General Guide
General knowledge questions
প্রশ্ন:- প্রথম জৈন গ্রন্থের নাম কী ?
উত্তর:- প্রথম জৈন গ্রন্থের নাম কল্পসূত্র।
প্রশ্ন:- জৈনদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম কী ?
উত্তর:- জৈনদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম দ্বাদশ অঙ্গ।
প্রশ্ন:- প্রথম জৈন গ্রন্থ কল্পসূত্র কে রচনা করেন ?
উত্তর:- প্রথম জৈন গ্রন্থ কল্পসূত্র রচনা করেন জৈন শ্রমন ভদ্রবাহু ।
প্রশ্ন:- তীর্থঙ্কর শব্দের অর্থ কী ?
উত্তর:- জৈনদের প্রধান ধর্মগুরুর নাম তীর্থঙ্কর।
প্রশ্ন:- পার্শ্বনাথ কে ছিলেন ?
উত্তর:- পার্শ্বনাথ ছিলেন জৈনদের তেইশতম তীর্থঙ্কর।
প্রশ্ন:- সর্বপ্রথম তীর্থঙ্করের নাম কী ?
উত্তর:- সর্বপ্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভদেব বা আদিনাথ।
প্রশ্ন:- জৈনদের শেষ তীর্থঙ্করের নাম কী ?
উত্তর:- জৈনদের শেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর( চব্বিশতম তীর্থঙ্কর ) ।
প্রশ্ন:- জৈন ধর্মের উৎপত্তির সময় কাল থেকে মহাবীর পর্যন্ত কতজন তীর্থঙ্কর ছিলেন ?
উত্তর:- জৈন ধর্মের উৎপত্তির সময় কাল থেকে মহাবীর পর্যন্ত সর্বমোট চব্বিশ জন তীর্থঙ্কর ছিলেন ।
প্রশ্ন:- পার্শ্বনাথ প্রচারিত চতুর্যামের সাথে মহাবীর কোন নতুন আদর্শ যোগ করেন ?
উত্তর:- পার্শ্বনাথ প্রচারিত চতুর্যামের সাথে মহাবীর অন্যতম আদর্শ হিসাবে সূচিতা বা ব্রহ্মচর্য আদর্শ যোগ করেন ।
প্রশ্ন:- জৈনদের দুটি প্রধান সম্প্রদায়ের নাম কী ?
উত্তর:- জৈনদের দুটি প্রধান সম্প্রদায়ের নাম শ্বেতাম্বর ও দিগম্বর।
প্রশ্ন:- নিগম কথার অর্থ কী ?
উত্তর:- নিগম কথার অর্থ বণিকসংঘ।
প্রশ্ন:- পূর্ব ভারতের কোন শহর দীর্ঘদিন মগধের রাজধানী ছিল ?
উত্তর:- পূর্ব ভারতের রাজগৃহ শহর দীর্ঘদিন মগধের রাজধানী ছিল ।
প্রশ্ন:- বুদ্ধের সমসাময়িক মগধের রাজা কে ছিলেন ?
উত্তর:- হর্ষঙ্ক বংশের রাজা বিম্বিসার বুদ্ধদেবের সমসাময়িক মগধের রাজা ছিলেন ।
প্রশ্ন:- বিম্বিসার কোন বংশের রাজা ছিলেন ?
উত্তর:- বিম্বিসার মগধের হর্ষঙ্কবংশের রাজা ছিলেন ।
প্রশ্ন:- মগধের কোন রাজা সর্ব প্রথম দক্ষিণ ভারতের বিস্তৃত অংশ জয় করেন ?
উত্তর:- মগধের রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যসর্ব প্রথম দক্ষিণ ভারতের বিস্তৃত অংশ জয় করেন ।
প্রশ্ন:- অশোক কবে সিংহাসনে বসেন ?
উত্তর:- অশোক খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৩অব্দে সিংহাসনে বসেন ।
প্রশ্ন:- আলেকজান্ডার কোন দেশের রাজা ছিলেন ?
উত্তর:- আলেকজান্ডার ইউরোপ মহাদেশের গ্রিসের ম্যাসিডোনিয়ার রাজা ছিলেন ।
প্রশ্ন:-মহাজন শব্দের অর্থ কী ?
