমি আপডেট ছেলে তাই আমার জ্ঞান বেশি, স্যারের অভিজ্ঞতা বেশি। সেখানে আমি Zero.
ফিরে আসি ক্লায়েন্ট কে নিয়ে। সত্যি কথা বলতে ট্রাডিশনাল জ্যোতিষী মতে এই হরস্কোপে অনেক প্রবলেম। দারিদ্র্য যোগ, অঙ্গারক যোগ, মতিভ্রম যোগ।
তারপর হাতে এতো স্টোন, এতো রেমেডি কিভাবে কি করবো।
আমি একটা কথাই বলেছিলাম দাঁত দিয়ে দাঁত কাটতে পারবেন, তাহলে আমার সাথে থাকুন। বললেন এর মানে, এর মানে হলো আজকের রজনীকান্ত এর রোবট সিনেমা। নিজের শরীরের সকল অংশ নিজেকেই খুলে ফেলতে হবে। পারবেন? চেম্বার থেকে বেরিয়ে গেলেন। জেঠু কে বললেন কি জ্যোতিষী বসিয়েছেন! জেঠু বললেন প্র্যাকটিক্যাল ছেলে লেগে থাকুন কাজ হবে। অনেক তো দেখালেন! ওর প্রেডিকশন এর সাথে কারো মিলবে না। নিজের প্রচারের জন্য দুঃখিত। কিন্তু জ্যোতিষ বিদ্যা কে ভিন্ন ভাবে প্রেজেনটেশন এর জন্য এইটুকু তো বলতেই হয়।
আমার ক্লায়েন্ট হলেন। সব স্টোন খুলে দিলাম। যদি বেঁচে থাকেন গঙ্গা স্নান করে সাতদিন পর দেখা করবেন। সাতদিন পর যথারীতি উনি আসলেন। উনাকে মন্ত্র দিলাম, রাহু, চন্দ্র, শনি, বৃহস্পতি। এতো মন্ত্র দিনে প্রায় দুলক্ষ। পুরো ব্রাহ্মণ বানিয়ে দিলাম। তাছাড়া দিলাম গাছের মূল যা রেপিড কাজ করে। কিন্তু মূলের পাওয়ার বেশি দিন থাকে না। এক মাসের মূল টা কে সাতদিন পর পর পাল্টে দিলাম। একমাস সময় দিলাম কাপড়ের বিজনেস গুটিয়ে ফেলুন। মার্কেটে যে টাকা পড়ে আছে এক মাসের মধ্যে যতটুকু পারেন তুলুন বাকি টা সৃষ্টিকর্তা র কাছে ফিক্সড ডিপোজিট করবো। ভালো সময়ে সুদে আসলে রিটার্ন নেবো। মার্কেট থেকে কয়েক লাখ টাকা উঠলো। আমি বললাম, আপনাকে এখন জমির দালালি করতে হবে, বা প্রমোটার হতে হবে। বললো এইসব লেভার দের সাথে কাজ, গালিগালাজ করতে হবে এইসব আমি পারবো না। তাহলে কি করে হবে। তখন জেলেদের মাছ ধরার প্রক্রিয়া অবলম্বন করলাম। যখন তারা বড়ো মাছ ধরার জন্য নদীতে ছিপ ফেলে, তখন অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনেকেই অধৈর্য হয়ে পড়ে। কারণ বড়ো মাছ ধরতে অনেক সময় লাগে। তখন পুঁটি মাছ ধরতে হয় ছোটো ছিপ, ছোটো হুক, ছোটো টোপ দিয়ে মানে হলো নিজেকে ব্যস্ত রাখা। সময় ও কেটে গেলো, মাছ ও ধরা হলো। কিন্তু লক্ষ্য স্থির বড়ো মাছ। দুবছর স্টিল কারখানায়, তার অনেক অভিজ্ঞতা হলো। উপস্থিত হলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। তাদের পৈতৃক ভিটে প্রমোটার নিয়ে নিলো। তার ভাগে পড়লো পঁচিশ লক্ষ টাকা। সেই সময় তার এক বন্ধু বললেন প্রমোটারি বিজনেস করবি। সঙ্গে সঙ্গে আমাকে কল করলেন। আমি বললাম অবশ্যই আমি তো এরি অপেক্ষায়। চার বন্ধু পঁচিশ লাখ করে এক কোটি নিয়ে বিজনেসে নামলেন। আর এখন নিজের প্রমোটারি বিজনেস আছে, অফিস আছে। গাড়ি বাড়ি কি নেই। সুখের সংসার এখন।
