VISAMake

VISAMake

共有する

VISAMake, パスポート・ビザサービス, Taito-kuの連絡先情報、マップ、方向、お問い合わせフォーム、営業時間、サービス、評価、写真、動画、お知らせ。

24/05/2026

ইউরোপের কোন দেশে PR বা Citizenship পেতে কত সময় লাগে তা জানা থাকা দরকার যদি আপনার ইউরোপে সেটেল হওয়ার ইচ্ছা থাকে।

বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি কিংবা স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা থাকলে শুধু ভিসা পাওয়াই শেষ কথা নয় বরং ভবিষ্যতে Permanent Residence (PR) বা Citizenship পাওয়ার পথ কতটা সহজ, সেটাও আগে থেকে জানা খুব জরুরি। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই নিয়ম ও সময়সীমা ভিন্ন, তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটি পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার।

পর্তুগালঃ
যেমন, পর্তুগাল বর্তমানে অনেকের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় দেশ, কারণ এখানে সাধারণত ৫ বছর বৈধভাবে থাকার পর PR-এর জন্য আবেদন করা যায় এবং ১০ বছর পর Citizenship এর সুযোগ থাকে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন Citizenship এর সময় গণনা শুরু হয় আবেদন জমা দেওয়ার দিন থেকে, যা অভিবাসীদের জন্য বড় সুবিধা।

ইতালি ও জার্মানিঃ
ইতালিতে ৫ বছর পর PR এবং ১০ বছর পর Citizenship এর আবেদন করা যায়, তবে Student Visa তে কাটানো পুরো সময় সব ক্ষেত্রে গণনা নাও হতে পারে। অন্যদিকে জার্মানি এখন নাগরিকত্ব নীতিতে অনেক বেশি উদার। সাধারণভাবে ৫ বছর বৈধভাবে থাকলেই Citizenship এর আবেদন করা যায়, আর ভাষাগত দক্ষতা ও দ্রুত সামাজিক ইন্টিগ্রেশনের প্রমাণ থাকলে মাত্র ৩ বছরেও সেই সুযোগ মিলতে পারে।

ফিনল্যান্ড ও স্পেনঃ
ফিনল্যান্ডে ৪ বছর পর Permanent Residence এবং ৫ বছর পূর্ণ হলে Citizenship এর আবেদন করা যায়। স্পেনে ৫ বছর পর PR মিললেও Citizenship-এর জন্য সাধারণত ১০ বছর অপেক্ষা করতে হয় এবং Spanish Language ও Culture Test পাস করতে হয়।

বেলজিয়াম ও নরওয়েঃ
বেলজিয়াম দ্রুত প্রসেসিং ও তুলনামূলক সহজ নিয়মের কারণে অনেকের পছন্দের তালিকায় আছে। এখানে ৫ বছর বৈধভাবে বসবাস এবং নিয়মিত Tax Record থাকলে Citizenship-এর আবেদন করা যায়। নরওয়েতে ৩ বছর পর PR পাওয়া সম্ভব হলেও Citizenship-এর জন্য সাধারণত ৭ থেকে ৮ বছর বৈধভাবে থাকতে হয়।

ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডঃ
ফ্রান্সে সাধারণ নিয়মে ৫ বছর পর Citizenship এর সুযোগ রয়েছে, তবে ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করলে এই সময় ২ বছর পর্যন্ত কমে আসতে পারে। অবশ্যই ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতিতে দক্ষতা এখানে গুরুত্বপূর্ণ। সুইজারল্যান্ডে নাগরিকত্ব পেতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগে এবং স্থানীয় ভাষা জানা অত্যন্ত জরুরি।

ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডসঃ
ডেনমার্কে ইমিগ্রেশন নীতি তুলনামূলক কঠোর। এখানে PR পেতে প্রায় ৮ বছর এবং Citizenship পেতে ৯ বছর বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। নেদারল্যান্ডসে ৫ বছর পর Citizenship এর আবেদন করা যায়, তবে Dutch Integration Exam এবং পরিষ্কার Tax Record বাধ্যতামূলক।

