Team Legion - Hackers and Security Researchers

Team Legion - Hackers and Security Researchers

Share

OFFICIAL FAN PAGE OF TEAM LEGION HACKERS
https://t.me/teamlegion_hackers

03/17/2026

মৃ/ত্যু/র আগে কারন জানিয়ে গেল শিশুটি।

বরিশালের উজিরপুরে রোববার এ ঘটনা ঘটে।

Full video: https://www.facebook.com/reel/943456695047387/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

03/09/2026

ভারতের বিহারে ৪০ বছর বয়সী মুসলিম নারী রোশন খাতুনকে নির্মমভাবে মারধর এবং জোরপূর্বক প্রস্রাব পান করানোর অভিযোগ উঠেছে গ্রামপ্রধান কুমারী দেবীর পরিবারের বিরুদ্ধে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোশন খাতুন গত রবিবার রাতে পাটনায় মারা যান।

Photos from Team Legion - Hackers and Security Researchers's post 03/08/2026

ভিডিওটা দেখে চোখের কোনে পানি চলে এসেছে।
বৃদ্ধ লোকটা বারবার বলতেছে—
বাবা আমি রোজা রেখেছি আমি চুরি করিনি, আমি রোজা রেখেছি আমি চুরি করিনি,আমি ভিক্ষা করে খাই।
উনি বলতেছে মানিব্যাগ নিচে পড়ে গেছে তাই যার মানিব্যাগ তাকে দিতে পিছে পিছে গেছে।
তারপরেও উনার কলারটা ধরে রাখাটা কি উচিত হয়েছে?
উনার চেহারা দেখে অন্তত আমার মনে হচ্ছেনা যে উনি মানিব্যাগ চুরি করেছে।

03/08/2026
03/07/2026

তাঁর নাম রওশন খাতুন। তিন সন্তানের জননী। বয়স ৪০ বছর। সে ছিল পবিত্র কুরআনের হাফেজা। নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন। পর্দাও করতেন।

সেদিনও তিনি রোজা রেখেছিলেন। বিহার রাজ্যের মধুবনী জেলার এক গ্রাম প্রধান তাকে ডেকে নেয়। জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য গ্রামের প্রধান কুমারী দেবীর বাড়িতে যান।

প্রধানের স্বামী ও ছেলের নেতৃত্বে একদল লোক খাতুনকে চেপে ধরে লাথি ও ঘুষি মারতে থাকে। পরে প্রধানের নির্দেশে তাকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে আরও মারধর করা হয়।

একপর্যায়ে রৌশন খাতুন একটু পানি চান। তিনি যখন পানি চান, তখন কেউ একজন বলে তাকে মদ মিশ্রিত প্রস্রাব দিতে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় প্রধান যখন তাকে বড় একটি বাঁশ দিয়ে আঘাত করেন, তখন তিনি মাটিতে পড়ে যান। এরপর তারা তার ওড়না খুলে নিয়ে যায়, পর্দানশীন এই হাফেজাকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ফেলে।

তারা তাকে প্রস্রাব দিয়েছে। সেই প্রস্রাব দিয়ে মুখ ধুয়ে সেই প্রস্রাব পান করতে তাকে বাধ্য করা হয়। রোজা ভাঙার জন্য ভারতের এক মুসলিম নারীর জন্য এটাই ছিল আয়োজন।

এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই ঘটনাটা কেবল আলোচনায় এসেছে।

ভারতে সংখ্যালঘু গরিব মুসলমানদের অবস্থার কথা আসলে কখনও কল্পনাও করা যায় না! এত নিকটেই কত অমানুষের বাস!

বাংলাদেশ রাষ্ট্র এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে একটা বিবৃতিও কি দিতে পারত না? মানবাধিকার কেবল কোনও রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় না!

রওশন খাতুন মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যু আমাদের সবার জন্য লজ্জার। কিন্তু গোটা ভারতে এই মৃত্যুকে উদযাপন করার মত লোকেরও কমতি নেই!