এখন প্রশ্ন হলো ওনাকে নিয়ে কাজ করার এতো সাহস কোথা থেকে পেলাম।
1 দারিদ্র যোগ।
যা তাকে বিশ্ব ব্যাংকের ফিলিংস দেবে। মনে হবে সব টাকা আমার । বিজনেস করার জন্য সব সময় কারো না কারো সহায়তা পাবে।
2 বুধ/কেতু কে আমি এখানে মতিভ্রম যোগ বলেছি। মানে উনি পৈতৃক ব্যবসা থেকে কোনোভাবেই বেরোতে চাইছিলেন না। এই যোগের জন্য প্রচন্ড রকম একনিষ্ঠতা চলে আসে। যদি কোনো কারণে তার বিষয় বা স্থান পরিবর্তন করা যায় আর ওখানে সেট করা যায়, তাহলে সর্বোচ্চ রেজাল্ট টা ওখান থেকে বের করে আনা যাবে।
3 রাহু/মঙ্গল হলো তাকে গতি দেবে ডমিনেটিং পাওয়ার দেবে। লেভার ক্লাস কে মেনটেন করার জন্য।
4 বৃহস্পতি রেট্রোগেড আছে। মানে আগের ঘরের রেজাল্ট দেবে। 50% রেজাল্ট দ্বিতীয় ঘরের জন্য দিলেই কোটিপতি।
গ্রহরা ঠিক আমার মনের মতো করে রেজাল্ট দিয়েছে। আজকে উনি কোটি কোটি টাকার মালিক। ভালো থাকুক উনি এবং উনার পরিবার।
ধন্যবাদ সবাইকে।
বেশি বেশি করে ইনভাইট করুন। সদস্য কিন্ত বৃদ্ধি হচ্ছে না! অনেক দিন এগারো হাজার এ আটকে আছে দৃষ্টিকটু লাগছে। মাঝে মাঝে কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে যায়।
24/11/2021
"Astro Private Tutor Class"
প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস
আজকে এই হরস্কোপ নিয়ে আলোচনা করবো। আপনাদের কিছু ভয় এবং আশংকা দূর করে দেবো। আর যারা নতুন জ্যোতিষী তাদের সহজ ভাবে প্রেডিকশন করার পদ্ধতি ও জানা হয়ে যাবে।
Let's Start
এই জাতিকার কুম্ভ রাশি মেষ লগ্ন। যদি সাধারণভাবে দেখি তার কি কি দোষ আছে, তাহলে দ্বাদশে মঙ্গল মাঙ্গলিক দোষ, অষ্টমে রবি শুক্র দারিদ্র্য যোগ, একাদশে রাহু চন্দ্র গ্রহণ দোষ। অষ্টম এবং দ্বাদশ খুব খারাপ অবস্থায় আছে। কিন্তু তথাপি ওনার কোনো প্রবলেম নেই। এবার প্রশ্ন কেনো নেই।
প্রশ্নের উত্তর এখানে। আমার কিছু রুলস আছে।
তার মধ্যে লগ্ন, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ভাব যে কোনো ভাবে যদি কিছুটা ভালো ফল দেয় তবে অন্য গ্রহ দেখার দরকার নেই।
এনার লগ্ন পতি, অষ্টম পতি দ্বাদশে বসে আছে তা মোটেই ভালো নয়।
এবার দ্বিতীয় ভাবে বৃহস্পতি বসে আছে। দ্বিতীয় ভাব থেকে আমরা জানতে পারি অর্থ, বাক শক্তি, পরিবার ( যখন আপনাদের ভাব নিয়ে পড়াবো তখন বুঝতে পারবেন)। বৃহস্পতি অর্থ এবং জ্ঞানের কারক গ্রহ। তাহলে কি বুঝতে পারলাম, এনার বৃহস্পতি ভালো অর্থ দেবে, যেহেতু ভালো জ্ঞান দিয়েছে তাই ভালো কথা বার্তা দেবে মানে ভালো ব্যবহার, ভালো পরিবার দেবে। তাহলে সবই প্রাপ্তি হলো। আমরা তো সারাজীবন ধরে এটাই আশা করি। এটা উনি ন্যাচারালি পেয়ে যাচ্ছেন খুব বেশি পরিশ্রম ছাড়াই। এটা এই জন্য সম্ভব হয়েছে রাহুর দশায় জন্মের