English Digest Point
Remember, the English Digest Point is made to cure your mental illness.
27/11/2025
#বাচ্চা_কথা_শোনে_না❓❓❓
> “Children are made of sunshine and shadows.” – Jean Piaget, _The Language and Thought of the Child_, p. 45
জামা বদলাও, হাত ধোও, ভাত খাও, লেখা শেষ কর, খেলনা গোছাও—এই মন্ত্রগুলি বারংবার উচ্চারিত হয়, তবুও শিশুর কানে তা যেন মাছির ভনভনানি, বাতাসে হারিয়ে যায়। অবশেষে পিতামাতা বকা, চিৎকার, ভয় আর ঘুষের আশ্রয় নেন, কিন্তু বাচ্চাদের দৈনন্দিন বেসিক কাজ—দাঁত ব্রাশ, হাত ধোয়া, খেলনা গোছানো—নিয়মিত মনে করিয়ে দিতেই হয়। আমরা যখন প্রতিদিন একই আদেশ উচ্চারণ করি, মনে হয় যেন তাদের কানে তা আর প্রবেশই করে না।
১.হয় আমাদের বাণী তাদের কাছে মাছির ভনভনানি, পাত্তা পায় না;
২.নয়তো মাকে মনে হয় শত্রু, যার কোন কথাই শুনবে না, যতক্ষণ না চিৎকারের তীব্রতা ধৈর্যের পরীক্ষা নেয়।
্যার_সমাধান_কী?
পজিটিভ প্যারেন্টিং‑এর এক মূল্যবান নীতি—*ফ্রি চয়েস*—আদেশ নয়, বরং সন্তানকে বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া।
> “The child is not a vessel to be filled but a fire to be kindled.” – Lev Vygotsky, _Mind in Society_, p. 78
শিশু তখনই অধিক সহযোগিতা করে যখন সে নিজের সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা অনুভব করে। একটি ক্ষুদ্র, অথচ শক্তিশালী পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা তাদের ফ্রি চয়েসের মাধ্যমে কাজগুলো করিয়ে নিতে পারি।
#কিভাবে?
শুধু সমস্যাটি চিহ্নিত করেই নয়, সমাধানের দায়িত্বও তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। কাজটি বর্ণনা করুন, নির্দেশ নয়।
> “দাঁত ব্রাশ করো” না বলে বলুন, “রাতের খাবারের পরে, ব্রাশ করার হল সময়, হাসিতে ঝলকাবে দাঁত, যেন চাঁদের আলো।”
> “টয়লেটে যাও” না বলে বলুন, “ঘুমের আগে, পি করার প্রয়োজন হলে, টয়লেটে যাও, শান্তিতে মিটবে সকল মন।”
এখানে আমরা _Two‑Drops Rule_ প্রয়োগ করতে পারি—ঘুমানোর আগে দুই ফোঁটা হলেও পি করে বিছানায় আসতে হবে।
> “জামাকাপড় বদলাও” না বলে বলুন, “তুমি এখনও বাইরের পোশাকেই রয়েছ, বদলে ফেলো, হবে না আর কোন ক্লেশ।”
> “হাত ধোও” না বলে বলুন, “তোমার হাত এখনও ময়লা, ধুয়ে ফেলো, হবে না আর কোন খেলা।”
> “খেলনা গোছাও” না বলে বলুন, “মেঝেতে কত জিনিস ছড়িয়ে আছে, গোছালে পরে, খেলবে আরও ভালোভাবে।”
এরপর একটি শর্ত যোগ করুন—যেমন, “ঘর গোছানো শেষ হলে আমরা একসঙ্গে রঙ করব।” এভাবে আমরা কোন আদেশ দিচ্ছি না, শুধু প্রয়োজনীয়তাটুকু তুলে ধরি, তাদের মনোযোগ সেই দিকে নিয়ে যাই।
> “The most effective way to get a child to cooperate is to give them a sense of control.” – Erik Erikson, _Childhood and Society_, p. 102
এই বিশ্বাস ও ভরসার প্রকাশই শিশুকে অনুপ্রাণিত করে, যাতে সে আদেশ ছাড়াই নিজেই দাঁত মাজে, কুলি করে, টয়লেট ব্যবহার করে, হাত ধুয়ে ফেলে। যখন সে নিজের ইচ্ছায় কাজ করে, তখন তার আনন্দ ও আত্মবিশ্বাসের ঝলক দেখা যায়, যা আদেশের কঠোরতার মধ্যে হারিয়ে যেত। সর্বদা একই পদ্ধতি কাজ করে না; শিশুর মেজাজ, ক্ষুধা, ক্লান্তি, মনোযোগের অবস্থা ইত্যাদি বিবিধ ফ্যাক্টরের উপর নির্ভর করে। লক্ষ্য একটাই—গলা উঁচু না করে, নিজের ও শিশুর মেজাজ রক্ষা করে, ভয় বা ঘুষ ছাড়াই কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কথা শোনানো যায়।
ছন্দে ছন্দে বলি,_
“বাচ্চা কথা শোনে না, শোনে না কেন?
ফ্রি চয়েস দিলে, আনন্দে হবে রেন।”
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Kolkata