03/07/2026

এই প্রজন্ম বেয়াদব নয়,,এই প্রজন্ম সত্যবাদী,, এই প্রজন্ম প্রতিবাদীও ন্যায়পরায়ণ, সাহসী।
স্যালুট Asif Mahmud Shojib Bhuyain

আমার মানিয়ে কিংবা সমঝোতা করে চলতে না পারার ক্যারেক্টারটাই নিজের এবং আশেপাশে যারা থাকে সকলের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। আজ ১১ মাসের অনুসন্ধানের পর কোন প্রমাণ না পেয়ে মোয়াজ্জেমকে নিষ্পত্তি দিয়েছে দুদক। অথচ এই ১১ মাসে কয়েক হাজার নিউজ, ন্যারেটিভ ছড়িয়ে তার এবং তার পরিবারের জীবন দুঃসহ করে তোলা হয়েছিল।

এমনকি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা নিতে দেশের বাইরে যেতে পারেনি। সোশ্যাল মিডিয়া ও মিডিয়ার হ্যারাসমেন্টে কয়েকবার আত্মহত্যা চেষ্টার কথাও পরিবার এবং বন্ধুদের কাছ থেকে জেনেছি। সত্য আজ হোক কাল হোক সামনে আসেই। কিন্তু এখানেও মিডিয়ায় মিথ্যার মতো জোরেশোরে প্রচার পায় না।

এই দেশে মিডিয়া দিয়ে এতিমের টাকা মেরে খাওয়ার ন্যারেটিভ উৎপাদন করে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই বেগম খালেদা জিয়াকে জেল বন্দি করে রাখা হয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থান না হলে হয়তো জেল বন্দি অবস্থাতেই তাঁকে হারাতাম আমরা। যেদেশে তিন বারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে এমন আচরণ করা যায়, সেখানে আমরা কি জিনিস?

যখন কোন বৈধ উপায়ে কাউকে দমন করা যায় না। কোন ধরণের অনিয়ম, দূর্নীতির প্রমাণ হাতে থাকে না, তখন এই মিডিয়া ট্রায়াল এবং ন্যারেটিভ নির্মাণের পথ বেছে নেওয়া হয়৷ গোয়েবলসের সূত্রের মতো মিথ্যাটাই এতোবার আপনাকে দেখানো এবং শোনানো হবে যে আপনি সেটা বিশ্বাস করে ফেলবেন কিংবা সন্দেহে পরে যাবেন। ফলে ঐ মিথ্যার ভিত্তিতেই যে কাউকে নিপীড়ন করা একধরনের বৈধতা পেয়ে যাবে।

অথচ এর কিছুই ঘটতো না।

- যদি আমি সরকারের সিদ্ধান্ত ও আইনি জটিলতা উপেক্ষা করে সমঝোতা করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে শপথ পড়াতাম।
- যদি খুনি, ফাঁসির আসামী শেখ হাসিনাকে সেলিব্রেট করা ফ্যাসিস্ট এমপি সাকিব আল হাসানকে সাদরে দেশে নিয়ে আসতাম।
- যদি তাদের কথামতো শাপলা চত্বর আর মোদি বিরোধী আন্দোলনের শহীদদের স্বীকৃতি না দিতাম।
- যদি বিসিবিতে অবৈধভাবে সিন্ডিকেটের (বিশাল ৭ নেতার ৭ ছেলেসহ) কমিটিকে বসাতাম।
- যদি আওয়ামিলীগের নির্বাচন করার ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে না দাঁড়াতাম।
- যদি স্টাবলিশমেন্টের ক্ষমতার লোভকে সায় দিয়ে গণতন্ত্র ধূলিস্যাৎ হতে দিতাম।
- যদি তাদের বাঁধা স্বত্বেও ফেলানী সড়কের নামকরণ না করতাম।
- যদি কুমিল্লার মুরাদনগরে আমার জন্ম না হতো।

এমন আরো কয়েকশ কারণ দেওয়া যাবে যেখানে সমঝোতা করিনি। নীতির উপর অটল থেকেছি। শক্তিশালী প্লেয়ারদের সাথে সমঝোতা করে ফেললেই খুব আরামে থাকা যেতো। কেউ জ্বালাতন করতো না, বরং তারাই দায়িত্ব নিয়ে আমি কোন অপকর্ম করলেও তা ধামাচাপ দিতো। নিত্যদিন চোথা পাঠিয়ে নিউজ করে চরিত্রহনন করতো না।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভালো মানুষ এসেও খারাপ হয়ে যায় ঠিক এই কারণেই। শক্তিধরদের সাথে সমঝোতা না করে, তাদের এজেন্ডায় পরিচালিত না হয়ে এখানে বেঁচে থাকাও কঠিন।

Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization in Austin?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


4857 Short Street
Austin, TX
78701