Manas Halder
*addiction to camera*
15/04/2026
আর জানিনা কতরকমের জিহাদ দেখতে হবে। জমি জিহাদ, লাভ জিহাদ, জিম জিহাদ.. এবার সামনে এল করপোরেট জিহাদ। আসুন দেখা যাক, কি হয়েছিল, কিভাবে হয়েছিল টিসিএস নাসিকের "কর্পোরেট জিহাদ"।
মহারাষ্ট্রের নাসিক শহরে টিসিএসের বিপিও ইউনিটে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা শুধু একটি যৌন হেনস্থার মামলা নয়। এটি একটি সুপরিকল্পিত, বহুস্তরীয় চক্রান্তের উদাহরণ যেখানে কর্মক্ষেত্রের ক্ষমতাকে হাতিয়ার করে হিন্দু মহিলা কর্মীদের উপর ধর্মীয় ও যৌন শোষণ চালানো হয়েছে।
টিসিএস নাসিকের বিপিও ইউনিটে মোট প্রায় ৩০০ কর্মী কর্মরত ছিলেন, যার মধ্যে প্রায় ৪০ জন মুসলিম কর্মী ছিলেন। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী হিন্দু মহিলা কর্মীরা ২০২২ সাল থেকে অর্থাৎ প্রায় ২ থেকে ৪ বছর ধরে এই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মোট ৯টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন ৬ জন টিম লিডার এবং ১ জন এইচআর ম্যানেজার।
অভিযুক্তদের নাম: ড্যানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার, রাজা মেমন, শাহরুখ কুরেশি, শাফি শেখ এবং আসিফ আনসারি।
৬ ধাপের নিখুঁত মোডাস অপারেন্ডি। এই জিনিস জাস্ট এক দুজনের মাথা থেকে বেরোয় না, এর পেছনে রয়েছে অনেক দিনের প্রোগ্রাম, ট্যাকটিক্যাল অপারেশন ও ঢালাও ফাইন্যান্স এর যোগান। এবার এর ধাপগুলো দেখা যাক।
ধাপ ১। পরিকল্পনা ও টার্গেট নির্বাচন।
অভিযুক্ত মুসলিম কর্মীদের একটি আলাদা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছিল, যেখানে তারা পরবর্তী হিন্দু মেয়েকে কীভাবে টার্গেট করা হবে তা পরিকল্পনা করত। এমনকি একটি মেয়েকে একসাথে ৩ জন মিলে টার্গেট করার ঘটনাও উঠে এসেছে, যেখানে কে কোন ভূমিকা নেবে তা আগে থেকেই ভাগ করে নেওয়া হত।
ধাপ ২। ক্যারিয়ারের লোভ দেখানো।
টিম লিডার ও এইচআর ম্যানেজারের পদের সুবাদে অভিযুক্তরা মহিলা কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি, প্রমোশন এবং ভালো সুযোগের প্রলোভন দেখিয়ে কাছে টানত। এই ক্যারিয়ার ভিত্তিক ফাঁদটি ছিল প্রাথমিক দরজা। একবার মেয়েটি বিশ্বাস করলেই পরবর্তী ধাপ শুরু হত।
ধাপ ৩। উইকেন্ড ট্রিপের আড়ালে ফাঁদ।
অফিসের নামে রিসোর্ট বা ওয়াটার পার্কে নিয়ে যাওয়া হত। সেখানে ভেজা পোশাকে ছবি তোলা, শারীরিক ঘনিষ্ঠতা জোর করে স্থাপন করা এবং গোপনে ভিডিও বা ছবি তোলা হত, যা পরে ব্ল্যাকমেলের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হত। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল সুচিন্তিত। একজনকে মানসিকভাবে ভেঙে দেওয়ার জন্য।
ধাপ ৪। ব্ল্যাকমেল ও শারীরিক শোষণ।
আপোষকারী ছবি বা পরিস্থিতির ভয় দেখিয়ে ধারাবাহিক যৌন শোষণ চালানো হত। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে চাকরি হারানোর হুমকি দেওয়া হত, এমনকি তার পরিবারের সাথেও যোগাযোগ করার হুমকি দেওয়া হত। তৌসিফ আত্তার বিবাহের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন বলে অভিযোগ।
ধাপ ৫। ধর্মীয় চাপ ও ধর্মান্তরণের প্রচেষ্টা।
শারীরিক ও মানসিক শোষণের পর শুরু হত ধর্মীয় চাপের পর্যায়। অফিসের মধ্যেই নামাজ পড়তে এবং রোজা রাখতে বাধ্য করা হত। গরুর মাংস খেতে বাধ্য করা হত, এমনকি বেতন বৃদ্ধির বিনিময়ে। হিন্দু দেবদেবীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করা হত, হিন্দু ধর্মীয় প্রতীক ও আচারের বিরুদ্ধে ব্যঙ্গ করা হত।
ধাপ ৬। এইচআর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অভিযোগ দমন।
এই চক্রের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিক হল এইচআর ম্যানেজার নিজেই এই চক্রের অংশ ছিলেন। ফলে গত ৪ বছরে পীড়িতরা বারবার এইচআরে অভিযোগ জানালেও প্রতিবারই তা চাপা দেওয়া হয়েছে। এটি এই ঘটনাকে শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, একটি সাংগঠনিক ষড়যন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করে।
এবার দেখা যাক, অভিযোগ কীভাবে সামনে এলো?