উত্তর:- মহাজন শব্দের অর্থ বৃহত রাজ্য।
প্রশ্ন:- ষোড়শ মহাজনপদ কাকে বলা হত ?
উত্তর:- খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দিতে সমগ্র ভারতে যে ১৬টি আঞ্চলিক রাজ্যের উদ্ভব হয় , তাদের ষোড়শ মহাজনপদ বলা হত ।
প্রশ্ন:- ষোড়শ মহাজনপদ গুলির মধ্যে দক্ষিণ ভারতের একমাত্র মহাজনপদটির নাম কী ?
উত্তর:- ষোড়শ মহাজনপদ গুলির মধ্যে দক্ষিণ ভারতের একমাত্র মহাজনপদটির নাম অস্মক।
প্রশ্ন:- ষোড়শ মহাজনপদের মধ্যে দুটি প্রজাতান্ত্রিক রাজ্যের নাম কী ?
উত্তর:- ষোড়শ মহাজনপদের মধ্যে দুটি প্রজাতান্ত্রিক রাজ্যের নাম হল বৃজি ও মল্ল।
প্রশ্ন:- ষোড়শ মহাজনপদের মধ্যে কোন মহাজনপদ কালক্রমে সাম্রাজ্যে পরিনত হয় ?
উত্তর:- ষোড়শ মহাজনপদের মধ্যে মগধ কালক্রমে সাম্রাজ্যে পরিনত হয় ।
প্রশ্ন:- আলেকজান্ডার কবে ভারত আক্রমণ ?
উত্তর:- আলেকজান্ডার ৩২৭ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ভারত আক্রমণ ।
প্রশ্ন:- কোন বিদেশী জাতি প্রথম ভারত আক্রমণ করেন ?
উত্তর:-পারসিক জাতি( খ্রিষ্টপূর্ব ৫৫৮ অব্দে মগদরাজ বিম্বিসারের আমলে ) প্রথম ভারত আক্রমণ করেন ।
প্রশ্ন:- মগধের কোন রাজার রাজত্বকালে গ্রিক সম্রাট আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করেন ?
উত্তর:- মগধ
মগধের নন্দ বংশের শেষ রাজা ধননন্দের রাজত্বকালে গ্রিক সম্রাট আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করেন।
প্রশ্ন:- নন্দবংশের শেষ সম্রাট কে ছিলেন ?
উত্তর:- নন্দবংশের শেষ সম্রাট ছিলেন ধননন্দ।
প্রশ্ন:- আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের প্রাক্কালে উত্তর-পশ্চিম ভারতের দুটি রাজতন্ত্রী রাজ্যের নাম লেখো ?
উত্তর:- আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের প্রাক্কালে উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজতন্ত্রী রাজ্যগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল তক্ষশীলা ও পুরু।
প্রশ্ন:- তক্ষশীলার কোন ভারতীয় শাসক প্রথমে আলেকজান্ডারের বশ্যতা স্বীকার করেছিলেন ?