পর বৃহস্পতির দশা পেয়েছে। বৃহস্পতি সেঁটে বসে গেছে, যেহেতু রেজাল্ট দেয় দশা। এখন চলছে শনি। শনি নিয়ে অল্প বলে দেই, শনি দশম পতি একাদশ পতি নবম স্থান মানে ভাগ্য ধর্ম পিতা এবং উন্নতির জায়গায় বসে আছে। দশম দেখে কর্ম। আর এই কর্ম উন্নতি এবং একাদশ ভাব সাফল্য দেখছে। যেহেতু তার একটা কর্ম আছে মানে চাকরি করছে তাহলে তার উন্নতি এবং সাফল্য হবে। এতো ভালো ভালো বলছি খারাপ কি নেই তবে। আছে, কি খারাপ হবে!! অষ্টম স্থান মৃত্যু স্থান। সে তো আমরা সবাই মরি। কিন্তু মৃত্যু ত্বরান্বিত যারা করে তারাও এই হরস্কোপে একটিভ। কিন্তু তারপরেও এই জাতিকা কে খারাপ কিছু বলতে পারলাম না। কারণ খারাপ কিছু নেই। মানুষ মরবে ঠিক আছে। কিন্তু মরার তো একটা কারণ লাগবে। তাই না! কারণ হলো ষষ্ঠ পতি। সেই ষষ্ঠ পতি বুধ নবমে বসে আছে বৃহস্পতির ঘরে কি করে দেবে সে মৃত্যুর কারণ। তারপর আবার তৃতীয় পতি যোগাযোগ । ঠিক আছে তাকে মৃত্যু বা মৃত্যু যন্ত্রণার যোগাযোগ ঘটিয়ে দেবে। কিন্তু বুধ তো ব্যস্ত বৃহস্পতি কে সাহায্য করতে কারণ বুধ বৃহস্পতির ঘরে। তাছাড়া শনির সাথে বসে, যাকে দিয়ে বা যার উপর ভর করে মৃত্যুর কারণ হবে। কিন্তু শনি তো তার কর্ম উন্নতি এবং সাফল্য দেখছে, তাহলে মৃত্যুর কারণ সে কি করে হয়।
দ্বাদশে মঙ্গল জেল হাজত, হসপিটাল এগুলো জানতে পারি। মঙ্গল এগুলো খুব ভালো পারে, তবুও তার কিছু হচ্ছে না। কারণ দশা পারমিট করছে না। মঙ্গল কে কেউ সাহায্য করছে না। বড়ো কারণ যেহেতু দ্বিতীয়ে বৃহস্পতি তার জ্ঞান আছে, তাই সে বেপরোয়া ভাবে গাড়ী চালায় না দুর্ঘটনা হবে। কারো সাথে গাঁয়ে পড়ে ঝগড়া করে না শত্রু তৈরি হবে। এবং সর্বোপরি সে তার লিমিটেশনের বাইরে ঋণ করে না, যার জন্য তার আইনি ঝামেলা হবে না। যদিও একটু হসপিটাল বা অন্যান্য ঝামেলা হয়, তার নিজস্ব ইনকাম সেটা দিয়ে সমাধান করে নেবে। কতো সিম্পলি প্রেডিকশন এবং পজিটিভ প্রেডিকশন যা ক্লায়েন্ট কে ভালো রাখবে।
বিয়ে করে বেশ সুখে আছে তিন বছর ধরে। একটা জায়গায় শুধু প্রবলেম সেটা পঞ্চম পতি অষ্টমে আবার পঞ্চমে কেতু বসে। নেক্সট ইয়ার তারা বেবি নেবে তাহলে সব ঠিক। এই সমস্যা কে এড়ানোর মতো শক্তি তার মধ্যে আছে। কারণ রবির উপর বৃহস্পতির দৃষ্টি আছে। অর্থ ব্যয় করে হলেও সেটা ভালো করে নেবে । এখন রেমেডির কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু যখন প্রবলেম শুরু হবে তখন শুধু প্রবলেম ই প্রবলেম। সেই আশা ও বিফল। ছয় বছর পর বুধ আসবে। বুধ গ্রহ তো ছয়, আট, বারো ভাবের সাথে কানেকশন নেই। তাই এই চিন্তা ও আপাতত নেই। তাই এই সিদ্ধান্ত ভগবানের সিস্টেমে এখন কোনো রেমেডি দরকার নেই। যেভাবে সিস্টেম সাজানো আছে সেভাবেই চলবে।
তাহলে কি দেখবো হরস্কোপে.......