মহিলা কর্মীদের পোশাকে আচমকা পরিবর্তন, হিন্দু আচার অনুষ্ঠান থেকে সরে যাওয়া, রোজা রাখা শুরু করা এবং বন্ধুদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া দেখে পরিবারের সদস্যরা সন্দেহ করেন। পরিবারের চাপে এবং পরিস্থিতি অসহ্য হয়ে ওঠায় ৯ জন মহিলা ও ১ জন পুরুষ কর্মী পুলিশে অভিযোগ করেন।
মহিলা আন্ডারকভার পুলিশ অফিসার অফিসের ভেতরে পাঠানো হয়েছিল। প্রায় ৪০টি স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়, যেখানে অনুপযুক্ত আচরণের প্রমাণ মিলেছে। এসিপি ক্রাইম সন্দীপ মিটকের নেতৃত্বে এসআইটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশ পীড়িতদের সাথে বিশ্বাস অর্জন করে তাদের মুখ খোলাতে সক্ষম হয়, এবং ন্যূনতম ৫০ এরও বেশি পীড়িত আসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টিসিএস কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত সকলকে সাসপেন্ড করেছে এবং "জিরো টলারেন্স" নীতির কথা জানিয়েছে। টাটা সন্সের চেয়ারম্যান ঘটনাটিকে "অত্যন্ত উদ্বেগজনক" বলে মন্তব্য করেছেন। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নিতেশ রানে এটিকে "কর্পোরেট জিহাদ" আখ্যা দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন প্রায় ১৫ জন পীড়িত মেয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এটা "লাভ জিহাদ" না। এটা একটা কর্পোরেট নেটওয়ার্ক। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা, ক্যারিয়ারের লোভ, ব্ল্যাকমেল, এইচআর দিয়ে অভিযোগ দমন, এবং শেষে ধর্মান্তরণ। সিস্টেমেটিক। সাংগঠনিক। এবং দীর্ঘমেয়াদী।
আপনার পরিচিত কেউ যদি নতুন কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের আচরণ দেখেন, বা কাউকে এইভাবে বদলে যেতে দেখেন, একটু প্রশ্ন করুন। চুপ থাকবেন না। এই মেয়েগুলো ৪ বছর চুপ ছিল কারণ ব্যবস্থাটাই তাদের চুপ করিয়ে রেখেছিল। সত্যিকারের "খতরে মে" কারা আছে, সে প্রশ্ন উঠুক!