উত্তর:- তক্ষশীলার রাজা অম্ভি ভারতীয় শাসকদের মধ্যে প্রথম আলেকজান্ডারের বশ্যতা স্বীকার করেন।
১. প্রাণীদেহে শুষ্ক ওজনের কতভাগ প্রোটিন - ৫০%।
২. খাদ্যের উপাদান - ৬টি।
৩. আমিষের গঠনের একক - অ্যামাইনো এসিড।
৪. মানবদেহে কয়ধরনের অ্যামাইনো এসিড রয়েছে - ২০ ধরনের।
৫. মানুষের প্রধান খাদ্য - শর্করা।
৬. জলে দ্রবনীয় ভিটামিন - B,C।
৭. ঢেকি ছাটা চাল ও আটার ভিটামিন থাকে - থায়ামিন।
৮. দৈনিক জল পান করা উচিত - ৩-৪ লিটার।
৯. ব্রাইন বলা হয় - লবনের দ্রবনকে।
১০. পুষ্টির ইংরেজী শব্দ - Nutrition।
১১. কোষ গঠনে সাহায্য ও নিয়ন্ত্রন করে - ভিটামিন ই ও লাইসিন।
১২. কার্বোহাইড্রেট C:H:O এর অনুপাত - ১:২:১।
১৩. খাদ্যের কোন উপাদানটি মিষ্টি স্বাদযুক্ত - শর্করা।
১৪. FRUIT SUGAR বলা হয় - ফ্রুকটোজকে।
১৫. আমিষের শতকরা নাইট্রোজেন পরিমান - ১৬%
১৬. আমিষের মৌলিক উপাদান কয়টি - ৪টি
১৭. ইলিশের প্রোটিন আছে - ২০
১৮. মাছ থেকে কতভাগ প্রোটিন অাসে - ৮০ ভাগ।
১৯. আমিষের অভাবে হয় - ম্যারাসমাস রোগ।
২০. মহিষের দুধে শক্তির পরিমান - ১১৭ ক্যালরী।
২১. শক্তি উৎপাদক খাদ্য - শর্করা।
২২. ভিটামিন এভাবে রোগ - রাতকানা জেরপথ্যালমিয়া।
২৩. খাদ্যে ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় - ২০ ধরনের।
২৪. ভিটামিন বি - ২০ প্রকার।
২৫. প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের লৌহের প্রয়োজন - ৯গ্রাম।
২৬. খাদ্যের মধ্যে নিহিত শক্তির একক - কিলোক্যালরী।
২৭. Quetelet Index বলা হয় - BMI।
২৮. BMI- Body Mass index
২৯. দেহের চর্বি পরিমান নিদের্শক - BMI।
৩০. BMI- ওজন/(উচ্চতা)^২।
৩১. BMIএর অপর নাম - QLI।
৩২. বোরহানিতে পাওয়া যায় - ল্যাকটিক এসিড।
৩৩. ভিনেগার কী - অ্যাসেটিক এসিডের ৫% দ্রবন।
৩৪. তামাকে কোন পদার্থ থাকে - নিকোটিন, ক্যাফেইন।
৩৫. ধূমপান করার উপাদানটি নাম - Nicotina।
৩৬. সর্বপ্রথম এইডস চিহ্নিত হয় - আফ্রিকায়।
৩৭. পরিপোষক ইংরেজী শব্দ - Nurtrients।
৩৮. উৎপত্তিগত আমিষ - ২ প্রকার।
৩৯. মানবদেহে ওজনের মোট ক্যালসিয়াম - ২ভাগ।
৪০. মানবদেহে ওজনের মোট জল - ৬০ থেকে ৭৫ভাগ।
৪১. মানবদেহে ফসফরাসের প্রয়োজন - ৫গ্রাম।
৪২. এসিডোমিস হয় - জলের অভাবে।
৪৩. মানুষের মৃত্যু হয় - ১০% জলের অভাবে।
৪৪. মানবদেহের বৃদ্ধির সময়সীমা - ২০ থেকে ২৪ বছর।
৪৫. পুষ্টি - ৪ প্রকার।
৪৬. এইডসের ভাইরাসের নাম - HIV।
৪৭. এ পযর্ন্ত অ্যামোইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে - ২০ ধরনের।
৪৮. খাদ্যে ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় - ২০।
৪৯. স্নেহ - ২ প্রকার।
৫০. বিজ্ঞান শব্দের অর্থ - বিশেষ জ্ঞান।
৫১. স্নেহে দ্রবনীয় - ভিটামিন A,D,E,K।
৫২. ফল পাকানোর জন্য দায়ী - ক্যালসিয়াম কার্বোইড।
৫৩. HIV আক্রমন করে - রক্তে শ্বেতকনিকায় লিম্ফোসাইটকে।
৫৪. আমাশয় - ২ প্রকার। এমিবিক ও ব্যাসিলারি।
৫৫. ভাইরাস - প্রকৃত পরজীবী।
৫৬. ভাইরাসকে বলা হয় - অকোষীয় জীব।
৫৭. ছত্রাকে বলা হয় - মৃতজীবী জীব।
৫৮. অনুজীবকে বলা হয় -আদিজীব।
৫৯. প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান - বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক।
৬০. ধূমপানের উপাদানটির বিজ্ঞানিক নাম - Nicotiana Tabacum।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Raiganj
7NOSH*TGRAMGRAMPANCHAYAT