অস্ট্রিয়া, চেক রিপাবলিক, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও গ্রীসঃ অস্ট্রিয়া, চেক রিপাবলিক, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও গ্রীস - এই দেশগুলোতেও সাধারণত ৫ বছর পর PR এর সুযোগ থাকে, আর Citizenship পেতে ৭ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্থানীয় ভাষা জানা এবং সামাজিকভাবে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার প্রমাণ দিতে হয়।

একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, ইউরোপের বেশিরভাগ দেশে Citizenship এর জন্য ভাষা দক্ষতা (সাধারণত B1 বা তার বেশি), নিয়মিত Tax ও Social Security প্রদান, এবং পরিষ্কার আইনি রেকর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক দেশে Student Visa-এর সময় আংশিকভাবে গণনা করা হয়, তাই পরিকল্পনা করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের Immigration Policy ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত।

VISAMake #viralvideoシ

23/05/2026

“স্থায়ী নাগরিকত্ব ( ) কোনো অধিকার নয়, এটি সরকারের দেওয়া #অনুমতি মাত্র”
— #জাপানি_মন্ত্রী_কিমি_ওনোদা
জাপানের স্থায়ী রেসিডেন্সি ( ) সিস্টেম নিয়ে এক লাইভ টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রভাবশালী মন্ত্রী কিমি ওনোদা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, স্থায়ী নাগরিকত্ব বা পিআর (PR) কোনো প্রবাসীর স্বয়ংক্রিয় অধিকার বা 'এনটাইটেলমেন্ট' নয়। বরং এটি সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি বিশেষ মর্যাদা বা 'অনুমতি', যা কেবল কঠোর শর্ত পূরণ করলেই বজায় রাখা সম্ভব।

তার এই মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদী অভিবাসন নীতি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

🔍 কী নিয়ে এই বিতর্ক?

কিমি ওনোদার এই কড়া অবস্থানের পর জাপানের সচেতন মহল এবং প্রবাসী কমিউনিটি মূলত দুই ভাগে বিভক্ত. হয়ে পড়েছে:

সমর্থকদের যুক্তি: ওনোদার বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে একদল বলছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও কর ফাঁকি রোধে পিআর ব্যবস্থার ওপর সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত। নিয়ম না মানলে বা কর ফাঁকি দিলে স্থায়ী নাগরিকত্ব বাতিলের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই স্বাভাবিক।

সমালোচকদের উদ্বেগ:
অন্যদিকে প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা কর্মীরা এবং দীর্ঘদিনের বিদেশি বাসিন্দারা এই বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, যারা বছরের পর বছর জাপানে বসবাস করছেন, কাজ করছেন এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন, তাদের স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে আরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব দেওয়া উচিত। নিয়মের বেড়াজালে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করা ঠিক নয়।

📉 প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ

বর্তমানে জাপান তীব্র শ্রমিক সংকট এবং জনসংখ্যা হ্রাসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে বিদেশি কর্মীদের প্রয়োজন, অন্যদিকে দেশের নিজস্ব আইন ও নিয়মের কঠোর প্রয়োগ ধরে রাখাও সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কিমি ওনোদার এই বক্তব্য জাপানের সেই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকেই আবার সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে

🔥 ওনোদার মূল বার্তা:
"আমাদের দেশে স্থায়ী নাগরিকত্ব কোনো চিরস্থায়ী অধিকার নয়, এটি একটি অনুমতি (Permit)। দেশের নিয়ম মেনে চললেই কেবল এই মর্যাদা বজায় থাকবে।"

👇
#বাংলানিউজ

あなたの事業を旅行会社のトップリストTaito-kuにしたいですか?
ここをクリックしてあなたのスポンサー付きリスティングを獲得。

電話番号

ウェブサイト

住所


Taito-ku, Tokyo

営業時間

月曜日 10:00 - 20:00
火曜日 10:00 - 20:00
水曜日 10:00 - 20:00
木曜日 10:00 - 20:00
土曜日 10:00 - 20:00
日曜日 10:00 - 20:00