শেয়ার করুন। মানুষ জানুক।
** নিচের ছবিতে, পলাতক এইচ-আর ম্যানেজার নিদা খান। যাকে পুলিশ আর NIA খুঁজছে।
(শান্তনু সোম)
24/02/2026
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ভুলগুলো স্বীকার করুন এবং নিজেকে প্রশ্ন করুন যে আপনি আজ নিজেকে উন্নত করতে কী করেছেন।
যখন আপনার মনে হয় যে আপনি আপনার সর্বোচ্চ দিয়ে ফেলেছেন এবং আর পারছেন না, আসলে তখন আপনি আপনার ক্ষমতার মাত্র ৪০ শতাংশ ব্যবহার করেছেন।
•
আপনি যদি বড় কিছু অর্জন করতে চান, তবে আরামদায়ক জীবন ত্যাগ করতে হবে।প্রতিকূলতার মধ্যেই প্রকৃত উন্নতি লুকিয়ে থাকে।
•
আপনার জীবনের অতীত সাফল্য এবং কঠিন সময়গুলো জয় করার স্মৃতি একটি কাল্পনিক জারে জমা রাখুন। যখনই ভেঙে পড়বেন, সেখান থেকে সাহস সঞ্চয় করুন।
•
আপনার মন আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু হতে পারে আবার সবচেয়ে বড় বন্ধুও। মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে না শিখলে এটি আপনাকে সীমাবদ্ধ করে রাখবে।
•
আপনি যা ভয় পান, বারবার সেটিই করুন। ভয়কে জয় করার মাধ্যমেই আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।
•
ব্যর্থতা কোনো শেষ নয়, বরং এটি একটি ডেটা বা তথ্য যা আপনাকে শিখিয়ে দেয় আপনার কোথায় আরও কাজ করা প্রয়োজন।
•
অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা বন্ধ করুন। আপনার একমাত্র প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত আপনার গতকালের ভার্সনের সাথে।
•
অজুহাত দেওয়া বন্ধ করুন। প্রতিকূল পরিবেশ বা ভাগ্যকে দোষারোপ না করে নিজের বর্তমান অবস্থার জন্য নিজেকে দায়ী মনে করুন এবং তা পরিবর্তনের দায়িত্ব নিন।
•
যখন সবাই থেমে যায়, তখন আপনি আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এটাই আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে।
•
যন্ত্রণাকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করুন। জীবনের কষ্ট এবং অপমানকে ঘৃণা হিসেবে না দেখে সেগুলোকে নিজের লক্ষ্য অর্জনের শক্তি হিসেবে ব্যবহার করুন।
•
সবসময় 'স্টুডেন্ট' থাকুন। নিজেকে কখনোই সর্বজ্ঞ ভাববেন না। সবসময় নতুন কিছু শেখার এবং নিজেকে উন্নত করার মানসিকতা রাখুন।
•
শৃঙ্খলাই স্বাধীনতা। একটি কঠোর রুটিন এবং শৃঙ্খলা আপনাকে আপনার লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে, যা শেষ পর্যন্ত আপনাকে মানসিক মুক্তি দেবে।
•
সকালটাই হোক যুদ্ধের শুরু। দিনের শুরুতে সবচেয়ে কঠিন কাজটি শেষ করুন। এতে পুরো দিনের ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ তৈরি হবে।
•
আপনার জীবনের গল্প আপনার হাতে৷ আপনার অতীত যেমনই হোক না কেন, আপনার ভবিষ্যৎ আপনি নিজেই লিখছেন। তাই কলমটি নিজের হাতে রাখুন।
•
যেকোনো কঠিন কাজে নামার আগে মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করুন এবং সম্ভাব্য বাধাগুলো কীভাবে মোকাবিলা করবেন তা ভেবে রাখুন।
•
সাময়িক স্বস্তি ত্যাগ করুন। সাময়িক আরাম বা আনন্দ অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বড় অর্জনের জন্য তাৎক্ষণিক তৃপ্তি ত্যাগ করতে শিখুন।
•
নিজের কাছে সবসময় সৎ থাকুন। আপনি কতটা পরিশ্রম করছেন বা ফাঁকি দিচ্ছেন তা আপনার চেয়ে ভালো আর কেউ জানে না।
•
কখনো হাল ছাড়বেন না। পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক, শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়াই হলো একজন চ্যাম্পিয়নের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
