Md Mahmudul Hasan
সত্যের সন্ধানে সর্বদাই অবিচল! আমরা গড়?
16/06/2026
The Ka’bah adorned in the new Kiswah this morning
29/05/2026
পুরো সৌদি আরবের মানচিত্র এবং বড় বড় শহর গুলো একসাথে 🇸🇦
25/05/2026
এহরাম পরা অবস্থায় যারা আল্লাহর ঘরে মারা যান,
তাদের কাফন ও দাফন করার সময় মাথা ও মুখ ঢাকা
হয় না— যা এই ছবিতে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
কারণ তারা হলেন সেই পরম ভাগ্যবান এবং আল্লাহর বিশেষ মেহমান, যাদের সম্পর্কে দয়ার নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ বলেছেন:
"কিয়ামতের দিন এই হাজিরা তাদের কবর থেকে 'লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' (আমি হাজির হে আল্লাহ, আমি হাজির) বলতে বলতে লব্বাইক ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে উঠবেন।
25/05/2026
মু’তার যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগময় ঘটনা।
রাসূলুল্লাহ ﷺ ৮ হিজরিতে প্রায় ৩০০০ সাহাবির একটি বাহিনী প্রেরণ করেন মু’তা অঞ্চলে (বর্তমান জর্ডান এলাকায়)। কারণ, মুসলিম দূতকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছিল, যা ছিল চুক্তি ভঙ্গের গুরুতর অপরাধ। এই বাহিনীর নেতৃত্ব ধারাবাহিকভাবে তিনজন সাহাবির হাতে ছিল:-
প্রথমে যায়েদ ইবনে হারিসা
এরপর জাফর ইবনে আবু তালিব
এবং পরে আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা
রাসূল ﷺ নির্দেশ দিয়েছিলেন,যদি একজন শহীদ হন, তবে পরবর্তীজন নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। মুসলিম বাহিনী সেখানে পৌঁছে দেখে বিপরীতে রোমান ও তাদের মিত্রদের বিশাল সেনাবাহিনী। সংখ্যায় মুসলমানরা খুবই কম ছিল, কিন্তু তাদের ঈমান ছিল পাহাড়ের মতো দৃঢ়।
প্রথমে যায়েদ ইবনে হারিসা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন। তিনি ঘোড়া থেকে নেমে যুদ্ধ শুরু করেন, যেন কেউ মনে না করে তিনি পালাচ্ছেন। তিনি ইসলামের পতাকা শক্ত করে হাতে ধরেন। শত্রুর আঘাতে তাঁর ডান হাত কেটে যায়। তিনি সাথে সাথে বাম হাতে পতাকা তুলে নেন। এরপর বাম হাতও কেটে ফেলা হয়।
তবুও তিনি পতাকা মাটিতে পড়তে দেননি।
তিনি নিজের বুক ও শরীর দিয়ে পতাকাকে আঁকড়ে ধরে রাখেন। অবশেষে তিনি অসংখ্য আঘাতে শহীদ হন।
মদিনায় বসেই রাসূলুল্লাহ ﷺ আল্লাহর পক্ষ থেকে যুদ্ধের খবর পান। তিনি সাহাবিদের জানান, যায়েদ শহীদ হয়েছেন, তারপর জাফর শহীদ হয়েছেন, এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা শহীদ হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তাঁকে জান্নাতে দুই ডানা দিয়েছেন এবং তিনি সেখানে উড়ছেন। এজন্য তাঁকে “জাফর আত-তাইয়ার” (ডানাওয়ালা জাফর) বলা হয়।
মু’তার যুদ্ধের গল্প শুধু ইতিহাস নয়, এটা জীবনের জন্য এক নীরব অনুপ্রেরণা। হজরত জাফর ইবনে আবু তালিব আমাদের শেখান:-
একজন মানুষ কতটা দৃঢ় হতে পারে, যখন সে তার বিশ্বাসকে ভালোবাসে। দুটি হাত হারানোর পরও তিনি পতাকা ছাড়েননি। কারণ তার কাছে পতাকা শুধু কাপড় ছিল না, এটা ছিল সত্য, দায়িত্ব আর আদর্শের প্রতীক।
>দায়িত্ব যাই হোক, মাঝপথে ছেড়ে দিও না
>চাপ এলে ভেঙে পড়ো না, শক্ত থাকো
>সত্য ও নীতির সাথে আপস করো না
>লক্ষ্য বড় হলে কষ্ট ছোট মনে হয়
জীবনে অনেক সময় আমরা ছোট সমস্যায় থেমে যাই। “যে মানুষ নিজের বিশ্বাস ধরে রাখতে পারে, সে কখনো হেরে যায় না।” জাফর ইবনে আবু তালিব–এর জীবন আমাদের জন্য একটি বার্তা: সত্যের পথে দাঁড়িয়ে থাকাই আসল শক্তি।.....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Al Rusaifa
Mecca