The Nadia Buzz

The Nadia Buzz

Share

This Page is based on about Nadia District's History and Culture, Full guidance of Nadia's culture

Photos from The Nadia Buzz's post 01/07/2026

আজ থেকে এই সময়সূচি অনুযায়ী চলছে

Image : সংগৃহীত

27/06/2026

অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই রাণাঘাটের ডা: চিণ্ময় রায়

27/06/2026

নামটা ইসকন, তাই ভাই/রাল, কাজটা পেলো অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন...

“মিড ডে মিলের দায়িত্ব পেয়েছে ইসকন!”—এই হেডলাইনটাই এখন ট্রেন্ডিং, আসল সত্যিটা হারিয়ে যাচ্ছে

দায়িত্ব পেয়েছে অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন। ইসকন-অনুপ্রাণিত, ঠিকই। কিন্তু আইনত, প্রশাসনিকভাবে এটা একটা আলাদা, স্বাধীন চ্যারিটেবল সংস্থা। রেজিস্ট্রির কাগজেই “ধ/র্মনিরপেক্ষ” লেখা আছে

কোনো কন্ভেন্ট বা মিশন চালিত হোস্টেলের খাওয়া নিয়ে ত/র্কে যাব না। এটাও সত্যি—ওখানে পোলাও-কালিয়া-কোরমা খেয়ে ছাত্ররা রোজ তৃপ্তির পোস্ট দেয় না

সেবার কাজ আলাদা, রোজ ২ কোটি থালা সামলানো আলাদা

দায়িত্ব দিতে গেলে অভিজ্ঞতা দেখতে হয়, তাই না?
রামকৃষ্ণ মিশন সেবা করে, শিক্ষা দেয়। কিন্তু অক্ষয় পাত্রের মতো মানুষকে খাওয়ানোর ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা ওদের নেই

হ্যাঁ, ২৫ বছর। প্রথমবার নয়

অক্ষয় পাত্র রান্না শুরু করেছে ২০০০ সাল থেকে। সিকি শতাব্দী হয়ে গেল। এই ক’বছরে ওরা শিখেছে কীভাবে ১৬টা রাজ্য + ৩টে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ২৫,৭৬৮টা স্কুল আর অঙ্গনওয়াড়িতে রোজ ২.৩৫ মিলিয়ন বাচ্চার থালায় গরম খাবার পৌঁছে দিতে হয়। কিছুদিন আগেই ওরা ৫০০ কোটি মিল সার্ভ করার মাইলস্টোন ছুঁয়েছে

আর ওদের রান্নাঘরে মানুষের হাতের ছোঁয়া লাগে না। পুরো কিচেন টাই অটোমেটেড, ISO স্ট্যান্ডার্ড এর Six Sigma মেথডোলজি ব্যবহার করে খাবার তৈরি হয়.. তাই খাবারে সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় নেই। এই লেভেলের টেকনোলজি আর স্কেল—ভারতে আর কার আছে? নেই। রামকৃষ্ণ মিশনেরও নেই

এবার আসি পশ্চিমবঙ্গের আসল ছবিতে। মিড ডে মিল নিয়ে যে স্ক্যা/ম, পাতে যে পচা আলু-জল ডাল-পোকা চাল উঠেছে—সেটা নতুন করে বলার কিছু নেই। যারা ফেসবুকে অক্ষয় পাত্র নিয়ে কাঁদছে, খোঁজ নিয়ে দেখুন তাদের সন্তান কোন স্কুলে পড়ে। হেরিটেজের মতো ৩০ হাজার টাকা মাসিক ফি নেওয়া ডে-বোর্ডিং স্কুলও নার্সারির বাচ্চাকে আমিষ দেয় না। তখন কিন্তু কেউ কান্না করে বলে না—“এত টাকা দিচ্ছি, বাঙালির বাচ্চা নন ভেজ পুষ্টি পাবে না কেন?”

এত দুর্নীতির পরেও বিরোধিতার একটাই পয়েন্ট—ডিম। যে ডিম সপ্তাহে একদিন মিলত, পচা ডিম নিয়েও হইচই হত। আর বছরে দু’বার চিকেন—যেটা অনেক জায়গায় “হা/লাল বিতর্কে” বন্ধ

বিরোধিতা করতে মন চাইলে করুন। কিন্তু বাচ্চার পাতে কি খাবার পড়ছে তার গুণগত মান নিয়ে করুন। সরকারকে বলুন—আপনারা আলাদা করে ডিম, কলা ডোনেট করুন। অক্ষয় পাত্রের ভাত-ডাল-সোয়াবিনের সঙ্গে ডিমের প্রোটিনও জুড়ে যাবে। বিতর্ক ডিম নিয়ে, মাংস নিয়ে নয়। মাংস ডোনেট করতে গেলেই “ধর্ম”, “হা/লাল-ঝট/কা” বেরিয়ে পড়বে। তাই লাফালাফিটা ডিম পর্যন্তই সীমাবদ্ধ রাখুন

সপ্তাহ তে একদিন ডিম এর বছরে হাতে গুনে কয়েকবার মাং/স খেয়ে পু/ষ্টি অর্জন না করে, প্রতিদিন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন উন্নত গুণমান যুক্ত খাবার পাচ্ছে কি না সেই দিকে নজর দেয়া উচিৎ...

নিচের ছবিটা অক্ষয় পাত্র কিচেনের। পাশে আপনার এলাকার স্কুলের মিড ডে মিলের রান্নাঘরের ছবিটা রাখুন। তফাতটা নিজেই বুঝে যাবেন।

প্রোটিন টা প্রোটিন ই হয়.. নিরামিষ বা আমিষ এ কিছু হয় না... বাচ্চার পুষ্টি নিয়ে রাজনীতি নয়। পাতে খাবার থাকুক, বিতর্ক নয়

সং গৃ হী ত

Want your business to be the top-listed Media Company in Krishnanagar Forest Office Area?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Krishnanagar City
Krishnanagar Forest Office Area
741101