#সংগৃহীত
11/02/2026
💥 পুরুষ কেন নারীকে বুঝতে বারবার ব্যর্থ হয় – কার্ল জুঙ্গ
(কার্ল জুঙ্গ: আধুনিক মনস্তত্ত্বের জনক, ফ্রয়েডের যোগ্যতম শিষ্য) সম্পর্কের শুরুটা প্রায়ই রঙিন স্বপ্নের মতো হয়। নারী যখন তোমার দিকে তাকায়, সে আসলে তোমাকে নয়, বরং তার কল্পনার তৈরি ‘তোমাকে’ দেখে। তুমি হয়তো সেই দৃষ্টিতে আশা কিংবা আকাঙ্ক্ষার ছায়া দেখতে পাও, আর ভাবো—সে বুঝি তোমাকেই চাইছে।
কিন্তু বাস্তবটা ভিন্ন। তুমি তখন কেবল একটি “পেইন্টিং”—একটি যাচাইযোগ্য অবজেক্ট। নারী মিলিয়ে নিচ্ছে—সে যা কল্পনা করেছে, তার সঙ্গে তুমি মেলে কি না। অথচ সেই কল্পচিত্র তুমি নও—না ছিলে কখনও।
কার্ল জুঙ্গ এই প্রবণতা নিয়ে আমাদের সতর্ক করেছেন। একজন দার্শনিকের গভীর উপলব্ধি এবং মনোবিদের সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ দিয়ে তিনি বলেছিলেন—নারীরা প্রকৃত পুরুষকে নয়, বরং তাদের মনের গোপনে গঠিত একটি “ফ্যান্টাসি পুরুষ”-কে ভালোবাসে।
আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, নারীরা নিজেরাও জানে না তারা প্রতারিত হচ্ছে। তারা ভাবে, তারা বাস্তব কাউকে নির্বাচন করছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা নির্বাচন করছে এমন একজনকে—যার চরিত্র তাদের মনের ভিতর বহু আগেই রচিত হয়েছে। আর সেই নাটকে “তুমি” কেবল একজন নিযুক্ত অভিনেতা।
যখন তোমার বাস্তব রূপ তাদের কল্পনার চরিত্রের সঙ্গে মেলে না, তখনই তারা নতুন ‘অভিনেতা’ খোঁজে। এই কল্পনার পুরুষ-চরিত্রকে জুঙ্গ বলেছিলেন "অ্যানিমাস"—নারীর অন্তরের পুরুষসত্তা। যখন এই অ্যানিমাস নিয়ন্ত্রণহীন হয়, তখন তা এক স্বৈরাচারে রূপ নেয় এবং নারীর সিদ্ধান্তকে চালিত করে।
পুরুষও এই ফাঁদে পড়ে। তারা ধরে নেয় নারীর আকর্ষণ মানেই আমন্ত্রণ। কিন্তু বাস্তবে তারা একটি মনের নাটকে ঠিক করা চরিত্রে অভিনয় করছে মাত্র।
এই কল্পনার জগৎ যখন ভেঙে পড়ে, তখন পুরুষ আহত হয়। যদিও তারা দোষী নয়। ইয়ুং বলেন, এই মায়াজাল থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো "ইন্ডিভিডুয়েশন"—অর্থাৎ নিজেকে সম্পূর্ণভাবে জানা ও প্রতিষ্ঠা করা।
ইন্ডিভিডুয়েশন মানে নিজের সত্তাকে অন্যের অনুমোদনের উপর নয়, নিজের আত্ম-উপলব্ধির উপর দাঁড় করানো। নিজের শক্তি ও দুর্বলতা—দুটোই মেনে নেওয়া। জুঙ্গ বলতেন, প্রকৃত পুরুষ তার অবচেতনের মুখোমুখি হয়—সে আর কারও কল্পনার পুতুল নয়, বরং নিজের বাস্তবতার নির্মাতা।
আধুনিক পুরুষের সবচেয়ে বড় দুঃখ হলো—নিজের স্বত্বাকে হারিয়ে অন্যের চাহিদার ‘পুতুল’ হয়ে ওঠা। তুমি একে প্রেম বা সমঝোতা ভাবতে পারো, কিন্তু ইয়ুং বলছেন—এটি আত্মপ্রতারণা। কারণ নারীরা প্রকৃত আকৃষ্ট হয় সেই পুরুষের প্রতি, যে রহস্যময় এবং নিজের পরিচয়ে স্বতন্ত্র।
এই সত্যকে উপলব্ধি করতে হলে দরকার নিঃসঙ্গতা, নিজের মনের গভীরে যাত্রা, নিজের ভেতরের নারীসত্তা—"অ্যানিমা"—কে চেনা এবং মেনে নেওয়া। জুঙ্গ বলতেন, এই পথে চললেই তুমি খুঁজে পাবে প্রকৃত স্বাধীনতা, এক নিঃস্বার্থ ও বাস্তব ভালোবাসা—যেখানে কল্পনার কোনো মায়া নেই।
এই পথ কঠিন, অনেকেই মাঝপথে থেমে যায়। কিন্তু যদি সাহস থাকে শেষ অবধি হাঁটার, তাহলে তুমি নিজের জীবনের প্রকৃত রচয়িতা হয়ে উঠবে। কার্ল জুঙ্গ তোমাকে সহজ পথ দেখাননি, বরং দিয়েছেন আত্ম-অনুসন্ধানের এক গভীর চ্যালেঞ্জ।
#সংগৃহীত
29/01/2026
যারা জু'য়া খেলেন— একটা সৎ প্রশ্ন করি—
অনেক দিন ধরে তো খেলছেন, একটু চোখে চোখ রেখে সত্যি করে বলেন তো—
▪️জু'য়া খেলে আজ পর্যন্ত কী উন্নতি করতে পেরেছেন?