বয়স অনুযায়ী মানুষের চাহিদা, রাশিচক্রে গ্রহদের অবস্থান এবং রেজাল্ট বা প্রাপ্তির জন্য দশা দেখতে হবে। কমপ্লিট।
আশা করি আপনাদের নিজেদের হরস্কোপ দেখে এভাবে সিম্পলি চিন্তা করবেন। সহজ জিনিস কে জটিল করার কোনো দরকার নেই। ধন্যবাদ সবাইকে।
বেশি বেশি করে ইনভাইট করুন। দুই দিনের মধ্যে বারো হাজার সদস্য দেখতে চাই, যদি এই গ্রুপকে ভালোবাসেন।
21/11/2021
Astro Private Tutor Class
চতুর্থ ক্লাস
আজকের পর্ব ইংরেজী লেটার কোনটা কোন গ্রহ। আমাদের নাম জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মৃত্যুর পরও আমাদের নাম জীবিত থাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম।
এইজন্য আমাদের নাম যদি কুষ্ঠী বা হরস্কোপের সাথে ম্যাচিং না হয়, তবে এই নাম আপনাকে বেশি দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না। এইজন্য হিন্দু মতে নামকরণ একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখন নামের প্রথম অক্ষর কোন গ্রহ দিয়ে শুরু হবে তা খুব একটা বিচার্য বিষয়। এখন দেখি কার নামের প্রথম অক্ষর কি বলে।
A - রবি গ্রহ কে ইন্ডিকেট করে। যদি কারো নামের প্রথম অক্ষর A দিয়ে শুরু হয়, তাহলে তার রবি গ্রহ খুব একটিভ। এখন এই রবি গ্রহ যদি হরস্কোপে ভালো পজিশনে থাকে, তাহলে তার প্রতিটি কাজ বা পদক্ষেপে রবি গ্রহের প্রভাব বেড়ে যাবে। এই রবি বা সূর্য গ্রহের জন্য তার জীবনে প্রতিষ্ঠা সুনাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।
B - চন্দ্র গ্রহকে ইন্ডিকেট করে। যদি কারো নামের প্রথম অক্ষর B দিয়ে শুরু হয়, তাহলে তার চন্দ্র গ্রহ খুব একটিভ। রাশিচক্রে যদি তার চন্দ্র ভালো অবস্থানে থাকে, তাহলে তার মন সবসময় ভালো থাকবে। মানসিকতা খুব উন্নত ধরণের হবে। মানুষের প্রতি তার আবেগ ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে। মানুষের জন্য সবসময় তার মন কাঁদবে। প্রকৃতির প্রতি তার খুব টান থাকবে। শিল্প কলায় আকর্ষণ থাকবে। ভালো কবিতা লিখবে।
C - হচ্ছে বৃহস্পতি। রাশিচক্রে যদি বৃহস্পতির অবস্থান ভালো থাকে, তবে বিদ্যা শিক্ষা ভালো হবে। আর্থিক অবস্থা ভালো হবে। খুব ভালো শিক্ষক হতে পারবে। সামাজিক সম্মান এবং স্বীকৃতি বৃদ্ধি পাবে।
D - হচ্ছে রাহু বা ইউরেনাস। রাশিচক্রে যদি রাহু বা ইউরেনাস এর অবস্থান ভালো থাকে, তবে তার আকর্ষণীয় ক্ষমতা খুব বৃদ্ধি পাবে। কাউকে সহজে আকর্ষিত করতে তার জুড়ি মেলা ভার। সর্বস্তরে তার বিচরণ থাকে। প্রতিটি কাজে তার সর্বোচ্চ আসনের প্রতি প্রচণ্ড লোভ থাকে। এক জায়গায় স্থায়ী হতে চায় না। উদ্ভাবনী শক্তি তার মধ্যে চির বিদ্যমান।
E - হচ্ছে বুধ গ্রহের অধীনে। রাশিচক্রে যদি বুধ গ্রহ ভালো থাকে, তবে তার মস্তিষ্ক খুব ভালো হবে। খুব চঞ্চল মতি ঠিক আছে, কিন্তু খুব দ্রুত কাজ করে ফেলবে। এক সাথে একাধিক কাজ করার প্রবণতা থাকবে। বিজনেস খুব ভালো করতে পারে। কমার্স নিয়ে পড়াশোনা করবে। CA হবে। ব্যাংক এ চাকরি করবে। বুধ গ্রহের জাতকের কথার জাদুতে সবাই কপোকাত হবে। সব সময় একটা বাচ্চা সুলভ আচরণ থাকবে।
F - হচ্ছে শুক্র গ্রহের অধীনে। রাশিচক্রে যদি শুক্রের অবস্থান ভালো থাকে, তবে তার মধ্যে সৌন্দর্য এবং শিল্পকলার অনেক গুণ থাকবে। মনের মধ্যে প্রেম ভালোবাসা, সৌন্দর্যবোধ থাকবে। ভালো রাঁধুনি হবে। ভোগ করতে খুব ভালোবাসবে। সবার সাথে একটা প্রীতির সম্পর্ক থাকবে। সবাই কে ক্ষমা করে দেবার একটা ভালো মন থাকবে। যেখানে সৌন্দর্য সেখানেই শুক্র ।
এই লেটার গুলোর সাথে সাথে গ্রহ নিয়ে কিছু কিছু আলোচনা করে দিয়েছি। আশা করি আপনারা তা বুঝতে পারবেন।
বেশি বেশি করে ইনভাইট করুন। ধন্যবাদ।
পরবর্তী ক্লাসে বাকি ছয়টা লেটার নিয়ে আলোচনা করবো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Kolkata