▪️নতুন কোনো স্বপ্ন পূরণ হয়েছে?
▪️সংসারটা কি ভালো হয়েছে?
▪️মাথার ভেতরের টেনশন কি কমেছে?
▪️না কি শুধু দেনা, লস আর রাত জাগা বেড়েছে?
আপনি তো কম বুদ্ধি খাটাননি—
কখন কোন গেম, কোন ট্রিক, কোন সময় খেললে জিতবেন
সব হিসাব কষেই খেলেছেন।
কিন্তু দিন শেষে কী হয়েছে?
লস না খেয়ে কেউ কি ঘরে ফিরতে পেরেছেন?
একটা কথা খুব পরিষ্কার করে বলি—
অনলাইন জু'য়া এমনভাবে ডিজাইন করা যে আপনি হারবেনই।
হ্যাঁ, দুই-একদিন হয়তো জিতবেন, কিন্তু খেয়াল করে দেখবেন— যেই টাকা জিতেছেন, সেই টাকাই আবার ওই অ্যাপেই রেখে দিয়েছেন।
আজ না হোক কাল, আজ কম না হোক কাল বেশি—
সব টাকা সেখানেই শে'ষ হবে। এটাই ওদের প্ল্যান, এটাই ওদের বিজনেস মডেল।'
আপনি ভাবছেন— “আজকে তো জিতছি, কাল থেকে খেলব না।” কিন্তু কাল আবার খেলেন। কারণ জু'য়া শুধু টাকার নে'শা না, এটা মাথার নে'শা, আশা আর লো'ভে'র নে'শা।
আর সবচেয়ে ভয়ংকর সত্যটা কী জানেন?
জু'য়া'য় জিতলেও লস, হারলেও লস। জিতলে— লো'ভ বাড়ে, আরও খেলতে ইচ্ছে করে। হারলে— আগের লস তুলতে গিয়ে আরও খেলেন। দুই দিকেই আপনি শে'ষ।
জুয়া ধ্বং'স করে—
▪️সময়
▪️টাকা
▪️পরিবার
▪️সম্মান
▪️মানসিক শান্তি
আজ আপনি শুধু খেলছেন মনে হচ্ছে, কিন্তু ধীরে ধীরে আপনি নিজের ভবিষ্যৎটা নিজেই কে'টে ফেলছেন।
শেষে একটা কথা বলি— যে খেলায় ৯৯ জন হারবে আর ১ জন দেখানো হবে জিতেছে বলে, সেই খেলায় বুদ্ধিমান মানুষ কখনো নামে না।
নিজের জীবনের দাম দিন। জু'য়া ছাড়া ক'ষ্ট আছে, কিন্তু জু'য়া'র সাথে আছে নিশ্চিত ধ্বং'স। আজ থামলে— আজই জিতবেন।
সবাইকে সচেতন করতে শেয়ার করুন, একজনও যদি এই পোস্ট দেখে সঠিক পথে আসে, তাহলেই সার্থকতা।
#সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Tollygunje
Kolkata
700040